somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্রে জিয়া তাহের জড়িত ! কর্নেল খন্দকার

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফেরারি আসামি লে· কর্নেল (অবঃ) খন্দকার আবদুর রশিদ বলেছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান এবং কর্নেল (অবঃ) তাহের বঙ্গবন্ধু হত্যা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের গ্রামীণফোন তৃতীয় মাত্রায় দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সম্প্রতি দেশের বাইরে তৃতীয় মাত্রার উপস্থাপক জিলুর রহমান বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনি কর্নেল (অবঃ) রশিদের এই এঙ্কুসিভ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।

চ্যানেল আইয়ের সাথে উক্ত সাক্ষাতকারের সংবাদ আজ দৈনিক যুগান্তরে....

যুগান্তরকে জিলুর রহমান জানিয়েছেন, টানা পাঁচদিনে তিনি এ সাক্ষাতকারটি গ্রহণ করেন। মঙ্গলবার রাত ১টা থেকে পরপর পাঁচদিন চ্যানেল আই তৃতীয় মাত্রায় সাক্ষাতকারটি দর্শকরা দেখতে পাবেন। গতকাল রাতেই প্রথম পর্ব প্রচারিত হয়।
এই সাক্ষাতকারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রোপট, মুক্তিযুদ্ধ, ভারত সম্পর্কে তার মনোভাব, যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে বিতর্ক এমনকি জাতির পিতা ও স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে অকপটে খোলামেলা কথা বলেছেন কর্নেল (অবঃ) রশিদ। সারাদিন মঙ্গলবার তার সাক্ষাতকারের কিছু বক্তব্য চ্যানেল আই সংবাদে প্রচারিত হলে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
সাক্ষাতকারে কর্নেল (অবঃ) রশিদ বলেন, ’৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগে তৎকালীন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান তাকে ডেকে পাঠান। সেখানে কর্নেল তাহেরও ছিলেন। ওই বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার বিষয়ে আলোচনা হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল (অব·) রশিদ অকপটে বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন শেখ মুজিব বাংলাদেশের জাতির পিতা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ভূমিকার জন্য তাকে সম্মানিত করা উচিত। কেউ কেউ জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বললেও তিনি তা বলতে নারাজ। তিনি মনে করেন, রেডিওতে জিয়ার এক মিনিটের বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধে সহযোগী শক্তি হিসেবে কাজ করেছে, সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ করতে ভূমিকা রাখে এবং যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে ভারতে চলে যায় তাদের মনোবল শক্ত করতে সাহস যোগায়। তার মানে এই নয়, তিনি স্বাধীনতার ঘোষক। সে সময় শফিউলাহসহ জিয়ার অনেক সিনিয়র আর্মি অফিসারও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
মৃত্যুদণ্ড মাথায় নিয়ে ফেরারি জীবন-যাপন করে কিভাবে ভালো আছেন ৈএ প্রশ্নের জবাবে কর্নেল (অব·) রশিদ বলেন, ব্যক্তিস্বার্থে তিনি কিছু করেননি। তার অ-রে যে বিশ্বাস তা-সহ মুসলমান হিসেবে সবকিছুর জন্য তিনি আলাহর কাছে দায়ী।

তিনি যা করেছেন তার জন্য আলাহর কাছে জবাবদিহি করতে পারবেন যে, তার আ-রিকতার মাঝে কতটুকু সত্য ছিল। কর্নেল (অব·) রশিদ বলেন, তিনি পারিবারিকভাবে যেভাবে তিগ্র- হয়েছেন অন্য কেউ হলে টিকে থাকতে পারত না। কিন্’ তার মনের শক্তি ও জনগণের দোয়া আছে বলেই তিনি ভালো আছেন। তিনি বলেন, তার জীবনের ঝুঁকি একাত্তর ও ১৫ আগস্টের চেয়ে এখন অনেক কম। তিনি বিশ্বাস করেন, তাকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বলা হলেও আলাহ যেদিন চাইবেন, যেভাবে চাইবেন সেভাবেই মৃত্যু হবে। এক মিনিট আগেও না, এক মিনিট পরেও না।

তিনি জানান, ১৯৪৬ সালের ৬ ডিসেম্বর কুমিলার চান্দিনা থানায় তার জন্ম। শৈশবে গ্রামের স্ড়্গুলে লেখাপড়া করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর পাকি-ান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে বিয়ে করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কর্নেল (অব·) ফারুক সম্পর্কে তার ভায়রা। ১৯৭৩ সালে তার শ্যালিকাকে ফারুক বিয়ে করেন। তার বাসভবনেই দু’জনের পরিচয় ও মন দেয়া-নেয়ার পর দু’পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের অক্টোবরে কর্নেল (অব·) রশিদ পাকি-ান থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। কর্নেল (অব·) ফারুক তখন ডেপুটেশনে আবুধাবিতে ছিলেন। তিনি যোগ দেন ১২ ডিসেম্বর।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভাবনাটা কেমন ছিল ৈএমন প্রশ্নের জবাবে কর্নেল (অব·) রশিদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করা নিয়ে তিনি অনেক চিন্তাভাবনা করেছেন। স্বাধীনতা সংগ্রাম প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছিল এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম ব্যর্থ হতে দেয়া যায় না ৈএই চি-া থেকে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তার মতে, পরিস্থিতি যেদিকে গড়িয়েছিল তাতে মুক্তিযুদ্ধ অনিবার্য হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষ করে ১৯৭০-এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিব মেজরিটি অর্জনের পর যখন ক্ষমতা হ-া-র করল না তখন গণতান্ত্রিক অধিকার রায় জনগণ ব্যাপক অংশগ্রহণ করে। শেখ মুজিব যতটুকু যাওয়ার ততটুকুই গেছেন। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিব পরিস্কার বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ৭ মার্চের ভাষণ তিনি রেসকোর্স ময়দানে উপস্থিত হয়ে শুনেছেন। তিনি জনগণের আকাা দেখে বুঝতে পেরেছেন, জনগণ প্রস্’ত। ৭ মার্চের ভাষণের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে পূর্ব পাকিস্তানি পিআর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে পাঠানো হয়।

তিনি জানান, ওই সময় সেনাবাহিনীতে কনফেডারেশন নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হতো। তিনিও মনে করতেন, কনফেডারেশন হলে মুসলমান দেশটির জন্য ভালো হয়। কর্নেল অলিসহ কেউ কেউ মনে করেন, ২৫ মার্চ রাত থেকে ১৭ এপ্রিল সামরিক যুদ্ধ ছিল। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা ছিল না। এ ব্যাপারে আপনার ম-ব্য কী? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা এভাবে কথা বলেন সেটা আত্মপ্রচার ছাড়া কিছু নয়। তাদের দাবির কোন সত্যতা নেই।
কর্নেল রশিদ বলেন, যদি সার্ভিস হোল্ডার হিসেবে যুদ্ধের কথা বলেন তাহলে সেটা যুদ্ধ হয় না। সামরিক বাহিনীর ভেতর বিদ্রোহ হয়। কর্নেল অলি যদি মনে করেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা ছিল না সেটা হবে তার ভুল ধারণা। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা তখনই হল, যখন রাজনৈতিক নেতৃত্ব সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল। ৭ মার্চের পর মুজিবকে আটক করা পর্য- পাক আর্মি আওয়ামী লীগ কর্মীদের সঙ্গে লড়েছে। ৭ মার্চের ভাষণ জিয়া দেননি, মুজিব দিয়েছেন। এসব বিবেচনা করলে বলবেন, যারা জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক বানাতে চায় তাদের বক্তব্য ঠিক নয়। শেখ মুজিবের যা পাওনা তা তাকে দেয়া উচিত। জিয়াকেও তার প্রাপ্য দেয়া উচিত।
একই জেলা কুমিলায় বাড়ি হলেও এবং নামের পদবি খন্দকার হলেও খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে তার কোন আত্মীয়তা নেই বলে জানান কর্নেল (অব·) রশিদ। মুক্তিযুদ্ধ দীর্ঘ হওয়া উচিত ছিল কিনা ৈএমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারতের জন্য তখন অবশ্যই একটা সুযোগ এসেছিল এবং তা তারা নেবেই। পাক-ভারত যুদ্ধ বহুবার হয়েছে এবং ফাইনাল রেজাল্ট ছাড়াই শেষ হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতেই অনেকে ভারত চলে যায়।

প্যারা-মিলিটারিতে যোগ দেয় এবং তারা সরকার গঠন করে। যে সরকার গঠন হয়, অবশ্যই জিয়া তার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। সবাই পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়ায় তাদের থাকা-খাওয়া সবই ভারতের ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাদের দীর্ঘদিন বোঝা বহনের অর্থনৈতিক মতা ছিল না। এ সুযোগে তারা জেতার আগ্রহ নিয়ে কাজ করে। তার মতে, ভারত বড় দেশ হলেও ভারতীয় আর্মির চেয়ে পাকি-ানি আর্মির ফাইটিং দতা এখনও অনেক বেশি। ’৭১-এ ভারত একা জয়ী হতে পারত না যদি বাংলাদেশের জনগণের অংশগ্রহণ না থাকত। তিনি একাত্তরে ভারতের সহযোগিতার জন্য ভারতকে যেমন ধন্যবাদ জানান, তেমনি একাত্তরে পাক আর্মির রেখে যাওয়া অনেক জিনিস ভারত নিয়ে যাওয়ায় অসে-াষ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের টাকা ভারত প্রিন্ট করতে গিয়ে ডুপিকেট প্রিন্ট করে। তারা সীমা- খুলে দেয়। এতে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর আঘাত আসে।


বঙ্গবন্ধুর সাধারণ মা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে বা রাজনৈতিকভাবে মানুষ মাত্রই ভুল করে। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ মা ছিল সঠিক সিদ্ধা-। এ নিয়ে যদি কেউ আবারও ইস্যু করে তা ঠিক হবে না। আমাদের রাজনীতিবিদরা ছোটখাটো ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করেন। এসব বাদ দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার। স্বাধীনতার পর কি জাতীয় সরকার গঠন ভালো হতো না? এই প্রশ্নের জবাবে কর্নেল (অব·) রশিদ বলেন, ’৭০-এর জয়লাভের কারণে আওয়ামী লীগের সরকার গঠন সঠিক ছিল। ’৭২-এর সংবিধান ছিল গণতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। পরে সরকার অনেক ভুল করেছে, যা পরের পর্বে আলোচনা করবেন।
মিথ্যাচার ঃ ইনু

বঙ্গবন্ধু হত্যা পরিকল্পনায় কর্নেল তাহেরের সংশিষ্টতা সম্পর্কে কর্নেল রশিদের ম-ব্যকে ‘ডাহা মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তাহেরের রাজনৈতিক ভাবধারার অনুসারী ও জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু। গত রাতে বিবিসিকে দেয়া এক সাাৎকারে ইনু বলেন, রশিদ ডাহা মিথ্যা কথা বলেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তারা নিজেরাই বহুবার এ হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। যারা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আটক রয়েছেন তারা আত্মপ সমর্থন করেছেন। আদালত তাদের বক্তব্য শুনেছেন। এ মামলায় সাø-প্রমাণ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কেউ কখনোই কর্নেল তাহেরের সংশিষ্টতা দাবি করেননি। তিনি বলেন, যারা বিদেশে পলাতক তারাও এ ব্যাপারে গত ৩০ বছরে একটি কথাও বলেননি। এটা সম্পূর্ণ বানোয়াট একটা দাবি।

ইনু বলেন, আসামিরা বুঝতে পারছে তাদের গলায় আে- আে- ফাঁসির দড়ি সংকুচিত হয়ে আসছে। এ কারণেই তারা সবার মনোযোগ অন্যদিকে ঘোরানোর জন্য এসব বিভ্রাি-মূলক কথা বলছেন। কর্নেল রশিদ তার সঙ্গে জিয়াউর রহমান ও কর্নেল (অব·) তাহেরের বৈঠক হয়েছিল বলে যে দাবি করেছেন ইনু তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কর্নেল তাহেরের কোন আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। তবে টেলিফোনে কথাবার্তা হতো।

**** দৈনিক যুগান্তর ****

৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×