আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৪ বিখ্যাত খাবার - আমজাদ সুজন
- কলসেন্টার বিষয়ে কয়েকটি পোষ্ট। - বিডিট্রন
- প্রয়োজনীয় টুকিটাকি টিপস্.....! - মানবী
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- মডারেশন ১০১ (অথবা উইকিপিডিয়াতে মডারেশনের প্রথম পাঠ) - রাগিব
- মুজিব নাকি ৩ লাখ না বলে আবেগে ৩০লাখ শহীদের কথা তখন মিডিয়ায় বলেছিল। আসল তথ্য জানতে হলে - - এ এক অন্য আই
- আপলোড করেছি নতুন একটি বাংলা কুরআন - ফ্রি ডাউনলোড করুন - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- অতীব গুরুত্বপূর্ণ- ফলের ঔষধি গুণ - আশফাকুর রহমান
- "ইয়াবা" আবিষ্কারের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন ! - ভাস্কর চৌধুরী
- বন্ধু এসো মন ভাসাবো...... - সাতিয়া মুনতাহা নিশা
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- গুগল কথন ৫ - কর্মীরা যেখানে রাজা - রাগিব
- বিবিসিতে বাংলাদেশের ইন্টারনেট মনিটর করার খবরের সত্যতা মিলেছে - রেজওয়ান
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ১৯৭১ :: কিভাবে দেখে পাকিস্তানী তরুন-তরুনীরা - অরূপ
৭১ এর যুদ্ধাপরাধীর একটা তালিকা সরকারের প্রকাশ করা দরকার বলে মনে করছি। আপনি কি মনে করেন?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫৪
সাফ কথা। এখনই ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই।
কিন্তু ..... কিভাবে?
আমি যে কোন কুল-কিনারা খুজে না পাই -
আসুন সবাই মিলে একটা পথ হদিস করি।
স্বাধীন বাংলার জন্য এটা এখন ফরজ কাজ।
তা না হলে, স্বাধীনতার ইতিহাসের লুটপাট
ঠেকাবে কে বা কারা বা কোন দল?
৭১ এর যুদ্ধাপরাধীর একটা তালিকা সরকারের প্রকাশ করা দরকার। ওখানে বিশেষ টিকা হিসেবে থাকতে পারে - "এই যুদ্ধাপরাধীর স্বাধীন বাংলাদেশ নিজ গুণে মাফ করেছে।" বা এ রকম কিছু একটা।
১. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৫৯
জেনারেল বলেছেন:
৫
জেনারেল বলেছেন:
৫
২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০১
সনটে বলেছেন:
শুধু তালিকা নয়, আমি চাই তাদের বিচার ও রাজনীতির অযোগ্য ঘোষনা করা উচিত। এই সরকার যদি ৯১- ২০০৬ সালের অন্যায়, দুর্নীতির বিচার করতে পারে তাহলে ১৯৭১ এ যারা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে ও মা-বোনদের সম্ভ্রম হনন করেছেন তাদের বিচার কেন করতে পারবেন না, এর বিচার যদি এই সরকার না করেন তাহলে বুঝতে হবে এ সরকারের মাঝেই বড় গরমিল রয়ে গেছে।
সনটে বলেছেন:
শুধু তালিকা নয়, আমি চাই তাদের বিচার ও রাজনীতির অযোগ্য ঘোষনা করা উচিত। এই সরকার যদি ৯১- ২০০৬ সালের অন্যায়, দুর্নীতির বিচার করতে পারে তাহলে ১৯৭১ এ যারা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছে ও মা-বোনদের সম্ভ্রম হনন করেছেন তাদের বিচার কেন করতে পারবেন না, এর বিচার যদি এই সরকার না করেন তাহলে বুঝতে হবে এ সরকারের মাঝেই বড় গরমিল রয়ে গেছে।
৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০২
গল্প বলেছেন:
৫ দিলাম
গল্প বলেছেন:
৫ দিলাম
৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৪
সুমি বলেছেন:
সমহত---
সুমি বলেছেন:
সমহত---
৬. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৪
মুকুট বলেছেন:
তালিকাটা অবশ্যই সঠিক ও তথ্য নির্ভর হতে হবে! কেউ যেন এ থেকে রাজনৈতিক ফায়দা না নিতে পারে!!
৭. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:০৬
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
৫
৮. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:১৯
এস্কিমো বলেছেন:
সরকারকে প্রথম সিন্ধান্ত নিতে হবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করা হবে।
এটা একটা নীতিগত অবস্থান। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন। না হলে শাহ হান্নানের মতো আমলারা ভিতরে বসে তালিকার ১২টা বাজাবে - যা নিয়ে আরো ৩০ বছর বিতর্ক চলবে।
যেমনটা হয়েছে বিগত সরকারে আমলে। একদিকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয় আর অন্যদিকে রাজাকরের গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা দিয়ে বাংলাদেশের জন্মের সাথে প্রতারনা করেছে।
সুতরাং - সরকারের নীতিগত অবস্থান পরিচ্ছন্ন হওয়া প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ন।
এস্কিমো বলেছেন:
সরকারকে প্রথম সিন্ধান্ত নিতে হবে যুদ্ধাপরাধীর বিচার করা হবে। এটা একটা নীতিগত অবস্থান। সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন। না হলে শাহ হান্নানের মতো আমলারা ভিতরে বসে তালিকার ১২টা বাজাবে - যা নিয়ে আরো ৩০ বছর বিতর্ক চলবে।
যেমনটা হয়েছে বিগত সরকারে আমলে। একদিকে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয় আর অন্যদিকে রাজাকরের গাড়ীতে বাংলাদেশের পতাকা দিয়ে বাংলাদেশের জন্মের সাথে প্রতারনা করেছে।
সুতরাং - সরকারের নীতিগত অবস্থান পরিচ্ছন্ন হওয়া প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ন।
৯. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৩১
মিরাজ বলেছেন:
অপবাক এর একটি পোষ্টে উল্লেখ আছে যে চিন্হিত ৫০০ যুদ্ধাপরাধী ৭১ পরবর্তী সময়ে জেলে আটক ছিল যারা ৭৫ পরবর্তী পটপরিবর্তনের পরে মুক্তি পায়।
কারা কর্তৃপক্ষের কাছে সেই ৫০০ জনের তালিকা থাকার কথা। প্রাথমিকভাবে সেই ৫০০ জনের তালিকা ধরেই আগানো যেতে পারে।
আর এস্কিমোর সাথে একমত যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত অবস্থান পরিচ্ছন্ন হওয়া প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ন। তবে সে আশা বর্তমান প্রেক্ষাপটে দূরাশা।
তাই ব্যক্তি উদ্যোগেই সেই তালিকা সংগ্রহ করে এরপর আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালেতর মাধ্যমে এদের বিচারের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। তবে এটি হতে হবে একটি সমন্বিত উদ্যোগ কেননা আন্তর্জাতিক আদালতে প্রয়োজনীয় তত্ব ও উপাত্ত প্রদান করতে হবে।
আরো বেশী দেরী করলে অনেক সাক্ষ্য প্রমাণই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এখনই সময়।
মিরাজ বলেছেন:
অপবাক এর একটি পোষ্টে উল্লেখ আছে যে চিন্হিত ৫০০ যুদ্ধাপরাধী ৭১ পরবর্তী সময়ে জেলে আটক ছিল যারা ৭৫ পরবর্তী পটপরিবর্তনের পরে মুক্তি পায়।কারা কর্তৃপক্ষের কাছে সেই ৫০০ জনের তালিকা থাকার কথা। প্রাথমিকভাবে সেই ৫০০ জনের তালিকা ধরেই আগানো যেতে পারে।
আর এস্কিমোর সাথে একমত যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত অবস্থান পরিচ্ছন্ন হওয়া প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ন। তবে সে আশা বর্তমান প্রেক্ষাপটে দূরাশা।
তাই ব্যক্তি উদ্যোগেই সেই তালিকা সংগ্রহ করে এরপর আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালেতর মাধ্যমে এদের বিচারের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। তবে এটি হতে হবে একটি সমন্বিত উদ্যোগ কেননা আন্তর্জাতিক আদালতে প্রয়োজনীয় তত্ব ও উপাত্ত প্রদান করতে হবে।
আরো বেশী দেরী করলে অনেক সাক্ষ্য প্রমাণই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এখনই সময়।
১০. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯
এ এক অন্য আই বলেছেন:
একমত@মিরাজ-
আরো বেশী দেরী করলে অনেক সাক্ষ্য প্রমাণই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এখনই সময়।
আরো বেশী দেরী করলে অনেক সাক্ষ্য প্রমাণই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই এখনই সময়।

















