সুশীল বঙ্গ সুশীল রঙ্গ ৪- জানতে হলে বাঁচতে হবে
৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৪
বাঁচতে হলে জানতে হবে শ্লোগানটা এইডস থেকে রক্ষা পাওয়ার নানাবিধ উপায় বর্ণনা করে,কোন কোন সংযোগ আর সংস্পর্শ এড়িয়ে চললে এইডস এর ঝুঁকি কমে যায় তা জানানোর ব্যাগ্রতা আমাকে আর আশ্চর্য করে না।
ভারত আর বার্মার জনগনের এইডস আক্রান্ত হওয়ার হার বেড়েছে আশংকাজনক ভাবে- মুক্ত বাণিজ্যের ধজ্বা উড়িয়ে ভারত থেকে যে পরিমাণ পণ্য আসছে বাংলাদেশে বিভিন্ন মাপের ট্রাকে এবং এসব ট্রাক ড্রাইভার এইডস ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে অত্যন্ত পারদর্শী। আর বার্মায় সম্ভবত বাংলাদেশের তালুকদারি শুরু হবে খুব শীঘ্রই- তখন অনেক মানুষই বার্মায় যাবে নিয়মিত- ভাব ভালোবাসা এবং এইডসের আদান প্রদান হবে- যদিও বার্মা সার্কের সদস্য না এরপরও আমাদের ভেতরে একটা বন্ধন গড়ে উঠতে পারে-
দিন রাত এইডসের বিজ্ঞাপণের পাশাপাশি দেখছি জলপাই দানবের প্রশস্তি গাঁথা- খরা আর বন্যায় সেনাবাহিনীর সহায়তার বজ্ঞাপণ দেখতে ভালোই লাগে-গণতন্ত্রও হয়তো রক্ষা পাবে তাদের হাতে!!!! গণতন্ত্রের নাভিশ্বাস উঠেছে- প্রাণকণ্ঠ বাংলাদেশ ধুঁকছে- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নাগালের বাইরে- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দানবতন্ত্রে যখন সাধারণ মানুষের কলজে ভয়ে শুকিয়ে কাঠ আর তাদের চোখে বন্যা এমন সময়ে সহায়তা করতে পারে একমাত্র সেনাবাহিনী।
আমার এক বন্ধু একবার বলেছিলো বাংলাদেশ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পাগলা গারদ। যারা আটকে আছে হেমায়েতপুরে তারাই সবচেয়ে স্বাভাবিক- বর্তমাণের বাংলাদেশ দেখে কথাটার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হই-
সেনাবাহিনী একটা রাজনৈতিক দল তৈরী করতে চাচ্ছে এটা অনেক আগে থেকেই অনুমিত ছিলো তবে একদল মানুষ দাবি জানিয়েছে এই নতুন দল গঠনের পর অন্তত ৫ বছর নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না- এটা জলপাই দানবদের নতঃপুত হচ্ছে না- তারা একটা চাপ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে- তবে এখনও কেউ এ জায়গাতে নিজেকে স্থাপন করতে চাইছে না- তারা মাঠ পর্যবেক্ষণ করছে-
আমাদের তোতলা উকিল কোকিল কণ্ঠে বলেছেন তিনি এবং তিনি যে উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য তারা সবাই জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছেন-আমি নিশ্চিত না আসলে তোতলা উকিলকে কোন জনগন কিংবা জনগনের কত শটাংশ প্রটিনিঢি নির্বাচন করেছে- তবে তিনি নিশ্চিত তাদের জনগন ম্যান্ডেট দিয়েছে আইনের শাসন আর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য-
তিনি দিন রাত সাংবাদিক সাথে উদ্ভট কথা বলছেন- একদিন বলেছেন এমন কোনো কথা টো বলি নি আমরা- বর্টমান টট্টাবঢায়ক সরকারের মূল লক্ষ্য একটা গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান- অবশ্য তিনি বলেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন সবাইকে দুর্নীতির দায়ে আটক করে নি- কারো কারো কাছ থেকে সহায়ক তথ্য আদায়ের জন্য আটক করা হয়েছে- টডন্ট কমিটি ইচ্ছা করলেই সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য যেকোনো মানুষকে তলব করতে পারে- তোতলা হলেও তিনি উকিল, তার জানা থাকার কথা কাউকে তথ্য সংগ্রহের জন্য আটক করার বিধান নেই-তবে
তিনি যখন জনগনের ম্যান্ডেট জাতীয় রাজনৈতিক বুলি বলেন তখন একটু ঝামেলায় পড়ে যাই আমি-এর আগে নির্বাচিত শাসক দলের প্রধানদের কণ্ঠে এমন মধুঝড়া বচন শুনেছি- আমরা জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছি- নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেও ক্ষমতা ত্যাগ করবো না- তখন তাদের আচরণে স্পষ্ট ছিলো ম্যান্ডেট দিয়ে তাদের যথেচ্ছাচারের নির্বিচার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে-
হয়তো কোনো একদিন তোতলা উকিলের মায়ের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে কোনো এক আসন্তুষ্ট মানুষ বলতে বাধ্য হবে- ছবি দেখেতো তাকে ভদ্রমহিলাই মনে হয় তবে কেনো যে সময়মতো গর্ভপাত করলো না-
এইডস নিয়ে সোচ্চার বিশ্ব- এইডস নিরাময়ে ইসলাম শীর্ষক সেমিনারের বক্তব্য না জানলে খাতনা আর বিবাহিত সঙ্গমের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করা কষ্টসাধ্য হতো-
ইসলাম আধুনিক ধর্ম তাই এখানে খাতনার বিধান রয়েছে-লিঙ্গাগ্রের ত্বক কেটে ফেলানোর নানাবিধ সুবিধা আছে- খাতনার ফলে যৌনবাহিত রোগের সংক্রমন কমে যায়- সঙ্গমের পর লিঙ্গ পরিষ্কার করার সুবিধা বাড়ে- এটা নাকি পরীক্ষীত সত্য-তবে আলেমদের এসব জরিপ কে করে দেয় আমি জানি না- দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যি যে করে না এটা নিশ্চিত বলা যায়-তবে
এমন এক দীর্ঘ মেয়াদি জরিপে এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে সণ্গমলিপ্ত হয়ে কতজন ক্বলবে ইসলাম খাতনার উপকারিতা এবং খাতনার সুবিধা সংক্রান্ত ঐশ্বরিক ক্ষমতা সপ্রমাণের জন্য আগ্রহী হয়ে জরিপে অংশ নিতো এটা জেনে ইশ্বরাভিমুখীতা আর ইশ্বরানুগত্যের একটা প্রমাণ পাওয়া যেতো।যে কয়জন বিশ্বাসী কনডম ছাড়াই সঙ্গমে আগ্রহী তারা সবাই আসলে তুমুল ইশ্বর বিশ্বাসী-
তবে ইব্রাহিম যখন ইসমাইলকে নিয়ে পাহাড়ের চুঁড়ায় উঠে গেলো- তখন কোরাণের ভাষ্যানুযায়ী ইশ্বর তাদের প্রতি বিশেষ ভাবে অনুগ্রহ প্রদ্শন করেছেন- আল্লা মিয়ার পেয়ারে বান্দাদের অণ্যতম বনী ইসরাইলরা- তবে একটা নির্মম সত্য হলো আল্লা মিয়া যথেচ্ছা সঙ্গমের অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত করেছেন তাদের-
বিশ্বব্যাপী এইডস সংক্রান্ত জরিপে এবং গবেষণার পর একটা তথ্য সামনে এসেছে- কিছু কিছু মানুষ এইডস প্রতিরোধের জেনেটিক সক্ষমতা নিয়ে জন্মায়- এইসব মানুষের রক্তে এইডসের জীবানু ঘুরলেও তারা এইডস আক্রান্ত হয় না-এদের সিংহভাগের আবাস ইউরোপ মহাদেশে-যদি কোনো দিন এইডসের মহামারী হয় তবে এশীয় আর আফ্রিকার অধিবাসীরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে- তাদের জেনেটিক গঠনে এই প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই-
যারা ভাবছে কিয়ের কি তাদের জন্য তথ্য কণিকা- বনী ইসরাইল গোত্রটা এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার সংযোগ স্থলের জনগোষ্ঠি- তাদের প্রতি আল্লা মিয়ার বিশেষ অনুগ্রহ থাকলেও তাদের এইডসের মহামারী থেকে বাঁচানোর জন্য যেরকম শাররীক ক্ষমতা দরকার তা তাদের দেওয়া হয় নি-
এইডস নিরাময়ে ইসলাম শীর্ষক সেনিমারে এক হুজুর বলেছিলো-
আমাদের সবার তাগিদ এক না- যেসব ভাইয়ের তাগিদ একটু বেশী তাদের জন্য পরম করুণাময় আল্লাহ তা'লা রাব্বুল আল আমিন একাধিক শাদীর সুবন্দোবস্ত রেখেছেন- অনেক ভাইয়ের এক নারীতে তৃপ্তি হয় না- তারা প্রয়োজনে ২টা ৩টা ৪টা বিবাহ করতে পারেন, তবে জেনা করবেন না- শরিয়া মেনে চললে আল্লাহ চাহে তো বাংলাদেশে এইডসের ঝুঁকি থাকবে না!!
এইডসের সমস্যা হলো এটা কোনো ব্যাধি না এটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়- ফলে যেকোনো সাধারন ব্যাধিই জীবনঘাতি হয়ে উঠতে পারে-
এইডসের কারণে না হলেও বাংলাদেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমছে প্রতিদিন- অপুষ্টিতে- চড়া দামের কারণে খেতে না পেরে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে-এদের জন্য নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহন করতে চাচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তবে এর সুফল তারা আদৌ পাবে কি না
এটা জানার জন্য আমাদের নতুন শ্লোগান - জানতে হলে বাঁচতে হবে।
আদৌ তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রনে সফল হবে?
জানতে হলে বাঁচতে হবে।
আদৌ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে?
জানতে হলে বাঁচতে হবে।
ছবিসহ ভোটার তালিকা ঠিক মতো সমাপ্ত হবে?
জানতে হলে বাঁচতে হবে।
আদৌ একটা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ গ্রহনযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
জানতে হলে বাঁচতে হবে।
নির্বাচন কমিশন আসলে কি করতে পারতে এ নিয়ে প্রথম আলো একটা গোল টেবিল বৈঠক করেছে- ভালো একটা সুশীল উদ্যোগ- সবাই নানা রকম পরামর্শ দেয় আর চা কফি ঠান্ডা পানি খায়- সেখানে নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন ছবি সহ ভোটার তালিকা তৈরির জন্য বাড়ি বাড়ি যেতে হলে নির্বাচন কমিশনের ভোটা তালিকা তৈরিতে ৩৬ মাস সময় লাগবে- এ সময় তাদের দেওয়া হবে কি না-
এছাড়াও নাকি ছবি সহ ভোটার তালিকা তৈরির জন্য আন্দোলনে ৫০ জন মৃত্যু বরণ করেছে- আমার জানা নেই- গ্রহনযোগ্য ভোটার তালিকা তৈরির একটা আন্দোলন চলছিলো-তবে সেটা ছবি সম্বলিত হতে হবে এমন কোনো দাবি ছিলো না-বোধ হয় এই আন্দোলন হয়েছে সেনাবাহিনীর ভেতরে- ব্যপক সংরক্ষণশীল তথ্য সরবরাহ ব্যবস্থা কার্যকরী থাকার জন্য আমাদের মতো আম জনতা এ বিদ্রোহ কিংবা আন্দোলনের কোনো সংবাদ পাই নি-
তিনি অবশ্য বিকল্প দিয়েছেন বলেছেন ছবিছাড়াও ভোটার তালিকা তৈরি সম্ভব-
তবে প্রশ্নটা হলো গাজীপুরে একটা পাইলট প্রকল্প শেষ হলে ভোটার তালিকা তৈরির প্রয়োজনীয় সময় সঠিক ভাবে নির্ধারণ করা যাবে-এজন্য ১২০০০ থেকে ৪০০০০ ইউনিট মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে-এসব ইউনিটের সাথে থাকবে একটা করে ল্যাপটপ-একটা ডিজিট্যাল ক্যামেরা- একটা প্রিন্টার-ইউনিটগুলোকে এই অবস্থায় নিয়ে যেতে প্রতিটা ইউনিটের সাথে সহায়ক যন্ত্র যাবে প্রায় লক্ষাধিক টাকার-অর্থ্যাৎ আমাদের অবকাঠামোগত প্রস্তুতির জন্য প্রায় ১২০ কোটি টাকা লাগবে-
এসবের জন্য একটা টেন্ডার আহ্বান করা হবে- সরকারী প্রতিষ্ঠানে পণ্য সরবরাহ করার রীতি মেনেই হয়তো কাজটা করা হবে- তবে কোন প্রতিষ্ঠান এ কাজটা পাবে- কতগুলো প্রতিষ্ঠানের এমন টাকা বিনিয়োগের সামর্থ্য আছে-
গতবার ভোটার তালিকা তৈরির জন্য প্রায় ১২০ কোটি টাকার অপচয় হয়েছে- এ টাকায় তারা বাড়ী বাড়ী গিয়ে ভোটার নিবন্ধন আর ভোটার তালিকা মুদ্রনের কাজটা করতে পারতেন- সে ভোটার তালিকা বাতিল গন্য হয়েছে- এখন এর চেয়ে বেশী পরিমাণ টাকা অবকাঠামোগত প্রয়োজনে ব্যয় করার যৌক্তিকতা কি?
অবকাঠামোগত অপচয় বাদ দিলেওএকটা বিশাল তবে অদৃশ্য খরচের খাত হলো একদল মানুষকে প্রশিক্ষন দিয়ে তৈরি করার কাজটা- এই অপচয়টা কি ভাবে কমানো সম্ভব-এর পরেও ৬ থেকে ৩৬ মাস পর্যন্ত তাদের পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়টাও ভাবতে হবে আমাদের- আসলে পয়সার হরি লুট কিংবা ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরির ধাক্কা সামলাতে পারবে না কি বাংলাদেশ? কিংবা সেনাবাহিনীর একগুঁয়েমি অনড় অবস্থানের জন্য ৪০০ থেকে ১০০০ কোটি টাকা ব্যয়ের অবিবেচনা আমরা মেনে নিতে পারি কি না?
তবে আরও বিশাল একটা প্রশ্ন হলো ভোটার তালিকা তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর এই ১ বিশাল লটবহর আসলে নির্বাচন কমিশনের কোন ভাগারে জমা হবে? কিংবা এগুলো কাজ সম্পাদিত হওয়ার পর ভোগ করবে কারা?
এসব জানতে হলে বাঁচতে হবে।
আমরা কবে এমন ধনী দেশ হয়ে গেলাম জানি না-তবে অবশ্যই আমরা জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া ১১ নির্বোধ চুদির পোলার নিরপেক্ষ নির্বাচন নিমিত্তে গৃহীত পদক্ষেপগুলো মেনে নিয়ে নিজেদের হোগায় ট্রেন লাইন ঢুকিয়েছি- এখন নানারকম বায়ানক্কা চলছে-
হোগা আরো একটু প্রশস্ত হলে ভালো হতো- মিটার গেজ ঢুকেছে তবে কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে ব্রড গেজ ছাড়া প্রবেশ করা সম্ভব না-এখন সেখানে ব্রড গেজ স্থাপন করতে হবে- আমাদের হোগার অবসর প্রাপ্ত সরকারী কর্মচারী থুক্কু সুশীল সমাজ ঘৃত লেপন করছে নিয়মিত ভাবে- ব্রড গেজ লাইন স্থাপনের টেন্ডার দাখিল হয়েছে, অতএব সুবোধ জনগন লুঙ্গি মাথায় তুলে সুশীল হয়ে থাকো।
প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে তারা বাজেটে এ বাবদে-ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরির বাজেট- যদি ১১ নির্বোধ এবং নির্বোধ ছাউনির সব জলপাই বাঁদরদের ইচ্ছামতো চাবকানো যেতো তবে খানিকটা ক্ষতিপুরণ হতো-
মুমূর্ষু বাংলাদেশের অসহনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ তদন্ত শেষে বিশেষজ্ঞ দল বলেছে আসলে দাম বাড়ছে কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে এসবের দাম বেড়ছে ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ-
যত দোষ নন্দ ঘোষ সিন্ডিকেট, মজুতদারদের দোষি করেছে তারা তদন্ত রিপোর্টে-এদের সাথে সিপিডির গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন কতিপয় অসাধু মুনাফালোভী মধ্যস্বত্ত ভোগি এরাও সম্মিলিত ভাবে বাজারে জিনিষপত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে- এ নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে দৈনিকে-
সিন্ডিকেট, মজুতদার বিরোধী যৌথ বাহিনীর আগ্রাসন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য দায়ি বলছে ব্যবসায়ীরা- তারা দেন দরবার করে সরকারের কঠোর অবস্থানকে নমনীয় করেছে তবে গোড়ার গেঁরো খুলবে কে?
আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিলাম ২ বছর আগেই- দেশের প্রয়োজনীয় চাহিদা পুরণ করে আমরা আমাদের উদ্ধৃত চাল বিদেশে রপ্তানী করবো এমন কথাও ছিলো- বন্যায় শষ্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যহত না হলে এমনটাই ঘটবে বলেছিলেন বিশেষজ্ঞরা- তবে এ কি কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে?
মেনে নিলাম স্বয়ংসম্পূর্ণতা একটা অপপ্রচার ছিলো- হয়তো ১০০ শতাংশ না হলেও আমরা আমাদের চাহিদার ৮০ শতাংশ চাহিদা মেটাতে পারতাম- তবে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ আমরা আমদানী করি- তবে সিপিডির সুশীলেরা কেনো এমন একটা প্রতিবেদন দাখিল করলো যেখানে পূর্বকল্পিত সিদ্ধান্ত এমনটাই যে আমরা আমাদের চাহিদার সবটুকুই আমদানি করি-
সিপিডির বিশেষজ্ঞদের কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাইয়ের ফুটা সঙ্গমের বিলাসিতা ত্যাগ করে তাদের অনুরোধ করবো তারা যেনো কষ্ট করে আশুলিয়া কিংবা গাজীপুরের বাসের টিকিট কেটে খানিকটা সময় অপচয় করেন- তবেই তারা দেখতে পারবেন এখন বাংলাদেশের ধানের ক্ষেত আছে- সেখানে ধান চাষ করে মানুষ- এবং আশ্চর্য হলেও সেসব ক্ষেতে ধান উৎপন্ন হয়- সেসব ধান চাল কলে যায়- চালও উৎপন্ন হয়-মারাইয়ের সময় চলছে এখন-একটু দেশের ভেতরের দিকে গেলে তারা হয়তো মারাই করা ধানের খড়ও দেখতে পাবেন রাস্তায় শুকাচ্ছে অশীল মানুষেরা।
আমাদের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের লোকজন আমদানি করছে- তাদের পরামর্শ দানের কাজটা ছেড়ে যদি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি যায় কেউ তবে এলিট সুশীলের অবসর বিনোদন কেন্দ্র সিপিডির লোকজন দেখতে পারতো এখনও বাংলাদেশের জমিতে ধান- ভুট্টা সহ বিভিন্ন শষ্য উৎপাদনের কাজটা পুরোদমে চলছে- এবং আভ্যন্তরীণ চাহিদার অধিকাংশই এরা নিজে ঠকে হলেও পুরণ করে-
তবে এত অভাবেও আমাদের জানার তাগিদটা পরে যায় নি- আমরা জনতে চাই- অনেক কিছুই জানতে চাই- চাচার খালা শ্বাশুড়ীর মেয়েকে বিয়ে করা শরিয়ত সম্মত হবে কি না? মায়ের ননদের দেবরকে বিয়ে করায় কোনো কোরানিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি না?
তবে সবচেয়ে সরল মনে হয়েছে একজনের জিগিষা- তিনি জানতে চেয়েছেন ইসলাম বিশেষজ্ঞের কাছে- আমরা জানি পুরুষের পশ্চাৎগমন জেনা- তবে যদি কেউ কনডম পড়ে কোনো পুরুষের সাথে পায়ুপথে সঙ্গম করে তবে সেটা কি জেনা পরিগণিত হবে?
সেনাবাহিনী কি বলে- তারা তো দীর্ঘ মেয়াদে পায়ুকামী হয়ে উঠার পরিকল্পনা করেছে-
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
কি মিয়া থাকো কই? কেমনে কি?
রাসেল ( ........) বলেছেন:
ভাইরে খবর পাঠাই কোনো পাত্তা পাই না- ঐ দিন টিএসসি গেছিলাম- এর পর কি আর- দেখা হইলো না- দেখি আগামি পরশূ একটা টেরাই দিবো টি এস সিতে আড্ডা মারার-
এহহামিদা বলেছেন:
French and South African AIDS researchers have called an early halt to a study of adult male circumcision to reduce HIV infection after initial results reportedly showed that men who had the procedure dramatically lowered their risk of contracting the virus. The study's preliminary results, disclosed Tuesday by the Wall Street Journal, showed that circumcision reduced the risk of contracting HIV by 70 percent -- a level of protection far better than the 30 percent risk reduction set as a target for an AIDS vaccine.
Click This Link
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
বাচঁতে হলে বহু কিছুই দেখি জানতে হবে।(বরবরের মতোই ৫! না পইড়াই দেয়া যেত,তবে পড়ার মজা মিস করি কি করে?)
রাসেল ( ........) বলেছেন:
কেম্নে আর কি হইবো- ফ্যাঁচাং লাগছে- একটু হাঁফ ছাইড়া বিস্তারিত কমু নে- টাইম পাই না অন লাইনে আওনের- বহুত ফর্মালিটিজের চাপে ভ্যাচকায়া গেছি
এহহামিদা বলেছেন:
PARIS, Feb 23, 2007 (AFP) - Trials showing that male circumcision more than halves the risk of HIV infection are published in The Lancet on Friday, giving the seal of approval to calls for circumcision to be cautiously launched as an AIDS prevention strategy.Click This Link
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
পরশু টি.এস.সিতে কনফার্ম আমু।গত পরশু আসতে পারি নি,বিবিজান আসছেন বহুত দিন পরে।(বিবিজান আসলে যে ঝামেলার মধ্য দিয়া যাইতে হয়,এইটা কি আপনারে বুঝানো লাগবো?)
রাসেল ( ........) বলেছেন:
অনেক কিছুই জানা গেলো- খাতনার এই ঐশ্বরিক মাহত্ব্য সপ্রমাণের জন্য আপনি কি সঙ্গমে রাজী? ৩০ শতাংশ ঝুঁকি নিয়ে দেখেন এইডস হইতাছে কি না- হয় ছক্কা নয় ফক্কা অবস্থা হইলেও কি হইবো ৭০ শতাংশ সম্ভবনা না হওয়ার-
এহহামিদা বলেছেন:
সুশীল, ব্যবসায়ী ও প্রক্তন উপদেস্টা আগের তত্বাবধায়ক সরকারের সময় কইছিল ৬ সপ্তাহের মধ্যে নাকি সবার লাইগা ভোটার আই ডি কার্ড বানান যাইব।সব সময়ের মত ইন্টারনেটে সার্চ দিলাম। আমি উল্টাইয়া গেলাম!!!
BANGALORE: Nearly five years after the voter identity (ID) card was introduced in the country, Karnataka is among the few states to have covered 85 per cent of its voters.
Click This Link
এহহামিদা বলেছেন:
Buy a voter ID card in Punjab for Rs 1000NEW DELHI: A TV channel on Monday claimed to have unearthed in a sting operation large-scale fraud relating to purchase of voter identity cards in Punjab.
Touts acting on the behalf of candidates in the elections have been buying voter ID cards that are up for sale for as little as Rs 1,000, Star News said.
The TV channel claimed candidates desirous of being elected are purchasing ID cards from poor voters who they fear may vote against them.
Click This Link
মলিন বলেছেন:
জেনা মানে কি?
এহহামিদা বলেছেন:
Voter ID cards for all by 2008: CECPTI
Sunday, October 29, 2006 13:37 IST
For the latest India News on mobile sms NAT to 4567
CHENNAI: The issuance of electors’ photo identity cards across the country is expected to be completed by the end of 2008, Chief Election Commissioner V Gopalaswami said on Sunday.
When asked about AIADMK chief Jayalalitha's allegation that the Election Commission had acted in favour of the ruling DMK in a recent assembly by-election, he said "an appropriate" reply had been given by state Chief Electoral Officer Naresh Gupta.
রাসেল ( ........) বলেছেন:
সমস্যা নাই ৩৬ মাসে সব বাসায় ঘুরে তৈরি করা সম্ভব এইটা- ভারত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মতো দক্ষ না-
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
দরকারটা কী?আমার গ্রামের কোন কৃষকের জন্যই এটা দরকার নাই।বর্ষায় নিজের বিছনা বালিশই বাচাঁইতে পারে না,এই ছবিঅলা কার্ডটা বাচাঁইব কেমনে?
এহহামিদা বলেছেন:
সুশীল, ব্যবসায়ী ও প্রক্তন উপদেস্টামন্জুরে এলাহী আগের তত্বাবধায়ক সরকারের সময় কইছিল ৬ সপ্তাহের মধ্যে নাকি সবার লাইগা ভোটার আই ডি কার্ড বানান যাইব।
এহহামিদা বলেছেন:
এই প্রজেক্টটা বাগানের চেষ্টা করছিল সুজন(সু-শাসনের জন্য নাগরিক)
এহহামিদা বলেছেন:
তবে সুশীলরা যেইভাবে ধুপ কইরা মিছা কথা কইয়া ফালায় আগ পাছ না ভাইবা অবাক লাগে!!!
এহহামিদা বলেছেন:
এইডা আমেরিকা!!! পুরাটা পড়েন!!!The chief sponsor of Georgia’s voter identification law told the Justice Department that if black people in her district “are not paid to vote, they don’t go to the polls,” and that if fewer blacks vote as a result of the new law, it is only because it would end such voting fraud.
Click This Link
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
রাসেল ভাইজানের পোস্ট দেইখ্যা তো এহহামিদার তো আল্লাহদে আটখানা অবস্থা। একেবারে বুদবুদের মত কমেন্ট আইতাছে। অনেকদিন পর মনের মানুষ পাইছে মনে হয়!
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
হ
এহহামিদা বলেছেন:
সুশীলরা ইন্ডিয়ায় ভোটের কি গল্প শুনায় আর দেখেন কি হয়!!!!Monday, February 12, 2007 |
Voter ID? Rs 1000 for a fake
Barasat, Feb. 11: A raid by police and the Election Commission has hit what is said to be the tip of a racket in fake voter I-cards, which may well have flooded Bengal.
Seven people from Gaighata in North 24-Parganas, about 50 km from Calcutta, were arrested last night.
The police said some of them were traders who took to the “part-time” fake document business for a fast buck.
It takes only about Rs 5 to make a fake card, which sells for as much as Rs 1,000.
“We conducted the night-long raid following specific leads,” district magistrate P.K. Mishra said this afternoon.
“More raids are likely in the next few days,” added district superintendent of police Praveen Kumar.
Over 25 lakh names were struck off electoral rolls before last year’s Assembly elections because they were either fake or their owners had changed their constituency or died.
Chief electoral officer Debasish Sen said he was aware of the crackdown. “We shall take appropriate action after we get a report from the district administration.”
The police planned to lay a trap three days ago.
“We became definite about the racket after four men who claimed to be from Baruipur in South 24-Parganas applied to us three days ago for the inclusion of their names in the Gaighata voter list. They even produced residents’ certificates signed by the Baruipur block development officer. The documents were forged,” a North 24-Parganas official said.
The four did not have their names on the Baruipur voter lists. Tracking down the source of the fake certificates, the police launched last night’s raids. Those held apparently revealed a far wider racket.
“Earlier, we asked the four to come to the block office for the completion of the name-transfer process. They were arrested on arrival,” said Jyotirmoy Tanti, the Gaighata block development officer.
Kumar said the four revealed during interrogation from where they got the fake residents’ certificates.
Local Trinamul Congress MLA Jyotipriya Mullick said he had sent a letter to the Election Commission last month alleging that the area was teeming with fake voters. Not surprisingly, he saw “some CPM leader’s involvement” in the racket.
The same racket, he added, distributes fake ration cards among Bangladeshi infiltrators. “The ration cards help them get their names included in the voter list.”
Last November, two CPM branch committee members were arrested for being involved in a racket dealing in fake documents.
The police refused to put a number on how many fake voter cards could be in circulation. “The investigation has just begun,” said an officer.
Nadia, Howrah, Hooghly and the two 24-Parganas were prime markets for the North 24-Parganas gang, he added.
Click This Link
এহহামিদা বলেছেন:
যান ক্ষ্যান্ত দিলাম!!!সত্য জানতে অনেকের গা জ্বালা করে!!!
সুশীলরা যে কতটা টেকনিক্যালী দেশটারে অস্থিতিশীল করে, এইটাই দেখাইলাম!!!
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
ব্যোম ভোলানাথ!
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
জয় মাতঙ্গিনী খালেদা-হাসিনা!! হেরা ফিরা আইলেই সব ঠিক হইয়া যাইবো, ইনশাআল্লাহ!!
মম বলেছেন:
এততোদিনে একখান যুইতের কথা হুনলাম।আপনের ওয়াজ ভালো লাগলো। সামান্য সংযুকতি
অন্যান্য দেশের খবর জানিনা, আমেরিকান হাসপাতালে বাচচা পয়দা হওয়ার লগে লগে খতনা কইরা দেয়।খেরেশঠান,মুসলমান, হিনদু, বৌদধ্য,নাসতিক, সবাইর। শিশুর পিতামাতা যদি আপততি করে তাইলে করবে না।
আমার সোয়ামী আমেরিকানো স্বেতাংগো খেরেশঠান।
তার খতনা করাই ছিলো।
রাসেল ( ........) বলেছেন:
তাতে কি হইলো মমাফু?



















আমি তো আর খারাপ কিছু ভাবলাম।