আমার প্রিয় পোস্ট
- একটা লাইক দিয়া যান
- শয়তান
- চিঠি- - মাহী ফ্লোরা
- যে কবিতা লিখে কবি হয়েছিলেন নন্দিত অথবা নিন্দিত.... - দস্যু রত্নাকর
- জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হূমায়ূন আহমেদের ১৬০ টি উপন্যাস ডাউনলোড করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই... - জবরুল আলম সুমন
- কেমন হয় যদি আপনার মরিচ গাছে একসাথে পাঁচশত মরিচ ধরে, তাও একেকটি ছয় ইঞ্চি লাম্বা সারা বছর জুড়ে । - ময়নামতি
- শরতের একদিন অথবা শেষ দিনটাতে.... - মাহী ফ্লোরা
- কেউ কখনও খুঁজে কী পায়... - হাসান মাহবুব
- নস্টালজিয়া... চার দেয়ালে বন্দি ভোরের ঘুম' - নস্টালজিক
- আমি আয়না বলছি.....

- নাআমি
-
“বাবা যখন রন্ধনশিল্পী”
- ইষ্টিকুটুম
- চির রহস্যময় কিংবদন্তী-খনা!!! - শায়মা
- ভালো থেকো - মহাবিশ্ব
- বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ এর অফিসিয়াল থিম সং এবং কিছু আনঅফিসিয়াল কথাবার্তা..... - নস্টালজিক
- আপনি নিশ্চিত চমকাইবেন যদি না জেনে থাকেন!(মিস করছেনতো মরছেন)

- হাসান জোবায়ের
- এক কিশোরী মেয়ের বেড়ে উঠা আর এক প্রেমিকের মৃত্যু - রাত্রি২০১০
- রিমান্ডের তিন রত্নকে নিয়া হিটলার বাবাজি একটা ভাষণ দিছেন! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কোয়ান্টাম দিদিমার রাজ্যে! - ম্যাভেরিক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- অক্ষরদায় , ক্লান্তিকাল , অবেলার ভূমিকায় - অন্ধ আগন্তুক
- গল্পঃ রূপার কাঁকন - শেখ আমিনুল ইসলাম
- রিকশাপেইন্টার ও অন্যান্য কবিতা - অমিত চক্রবর্তী
- ...এবার বাংলাদেশী পয়সার ছবি... - আকাশদেখি
- 'গুরু' জেমস নিয়ে কয়েক ছত্র ... - দারাশিকো
- ~~এক টুকরো গোধূলি~~ - আকাশনীল
- আমি কোন শব্দকর নই - শিরীষ
- প্রিয় কবির মৃত্যুবার্ষিকী এবং আমার দীর্ঘ নিকটির কারণ - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- বহুদিন কোন কবিতা লিখিনা... - সুনীল সমুদ্র
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- গল্প: প্রিয়তম দুঃখ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- শুভ জন্মদিন, চতুষ্কোন!
- হোদল রাজা
- ঘুড়ি ছেঁড়ার দিন (২) - কথক পলাশ
- ভেনিস আমার স্বপ্নের ভেনিস (শেষ পর্ব) - জুন
- তুমি কি ওকে চেন নি পৃথিবী? - সোহায়লা রিদওয়ান
- আলোয়-অন্ধকারে (গল্প) - আহমেদ রাকিব
- কবিতাদলঃ খয়েরি পাখিদের আজ বাড়ি ফেরার তাড়া নেই - অমিত চক্রবর্তী
- ছোট ছোট ছোটবেলা , ভালো ভালো ভালোলাগা - শায়মা
- ডুবে আছি আবুল হাসানে - রাহা
- গল্প: ডুবোজ্বর - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- বিদায় পৃথিবী- k-79er34b নক্ষত্রপুন্জের C-37 গ্রহে নিমন্ত্রণ রইলো - k-79er34b
- যাপিত জীবন - আহমেদ রাকিব
- পাপগল্প: কখনো রাত অনিন্দিতার চোখের ভেতর... - পাপতাড়ুয়া
- Tie ur shoes with new Different Style - রানা
- আন্দিজের গান - দ্রোহি
- যাই বল না - তনুজা
- তিল-গপ্পো> বৃত্তে প্রবেশ নিষেধ! - আশরাফ মাহমুদ
- জীবন এক অপূর্ব তুর্কি ঘোড়া ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- আজ বিকেলে যাঁরা ‘দুনিয়া কাঁপানো ত্রিশ মিনিটের মিছিলে’ যাবেন, তাঁদের জন্য কটকটিওয়ালার গল্প........ - তায়েফ আহমাদ
- তোমাকে শুনলাম আজ বহুদিন পর............. - সুলতানা শিরীন সাজি
- কেউ বলে ভাল, কেউ বলে সুন্দর, আর কেউ কিছুই বলেনা, শুধু + দিয়ে যায়। - মেহেরুবা
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- আইজ আম্রার পানু ভচের জন্মদিন
- লিটল হামা
- ছোটগল্প: কালিদহের কূহক - আকাশচুরি
- এ শালার বাঙ্গাল ব্যড়া ঘাউরা চিজ হ্যায় না? - রাগ ইমন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ২য় পর্ব - রাগ ইমন
- প্রিয় - বাবুনি সুপ্তি
- সময়গুলো সব এমনি করেই কোথায় যেন চলে যায়!! - ত্রেয়া
- শান্তিনিকেতন -দ্বিতীয় পর্ব - দীপান্বিতা
- *আপডেট সহ * বর্ষপূর্তির কত কথা
!! [ তেলাপোকা ও একটা পাখি আমি ও একটা লেখক
!!... ] - বোহেমিয়ান কথকতা
- প্যারানয়েডের ডিফেন্স মেকানিজম - হাসান মাহবুব
- নির্লজ্জ পদাবলী-১( হৃদয় চেয়োনা, নারী ।) - তায়েফ আহমাদ
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৫ > অচেনা আঁধারে বাবার তালাশ - মনজুরুল হক
- একজন সাধারণ বাবার অতি সাধারণ গল্প! - চতুষ্কোণ
- দেবদূতের বিবাহনামা ----- ৬ - শান্তির দেবদূত
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- চুয়ান্নের বাইশে অক্টোবরঃ কবি! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- শ্রাবণ আমার মায়ের চোখে - চতুষ্কোণ
- বলো, কে চায় বদলাতে? - দেবদারু
- আমি হয়তো জানিই না আমার ফাঁসির আদেশ হয়ে গেছে! - অমি রহমান পিয়াল
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- গল্প: ছায়ার ডানা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- কার নেতৃত্বে শিবিরের বোকা গুলা জীবন দেয় ? - রাগ ইমন
- রূপসী বাংলা : জীবনানন্দ দাশ - একরামুল হক শামীম
- মুক্তগদ্য: শোনো, এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- আমার বান্দরবেলা............৯ - তামিম ইরফান
- গল্প: হাওয়াচুর - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- অন্ধকারের গান অথবা একটি নিছক সাদাকালো ভালোবাসার গল্প - আহমেদ রাকিব
একজন সাধারণ বাবার অতি সাধারণ গল্প!
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩২
(২০০৯ বাবার একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। সেই অধ্যায়কে নিজের কাছে স্মরণীয় করে রাখতেই এই পোষ্টের অবতারণা)
ছেলেরা একটু মা- ঘেষাঁ হয় আর মেয়েরা বাবা। এটাই নাকি নিয়ম। আমদের ভাইদের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আমরা তিন ভাই মা বলতে অজ্ঞান। অবশ্য এ ক্ষেত্রে আমার বাবার পোঁড়া কপালই বলতে হবে, কারণ আমাদের কোনো বোন নেই। একটি বোনের জন্য নিদারুণ হাহাকার আমাদের সর্বক্ষণ তারপরও বাবার জন্য আমাদের কারো মনেই তেমন কোনো আফসোস নেই।
আর আমাদের তিন ভাইয়ের এই মা মা স্বভাবের জন্য বাবার মনে ঈর্ষারও কোন কমতি নেই। আম্মু বলেন হিংসা। মা আর আমরা তিন ভাই যখনি একসাথে কোনো বিষয়ে হাসিঠাট্টা বা আড্ডায় মাতি অতি অবশ্যই বাবা এসে দিবেন ঝাড়ি। সারাদিন কিসের এত গল্প গুজব! আর কোনো কাজ নাই? মা পাল্টা ঝাড়ি দেন, তোমার অসুবিধা কি! আমরা একসাথে গল্প করলে কি তোমার হিংসা হয়? আমার হিংসা হবে কেন? এই যে তোমার সাথে কেউ কথা বলে না, সারাদিন কী সব হিসাব কষো (বাবা একাউন্টসে ছিলেন) আর একলা একলা ঘোরো - মা বলেন। আমার সাথে কারো কথা বলার দরকার নাই বলেই বাবা মুখ গোমড়া করে তাঁর নিজের রুমে চলে যান।
বাবার জন্য আমাদের করুনা যে একেবারেই হয়না তা নয় কিন্তু কি করব! যতই দিন যাচ্ছে বাবার কাছ থেকে আমরা ততই যেন দুরে সরে যাচ্ছি। মার সাথে আমরা যতটা ঘনিষ্ট বাবার সাথে দুরুত্ব ঠিক ততটাই। এবং দিনকে দিন এই দুরুত্ব যেন বেড়েই চলেছে। পারতপক্ষে এখন আমরা উনার ছায়াও মাড়াইনা কোন বিশেষ কাজ না থাকলে। অবশ্য এজন্য আমাদের মোটেও দোষ দেয়া যাবেনা, দোষটা উনার অতিমাত্রার বাজখাঁই স্বভাবের। কথায় কথায় ধমক আর ছেলেদের অপদস্হ করে যিনি স্বর্গীয় সুখ পান, ছেলেরা তাঁর কাছ থেকে ''একশ হাত দুরে থাকুন'' নীতি অবলম্বন করে চলবে সেটাইতো স্বভাবিক।
বাবা আধা সরকারী চাকুরী করেছেন প্রায় ত্রিশ বছর হলো। ২০০৯ এর শুরু হতেই এলপিআর এ আছেন, এ মাসের ৩১ এ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অফিসে যাওয়ার ঝামেলা নেই তাই পুরো সময়টাই বাসায় কাটান আর মাকে জ্বালিয়ে মারেন। এটা এখানে কেন? ওটা সেখানে কেন? সারাদিন রান্নাঘরে কি কর ? মা এসে যে একটু টিভি দেখবেন তারও উপায় নেই, রিমোট বাবা কিছুতেই হাত ছাড়া করবেন না। সারাক্ষণ সংবাদ নয়ত ফুটবল খেলা। মারও আর হিন্দী সিরিয়ালের বউ শাশুড়ির ঝগড়া আগের মতো দেখা হয়ে উঠেনা। ইদানিং প্রায়ই বাবা মার রিমোট কাড়াকাড়ির দৃশ্য চোখে পড়ে।
আমার বাবার বরাবরই দয়ামায়া একটু কম, সীমার টাইপ যাকে বলে। যেটুকু দেখাতেন মা তার নাম দিয়েছেন 'আলগা দরদ'। পড়ালেখার জন্য কত মারই না খেয়েছি উনার হাতে। ক্লাস সিক্স সেভেন পর্যন্ত আমাদের বড় দুভাইয়ের পিঠ উনি জেব্রাক্রসিং বানিয়ে রেখেছিলেন। শুক্রবার ছিল আমাদের জন্য বিশেষ আতংকের একটি দিন। বাবা ঐদিন বাসায় থাকতেন আর আমাদের দু ভাইকে ইংরেজীতে রচনা আর দরখাস্ত লিখতে দিতেন, পাশে দাঁড়িয়ে থাকতেন যমের মতো বেত হাতে। বানান ভুল হলেই.........। কেয়ামতের দিনও মনে হয় অতটা আতংকের হবেনা যতটা আতংকে কেটেছে ঐ বন্ধের দিন গুলো। অবশ্য খেলাধূলা আর দুষ্টামির জন্য উনি আমাদের মার তো দুরের কথা বকাটিও দেননি কখনো। এই একটা ব্যাপারেই উনার ছিল দয়ার শরীর।
প্রতিবার ঈদ আসলেই দেখতাম উনি একটা ভাব নিতেন। সবার সাথে মেজাজ দেখিয়ে কথা বলছেন, কথায় কথায় ঝাড়ি দিচ্ছেন। ঘরের ভেতর কেমন একটা আতংক আতংক ভাব যেন যে কোনো মূহুর্তে সুনামি আসবে। এই ভাবটা নিতেন যেন ঈদে আমরা বেশী কিছু চেয়ে না বসি। সীমিত আয়ের সীমিত বাজেট কিন্তু ঐ কিশোর বয়সটা কি অত কিছু মানত না বুঝতে চাইত। ঠিকই জামা কাপড় বেশী বেশী আদায় করে ছাড়তাম। মা তখন বাবাকে বলত, ''এই কদিন কেন তাহলে ভং ধরলা। ঠিকই ত খরচ করলা, বরং বেশীই করলা। ঐ যে বলে না গাধায় পানি খায় ঘোলাইয়া।'' বাবা সবই বুঝেন কিন্তু একই ভুলটা পরের ঈদেও করেন।
আর বাবার কথাবার্তার ছিরিও মাশাল্লাহ্। একটা উদাহরণ দেই। বন্ধু ও সহ ব্লগার (আহমেদ) রাকিব চাকরী সূত্রে ঢাকায় থাকে। ছুটিতে কলোনীতে এসেছে আর এসেই আমার বাসায়। হয়তো আব্বুর সামনে পড়ে গেছে।
- কি রে কি খবর তোর? কবে আসলি ঢাকা থেকে?
- জ্বী আঙ্কেল ভাল। গতকাল আসছি।
- এইখানে কি মনে কইরা? ( কথার ছিরি দেখেন )
রাকিব হয়ত একটু থতমত খেয়েছে, পরক্ষনেই হেসে দিয়ে বলেছে, এখানে আসলেও কি মনে করে আসতে হবে নাকি আঙ্কেল। চতুষ কই ?
- নবাব শুয়ে শুয়ে বই পড়ে। ভিতরে যা। রাকিব ভিতরে এসেই বলে, তোর বাপ একটা চিজ!! আমি শুধু বলি, এ আর নতুন কি!
আগেই বলেছি আমার বাবা সম্বন্ধে আমাদের ধারণা তিনি রস কষ দয়ামায়াহীন হিটলার টাইপ একটা মানুষ। মনে হবে আমাদের জন্য উনার মনে কোনো ভালোবাসাই নেই। সেইদিন কুরবানি ঈদের সকালে ছোট ভাইয়ের ফোন এসেছে বিদেশ থেকে। ব্যাংক একাউন্ট খোলা, ভার্সিটির ঝামেলা, নতুন বাসায় উঠা সব মিলিয়ে বেশ কিছুদিন ফোনে-নেটে সময় দিতে পারেনি। সেই ফোন ধরে বাবার সে কী কান্না। শিশুর মতো কেঁদেছেন! কোনো কথাই বলতে পারেন নি। আমি অবাক হয়ে শুধু চেয়ে ছিলাম, সান্ত্বনা দেবার মতো কোনো কথা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মা দেখি তখন নিজের কষ্ট ভুলে গিয়ে বাবাকে সামলাতেই ব্যস্ত।
বোধহয় বাবারা তাদের সমস্ত আদর-ভালোবাসা, মায়া-মমতা সব বড় একটা পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখেন। কোনভাবে পাথরটা সরে গেলে সব আবেগ অনুভুতি ঝর্ণাধারার মতো বেরিয়ে আসে।
(লেখাটার শিরোনাম পাল্টে দিলাম)
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লাল নীল দীপাবলী বলেছেন:
এদিক থেকে আমি খুবই লাকী।আমার বাবার সাথে আমাদের সম্পর্ক অনেকটা বন্ধুর মত। আমার বাবা আমাকে কখনও মারেনি। এমনকি শেষ কবে ঝাড়ি দিয়েছেন তাও মনে করতে পারি না। সবাই তাদের বাবাকে খুব ভয় পায়। তবে এটা ঠিক সব বাবাদের মনই অনেক নরম।
লেখক বলেছেন: আপনি সত্যিই লাকী। পড়ার জন্য ধন্যবাদ লাল নীল দীপাবলী।
লেখক বলেছেন: পাঠের জন্য ধন্যবাদ পাথুরে।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
খুব ভালো লিখেছিস। তোর আব্বা আসলে অন্য ধাতুতে গড়া মানুষ। তবে উনিও বাবা। এটা এত কাছে থেকেও তোরা বুঝতে পারিসনি। অনেক দুরে গিয়ে তোদের ছোট ভাই হয়তো বুঝতে পেরেছে। আমি মাঝে মাঝেই বলি। আমার কাছে খুব অদ্ভুত লাগে। রাতে যখন তোদের বাসায় থাকি, তোরা কতটা টের পাস আমি জানি না। তোর আব্বা ঘুমের মধ্যে প্রায়ই রুমে এসে দেখে যায় তোরা কিভাবে ঘুমাস। তোদের ঠান্ডা লাগছে কিনা? গায়ে হাত দিয়ে দেখে ফ্যানের বাতাসে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায় কিনা। একটা বয়স পর এটা খুবই অদ্ভুত মনে হয়। আমার আব্বা আমার গায়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে, কিংবা মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। এই দৃশ্য আমাকে স্বপ্নেই দেখতে হবে। মানুষের ভেতরের মানুষটাকে আমরা খুব কাছে থেকেও বুঝতে পারিনারে। তোর আব্বাকে দেখলে খুব খারাপ লাগে। সেদিন দেখলাম। এলোমেলো ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তোরা হয়তো জানতেও পারবিনা, কতটা সময় তোদের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় উনি কাটিয়েছেন, একে ওকে জিজ্ঞেস করেছেন রাস্তা ঘাটে। হুট করে অবসর, এযে কি ভয়াবহ। কাছে থাকিস, পাশে থাকিস সবসময়।
লেখক বলেছেন: রাকিব তোর কমেন্টের উত্তরে কি জবাব দেব বুঝতে পারছি না।চোখ জ্বালা করে উঠল।
ভালো থাকিস।
শাফিন বলেছেন:
বাবারা বাইরে শক্ত কিন্তু ভেতরে সব সময় নরমই হয়।
লেখক বলেছেন: পাঠের জন্য ধন্যবাদ সাফিন।
আমার ব্লগে স্বাগতম।
রহমানরক্তিম বলেছেন:
"বোধহয় বাবারা তাদের সমস্ত আদর-ভালোবাসা, মায়া-মমতা সব বড় একটা পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখেন। কোনভাবে পাথরটা সরে গেলে সব আবেগ অনুভুতি ঝর্ণাধারার মতো বেরিয়ে আসে।"একদম ঠীক...আমার বাবাও এমন ছিলেন.....আসলে বাবাদের আদর থাকে অন্তরে...আর মা দের অন্তরে-বাহিরে...তাই আমরা ওনেকে তা বুঝতে পারিনা.....বাবা তুমি না পেরার দেশে চলে গেলে তোমার প্রিয় সন্তানদের একা ফেলে....ভাল থাক বাবা.....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রহমানরক্তিম। ভালো থাকুন।
রহমানরক্তিম বলেছেন:
রাকিব ভাই আপনার কমেন্টস পড়ে কান্না এসে গেল...আর মনে পড়ে গেল বাবার কথা...আমি বড়ই হতভাগা.....বাবা তুমি ভাল থেকো//
লেখক বলেছেন: শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: শুভকামনার জন্য ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
বোধহয় বাবারা তাদের সমস্ত আদর-ভালোবাসা, মায়া-মমতা সব বড় একটা পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখেন। কোনভাবে পাথরটা সরে গেলে সব আবেগ অনুভুতি ঝর্ণাধারার মতো বেরিয়ে আসে।অসাধারণ বলেছেন। আপনার অবস্থা একদম আমার মতই। পার্থক্য, বাবা কোন দিন লেখা পড়ার কোন খোজ বা সাহায্য করতেন না। কিন্তু বছর শেষে প্রোগ্রেস রিপোর্ট দেখে ঠিকই দুটো কথা শুনিয়ে দিতেন। যত দূর মনে পড়ে সেন্টেসের প্রকারভেদ ও গ্রাফ কাগজে বিন্দু বসানোর ব্যাপারটি বাবার কাছ থেকে শেখা। ১৯৯৫ সালে বাসায় কম্পিউটার কিনে আনলেও আমাদের নাড়তে দিতেন না, তালা মেরে অফিসে যেতেন। লেখা পড়ার জন্য মার খাইনি, কিন্তু দুষ্টমি করার জন্য খেয়েছি অনেক। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার করেছি নিজের কোন কম্পিউটার ছাড়াই, কোন কিছুর আবদার করার সাহস পেতাম না। বাবার সামনে খেতে বসতে পারতাম না, খেতামও না। সবসময় বাপের হোটেলে বাপের অন্ন ধ্বংস করছি এমন একটা অপরাধবোধ তাড়িয়ে বেড়াতো। সে সুবাদে বন্ধু-বান্ধব, ঘুরাঘুরি, খেলা ধূলা বা প্রেমের মত ব্যাপার গুলো দুঃস্বপ্নেও মাথায় আসতনা। ভাইয়ের হাতে ক্রিকেটের ব্যাট দেখে বলেছিলেন, ছাত্রের হাতে থাকবে খাতা কলম, এসব বল কুড়ানোর (ক্রিকেট) খেলা খেলবে বেকার বাউন্ডুলে ছেলেরা।
এ রোড টু পারডিশন ছবিটির মত আমিও বলি, "তারপরেও তিনি আমার বাবা, আমার জন্মদাতা।"
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
নোমান০৮ বলেছেন:
আমার বাবও অনেকটা এইরকম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নোমান।
এস বাসার বলেছেন:
বাবার সাথে স্কুলে যেতাম, গ্রামের স্কুল , বৃষ্টি আসলে বাবা কোলে নিতেন আমাদের দুভাইকে দুদিকে.......... পিচ্চিল পথে কাদা মাড়িয়ে বাবা বাড়ী নিয়ে আসতেন।অথচ বাবাকে বাঘের মতো ভয় পেতাম, ভাবলে অবাক লাগে ।
বাবারা বোধ হয় এমনি হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাসার ভাই।
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
আমার বাবার অনেক কিছুতেই আমি বিরক্ত হই কিন্তু তিনি আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।
লেখক বলেছেন: রিমি আপনি ও আপনার বাবার জন্য শুভকামনা রইল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
দীর্ঘশ্বাস ...
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন সাঁঝবাতি'র রুপকথা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ঘাউরা ভাই
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
"বোধহয় বাবারা তাদের সমস্ত আদর-ভালোবাসা, মায়া-মমতা সব বড় একটা পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখেন। কোনভাবে পাথরটা সরে গেলে সব আবেগ অনুভুতি ঝর্ণাধারার মতো বেরিয়ে আসে।"- বাবারা বুঝি এমনই হয়।
আপনিও তাহলে চট্টগ্রামের। রাকিব আমার সহপাঠী
লেখক বলেছেন: তাই।
রাকিব আমার স্কুল জীবনের বন্ধু।
ভালো থাকুন মেঘদূত।
এস বাসার বলেছেন:
মাকে নিয়ে আমার মা, তুমি কেন আমাকে তোমার ক্ষিধের গল্প শোনালে? লেখায় আপনি ছিলেন প্রথম কমেন্টার সেজন্য ধন্যবাদ। বাবাকে নিয়ে লিখবো ভেবেছিলাম, আপনার লেখায় তার অনেকটাই উঠে এসেছে।ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন।
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
আমার আব্বু আম্মু দুজনের সাথেই আমার সম্পর্কটা একেবারে বন্ধুর মত। এখন তো দূরে থাকতে হয় ভার্সিটির জন্য। এখনও প্রতিদিন কয়েকবার করে ফোন করে দুজনেই। ঘুমানোর আগেও একবার করে। যখন ফোনে কথা বলি যখন ফোনে কথা বলি আমার অনেক বন্ধুই ভুল করে আমি কোনো বন্ধুর সাথে কথা বলছি ভেবে। তবে শাসনও করেছে অনেক কিন্তু কখনো মারে নি আমাকে।
লেখক বলেছেন: তুমি অনেক লাকী রথী। তবে কি জান বাবা মায়ের মারের মধ্যেও একটা ভালো দিক আছে। বাবা মায়ের স্মৃতিচারণে খুব কাজ দেয়![]()
ভালো থেকো।পড়াশোনা নিয়মিত কোরো।
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন:
আমার ব্যাপারটাও আপনার মত ।বাবার সাথে আমাদের দুরত্ব অনেক ।যেদিন লন্ডন আসতেছি সেদিন প্লেন ছাড়ার সময় বাবাকে ফোন দিলাম ,সাথে সাথে বাবা কান্না শুরু করল ।
তখন মন চাইছিল প্লেন থেকে নেমে যাই ।
বাবাকে কখনো কাদতে দেখি নি ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। প্রবাসে ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পুরাতন।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ভাল লেখা।
তুমি যখন বলেছ, বিশ্বাস করলাম।![]()
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
বাবারা এমনই হয়.... পাথরের নিচে চাপা পরে থাকে তাদের হাসি, আনন্দ, মায়া-মমতা, ভালোবাসা। সারাটা জীবন যার ভয়ে তটস্থ থেকেছি, যার মাইরে পিঠে সবসময়ই জেব্রা ক্রসিং পরে থাকত প্রবাসে আসার সময় সেই লুকটার কান্না দেখে নিজেই পাথর হয়ে গিয়েছিলাম। এখনও ফোন করে কি খেয়েছিস বাবা... জিজ্ঞেশ করেই কান্নাকাঁটি শুরু করে। অবাক হয়ে যাই, বিগত জীবনে এই লুকটার এই রূপ কোথায় ছিল।
লেখক বলেছেন: প্রবাস জীবনে ভাল থাকুন নাজমুল।
পল্লী বাউল বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাউল ভাই।
বড় বিলাই বলেছেন:
বাবা তো বাবাই। অনেক ভালো থাকুন সবাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু। আপনিও ভাল থাকুন।
বাবা তোমাকে কতকাল ভালোবাসিনা!!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আলোর মিছিল। ভালো থাকুন।
মোঃ সাকিব আল মাহমুদ বলেছেন:
আমি বাবাকে অতিরিক্ত মিস করি। ভিতর কেমন যেন করে, একটু বাসা থেকে বের হলে, এক রুম খেকে আরেক রুমে গেলেও। কিন্তু তার পরও বাবাকে দুরে দুরে সরিয়ে দেই। আমি জানি না, আমি কেন এমন করি। লেখক বলেছেন: পাঠের জন্য ধন্যবাদ সাকিব।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হাসান ভাই।
আরিয়ানা বলেছেন:
শুভেচ্ছা। ভাল লাগলো লেখাটি!!
লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম আরিয়ানা। শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: হুমম। আপনার ঈদ এখনো শেষ হয়নি??
ভাবের অভাব বলেছেন:
ভাই চতুষ্কোণ একটা মারাত্মক ভুল করে ফেলেছি, আমি আপনার লেখা পড়তে পড়তে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়েছিলাম যে রেটিং দিতে গিয়ে মনে হচ্ছে ভুলে করে মাইনাস দিয়ে ফেলেছি। আমি রেটিং কি দিলাম মনেই করতে পারছিনা।খুবই খারাপ লাগলো ভাই, এই অনাকাঙ্খিত ভুলের জন্য মাফ চাইছি।
লেখক বলেছেন: জ্বী জনাব আপনি ভুল করে মাইনাসই দিয়েছেন
![]()
একটা কথা মনে রাখুন আপনার এই একটা মন্তব্য আমার কাছে একশটা প্লাসের চেয়ে অনেক দামী। আর সেখানে একটি মাইনাসের বিপরীতে আমি দু' দুটো কমেন্ট পেয়ে গেলাম। ![]()
পাঠের জন্য এবং আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
ভাবের অভাব বলেছেন:
ভাই আমি কিন্তু রেটিং এর ব্যাপারটাতে ঠিক নিশ্চিত না। একেবারে শেষের দিকে পড়তে গিয়ে নিজের বাপের কথা মনে মনে ভাবছিলাম কারন তিনিও এমনটাই। বাইরে শক্ত, ভিতরে নরম।
লেখক বলেছেন: রেটিং ব্যাপার না। ভালো থাকুন।
জটায়ু বলেছেন:
খুব ভাল লাগল। বেশির ভাগ বাবারা এমনই হয় মনে হয়।
লেখক বলেছেন: ভাল লেগেছে শুনে খুশি হলাম। ভালো থাকুন।
অগ্নিকন্যা বলেছেন:
সবাই মা বাবার সত্যিকার ভালোবাসা পায়না। এমন অনেক বাবা মা আছেন যারা ছেলে মেয়েদের তেমন ভালোবাসতেই পারেনা যেমনটা ছেলেমেয়েরা আশা করে। আপনার লেখা ভালো লাগল। আপনিতো রিতিমত ভাগ্যবান মানুষ মা বাবা এত ভালোবাসে আপনাদের..........ভালো থাকেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এমন একটি মন্তব্যের জন্য। আপনার প্রোফাইল পিকটি সুন্দর। সুইট বেবীটি কে?
কালপুরুষ বলেছেন:
নিজে বাবা হলে বাবাকে সবচেয়ে ভালভাবে চেনা যায়। আমিও আমার বাবাকে আপনার বাবার মতোই মনে করতাম। বাবাকে বুঝতে পেরেছি নিজে বিয়ে করার পর। আও বুঝতে পেরেছি যেদিন নিজের সন্তানের দুষ্টুমির কারণে ছেলেকে বলেছিলাম "এমন দুষ্টু ছেলে আমি কখনো দেখিনি"। আমার বাবা কাছেই ছিলেন। তিনি কথাটা শুনে বললেন, "তোমার ছেলের চেয়েও অনেক বেশী দুষ্টু ছেলে আমি দেখেছি"। তোমার তুলনায় তোমার সন্তান ফেরেশতা এটা জেনে রেখো। বাবা অনেকদিন হলো বেঁচে নেই। কিন্তু এখনো বুঝি বাবার অবস্থানটা কোথায়। বোধের কতটুকু জুড়ে তিনি আছেন। নিজে কষ্ট করে সন্তানদের জন্য যা করে গেছেন আমি নিজেও আমার সন্তানদের জন্য তার এককণাও করে যেতে পারবোনা। বাবার ভালবাসা মানে গায়ে হাত বুলিয়ে বুকে টেনে নেয়া নয়- ছেলের সারা জীবনের সুখকে নিশ্চিত করা। সন্তানের পায়ে নীচে শক্ত মাটির ভিত্ গড়ে দেয়া। সকল প্রতিকুলতা থেকে নিজের সন্তানকে রক্ষা করার জন্য নুরক্ষিত এক ব্যুহ্য গড়ে তোলা- তাতে আবেগ থাকে কম, বাস্তবতা থাকে বেশী। তাতে ভালবাসা থাকে অদৃশ্য তবে ছায়াটা থাকে নিবিড় মায়ায় লুকানো। তাতে প্রকাশ থাকে কম তবে প্রভাবটা থাকে প্রগাঢ়। তাই বলতেই হয়- "শিশুর পিতা লুকিয়ে থাকে সব শিশুদের অন্তরে"।
লেখক বলেছেন: দাদা আপনার এই কথাগুলোর পরে আর কোন কথা চলে না। ভালো থাকুন। আমার ব্লগে স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার বাবার জন্য দোয়া রইল, তিনি স্বর্গবাসী হোন। আপনার প্রতি শুভকামনা।
দীপান্বিতা বলেছেন:
কাকুকে অনেক প্রণাম জানাবেন আর আপনিও বাবাকে সময় দিন ......ছেলেরা এমনিই একটু একলা থাকেন, তার উপর এখন বয়স হচ্ছে!(কিছু মনে করলেন না তো! একটু বেশি জ্ঞান দিয়ে দিলাম...
লেখক বলেছেন: সময় দিতে গেলেই ধমক খাই। আরেকটু বয়স হোক।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ আপু।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
এক্কেবারে সেইম টাইপ। আমাদের আব্বাজানও একটু এই টাইপ, তবে ধরণ ধারণ খানিকটা আলাদা :-|এখন মনে হচ্ছে তাহলে সব কয়টা ভাইবোন বিদেশ চলে যাই, আপনার ভাইয়ের মত....
ওহ আরেকটা কথা, বোন দিয়ে কি করবেন, বড় ভাইদের সুইস ব্যাংক এবং সিক্রেট ব্যাংকের দায়িত্ব পালন করে প্রতিউত্তর হিসেবে আলগা মাতব্বরি পাওয়া ছাড়া বোনেরা তেমন একটা কিছু কাজের না। তাছাড়া বন্ধুদের শুভদৃষ্টি থেকে বোনদের বাঁচায় রাখতে ভাইদের যে সুবিশাল মাথা ব্যথা
এটা বোন না থাকলে বুঝতে পারবেন না।
আংকেলের জন্য দোয়া রইল।
লেখক বলেছেন: তারপরও একটি বোন থাকলে ভাল হতো। ভালো থাকবেন মাহবুবা।
অগ্নিকন্যা বলেছেন:
সুইট বেবীটি আমাদেরই এক ভাইয়ের মেয়ে নাম সামায়লা.....খুব্বি সুন্দর বাচ্চাটা।
লেখক বলেছেন: সামায়লা........অদ্ভুত সুন্দর নাম!! সামায়লা' র জন্য অনেক অনেক দোয়া।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ। শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে ডিমলাইট আপুমনি![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
বাবা মাকে নিয়ে লেখা কোনদিন ও শেষ হবার না...
খুব ভালো লাগলো লেখাটা.........
বাবারা যদি নিজেদের চরিত্রের সাথে কঠিন ব্যাপারটা ধরে না রাখতেন......ছেলেময়েদের মানুষ করা সহজ হতো না।মায়েদের আস্কারাটুকু বাবার শাসনকে ভুলিয়ে দিতো।
তবে ভিতরে সব বাবারাই সন্তানদের জন্য সমান ভাবেই অনুভব করেন বলে আমি মনে করি।আমার বাবা বাইরে ছিলেন ভীষন কঠিন,ভিতরে শিশুর মত সরল ছিলন। উনার মত কাঁদতে আমি কাউকে দেখিনি।
বাবার কথা মনে হলো দু'চোখ ঝাপসা হয়ে যায়।
কিছুই করা হলো না উনার জন্য।
সারাজীবন আমাদের জন্যই করে চলে গেছেন।
আমার ছেলেদের ক্ষেত্রে অবশ্য ভয় ব্যাপারটা তেমন কাজ করেনা...
ওদের বাবা ওদের বন্ধুর মত।তবে বাবামায়ের কাউকে না কাউকে একটু কঠিন হতেই হয়...যা সন্তানের ভালোর জন্যই।
শুভকামনা।
বাবামায়ের জন্য শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
তবে বাবামায়ের কাউকে না কাউকে একটু কঠিন হতেই হয়...যা সন্তানের ভালোর জন্যই। আপনার এই কথাটুকু আমিও মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। ভালো থাকবেন।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
কাল বাবাকে স্বপ্নে দেখলাম। মনে হলো চোখমুখ শুকিয়ে গেছে, কেমন একটা কষ্টের ছাপ চেহারায়... আপনার বাবার জন্য অনেক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: বাবার সাথে ফোনে কিছুক্ষণ কথা বলে নিন দেখবেন ভাল লাগছে। আপনার বাবার প্রতিও শ্রদ্ধা।
নীল-দর্পণ বলেছেন:
সব বাবারাই কি এমন। আমি মেয়ে হলেও পারত পক্ষে আব্বার কাছে না যেয়ে পারলে যাই না( সোজা কথায় কথা না বলে পারলেও) দুই ভাই বোনের যত আব্দার দাবী আম্মার কাছে। আর আব্বাত আম্মাকে সব সময় বলেই "ছেলে-মেয়ে দুই জন হইল তোমার বাহিনী"আর আমার আব্বাও কোনো কিছু দিবে ঠিকই কিন্ত রাম ধমক দিয়ে।
লেখক বলেছেন: হা হা হা.....। মেয়েরা একটু বাবা ঘেঁষা হয় বলেই জানি। ভালো থাকুন।
মেহেরুবা বলেছেন:
আমাদের একেকজনের অনুভূতির প্রকাশ একেক রকম। কেউ বলে ভাল, কেউ বলে সুন্দর, আর কেউ কিছুই বলেনা, শুধু + দিয়ে যায়।তেমনই কেউ মুখে বলে, কেউ বলেনা, শুধু............
খুব ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: হা হা হা । আপনার কমেন্টা ভাল্লাগছে![]()
ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: কেউ বলে ভাল, কেউ বলে সুন্দর, আর কেউ কিছুই বলেনা, শুধু + দিয়ে যায়। @মেহেরুবা
হা হা হা। ভাল থাকুন নির্ঝরদা।
আনহা বলেছেন:
প্রতিবার ঈদ আসলেই দেখতাম উনি একটা ভাব নিতেন। সবার সাথে মেজাজ দেখিয়ে কথা বলছেন, কথায় কথায় ঝাড়ি দিচ্ছেন। ঘরের ভেতর কেমন একটা আতংক আতংক ভাব যেন যে কোনো মূহুর্তে সুনামি আসবে.............এটা পুরা আমাদের বাসার চিত্র.মেয়েরাও মা ঘেষা হয়...বাবা কেমন জানি দূরে চলে যায় ..
লেখক বলেছেন: মিলে গেল দেখি! আপনার বাবার প্রতি শ্রদ্ধা।
ভালো থাকুন।
পল্লী বাউল বলেছেন:
শীতনিদ্রাটা অনেক দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে... নতুন পোস্ট কৈ?
লেখক বলেছেন: কমেন্ট টা পড়ে বুকে বল পেলাম। দিয়ে দিব ইনশাল্লাহ্
লুদ্ধক বলেছেন:
আমার বাপ জট্টিল মানুষ... আমার বয়স ২৩, আমার বাপ এখনো ঢাকায় আসলে গোসলের পর তেল মাখিয়ে দেয়... বাবা নিয়ে আমার ও একটা লেখা আছে আমার ব্লগে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লুদ্ধক। আপনার লেখাটি পড়ার ইচ্ছে রইল।
শর্ট সার্কিট বলেছেন:
পড়ে মনটা কেমন যেন হয়ে গেল। খুব ভালো একটা লেখা।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
শুভেচ্ছা।![]()
নুশেরা বলেছেন:
লেখাটার প্রতিটা শব্দবাক্যে মায়া জড়ানো। পারিবারিক বন্ধনকে অসীম মমতায় লালন করছে এমন কারো লেখা- পড়লেই বোঝা যায়।
আমার বাবার সঙ্গে সম্বোধন ইত্যাদিতে (নবাব) সামান্য মিল পেয়েছি। কিন্তু আমার বাবা আরও অনেক বেশী কঠিন মানুষ
[এই লেখাটা আমি পড়েছি আগেই। এর আগের কোরবানীর ওটাও।]
বাবাকে সালাম। লেখালেখি চলুক, শুভকামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: আপু আমি বোধহয় এই দিনটির জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। নিজেকে সত্যিই সন্মানিত বোধ করছি।
আর আশ্চর্য আপানার কমেন্টই হচ্ছে আমার পাওয়া ১০০০ তম কমেন্ট!![]()
[এই লেখাটা আমি পড়েছি আগেই। এর আগের কোরবানীর ওটাও।]
তার মানে আপনি লুকিয়ে লেখা পড়েন কিন্তু কিছু বলেন না। অথচ গত পাঁচটা মাস এই ব্লগে আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটার কমেন্টের অপেক্ষায় ছিলাম।![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
তোর এই পোষ্টে করা কমেন্টটা মনে হয় আমার করা অন্যতম সেরা কমেন্ট। পড়তে পড়তে নিজেই আবেগাক্রান্ত হয়ে গেলাম আবার। আর তোর পোষ্ট নিয়ে কিছু বললাম না আবার নতুন করে।
লেখক বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়
আমি নিজেই অনেকবার পড়েছি।
তোর দাওয়াত আর কয়টা বাকী আছে
আশা করছি এবার শরীরের উন্নতি হবে আর আন্টির কাছে ঐ বিষয়টা নতুন করে তোলা যাবে
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
নারে দাওয়াত এর চেয়ে বেশি ব্যস্ত ছবি নিয়ে। এই পুরা মাস ছবি তোলা নিয়াই থাকতে হবে।
লেখক বলেছেন: হুমম।
সমুদ্র কন্যা বলেছেন:
এই লেখাটা অনেকবার পড়েছি, কমেন্ট করা হয়নি। কালরাতে খুব সামান্য একটা কারণেই আব্বুর সাথে রাগারাগি করেছি, যেটা আমি কখনোই করি না। অন্যদিন আব্বু বসে বসে টিভিতে রেসলিং দেখে, কিন্তু কাল কিছুক্ষণ গুম হয়ে বসে থেকে দশটা না বাজতেই শুয়ে পড়েছে। এত খারাপ লাগছিল। আব্বু কখনো নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে না। নিজের ভেতর লুকিয়ে রাখে। আমিতো আব্বুরই মেয়ে। খারাপ লাগলেও আমি নিজে গিয়ে স্যরি বলবো না।
আজ আবার এই লেখাটা পড়ছি। আর কাঁদছি।
লেখক বলেছেন: সমুদ্র কন্যা আপনি অবশ্যই কাল সকালে নববর্ষের প্রথম শুভেচ্ছা আপনার বাবাকে জানাবেন। আর দুঃখ প্রকাশটা যে সবসময় মুখে করতে হবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তা মনে করি না। নিজের হাতে এক কাপ চা গড়িয়ে দিন দেখবেন অভিমান জলের মতো ভেসে গেছে। আর শুনেছি একটা সময় পরে নাকি মেয়ে আর মেয়ে থাকে না, মা হয়ে উঠে।
ভালো থাকুন। আপনার বাবাকে সালাম। নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন প্রতীক্ষা। শুভকামনা।![]()
মানবী বলেছেন:
বাবা'র জন্য কখনও করুণা হয়না ভাইয়া, হতে নেই.. বাবার জন্য মায়া হতে পারে অথবা কষ্ট।আপনার বাবা যে মোটেও ভয়ংকর মানুষ নন তা তাঁর সাথে অন্যদের আচরন থেকে স্পষ্ট হয়। তিনি যে কতো ভালো ও সরল মানুষ তা আপনার মা জানেন, তাই তিনি নির্দ্বিধায় কড়া ও ব্যাঙ্গাত্বক জবাব দিতে পারেন :-)
কিছু মানুষ রাগটাকে ডিফেন্স হিসেবে ব্যবহার করেন, নিজের কোমলতাকে খোলসে মুড়িয়ে রাখতে এই প্রচেষ্টা। তাঁরা আসলে ভীষণে একাকীত্ব ভুগেন...
আপনাদের তিনজনের মাঝে কেউ একজন যেন এই খোলসভেঙ্গে তাঁর কাছে পৌঁছতে পারেন এই প্রার্থণা ও শুভকামনা রইলো ভাইয়া।
আপনার বাবাকে সালাম।
লিংকের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। অনেক ভালো থাকুন।
*পোস্টটির আগের শিরোনাম কি ছিলো জানতে ইচ্ছে করছে!!"
লেখক বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপা।
বাবা তোমাকে কতকাল ভালবাসি না!! শিরোনামটা এরকম ছিল। ভালো থাকবেন আপা সবসময়।
জাকিয়া তানজিম বলেছেন:
কতদিন ধরে ঘুরছি সামুতে এই ভাল লেখাটা এতদিনে চোখে পডলো! অনেক ভাল একটা বিষয় নিয়ে ভাল লেখা! বেশি বেশি ভালবাসুন বাবাকে। তবে হ্যা বাবার মত লুকিয়ে নয়,,! মানবীর মন্তব্যটাও ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: পুরনো এই লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ জানবেন জাকিয়া। ভালো লেগেছে জেনে ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমি তুমি আমরা বলেছেন:
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: হুম! লেখাটা ভাল লাগলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















