আমার দিনলিপি

আমার প্রিয় পোস্ট

দ্য ওয়ে আই ফিল ইট... 

সীমান্তপুরাণ

২১ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৮:৪২

কিশোরীর রুক্ষ চুল ঘাস হয়ে জন্মেছে কাঁটাতারের ছায়ায়... হাবিবেরা দিশাহীন হাঁটছে চল্লিশটি রঙিন ক্যালেণ্ডারকে সাক্ষী করে... কাঁটাতারছোঁয়া এই সবুজ গল্পগুলোর জাতীয়তা দ্বিখণ্ডিত করা আছে বেয়োনেটের আঁচরে... অর্ধেক দোল খায় হিন্দিতে... অন্যদের ডগাগুলো উজ্জ্বল হয় বাংলা শব্দের দ্যোতনায়... হাবিবের পা ও পদক্ষেপের অনভিজ্ঞতা সবুজ তৃণলতার এইসব ভিন্ন ভিন্ন বয়ান অনুবাদ করতে...

পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে

হলদে ট্যাক্সির জন্য সপ্তম প্রতীক্ষা

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৩০

কুয়াশা নাজিলের সময় মন্ত্রী-উজির-নক্ষত্রের বাড়াবাড়িতে হাঁটবার জো থাকে না... ঘোলা ঘুম জড়িয়ে অপেক্ষায় থাকি কারা যেন আসবে হলদে ট্যাক্সিতে... বাস্পগন্ধী বৃহস্পতি রাতে... দগদগে ক্ষুধা চেপে এখনও যারা হাঁটাহাঁটি শিখছেন আগুনলেপা প্রাসাদ কিংবা প্রিন্টিং লাইনের তেলরেখা বরাবর, তাদের চোখে এখনও মোমকাঠি দেশলাই... হলদে বনেটের গল্পগুলো এখনও বাড় বাড়ছে গোপন আস্কারায়... কাটা...

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে

লালসবুজ কুয়াশায় শামুকের হামাগুড়ি (দ্বিখন্ডিত তিতাস নদীকে নিবেদিত)

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:৫৯

পার্বতীপু’র শিয়র থেকে লালসবুজ কুয়াশা পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে ব্রাহ্মনবাড়িয়া পৌঁছলে অন্যরকম সব দৃশ্য-বাতাস ক্যালেন্ডারের শেষ পাতাটি উড়িয়ে নেয়... শীতকাঁপা কাগজকুড়ুনেরা শেষমেষ যেখানে পাতাটির হদিস পায়, সেখানে তিতাসের অতল জলের পুরনো গল্প-স্বল্প কবর দিয়ে গড়ে ওঠা বালির বাঁধ দুমড়ে মুচড়ে চলছে সদাগরি ইঞ্জিন...

চিলাহাটিতে সামান্য থ্রি-নট-থ্রি যখন ভীষণ ভীষণ ঠান্ডায় নাইন-ইয়েস-টেন হয়ে গিয়েছিল,...

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে

গীতবিতানের ডুবসাঁতার (আবিদের জন্য এলিজি)

৩০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১১:১৪

ত্রিশূল ট্রাইবুনাল, মা আর গ্রিনরুমে চেনা মুখ... করতালি মুছতে মুছতে জন্ম হয় এসএমএস... চারুকলা-দেয়ালের গান... তুমি হাসো... গীতবিতানের ঘ্রাণ আর স্বাদ হাতড়ে একদিন আলো পেয়েছিলে... আলো হয়েও গেলে আরেক বিকেলে, শ্রাবণ আর রোদের সঙ্গমে... ভীষণ ঠান্ডা শিরোনামে গ্যালারির নকল বাতাসে তখনো বেদনা-ধুসর কিবরিয়া...

ঘোলা লবনাক্ত ফেনায় এখনও ভোটের আঁশটে গন্ধ......

পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে

আলস্য হালখাতা খুলে রাখো কবি

২২ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১০:০২

পানকৌড়ি ডুবসাঁতারই সেইসব পুরনো বর্ষার উপহার
বালি ও ভয়ের মোড়কে দুপুর আর দুপুর, সামান্য ঘুম তারপর
পদ্মার চিবুকছেঁড়া ছন্দ, গোপন নরম ডাক উপসাগরের
কাঁচসাদা বালুতট শেখাচ্ছে গণিত, মাছ ও মায়াবতী সন্ধ্যার

অনুকূলে সাঁতরে গেলে লালন কুঠির দ্বারে ভেসে ওঠে লাশ
প্রতিকূলে প্রাণের মিছিল, ইলিশের লাল-সাদা কানকোর মতো
কুঠিবাড়ি চিমনি থেকে কুড়িয়েছি রবির মলাট, কাহ্নপা ফুটনোট...

পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে

স্বরাষ্ট্র পোর্ট্রেট

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১১ দুপুর ১২:৪২

সন্ধ্যায় শরীর কাতর ক’রে বসেছি আমরা। শব্দ-শব্দ খেলার ফাঁকে দু’একজন আসে যায়। হাতব্যাগ থেকে কলকাতা বেরিয়ে এসে বিজয়নগরে ছড়িয়ে পড়ে। হাসিকান্না গোলযোগ শুনি। দুপুর চা’য়ের গল্প ভুলে হাত থেকে হঠাৎ কী-বোর্ড পড়ে যায় গভীর অ্যামাজনে। অনেকগুলো শব্দ-বাক্য মাটিতে গড়িয়ে ধুলো-ঝড় খেলে। ধর্মতলার তীর্থ ছুঁয়ে এসেছিল যে আঙুল, সেখানে ফেটে যায়,...

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে

কালো রাজহাঁস

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০৭

অতীত ও আয়নার মাঝখানে আর কত মাটির আস্তর?
থার্মোমিটারে গেঁথে নেয়া শরীরি বিক্ষোভ
কৃষকের নদী ও আগুনে
বাৎসায়ন ছিঁড়ে জেগেওঠা সন্ধ্যাকাব্য

পদ্মার অন্ধকার পরিশ্রমের ওপারে
সমস্ত সাঁকো ও ঘামের ঠিকানা তুমি পাবে
পাবে শিশিরভ্রষ্ট সরিষার প্রাণ, শিৎকার...

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে

ঘুমঘোরে আঁকা অন্ধকারমালা (কবিতা)

০২ রা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯

উপক্রমনিকা : পদ্মার আঁচলে হাত মুছে একদিন দাঁড়িয়েছিলে নভেম্বরের স্টেশনে। সবুজ বাতাসের পতাকা উড়িয়ে চিনেছিলে উদ্ধত ধোঁয়ার মিনার। নিয়নমুগ্ধ সেদিনের ঘুম কবিতা হওয়ার আগেই আকাশ থেকে ঝড়ে পড়েছিল শিশুর কান্না, বেকার গৃহস্থালি আসবাব।

পরে একা একা খুঁজে নেয়া গেলো বুয়েট, আগারগাঁও, সেন্ট্রাল লাইব্রেরির গোছানে টেবিল-চেয়ার। দুর্বাঘাস, চকবার আর নতুন কাকাতুয়ার...

পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে

পোড়ামাটির জর্নাল (২৬ মার্চের জন্য রচনামূলক পদ্য)

২৬ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৪২

এক নিখোঁজ দুপুরের রক্ত আর কার্তুজের পাথর শিলালিপি ঘিরে তোমার জীর্ণ শরীর কাঁদছে- চল্লিশ বছর। গরম শীসার পদ্য ভুলে তোমার হাত দুটো দেখেছি কেবলই জলছাপ মুদ্রার দিকে তাকিয়ে।

মাধুকর মন্ত্রী-মেয়র কিংবা মিছিলকাতর রাজনীতিকদের কাছে জানতে চেয়েছি ঘুমের বয়ান। ওদের ডিভান, পিলোকাভার আর বেডরুমের ফ্যাক্স মেশিনে কেবল এলফাবেটিক প্রেসক্রিপশান, কিংবা জার্মান ফার্মাসিউটিক্যালের...

পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে

ইভের উত্তরপুরুষ

১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

দক্ষিণ জঙলার প্রশস্ত আস্তিন খচতে খচতে এখানে এসেছি আমি
এই রোদ আর নয়েজের বাগানে
বেগুনি সানস্ক্রিন আর পঙক্তিপ্রিয় দেয়ালের আড়ালে
তেল-জলে আগলে রেখেছি ইভের আত্মজীবনী
এইসব কণ্ঠতারকার এপিটাফ ঘিরে কোলাহল জমতে দাও আরেকবার
শিখর আরোহনের সমস্ত আগ্নেয়াস্ত্রে ধার কষে তীব্র প্রস্তুত আমি
এই রোমান শব্দবন্ধে চুমুক দিয়ে দেখো
আম্রকুঞ্জে প্রবেশের আগেই আমরা ফ্রয়েডের প্রত্যয়ণপত্র নিয়ে এসেছি...

পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে



    পরের পাতা >> ›
মোট সময় লেগেছে ০.০৮৭৭ সেকেন্ড
সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অ্যান আউটসাইডার অ্যাম আই।
অর, পারহ্যাপস, নোবডি এট অল...
আর এস এস ফিড

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ১১৩টি
  • মন্তব্য করেছেন: ৮৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ৬৯৫টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ৫ বছর ১০ মাস
  • ব্লগটি মোট  ৪৪১৬৫ বার দেখা হয়েছে

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ