আমার প্রিয় পোস্ট
- একটা লাইক দিয়া যান
- শয়তান
- চিঠি- - মাহী ফ্লোরা
- যে কবিতা লিখে কবি হয়েছিলেন নন্দিত অথবা নিন্দিত.... - দস্যু রত্নাকর
- জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হূমায়ূন আহমেদের ১৬০ টি উপন্যাস ডাউনলোড করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই... - জবরুল আলম সুমন
- কেমন হয় যদি আপনার মরিচ গাছে একসাথে পাঁচশত মরিচ ধরে, তাও একেকটি ছয় ইঞ্চি লাম্বা সারা বছর জুড়ে । - ময়নামতি
- শরতের একদিন অথবা শেষ দিনটাতে.... - মাহী ফ্লোরা
- কেউ কখনও খুঁজে কী পায়... - হাসান মাহবুব
- নস্টালজিয়া... চার দেয়ালে বন্দি ভোরের ঘুম' - নস্টালজিক
- আমি আয়না বলছি.....

- নাআমি
-
“বাবা যখন রন্ধনশিল্পী”
- ইষ্টিকুটুম
- চির রহস্যময় কিংবদন্তী-খনা!!! - শায়মা
- ভালো থেকো - মহাবিশ্ব
- বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ এর অফিসিয়াল থিম সং এবং কিছু আনঅফিসিয়াল কথাবার্তা..... - নস্টালজিক
- আপনি নিশ্চিত চমকাইবেন যদি না জেনে থাকেন!(মিস করছেনতো মরছেন)

- হাসান জোবায়ের
- এক কিশোরী মেয়ের বেড়ে উঠা আর এক প্রেমিকের মৃত্যু - রাত্রি২০১০
- রিমান্ডের তিন রত্নকে নিয়া হিটলার বাবাজি একটা ভাষণ দিছেন! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কোয়ান্টাম দিদিমার রাজ্যে! - ম্যাভেরিক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- অক্ষরদায় , ক্লান্তিকাল , অবেলার ভূমিকায় - অন্ধ আগন্তুক
- গল্পঃ রূপার কাঁকন - শেখ আমিনুল ইসলাম
- রিকশাপেইন্টার ও অন্যান্য কবিতা - অমিত চক্রবর্তী
- ...এবার বাংলাদেশী পয়সার ছবি... - আকাশদেখি
- 'গুরু' জেমস নিয়ে কয়েক ছত্র ... - দারাশিকো
- ~~এক টুকরো গোধূলি~~ - আকাশনীল
- আমি কোন শব্দকর নই - শিরীষ
- প্রিয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী এবং আমার দীর্ঘ নিকটির কারণ - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- বহুদিন কোন কবিতা লিখিনা... - সুনীল সমুদ্র
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- গল্প: প্রিয়তম দুঃখ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- শুভ জন্মদিন, চতুষ্কোন!
- হোদল রাজা
- ঘুড়ি ছেঁড়ার দিন (২) - কথক পলাশ
- ভেনিস আমার স্বপ্নের ভেনিস (শেষ পর্ব) - জুন
- তুমি কি ওকে চেন নি পৃথিবী? - সোহায়লা রিদওয়ান
- আলোয়-অন্ধকারে (গল্প) - আহমেদ রাকিব
- কবিতাদলঃ খয়েরি পাখিদের আজ বাড়ি ফেরার তাড়া নেই - অমিত চক্রবর্তী
- ছোট ছোট ছোটবেলা , ভালো ভালো ভালোলাগা - শায়মা
- ডুবে আছি আবুল হাসানে - রাহা
- গল্প: ডুবোজ্বর - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- বিদায় পৃথিবী- k-79er34b নক্ষত্রপুন্জের C-37 গ্রহে নিমন্ত্রণ রইলো - k-79er34b
- যাপিত জীবন - আহমেদ রাকিব
- পাপগল্প: কখনো রাত অনিন্দিতার চোখের ভেতর... - পাপতাড়ুয়া
- Tie ur shoes with new Different Style - রানা
- আন্দিজের গান - দ্রোহি
- যাই বল না - তনুজা
- তিল-গপ্পো> বৃত্তে প্রবেশ নিষেধ! - আশরাফ মাহমুদ
- জীবন এক অপূর্ব তুর্কি ঘোড়া ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- তোমাকে শুনলাম আজ বহুদিন পর............. - সুলতানা শিরীন সাজি
- কেউ বলে ভাল, কেউ বলে সুন্দর, আর কেউ কিছুই বলেনা, শুধু + দিয়ে যায়। - মেহেরুবা
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- আইজ আম্রার পানু ভচের জন্মদিন
- লিটল হামা
- ছোটগল্প: কালিদহের কূহক - আকাশচুরি
- এ শালার বাঙ্গাল ব্যড়া ঘাউরা চিজ হ্যায় না? - রাগ ইমন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ২য় পর্ব - রাগ ইমন
- প্রিয় - বাবুনি সুপ্তি
- সময়গুলো সব এমনি করেই কোথায় যেন চলে যায়!! - ত্রেয়া
- শান্তিনিকেতন -দ্বিতীয় পর্ব - দীপান্বিতা
- *আপডেট সহ * বর্ষপূর্তির কত কথা
!! [ তেলাপোকা ও একটা পাখি আমি ও একটা লেখক
!!... ] - বোহেমিয়ান কথকতা
- প্যারানয়েডের ডিফেন্স মেকানিজম - হাসান মাহবুব
- নির্লজ্জ পদাবলী-১( হৃদয় চেয়োনা, নারী ।) - তায়েফ আহমাদ
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৫ > অচেনা আঁধারে বাবার তালাশ - মনজুরুল হক
- একজন সাধারণ বাবার অতি সাধারণ গল্প! - চতুষ্কোণ
- দেবদূতের বিবাহনামা ----- ৬ - শান্তির দেবদূত
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- শ্রাবণ আমার মায়ের চোখে - চতুষ্কোণ
- বলো, কে চায় বদলাতে? - দেবদারু
- আমি হয়তো জানিই না আমার ফাঁসির আদেশ হয়ে গেছে! - অমি রহমান পিয়াল
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- গল্প: ছায়ার ডানা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- কার নেতৃত্বে শিবিরের বোকা গুলা জীবন দেয় ? - রাগ ইমন
- রূপসী বাংলা : জীবনানন্দ দাশ - একরামুল হক শামীম
- মুক্তগদ্য: শোনো, এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- আমার বান্দরবেলা............৯ - তামিম ইরফান
- গল্প: হাওয়াচুর - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- অন্ধকারের গান অথবা একটি নিছক সাদাকালো ভালোবাসার গল্প - আহমেদ রাকিব
মহাকালের মহাপথিক : জীবনানন্দ
২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৪
''সবিতা, মানুষজন্ম আমরা পেয়েছি
মনে হয় কোন এক বসন্তের রাতেঃ
ভূমধ্যসাগর ঘিরে সেই সব জাতি,
তাহাদের সাথে
সিন্ধুর আঁধার পথে করেছি গুন্জ্ঞন;'' ( সবিতা, বনলতা সেন )
এ যেন ইতিহাসের পথে ছুটে চলা এক মহাপথিক স্মৃতিচারণ করছেন তার প্রিয় মানুষীর কাছে। মহাকালের পথে ক্লান্ত প্রাণ নিয়ে ছুটে চলা কবি তাঁর অন্য একটি কবিতায় বলেছন,
''যে নক্ষত্রেরা আকাশের বুকে হাজার-হাজার বছর আগে ম'রে গিয়েছে
তারাও কাল জানালার ভিতর দিয়ে অসংখ্য মৃত আকাশ সঙ্গে করে এনেছে
যে রূপসীদের আমি এশিয়ায়, মিশরে, বিদিশায় ম'রে যেতে দেখেছি
কাল তারা অতিদুরে আকাশের সীমানায় কুয়াশায় কুয়াশায় দীর্ঘ বর্শা
হাতে ক'রে কাতারে কাতারে দাঁড়িয়ে গেছে যেন ...
মৃত্যুকে দলিত করবার জন্য ?
জীবনের গভীর জয় প্রকাশ করবার জন্য ?
প্রেমের ভয়াভহ গম্ভীর স্তম্ভ তুলবার জন্য ?'' (হাওয়ার রাত, বনলতা সেন )
যেন মহাবিশ্বের পটভুমিতে দাঁড় করিয়ে মানুষকে জীবন সম্পর্কে গভীরতর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছেন মহাকালের মহাপথিক : জীবনানন্দ। তিনি আসলে এমন এক মহাজাগতিক বীক্ষা অর্জন করেছিলেন যার ফলে যে বিষয়টিকে দেখেছেন তাই অত্যন্ত ব্যাপক হয়ে উঠেছে। ইতিহাসকে তিনি ধারণ করেছেন অপরিমেয় সময়ের মোড়কে, আবার মুহূর্তকালের ব্যাপ্তিতে। তিনি বলেছেন, ''কবিতার অস্থির ভিতরে থাকবে ইতিহাস চেতনা ও মর্মে থাকবে পরিচ্ছন্ন কালজ্ঞান।''
স্বভাবোক্তি অলংকার ও বাক্প্রয়োগের দেশজ রীতির মিলনে সৃষ্ট তাঁর আপাত- দূর্বোধ্যতার অন্তরালে এক দুজ্ঞেয় রহস্য বিরাজিত। জীবনানন্দ বোধ হ্য় খুবই অল্পকিছু লোকের একজন, যিনি তাঁর কবিতার মাধ্যমে মানুষের জন্ম, মৃত্যু আর কর্মকান্ডকে ইতিহাস ও মহাজাগতিক প্রেক্ষাপটে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং সে সাথে ভাষায় সে-রকম দঢ়তা দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তিনি দু'জন কবিতায় লিখেছেন,
''আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন-কতদিন আমিও তোমাকে
খুঁজি নাকো;-এক নক্ষত্রের নিচে তবু- একই আলো পৃথিবীর পারে
আমরা দু'জনে আছি; পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,
প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়.....?''
বিখ্যাত জ্যোতিঃপদার্থ বিজ্ঞানী সাগান এরকমই একটি কথা অন্যভাবে বলেছিলেন, প্রজাপতির দৃষ্টিতে যেমন মানুষের জীবন হলো অবিচল, বিরক্তিকর, প্রায় সামগ্রিকভাবে স্হবির তেমনি নক্ষত্রের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাকালে মানব জীবন হলো আলোক ঝলকের মতো, অস্হিরতায় পূর্ণ ক্ষীন শতকোটি সংক্ষিপ্ত জীবনের একটি। যে জীবের আয়ুষ্কাল সাতকোটি বছরের এক নিযুতাংশ মাত্র, তার কাছে এই সুদীর্ঘ সময়টি কীভাবে প্রতিভাত হয় ? আমরা হলাম প্রজাপতির মতো যেটি একটি দিনকে মহাকাল ভেবে বসে আছে।
----------------------------------------------------------------------------------
জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালে বরিশাল জেলায়, মৃত্যু ১৯৫৪ সালে। জীবনানন্দের বাবার নাম সত্যানন্দ দাশ, মাতা কুসুম কুমারী দাশ। পিতা একজন স্কুল শিক্ষক, প্রবন্ধকার, ব্রক্ষবাদী নামে পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। মা হাসির গান ও কবিতা লিখতেন। জীবনানন্দ মারা যান বালিগন্জ্ঞ ট্রাম দূর্ঘটনায়, ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর, রাত্রি ১১.৩৫ মিনিটে শম্ভুনাথ হাসপাতালে।
জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্হ বের হয় ১৯২৭ সালে ''ঝরা পালক''; এরপর একে একে ধূসর পান্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, তাঁর মৃত্যুর পর বের হয় রূপসী বাংলা, বেলা অবেলা কালবেলা ।
----------------------------------------------------------------------------------
অনেকেই জীবনানন্দকে রূপসী বাংলার কবি বলে আখ্যায়িত করেন, কেউবা বলেন অচরিতার্থ প্রেমের কবি। এটা ঠিক যে জীবনানন্দ শুরু থেকেই রবীন্দ্র বলয় থেকে দুরে থাকার চেষ্টা করেছন।স্বতন্ত্র কিছু সৃষ্টি করার প্রয়াসে তিনি যে পুরোপুরি সার্থক হয়েছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। রূপসী বাংলা কাব্য গ্রন্হে নিজেকে সম্পুর্ণ আলাদা এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপে দাঁড় করালেন, যেখানে সময় থেমে গেছে আবহমান বাংলার রূপ নিয়ে। আর এই কাব্য গ্রন্হের মধ্য দিয়ে স্হান ও কালের সীমানা পেরিয়ে নিজেকে পরিব্যাপ্ত করলেন নক্ষত্র পর্যন্ত ও সম্পর্কযুক্ত করলেন বিশ্ব ইতিহাসের সাথে।
''চারদিকে শান্ত বাতিভিজে গন্ধ...মৃদু কলরব;
খেয়া নৌকাগুলো এসে লেগেছে চরের খুব কাছে;
পৃথিবীর এইসব গল্প বেঁচে রবে চিরকাল;.......
এশিরিয়া ধুলো আজ ব্যাবিলন ছাই হয়ে আছে।''
( সেইদিন এই মাঠ, রূপসী বাংলা )
বিরহ বিচ্ছেদ জীবনানন্দের কবিতায় কখনই রোমান্টক হয়ে উঠেনি।বিরহ, বিচ্ছেদ, মৃত্যু তাঁর কবিতায় এসেছে অনন্ত শূন্যতা নিয়ে ভোরের শিশিরের মতন। গভীর শূন্যতাবোধের অনুচ্ছ্বসিত সংযত প্রকাশ তাঁর প্রেমের কবিতাকে এক অনন্য রূপ দান করেছে। আর তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আছে বনলতা সেন কাব্য গ্রন্হটি। বনলতা সেন, সুদর্শনা, শ্যামলী, সুরন্জ্ঞনা, সবিতা, সুচেতনা এমনই কয়েকটি নারী চরিত্র আমরা এই কাব্য গ্রন্হে পেয়ে যাই। যারা শুধুমাত্র প্রেমিকা হিসেবেই নয়, কখনো কখনো অতীত ইতিহাসের ঘটনার সাক্ষ্য হিসেবেও আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়....
''সুরন্জ্ঞনা,আজো তুমি আমাদের পৃথিবীতে আছো;
পৃথিবীর বয়সিনী তুমি এক মেয়ের মতন;
কালো চোখ মেলে ঐ নীলিমা দেখেছ;
গ্রীক হিন্দু ফিনিশীয় নিয়মের রূঢ় আয়োজন
শুনেছ ফেনিল শব্দে তিলোত্তমা-নগরীর গায়ে
কী চেয়েছ ? কী পেয়েছ ? - গিয়েছে হারায়ে।''
( সুরন্জ্ঞনা, বনলতা সেন)
ব্যক্তি জীবনেও জীবনানন্দ ছিলেন নিঃসঙ্গ, লাজুক, স্বল্পবাক, আত্মমগ্ন একজন মানুষ। এ প্রসঙ্গে বুদ্ধদেব বসু লিখেছেন, ''জীবনানন্দের স্বভাবে দুরতিক্রম্য দুরত্ব ছিল ... যে অতিলৌকিক আবহাওয়া তার কবিতায়, তাই যেন মানুষটিকে ঘিরে থাকত সব সময়। নিচের কবিতার মাধ্যমে নিঃসঙ্গ ও আত্মমগ্ন জীবনানন্দের মোটামুটি একটা ধারণা পাওয়া যায়.....
''কি এক ইশারা যেন মনে রেখে একা-একা শহরের পথ থেকে পথে
অনেক হেঁটেছি আমি; অনেক দেখেছি আমি ট্রাম বাস সব ঠিক চলে;
তারপর পথ ছেড়ে শান্ত হয়ে চলে যায় তাহাদের ঘুমের জগতেঃ
সারারাত গ্যাসলাইট আপনার কাজ বুঝে ভালো করে জ্বলে।
কেউ ভুল করে নাকো- ইটঁ বাড়ি সাইনবোর্ড জানালা কপাট ছাদ সব
চুপ হয়ে ঘুমাবার প্রয়োজন বোধ করে আকাশের তলে।
একা-একা পথ হেঁটে এদের গভীর শান্তি হৃদয়ে করেছি অনুভব;
তখন অনেক রাত- তখন অনেক তারা মনুমেন্ট মিনারের মাথা
নির্জনে ঘিরেছে এসে; - মনে হয় কোনোদিন এর চেয়ে সহজ সম্ভব
আর কিছু দেখেছি কিঃ একরাশ তারা আর মনুমেন্ট ভরা কোলকাতা?
চোখ নিচে নেমে যায়- চুরুট নিরবে জ্বলে বাতাসে অনেক ধুলোখড়;
চোখ বুঝে একপাশে সরে যাই........''
হয়তো এমনই এক নির্জন বিষন্ন রাত্রিতে একাকী আত্মমগ্ন কবি অজান্তেই দূর্ঘটনার কবলে পড়েন। আজ ২২ অক্টোবর, কবির মৃত্যু দিবস। কবির প্রতি শ্রদ্ধা।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: গল্পটা তোর মুখে আগে একবার শুনেছি। মনে আছে খুব হেসে ছিলাম।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।ভালো থাকিস।
স্বাধীনতা৭১ বলেছেন:
আমার অতি প্রিয় একজন কবি ।আমি সাধারনত কবিতা পড়িনা । কিন্তু জীবনে একমাত্র জীবনানন্দ দাসের দুইটি কবিতার বই কিনে এক বসায় বই দুটি শেষ করেছিলাম । অসাধারন সব কবিতা ।প্রিয়তে++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
জীবনানন্দের কবিতা বোঝা একটু দূরহ।যত বেশী পড়া হবে ভাল লাগার পরিমানটাও সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
অনেক ভালো থাকবেন।
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
জীবনানন্দ আমার খুব প্রিয়। প্রিয়তেই রেখে দিলাম। অনেক কৌতুহল ছিল তাকে নিয়ে। কিন্তু কখনোই খুঁজে দেখি নি। শুধু তার কবিতাই পড়েছি। আজ এই পোস্ট পড়ে কত যে ভাল লাগছে। "আট বছর আগের একদিন" আমাকে খুব টানে। নগ্ন নির্জন হাত, বোধ.... কি অসাধারন সৃষ্টি....!!!!
লেখক বলেছেন: আবার আকাশে অন্ধকার ঘন হ'য়ে উঠেছেঃ
আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।
যে আমাকে চিরদিন ভালবেসেছে
অথচ যার মুখ আমি কোনোদিন দেখিনি,
সেই নারীর মতো
ফাল্গুন আকাশে অন্ধকার নিবিড় হ'য়ে উঠেছে।
( নগ্ন নির্জন হাত)
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
রথের ড্রাইভারের জন্য এই লিঙ্কুটা দিলাম। গিয়া পইড়া আইসো। একরামুল হক শামীম ভাইয়ের
জীবনানন্দ দাশ : কবিতায় খুঁজি বাংলার রূপ
Click This Link
লেখক বলেছেন: ঐটা প্রিয়তে আছে।
লেখক বলেছেন: ''উজ্জ্বল আলোর দিন নিভে যায়,
মানুষেরো আয়ু শেষ হয়!
পৃথিবীর পুরনো সে পথ
মুছে ফেলে লেখা তার ...
কিন্তু এই স্বপ্নের জগৎ
চিরদিন রয়! সময়ের হাত এসে মুছে ফেলে আর সব,
নক্ষত্রেরো আয়ু শেষ হয়! ( ধূসর পান্ডুলিপি )
লেখক বলেছেন: যে নক্ষত্র মরে যায়, তাহার বুকের শীত
লাগিতেছে আমার শরীরে ( নির্জন স্বাক্ষর )
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
প্রিয় কবি, প্রিয় পোস্ট।
লেখক বলেছেন: শ্যামলী, তোমার মুখ সেকালের শক্তির মত
যখন জাহাজে চড়ে যুবকের দল
সুদূর নতুন দেশে সোনা আছে ব'লে
মহিলারি প্রতিভায় সে ধাতু উজ্জ্বল
টের পেয়ে, দ্রাক্ষা দুধ ময়ূর শয্যার কথা ভুলে
সকালের রূঢ় রৌদ্রে ডুবে যেত কোথায় অকূলে।
( শ্যামলী )
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
রাকিব ভাই... আপনারে হাজারটা প্লাস দিতে ইচ্ছা করতেছে। আপনার আগামী ১০ পোস্টে অগ্রিম প্লাসের টেন্ডার দিয়া গেলাম। এখন সুমন ভাইয়ের একটা কাজ করতেছি। এইটা শেষ কইরাই পড়া শুরু করব পোস্টের লিংকগুলা লেখক বলেছেন: আমি কী দোষ কর্লাম ![]()
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
চতুষ্কোন ভাই, আপনি দোষ করবেন ক্যান???!!!! আপনার পোস্টে তো আগেই প্লাছ দিয়ে শোকেসে নিয়ে গেলাম রাকিব ভাইয়ের দেয়া লিংকে কাল যেতে হবে। এখন ঘুমাবো
লেখক বলেছেন: মজাক করলাম।ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন:
হাজার বছর শুধু খেলা করে অন্ধকারে জোনাকির মতঃ
চারিদিকে চিরদিন রাত্রির নিধান ;
বালির উপরে জ্যোৎস্না - দেবদারু ছায়া ইতস্তত
বিচুর্ণ থামের মতোঃ দ্বারকার ; - দাঁড়ায়ে রয়েছে মৃত ম্লান।
শরীরে ঘুমের ঘ্রাণ আমাদের- ঘুচে গেছে জীবনের সব লেনদেন;
'মনে আছে ?' শুধালো সে- শুধালাম আমি শুধু 'বনলতা সেন?'
সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম। লেখাটার জন্যে অনেক গুলো প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এই কমেন্টটা ভুলে মুছে ফেলেছিলাম। কমেন্ট মডারেশনে গিয়ে আজ ফিরে পেলাম। ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকে দেখে খুব ভাল লাগলো আপু। আমারি ভুলে আপনার একটি কমেন্ট মুছে গেছে। আন্তরিক ভাবেই দুঃখিত।
স্বপ্নের ধ্বনিরা এসে ব'লে যায়ঃ স্হবিরতা সব চেয়ে ভালো ;
নিস্তব্দ শীতের রাতে দীপ জ্বেলে
অথবা নিভায়ে দীপ বিছানায় শুয়ে
স্হবিরের চোখে যেন জমে ওঠে অন্য কোন বিকেলের আলো।
সেই আলো চিরকাল হ'য়ে থাকে স্হির,
সব ছেড়ে একদিন আমিও স্হবির
হ'য়ে যাব ; সেদিন শীতের রাতে সোনালি জরির কাজ ফেলে
প্রদীপ নিভায়ে র'বো বিছানায় শুয়ে ;
অন্ধকারে ঠেস দিয়ে জেগে র'বো
বাদুড়ের আঁকাবাঁকা আকাশের মতো
স্হবিরতা, কবে তুমি আসিবে বল তো।
(স্বপ্নের ধ্বনিরা )
আপু এই কবিতার পর নিশ্চয়ই কোন রাগ নেই ![]()
প্রতিধ্বনি, তুমিতো বলেছেন:
চমৎকার
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
গভীর হাওয়ার রাত ছিলো কাল- অসংখ্য নক্ষত্রের রাত ;
সারা রাত বিস্তীর্ণ হাওয়া আমার মশারিতে খেলেছে ;
মশারীটা ফুলে উঠেছে কখনো মৌসুমী সমুদ্রের পেটের মতো,
কখনো বিছানা ছিঁড়ে
নক্ষত্রের দিকে উড়ে যেতে চেয়েছে ;
এক-একবার মনে হচ্ছিল আমার- আধো ঘুমের ভিতর হয়তো -
মাথার উপর মশারি নেই আমার,
স্বাতী তারার কোল ঘেঁষে নীল হাওয়ার সমুদ্রে শাদা বকের মতো
উড়ছে সে !
কাল এমন চমৎকার রাত ছিল।
( হাওয়ার রাত )
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
'আমাকে খোঁজো না তুমি বহুদিন-কতদিন আমিও তোমাকেখুঁজি নাকো;-এক নক্ষত্রের নিচে তবু- একই আলো পৃথিবীর পারে
আমরা দু'জনে আছি; পৃথিবীর পুরনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয়,
প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়.....?''
লেখক বলেছেন:
দু'জনে আজকে তারা চিরস্হায়ী পৃথিবী ও আকাশের পাশে
আবার প্রথম এলো- মনে হয়- যেন কিছু চেয়ে - কিছু একান্ত বিশ্বাসে।
লালচে হলদে পাতা অনুষঙ্গে জাম বট অশ্বত্থের শাখার ভিতরে
অন্ধকারে ন'ড়ে- চ'ড়ে ঘাসের উপর ঝ'ড়ে পড়ে ;
তারপর সান্ত্বনায় থাকে চিরকাল।
লেখক বলেছেন:
মানুষের সভ্যতার মর্মে ক্লান্তি আসে ;
বড়ো বড়ো নগরীর বুক ভরা ব্যাথা ;
ক্রমেই হারিয়ে ফেলে তারা সব সংকল্প স্বপ্নের
উদ্যমের অমূল্য স্পষ্টতা।
তবুও নদীর মানে স্নিগ্ধ শুশ্রূষার জল, সূর্ষ মানে আলোঃ
এখনো নারী মানে তুমি, কতো রাধিকা ফুরালো।
( মিতভাষণ )
লেখক বলেছেন: লিন্ক দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিংক দেয়ের জন্যে।
তবে এই লেখাটা না পড়লে মিস করবে।
Click This Link
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: লিন্ক শেয়ারের জন্য অনেক ধন্যবাদ তায়েফ।অসাধারন আকটা লেখা পড়লাম।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
ঘটনাগুলো কেমন সুতো দিয়ে বাঁধা! তায়েফ এই লেখা আর আমার লেখা না পড়লে, আপনার লেখায় কমেন্ট না করলে, আমার নিজের আজকে আপনার লেখাটা পড়া হতো না। ব্লগ মাধ্যমে এই 'চোখের পলকে' হারিয়ে যাবার বিষয়টা আমাকে পীড়া দেয়। অনেক দেরি করে অনেক ভালো লেখা পড়া হয় (অনেক লেখা হয়তো কখনও পড়াই হয় না!)। আপনার লেখা, জীবনানন্দের পাঠ আরো গাঢ় করলো। কবিতার মধ্যে দিয়ে যে কবিকে চেনা যায় সেটাই সম্ভবত সবচে ভালো পন্থা।
আমার কাছে খুব বিস্ময়ের একটা ব্যাপার মনে হয় যে জীবিতদশায় কবি 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি কেনো প্রকাশ করেন নাই! এমন লেখা কেউ ট্রাঙ্কে ফেলে রাখতে পারে!
অফটপিক- আপনার ছদ্মনামে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা উপন্যাস আছে। খুব দুর্দান্ত এবং জটিল টানাপোড়েনের। আপনি পড়েছেন কি?
লেখক বলেছেন: সত্যি ঘটনাগুলো কেমন সুতো দিয়ে বাঁধা!
জীবনানন্দ রূপসী বাংলা জীবিতদশায় কেন প্রকাশ করেননি তা আমার কাছেও এক বিস্ময়!
মানিকের প্রায় সব লেখাই পড়েছি। চতুষ্কোন, বউ, পুতুল নাচের ইতিকথা এই তিনটা সবচেয়ে প্রিয়।
মেঘ_কম বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
@ছন্নছাড়ার পেন্সিল হা হা হা হা হা হা হা। খুব মজা পাইলাম আপনার কমেন্ট পড়ে। আর চতুষ্কোণ শালার উত্তরেও। ওই বেটা ভুইলা গেছে ওর নিকের কাহিনী। আমি যখন ওরে ব্লগে একাউন্ট খুইলা দিই তখন বেচারা কি নিক দিবে খুঁজে খুঁজে হয়রান। আমারে বলে একটা নিক খুঁজে দিতে। আমি বললাম নিজের নাম ছাড়া অন্য কিছু দিতে। সে বার বার আমারে বলে খুজে দিতে। মানিক আমার সবচেয়ে প্রিয়। তখন আমি যেই কয়টা নিক কইলাম সেইগুলা হইল, কুবের মাঝি, দিবারাত্রির কাব্য, চতুষ্কোণ। সে পছন্দ করছিল দিবারাত্রির কাব্য। পরে আমি কইলাম এইটা বেশি বড় হয়। পরে একরকম জোর কইরা চতুষ্কোণ দিয়া দিলাম। হা হা হা হা হা
লেখক বলেছেন: মিছা কথা। আমি চতুষ্কোণই পছন্দ করছিলাম।
নতুন কোবতে দিছি। পড়সনাই ক্যান। ফাউল!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন:
বেশ লাগল বিশ্লেষনী পোস্ট
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















.jpg)




"আচ্ছা দোস্ত বলতো, জীবনানন্দ দাশ কেন আত্নহত্যা করেছিল। কি ভয়াবহ দূরবস্থা হলে তার মতন একজন মানুষ এমন কাজ করতে পারে?"
আমি কি বলবো বুঝতে পারছিলাম না।
আমার অসম্ভব প্রিয় একজন মানুষকে নিয়ে লেখা এই লেখাতাকে প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম। চমৎকার কিছু উদৃতি দিয়েছিস। এই জন্য অনেক ধন্যবাদ।