জামাতের এদেশে রাজনিতি করার কোন অধিকার নেই!
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯
অনেক দিন হল এই আইন চালু আছে। ৭২ এর সংবিধান অনুযায়ি ধর্মীয় রাজনিতি বন্ধ করা যেত, কিন্তু সেটা বদলিয়ে ফেলা হয়েছিল পরবর্তি সামরিক শাশনামলে। কিন্তু, ৭৪ এর স্পেসাল পাওয়ারস এক্ট এ সেই অধ্যাদেশ রয়েই গিয়েছিল এবং সেটা কোন গনতান্ত্রিক বা সামরিক সরকার পরে আর বাদ দেয়নি।
তার মানে কি দাড়ালো তাহলে? আমার চিন্তায় এর মানে দাঁড়ায়, জামাত এবং অন্যান্য সব ধর্মীয় রাজনিতি করা দলগুলোর “ডিসকোওয়ালিফিকেশন” জারী করা এই ইলেকশন কমিশনের পক্ষে খুবই সম্ভব একটা ব্যপার। রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে কি না সেটা হয়তো এখান থেকেই বোঝা যাবে।
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে কমিশনার সামসুল হুদা আদর্শিক ভাবে এই মর্মে জাসদের সাথে একমত পোষন করেছেন। আপনারা কে কি ভাবছেন এই ব্যপারে - জানাবেন।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জামাতের রাজনিতি ;
২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩
মাহমুদ মামূন বলেছেন:
রাজনীতিতো অনেক দুরের ব্যাপার। জামায়াত এর এই স্বাধীন দেশে বাস করারই কোনো অধিকার নাই।
.
পোষ্টের জন্য ৫।
মাহমুদ মামূন বলেছেন:
রাজনীতিতো অনেক দুরের ব্যাপার। জামায়াত এর এই স্বাধীন দেশে বাস করারই কোনো অধিকার নাই।.
পোষ্টের জন্য ৫।
৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
ধন্যবাদ আরণ্যক যাযাবর এবং মাহমুদ মামুন।
@ আরণ্যক যাযাবর, আমি বলতে চাচ্ছিলাম, নতুন কোন আইন প্রনয়ন না করেই তো তাদের বাদ দিয়ে দেওয়া যায়... যা আছে তাতেই চলবে... কিন্তু এই সরকারের তেমন কোন সদিচ্ছা আছে কি না সেটাই দেখার বিষয় এখন।
@ আরণ্যক যাযাবর, আমি বলতে চাচ্ছিলাম, নতুন কোন আইন প্রনয়ন না করেই তো তাদের বাদ দিয়ে দেওয়া যায়... যা আছে তাতেই চলবে... কিন্তু এই সরকারের তেমন কোন সদিচ্ছা আছে কি না সেটাই দেখার বিষয় এখন।
৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
গড় জর কধৎ উউড় ঐৎড়ংযড় ট কধৎ খড় বলেছেন:
ওই মা.চো. দের রাজনীতিতো বন্ধ করতেই হবে ও দের বিচার ও করতে হবে
গড় জর কধৎ উউড় ঐৎড়ংযড় ট কধৎ খড় বলেছেন:
ওই মা.চো. দের রাজনীতিতো বন্ধ করতেই হবে ও দের বিচার ও করতে হবে
৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
যেহেতু তারা "পুনরবাসিত" হয়েছিল বলেই মনে করে, সেহেতু তাদের সেই ধারনাটা আগে ভাঙ্গা দরকার। নির্বাচন সামনে রেখে তাদের ঐ অধিকার কেড়ে নিতে পারলে বহুমুখি লাভের সম্ভাবনা আছে - বিচারতো পরে হবেই... তবে আসলে হবে না যদিনা আমরা সেই মর্মে প্রতিজ্ঞা বদ্ধ সরকার না পাই (যেমনটা এতোদিন পাইনি)। এই সরকারের জন্য এটা হলো এক জাতের লিটমাস টেস্ট...
৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৪
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@আইকোনাস,
আপনার সিস্টেমেটিক চিন্তার স্টাইল ভালো লাগলো।
বাঙ্গালীর সমস্যা হলো, তারা কিছু ব্যাপারে যখন একমত হয় তারপর সবাই মুখ চা্ওয়া চা্ওই করতে থাকে. ভাবতে থাকে 'এর পর কি..' আসলেই এর পর কিছু করার আছে নাকি...!
ফলে কোনো প্রজেক্টই আর আগায় না।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@আইকোনাস,আপনার সিস্টেমেটিক চিন্তার স্টাইল ভালো লাগলো।
বাঙ্গালীর সমস্যা হলো, তারা কিছু ব্যাপারে যখন একমত হয় তারপর সবাই মুখ চা্ওয়া চা্ওই করতে থাকে. ভাবতে থাকে 'এর পর কি..' আসলেই এর পর কিছু করার আছে নাকি...!
ফলে কোনো প্রজেক্টই আর আগায় না।
৭. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৭
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন:
@ আরিফুর রাহমান, প্রজেক্ট না আগানোর কিন্তু আরো অনেক কারন ই আছে। যেমন ধরেন - বন্দুক ধরে অনেক কিছুই তো করিয়ে নেওয়া যায় - তাই না? এই মূহুর্তে আমার ধারনা, রাজনৈতিক দল গুলা বেশ চাপের মুখেই আছে এবং খুব বেশী দরকশাকশিতে তারা যেতে চাবে না। পত্রিকাগুলা হয়তো অনেকখানি প্রগতশীল ভুমিকা রাখতে পারতো, কিন্তু - শুনিতো এডিটর সাহেবরাই নাকি ঘটে যাওয়া কু এর পেছনের চালিকা শক্তি!


















আর যুদ্ধাপরাধী বিষয়ক প্যান্ডোরার বাক্স তো জারজ মুজাহিদ খুলেই দিলো, এদেরকে নিষিদ্ধ না করলে জনগণই এদের পিটিয়ে মারবে।