পরে একা একা খুঁজে নেয়া গেলো বুয়েট, আগারগাঁও, সেন্ট্রাল লাইব্রেরির গোছানে টেবিল-চেয়ার। দুর্বাঘাস, চকবার আর নতুন কাকাতুয়ার সাথে পাড়ি দেয়া হলো রোদের প্রথম শীতলক্ষা।
ইলাসট্রেশান: ফেব্রুয়ারির ঘুম ভাঙ্গলেও তুমি দাঁড়িয়েছিলে নির্জন অন্ধকারে। এলিয়টের শব ছুঁয়ে সঘন জুতার মিছিল অনেক এগিয়ে গেছে শ্লোগানে কুজনে। দুপুর অস্ত গেলে সমকামি রেকর্ডারে বেজে উঠেছে হ্যামলেট মনোলগ: “দৌ দিজ বি ম্যাডনেস, ইয়েট দেয়ার ইজ মেথড ইন ইট।”
কেমিস্ট্রির ক্লাসরুমে সন্ধ্যা কামার্ত হলে পাঠ্য বইয়ের ভাঙ্গা ডালপালা গ’লে কিভাবে যেন ডুবসাঁতার হয় অন্ধ বাতাসের গহীনে। ডাইনিং থেকে হলরুম থিয়েটারে হেঁটে হেঁটে কাঁদতে থাকে নরম ইতিহাস।
ক্যাথার্সিস: তুমিও উড়তে শিখে খুঁজে নিলে বহুতল রোদ্দুর। নির্জন মলাট খুলে দেখলে দীঘল ঘুমের মৈথুন। উপচে পড়া আমিষ পঙক্তি বেয়ে যেখানে থমকে দাঁড়ালে, সেখানে সতর্ক অবহেলায় ছড়ানো হয়েছে মৌন আলোর অজস্র পিক্সেল। পিক্সেল চুরি করে তুমি কেবলই আগামীর জলরঙ মানচিত্র গড়ে গেলে।
উপসংহার: হাকিম, মোল্লা ও আজিজের এইসব সমকামি সম্পর্কের কোন শেষ নেই। পোয়েটিক জাস্টিস নেই, পোয়েট্রির প্রবল প্রসব আছে শুধু। স্বৈরাচারি এপ্রিল ও ক্ষুধার তীব্র প্রতিবাদে যারা অনন্তকাল এইসব ডোরে- করিডোরে জড়ো হয়েছিল, ইতিহাস তাদের তালিকা করতে ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


