আমার প্রিয় পোস্ট

ইরতেজা আলী এর আন্তর্জাল খেরোখাতা http://www.petitiononline.com/1971war/petition.html

বৃষ্টির জলে হাত ভিজাই ( প্রথম পর্ব )

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৩০

শেয়ার করুন:                   Facebook

কাব্য চুপচাপ স্কুলের মাঠের পাশের বড় গাছটার নিচে বসে আছে। সে মাঝে মাঝেই এমন করে; একা একা গাছের নীচে এসে বসে থাকে। কাব্য বসে বসে দেখে গাছের উপর কাকেরা উড়ে এসে বসে, আবার কিছুক্ষণ পর চলেও যায়। এর মধ্যে একটা কাক আবার ল্যাংড়া; খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটে। কাব্য সব দেখে। মাঝে মাঝে সে আকাশের দিকে তাকিয়ে মেঘদের চলাচল দেখে। গাছের ছায়া দেখে। গাছের পাতা ঝরতে দেখে। বাতাসের শব্দ শুনে। ওর খুব ভালো লাগে। মাঝে মাঝে আবার সে নিজে নিজেই কথা বলে। নিজে নিজে কথা বলাতে কত মজা। কত রাজ্যের চিন্তা যে মাথায় আসে তার।

“ তুমি এখানে কি করছ? ” আচমকা এই প্রশ্নে কাব্য চম্‌কে পিছন তাকাল। পিছনে দাঁড়িয়ে আছে বি সেকশনের একটা মেয়ে অথৈ। নামে চিনে কিন্তু কোন দিন খুব একটা কথা হয় নি। কাব্য খুবই বিরক্ত হল।

অথৈ আবার জিজ্ঞাসা করল, “ তুমি এই ভর দুপুরে একা একা বসে কি করছ? ”
কাব্য চশমার ওপর দিয়ে অনেকটা অন্যদিকে তাকিয়ে বলল, “ এমনি বসে আছি, তুমি এখানে কি করছ? ”
“ আজ স্কুল তাড়াতাড়ি ছুটি হয়ে গেল। বাবা আসতে আরো ঘণ্টা খানেক বাকি। তাই ঘুরাঘুরি করে সময় পার করছি। ”
“ আচ্ছা কর, অপেক্ষা কর ” কাব্য অন্যমনস্কভাবে বলল।
“ তোমার পাশে একটু বসি ”; বলতেই অথৈ কাব্যর কিছু বলার আগেই পাশে বসে গেল।

কাব্য একটু অস্বস্তিবোধ হল। কাব্য আবার মেয়েদের সামনে একদম সহজ হতে পারে না। কাব্য একটু সরে বসল।

“ আগেও দেখেছি টিফিনের সময় তুমি এখানে একা একা বসে থাক। তুমি তোমার বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেল না কেন? ”
“ হ্যাঁ, আমার মাঝে মাঝে একা থাকতে ভাল লাগে। তুমি দেখি অনেক কিছু খেয়াল কর। ”,
অথৈ হেসে বলল। “ আমরা মেয়েরা অনেক কিছু খেয়াল করি। আমারও না জান তোমার মত মাঝে মাঝে একা থাকতে ইচ্ছে করে। যখন বাবা বা টিচার বকা দেয়। যখন আমার মন খারাপ হয়, কান্না পায় তখন। মা বলেছে আমি এখন বড় হয়ে গেছি। মেয়েরা যখন বড় হয়ে যায় তখন তারা সবার সামনে কান্না করে না। তখন কান্না করতে হয় অন্ধকারে বা বাথরুমে দরজা বন্ধ করে ”।
“ না। আব্বু বা টিচার বকা দিলে আমার মন খারাপ হয় না। কিন্তু এখন আমার মন খারাপ। খুব খারাপ”।
“ উমা কেন? তোমার মন খারাপ কেন? ”
“ কারণ গাছটারও যে আজ মন খারাপ। তাই আমার মন খারাপ”।
“ গাছের আবার মন আছে নাকি? ”
“ থাকবে না কেন? সব কিছুর মন আছে । ওই যে গাছে যতগুলো পাখি বসে আছে তাদেরও মন আছে ”।
“ গাছের মন খারাপ তুমি বুঝলে কীভাবে? ”
“ আচ্ছা আস তোমাকে শিখিয়ে দেই ”।

কাব্য উঠে দাঁড়াল। তারপর গাছের কান্ডটাকে হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরল। অথৈও কাব্যর দেখাদেখি তাই করল। অথৈয়ের হাত কাব্যর আঙ্গুল স্পর্শ করল। কাব্য দ্রুত লজ্জা পেয়ে হাত সরিয়ে নিল। কই কিছুই তো বুঝি না। সশশশ। কথা বল না। গাছের গায়ে কান পাত। ওর মনের কাছাকাছি আস।

অথৈ বলল, “ বুঝতে পারছি। গাছটা বলছে তার মন খারাপ ”।
কাব্য খুশি হয়ে বলল, “ বলেছিলাম না ”।

কাব্য অথৈ আগের জায়গায় এসে বসল,“ তুমি কিন্তু খুব অদ্ভুত। সবার থেকে আলাদা ”।
“ সবাই কি এক রকম হবে নাকি! ”
“ তুমি খুব বই পড় সেটাও দেখেছি। পড়ার বই না সেটাও বুঝি। কেউ পড়ার বই এত আগ্রহ নিয়ে পড়ে না। তোমার ব্যাগে মোটা বইগুলো একটু নেড়েচেড়ে দেখি? ” বলেই অথৈ একটা বই তুলে নিল, Principia Mathematica, স্যার আইজাক নিউটনের লেখা।

“ তুমি এই সব বই পড়। তুমি মজার কোন বই পড় না ”।
“ পৃথিবীতে অঙ্কের থেকে মজার কিছু আছে নাকি! সব জায়গায় আছে অঙ্ক, প্রকৃতিতে আছে অঙ্ক, অ্যালজেবরায় আছে মজা...”
“ আমার কাছে ম্যাথ খুব বাজে লাগে ”
“ অনেক লেখক আছে অঙ্ক নিয়ে গল্প লিখেন, অনেক কবি আছেন অঙ্ক নিয়ে গান লিখেন, কবিতা লিখেন, অনেক পেইন্টার অঙ্ক নিয়ে ছবিও আঁকে "।
“ বাপরে আমি এই সব বুঝি না। কিন্তু অঙ্কের টিচারকে আমার খুব ভালো লাগে। সব সময় খুব মজা করেন ”
“ আমারো খুব মজা লাগে। আমার ইচ্ছা করে সারা দিন খালি অঙ্ক করি ”
“ আচ্ছা তুমি কোন মেয়ের সাথে কথা বল না কেন? ”
“ মেয়েদের সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না তাই ”
“ ওমা তুমি খুব লাজুক। আচ্ছা তুমি আমার নাম জান ”
“ জানি তোমার নাম অথৈ ”
“ বাহ, আর তুমি ক্লাসের ফাস্ট বয়। সবাই তোমার নাম জানে। অবশ্য তোমার আরেকটা নামও আছে। কানা শিয়াল” কথাটা শেষ করেই অথৈ বাচ্চাদের মত হি হি করে হাসতে শুরু করল।
এতে এত হাসার কি আছে কাব্য ধরতে পারল না।

অথৈ শেষ পযন্ত হাসি থামিয়ে, চোখ মুছে বলল, “ আচ্ছা পণ্ডিত সাহেব, তোমাকে দুটা খবর দেই। বাবা ঢাকায় বদলি হয়ে গেছে। এই স্কুলে এটাই কিন্তু আমার শেষ সপ্তাহ। শনিবার আমার জন্মদিনও। আমাদের বাসায় আসতে পার। লামিয়া, কান্তা, নিবিড়, আরমান, আতশিরাও আসবে ।”
“ তাই নাকি? শুভ জন্মদিন। তবে পার্টিতে যেতে আমার ভালো লাগে না। আর তোমাদের ক্লাসের কারো সাথে আমার খুব একটা বন্ধুত্ব নেই ”
অথৈ একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, " তাতে কি? কিন্তু আমার মনে হয় আমার মনে হয় তুমি আমার জন্মদিন আসতে আসতে ভুলে যাবে।”
“ না ভুলব না। প্রতিটা সংখ্যা মনে রাখার কিছু আমার নিজস্ব ট্রিক আছে। যেমন শনি বার হল ১৫ই মার্চ, মানে ১৫৩। ১৫৩ হল হ্যাপিকিউব।”
" হ্যাপিকিউব মানে? " চোখ বড় বড় করে অথৈ জানতে চাইল।

কাব্য খুব আগ্রহ নিয়ে বলল “ দাঁড়াও তোমাকে বোঝাচ্ছি। তোমার নোটবুকটা দাও। তোমাকে কিছু গনিতের ম্যাজিক দেখাই।
১৫৩ হচ্ছে সবচেয়ে ছোট সংখ্যা, যার অঙ্কগুলোর ঘনফলের যোগফল এই ১৫৩-এর সমান যেমন: ১৫৩ = ১৩+৫৩+৩৩ = ১+১২৫+২৭ = ১৫৩৷ এই মজার সম্পর্কের জন্য ১৫৩ কে হ্যাপিকিউব বলা হয়৷”
“তাই নাকি। জানতাম না ত?” অবাক হয়ে অথৈ বলল।
“আরও শুনবে ১৫৩টি ১ থেকে ১৭ পর্যন্ত সব সংখ্যার যোগফলের সমান৷ ১৫৩ = ১+২+৩+৪+৫+৬+৭+৮+৯+১০+১১+১২+ ১৩+১৪+১৫+১৬+১৭৷ এজন্য ১৫৩কে বলা হয় সপ্তদশ ট্রায়াঙ্গুলার নম্বর৷ যেহেতু ৩৫১ সংখ্যাটি ১৫৩-এর উল্টো সংখ্যা, এবং ৩৫১ সংখ্যাটিও একটি ট্রায়াঙ্গুলার নম্বর৷ সেহেতু ১৫৩কে একটি রিভার্সিবল ট্রায়াঙ্গল ধরা যায়৷
১৫৩ সংখ্যাটির তিনটি অঙ্ক ১, ৫ ও ৩-কে একসাথে নিয়ে ওলটপালট করে সাজিয়ে যে ৬টি সংখ্যা পাওয়া যায় সেটি নিচের সমীকরণ মানে : ১৫৩+৩১৫+৫৩১ = ৩৫১+১৩৫+৫১৩।মজা না? "

অথৈ মুগ্ধ হয়ে বলল, “ ওরে বাবা, তুমি এত কিছু জান কীভাবে। নিজে বের করেছ ”
“ না বই পড়ে জেনেছি ”
“ আচ্ছা জান আমার না স্কুল ছেড়ে যেতে খুব খারাপ লাগছে। তুমিও তো ক্লাস সিক্সে উঠে অন্য স্কুলে চলে যাবে। তোমার এখানের বন্ধুদের জন্য মন খারাপ করবে না। ”
“ হয়ত একটু একটু হবে। তবে বন্ধুদের জন্য না। এই গাছটার জন্য, এই কাকগুলোর জন্য। কিন্তু সেখানে গিয়ে আমি নতুন বন্ধু পেয়ে যাব। ”
অথৈ তখন বাবাকে রিকশা থেকে নামতে দেখে। মন খারাপ করে বলল “আমার বাবা চলে এসেছে । তুমি এত সুন্দর করে কথা বল। ইস্‌ তোমার সাথে আগে কথা বললাম না কেন। ”
“ আবার দেখা হলে কথা হবে। আমিও বাসায় যাচ্ছি। ”

অথৈ চোখ কেমন জানি উজ্জ্বল হয়ে উঠল, “ বাসার ফোন নাম্বার দেই? তোমার নিউটনের বইতে লিখে দেব? ”
“ না । বইটা আমার না। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে নেওয়া।"

“ আচ্ছা তাহলে তোমার হাত দাও। ” বলতেই অথৈ কাব্যর হাত টেনে নিল। কাব্যর খুবই লজ্জা লাগল। একটা মেয়ে তার হাত ধরল প্রথম। কলম দিয়ে নাম্বার লিখতে লিখতে অথৈ বলল ‘ তোমার হাতে আমার নাম্বার লিখে দিলাম। ফোন কর কিন্তু। "

এক ধরনের মুগ্ধ বিস্ময় নিয়ে কাব্য বলল, “ তোমাদের বাসার নাম্বার ৬৩৮৮৩৬ । এটা দেখি প্যালিনড্রমিক সংখ্যা। প্যালিনড্রমিক সংখ্যা হচ্ছে বিশেষ এক ধরনের সংখ্যা, যার অঙ্ক গুল উল্টো করে লিখলেও সংখ্যাটি একই থাকে। ৬৩৮৮৩৬ এরকম একটি সংখ্যা।প্যালিনড্রমিক শব্দটি প্যালিনড্রম থেকে এসেছে, যা সেই সমস্ত শব্দকে বুঝায়, যাদেরকে উল্টো করে পড়লেও শব্দটি একই থাকে। যেমন বাংলায় আমরা বলি রমাকান্তকামার।
“ আচ্ছা শিয়াল সাহেব কত সময় বকবক করে কাটিয়ে দিলাম। বাবা দাঁড়িয়ে আছে । দেরি করলে রাগ করবে।বাই ”
“ বাই।”

রিকশা উঠে অথৈ পিছন ফিরে কাব্যর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে হাত নাড়ল।

পরের দিন কাব্য অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাকি সপ্তাহ আর স্কুলে জেতে পারে নি। অথৈ প্রতিদিন স্কুলে এসে ক্লাসে কাব্যকে খুঁজে। মাঠে খুঁজে, সেই গাছটার নিচে খুঁজে। কিন্তু কাব্যকে কোথাও খুঁজে পায় না। বাসায় মাকে, বূয়ার কাছে বার বার জানতে চায় তার কোন ফোন এসেছে নাকি। বুয়াকে শিখিয়ে দেয়। কেউ যদি ফোন করে অবশ্যই যেন তার নাম্বার রাখা হয়।

জন্মদিন চলে আসল। পরের দিন সকালে তারা চট্রগ্রাম ছেড়ে ঢাকায় চলে যাবে। অথৈ মন খারাপ । একবারও ছেলেটা তাকে ফোন পযন্ত করল না। মাঝে মাঝে সে কাব্যর হাতের লিখায় হাত বুলায়। কাব্য আসবে না জেনেও কেক কাটার আগে সে কেন জানি কাব্যর জন্য অপেক্ষা করল। বার বার দরজার দিয়ে তাকাল।

আরমানকে গিয়ে কাব্যর কথা জিজ্ঞাসা করল, “ কাব্যকে স্কুলে দেখলাম না ”
আরমান বলল, “ ওই পাগল ছেলেটা, যে গাছের নিচে বসে পাতা কুড়ায়। আর মোটা চশমা পড়ে পাখিদের সাথে কথা বলে ”
সবাই তার সাথে হাসতে শুরু করে দিল । কিন্তু অথৈর একদম হাসি পেল না। তার সাথে কাব্যর আর কোন দিন আর দেখা হবে না।
অথৈর কেন জানি খুব কান্না পেল।

চলবে...

 

 

  • ৫৪ টি মন্তব্য
  • ৫৮৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:১৫
comment by: তানভীর বলেছেন: ইরতেজা সাহেব, খুব ভাল হয়েছে। গল্পে গল্পে আমিও কিছু অঙ্কের ম্যাজিক শিখলাম। চলুক। ধন্যবাদ। ৫
২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:২১
comment by: ইরতেজা বলেছেন: তানভীর সাহেব শুকরিয়া।
৫ দেবার জন্য ধন্যবাদ
৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:৩৫
comment by: জোনাকি বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
আমিও ৫ দিলাম
৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:৫৭
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: চলুক।
৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:২৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ধন্যবাদ
৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: খুব ভালো লাগল। দয়া করে এন্ডিংটা করুণ কইরেন না।
৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৪২
comment by: ইরতেজা বলেছেন: আচ্ছা রাশেদ ভাই করুম না।
পাচ দিছেন তাই থেঙ্কু
৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৫৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: আপনি সচলায়তনে লেখেন নাকি? ঐখানে এইরকম একটা নিক দেখছি মনে হয়।
৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:০৫
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ভাই আইডি খুলেছিলাম একদম প্রথম দিকে । এস এম মাহবুব মুর্শেদ ভাইদের সাথে। কিন্ত আসলে ব্লগস্পট আর সামহোয়ারের পর আরেকটা নতুন সাইটে আর ব্লগানো হয় নি। সময়ের অভাবে। তবে ভাবছি ওখানেও লিখব।
রাশেদ আপনার ঠিকানা কি এটাই?
১০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২০
comment by: রাশেদ বলেছেন: একটা যায়গাতেই লেখতে পারি না, খালি কমেন্ট করি তাই, অন্য যায়গায় যেয়ে লাভ নাই। আর তারা হইলো সব লেখক, সাধারন পাবলিকের ঐখানে মজা নাই।
১১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৪
comment by: ইরতেজা বলেছেন: আমিও তাদের মাঝে লিখতে ভয় পাই। কিন্তু মাঝে মাঝে গিয়ে অমিত, শামীম, কানফুসিয়াস, মাহবুব মুর্শেদ, বিপ্রদের লেখা পড়তে যাই।

ভালো থাকবেন রাশেদ ভাই
১২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৪
comment by: মানবী বলেছেন: চমৎকার ছবি! ব্লগে গল্প উপন্যাস তেমন পড়া হয়না তবে এই লেখাটি সময় করে পড়বো।

অনেক দিন পর পোস্ট করেছেন মনে হয়! আরো অনেক লেখা আশা করছি আপনার কাছ থেকে, ধন্যবাদ ইরতেজা।
১৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৪৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: রাশেদ ভাইয়ের সাথে একমত,এন্ডিং করুণ হইলে খেলবো না:( ৫ প্রথমবারেই দেয়া হয়ে গেছে কাজেই আরেকবার দিতে পারলামনা:(
১৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫১
comment by: ইরতেজা বলেছেন: এই ভাবে জোর করে লেখকের এন্ডিং করুণ করলে ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র ভাষায় প্রতিবাদ করলাম।
আমিও খেলুম না। আমাআআআআআ...( কান্না )
১৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫৪
comment by: রাশেদ বলেছেন:
১৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: মনমেজাজ উদাস আছে,আপনের লেখা পইড়া এখন কোন এক অথৈ রেও খুঁজতে ইচ্ছা করতেসে,এই অবস্থায় করুণ এন্ডিং দন্ডনীয় অপরাধ। না খেললে হবে না,জরুরী অবস্থা চলাকালে কোন 'না' চলে না। খেলতে হবে এবং তাড়াতাড়ি খেলতে হবে,পরের কিস্তি পরের বছর দিলে দণ্ডবিধির(ইত্যাদি ইত্যাদি---)
১৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০৬
comment by: বিহংগ বলেছেন: বড়ই সুন্দর লিখেছেন। প্রিয়তে + করলাম।
১৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:১৫
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ফারহান সাহেব তথাস্তু
বিহঙ্গ...আমারে তুমি অশেষ করেছ এমনি লীলা তব
১৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২০
comment by: পুতুল বলেছেন: সুন্দর লেখা। মনে হয়, নিজের জীবন থেকে নেয়া। ৫
২০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২৫
comment by: বীর বলেছেন: ভালো লেগেছে...
২১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২৭
comment by: মানুষ বলেছেন: ওরে, তোরা কেউ এই পোষ্ট পড়িসনে। চামে অংক করানোর ধান্দায় আছে ইরতেজা
তবে পড়েই যখন ফেলেছি ৫ দিয়ে গেলাম
২২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৪৮
comment by: পোকা বলেছেন: গল্প পড়াও হল আবার একটু জ্ঞানও বাড়ল। শিক্ষামূলক গল্প। ভাল লেগেছে।
৫৫৫৫৫
২৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:৩০
comment by: মুনিয়া বলেছেন: Touchy...
২৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৫
comment by: জোনাকি বলেছেন: অংক দেখে ডরাইছি। আমি আবার অংকে কাচা। তবে ভালো লাগছে কিন্তু শেষের দিকে কি হবে সেইটা নিয়া একটু চিন্তা ভাবনায় আছি।কান্নাকারিট হইলে কিন্তু আমি নাইক্কা।
২৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:২৩
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: ক্লাস ফাইভের পিচকিদের কথা এসব? মা গো, আমার নিজেকে বোকা বোকা লাগছে। বয়সটা একটু বাড়ানো যায় না? :((

লেখা সাবলীল, ভালো লাগছে। আপনি ম্যাথস পাগল নাকি? আমার ম্যাথস সম্পর্কে ফ্যাসিনেশন কম... সত্যিই কম :))
২৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমার বিচারটা একটু কইরা দিয়া যান
২৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৪২
comment by: খুশবু বলেছেন: ৫

পরে কি হল?
২৮. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১০
comment by: ইরতেজা বলেছেন: পুতুল @ আমার জ়ীবন এত রঙ্গিন ছিল না ( মন খারাপ)
বীর @ ৫ দেবার জন্য ধন্যবাদ
মানুষ @ মানুষ ভাই আপনি শুধু মানুষ নন মহামহিমান্বিত মানুষ
পোকা @ ধন্য হলাম
মুনিয়া @ থাঙ্কস
জোনাকি @ না শেষে দিকে কান্না থাকবে না। ধন্যবাদ
২৯. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৩
comment by: ইরতেজা বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি @ কাব্য একজন অটিস্টিক ছেলে।
উদাসী স্বপ্ন @ ভাই এখনি যাচ্ছি
খুশবু @ পাচ দেবার জন্য ধন্যবাদ
৩০. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:২২
comment by: হৃদয়ের সংলাপ... বলেছেন: চলছে চলুক । ৫দেয়ার মত পোস্ট ।
৩১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৬
comment by: নূর-ই-হাফসা বলেছেন: এত চমৎকার হইছে কিভাবে।আপনে কি বই ছাপিয়েছেন?ভাল লাগছে গল্প।
৩২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: ইরতেজা বলেছেন: হৃদয়ের সংলাপ @ অনেক অনেক ধন্যবাদ।

নূর-ই-হাফসা @ আমি ভাই ব্লগাইতে ব্লগাইতে লেখক। না ভাই আমি কোন বই ছাপাই নি। তবে ইচ্ছা আছে খুব। আপনাকেও ফুলেল শুভেচ্ছা।
৩৩. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩
comment by: এই আমি মীরা বলেছেন: খুব কিউট।
৩৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১২
comment by: (অ)গাণিতিক বলেছেন: শুরু টা দারুণ লাগলো।
আপনি ম্যাথের এত কিছু জানেন কি ভাবে?
আপনার আরো বড় ফ্যান হয়ে গেলাম।
গল্প যেন করুণ না হয় প্লিজ।
আবার বেশি গাঢ় প্রেম ভালবাসাও যেন না এসে যায়।
বাকি পর্বের অপেক্ষায় রইলাম!
৩৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৩
comment by: ইরতেজা বলেছেন: মীরা @ ধন্যবাদ
(অ)গাণিতিক @ তোমার মত এত জানি না ভাই। তুমিত আমারও গুরু।
৩৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:১৩
comment by: আমি কে বলেছেন: ৫
৩৭. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:১৭
comment by: মিরাজ বলেছেন: ইরতেজা চমত্কার লিখেছেন। কিছু নতুন বিষয় জানলাম :)

পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

৩৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: আমি কে আর মিরাজ ভাই আপনাদের ধন্যবাদ
৩৯. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৪১
comment by: ছায়ার আলো বলেছেন: ইরতেজা ভাই, ভাল লিখেছেন :)
চলুক।
৪০. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:০৯
comment by: জল রঙ বলেছেন: বিপ্লব ।
৪১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৩
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ৫
৪২. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: ছায়ার আলো ,জল রঙ্‌ , রাগ ইমন আপা থাঙ্কস
৪৩. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৬
comment by: মুকুল বলেছেন: চলুক...
*****
৪৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:২২
comment by: শিলা বলেছেন: ৫। চলুক।
৪৫. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৯
comment by: নীলকণ্ঠ বলেছেন: পড়লাম । কিছু কি বলব? না থাক। কিছু না বলি।
৪৬. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: পরের পর্ব কই?:( লেখকরা খালি ঘুরায়:(
৪৭. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৭
comment by: ইরতেজা বলেছেন: জনাব ফারহান দাউদ,
আজ রাইতে পরের পর্ব দিমু। সরি ভাই কামলা নিয়ে দৌড়ের উপর আছি। সময় বাহির করতে পারতাছি না। রাইতে ইনসাল্লাহ। ( কোলাকুলি)
৪৮. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: যদি না পাই ডেডলাইন অনুযায়ী, তাইলে...
৪৯. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৩
comment by: ইরতেজা বলেছেন: রাশেদ ভাই কেমন আছেন ?
পাবেন
৫০. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৭:০৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভালো আছি ভাই। আমার খবর না নিয়া আপনি লেখতে থাকেন!
৫১. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৯
comment by: অজানা অচেনা বলেছেন: দারূন! ৫!
পরের পর্ব কই?
আপনি কি চট্টগ্রামের?
৫২. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:১৬
comment by: পোকা বলেছেন: রাতের আপেক্ষায় থাকলাম
৫৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৩
comment by: ইরতেজা বলেছেন: অজানা অচেনা ভাই আমি চট্টগ্রামের ? আপনি কোথায় থাকেন।

৫ দেবার জন্য ধন্যবাদ
৫৪. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৩৪
comment by: আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন: অঁনে খুউব ভালা লেইখ্খন। ৫

 

 


ছেঁড়া ছেঁড়া ভালবাসা, দুই চোখ ভরা সীমাহিন স্বপ্ন, অদ্ভুত সব স্মতি, একরাশ বেদনা, কঠিন বাস্তবতা, নিদারুণ অলসতা, আড্ডাবাজি, সত থাকার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩১১৬৫