গণভবনঃ ইতিহাস ও পরিচিতিঃ
মাত্র ক'দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ২য় বারের মত তাঁর সরকারী বাসস্থান গণভবনে উঠেছেন। গণভবন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবস্মরনীয় অধ্যায়। আগামী একশ বছর পরে এই গণভবন আমাদের ঐতিয্য আহসান মঞ্জিলকেও ছাড়িয়ে গণভবনের নাম সবার উপড়ে স্থান পাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে। আগের নাম ধারন করে নতুন সাজে স্বজ্জিত হয়েছে গণভবন| প্রধানমন্ত্রী গণভবনে উঠবেন, তাই ভবনটিকে দৃস্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে অনেক যত্ন আর সৃস্টিশীলতা দিয়ে। গণপুর্ত ও স্থাপত্য বিভাগ গত ৭ বছরের রক্ষনাবেক্ষণ ব্যয় চার কোটি টাকা(প্রতি বছরের জন্য ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ) গণভবন সংরক্ষণ ব্যয় ছাড়াও এককালীন বিষেশ বরাদ্ধ ৮ কোটি টাকা ব্যয় করে সংস্কার করে গণভবনকে আধুনিকায়ন করেছে। গণভবনের বর্তমান আধুনিকায়নের ভিতরে উল্ল্যেখযোগ্য হলো-ব্যাংকোয়েট হল নির্মান, ভবনের মেঝেতে লাগানো পুর্বের কার্পেট সরিয়ে হেমোনজিয়স টাইলস, মার্বেল পাথর স্থাপন, দড়জা জানালায় সুদৃশ্য বিদেশী দামী পর্দা লাগানো, ভবনের অভ্যন্তরের কৃতিম লেকের সংস্কার, মুল গেটের পাশে একটি ভবন নির্মাণ করা যেখানে প্রেসব্রিফিং কক্ষ, নিরপত্তা বাহিনীর জন্য কয়েকটি কক্ষ ইত্যাদি করা হয়েছে।গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান কৌশলী জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় গণভবন চমতকার স্থাপত্যশৈলীতে সাজানো হয়েছে-যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে গণভবনের ঐতিয্য চিরঞ্জিব থাকে।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাত্র এক টাকার বিনিময়ে নিজ নামে গণভবন কিনে নেন। যা নিয়ে তখনকার দেশী-বিদেশী মিডিয়া খুব ততপরতা দেখালে "আমাদের এতোসব কথা শুনতে ভালো লাগেনা" বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে গণভবন ছেড়ে চলে যান। পুণরায় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে গণভবন রাস্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে শেখ হাসিনার নামের বরাদ্ধ বাতিল করে প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণভবনের নাম পরিবর্তন করে প্রাইম মিনিস্টারস অফিস নামকরন করেছিলেন।কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ঐ অফিস ব্যবহার করতেননা। তিনি ওখানে ২ বার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান করেছিলেন ইয়াতীম ও সাধারন মানুষের সাথে। গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রনালয়ের এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে গত ২০ জানুয়ারী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহিনা আহমেদ স্বাক্ষরিত ঐ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে-রাস্ট্রপতির আদেশে ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরের বি-ব্লকের ৫ নং প্লটে অবস্থিত ভবনটিকে গণভবন হিসেবে পুণঃনামকরন করা হলো।
শেখ হাসিনা প্রথমবার ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার পর এই গণভবনই ছিল তাঁর সরকারি বাসভবন। গত সাত আট বছর প্রায় অব্যবহৃত অবস্থায় থাকার ফলে গণভবন অনেক মুল্যবান জিনিষ নস্ট হয়ে যায়, যারফলে গণভবন প্রধানমন্ত্রীর বাসউপযোগী ছিলনা। গত সেনা সমর্থিত তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান উপদেস্টা ডঃ ফখরুদ্দীন আহমেদ গণভবনে উঠবেনবলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেজন্য ভবন সংস্কারের উদ্যোগও নিয়েছিল কর্তিপক্ষ। পরে প্রধান উপদেস্টা ঐ ভবনে উঠবেননা বলে সিদ্ধান্ত হলে সংস্কার কাজ পরিত্যাগ করা হয়। বর্তমান সংস্কার কার্য্যে প্রধানমন্ত্রীর সুরুচীশীলতারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন গণপুর্ত স্থাপত্য বিভাগের প্রকৌশলীগন। এপ্রসংগে গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল শাফী বলেন-গণভবন রাস্ট্রীয় সম্পত্তি, উপরোন্তু বংগবন্ধুর স্মৃতি বিজরিত গণভবন। তাই রাস্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া সেখানে কোন প্রকার সংস্কার, নির্মাণ, উন্নয়ণ কাজ করা সম্ভব নয়।এতো দিন এই ভবন সংস্কার কিম্বা উন্নয়নের জন্য বিগত জোট সরকার কিম্বা গত দুই বছরের তত্ববধায়ক সরকার কোন ব্যাবস্থা না নেয়ায় ভবনের বেশীরভাগ আসবাবপত্র এবং মুল ভবনের অনেক অংশ নস্ট হয়ে যায়।প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর বর্তমান সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৮ মাস সময় লেগেছে।গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান স্থাপতি এ এস এম ইসমাইল জানিয়েছেন সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবার পর এই ভবনের স্থাপত্য সৌন্দর্য্য ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা উজ্জ্বল দৃস্টান্ত হয়ে থাকবে।
বর্তমানে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে গণভবনের ভিতরে মুল গেটের পাশে আলাদা একটি ভবন তৈরী করা হয়েছে। সেই ভবনে সাংবাদিকদের জন্য তাদের পেশাগত কাজের সহযোগীতার জন্য আছে-প্রেস সেল। সাংবাদিকরা যাতে সহজে সংবাদ পাঠাতে পারেন সেজন্য সেখানে আছে টেলিফোন, কম্পুটার, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেটের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা।নতুন এই ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মকর্তা, নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসএফ, পিজিআর, আর্মড পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্যও আলাদা আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব, সামরিক সচিবের জন্য করা হয়েছে আলাদা আলাদা অফিস ভবন। নতুন করে গণভবনে তৈরী হয়েছে ১৩০ আসনের একটি ব্যাংকোয়েট হল।গণভবনের রক্ষণাবেক্ষন ও সেবা সার্ভিসের জন্য জন্য রয়েছে পিডব্লিউ, সিভিল ও ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অফিস।এখানে কর্মরত রয়েছে ৪৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারী।
গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর তথ্য মতে গণভবনের পুর্ব আয়তন ছিল ২২ একর। মুল ভবনের আয়তন ১৫ একর। গণভবন রক্ষনাবেক্ষনে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য ৪ একর এবং ৩য়, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আবাসনের জন্য ৩ একর যায়গা ব্যাবহার করা হয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত স্থাপতি মিঃ লুই কান এর থিউরি মতে উন্নতমানের সিরামিক ইটে নির্মান করা হয়েছে গণভবন। গণভবনের মুল ভবনের উপড় ও নীচতলা মিলিয়ে আয়তন ৩৭ হাজার বর্গ ফুট। এখন মুল ভবনের সাথে বর্ধিতাংশ করে ব্যাংকোয়েট হল নির্মাণ কাজ শেষে গণভবনের মোট আয়তন দাড়িয়েছে ৫৭ হাজার বর্গ ফুটে।দোতলা গণভবনের ওপর-নীচ তলায় রয়েছে বিশাল সাইজের ছয়টি রুম। উপড় তলায় আরো আছে বিলাশবহুল ৫টি স্যুইট এবং নীচ তলায় আছে ৬টি স্যুইট। উপড়ের তলায় অনেক বড় একটা রুমের নাম সেন্ট্রাল রুম এবং অন্য আর একটা রুমের নাম কনফারেন্স লাউঞ্জ। নীচ তলায় প্রধান মন্ত্রীর অফিস কক্ষ। রুমের ভিতরটা পুর্বে মোজাইক করা ছিল। বর্তমানে মোজাইক তুলে গ্রানাইট টাইলস বসানো হয়েছে। অফিস কক্ষের দুই পাশে দুটি করিডোর এবং লাউঞ্জ সম্পুর্ণ মার্বেল পাথরে গড়া। এতোদিন ভবনে কোন জীম ছিলনা। বর্তমানে একটি অত্যাধুনিক জীম স্থাপন করা হয়েছে। ভবনটিতে কিচেনরুম, ড্রইংরুম, স্টোররুম ছারাও আরো তিনটি রুম রয়েছে। ভবনের ভিতরে হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য হেলিপ্যাড।২ টি গোলাপ বাগান, ২ টি বারোয়ারী ফুলের বাগান, ফলজ বাগান ছাড়াও রয়েছে বিশাল লন।সেই লনেই বংগবন্ধু সকাল বিকাল পায়চারী করতেন।
গণভবনের উত্তর প্রান্ত থেকে দক্ষিন প্রান্ত পর্য্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি মনোরম লেক। লেকের পশ্চিম দিকে রয়েছে শান বাধানো সুদৃশ্ব ঘাট। বর্তমানে এই লেকটিকেও সংস্কার করা হয়েছে। এই লেকে বংগ বন্ধু নিজ হাতে মাছ চাষ করেছিলেন এবং ঐ ঘাটে বসেই মাছদের খাবার খেতে দিতেন।
গণভবনের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাসঃ স্বাধীনতার পর বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিন্টো রোডের প্রেসিডেন্ট হাউসে অফিস করতেন।প্রেসিডেন্ট হাউস তখোন গণভবন নানে পরিচিতছিলো।প্রেসিডেন্ট হাউস বর্তমানে সুগন্ধা ভবন নামে পরিচিত। বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সনে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ারপর তিনি সুগন্ধায় সান্ধকালীণ অফিস করতেন। বর্তমানে সুগন্ধা ভবনে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমী অফিস। স্বাধীনতার পর বৃটেনের রানী ২য় এলিজাবেথের প্রথমবার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি এই ভবনে রাত যাপন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ভবনে বংগবন্ধু অনেক কস্ট করে অফিস করতেন। সেখানে তার সকল স্টাফদের জন্য স্থান সংকুলান হতোনা। সেই অফিস ভবন ছোট হবার কারনেই বংবন্ধু ১৯৭৩ সনে শেরে বাংলা নগরে সংসদ ভবনের পাশে তাঁর বাসভবন ও সচিবালয় নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন।গণভবন বংবন্ধুর সরকারী বাসভবন হলেও তিনি কখনো গণভবনে রাত যাপন করতেননা।তিনি থাকতেন তাঁর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে।
১৯৭৩ সনে গণভবন নির্মাণকালে গণপুর্ত মন্ত্রী ছিলেন জনাব সোহরাব হোসেন। গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন আবুল বাশার।সরকারের নির্দেশে কেউ একক ভাবে গণভবনের নকশা করেননি।যদিও নকশাটির মুল অংশটি তৈরী করেছিলেন-প্রকৌশলী খবিরুদ্দীন বেগ।লিন্তু পুরো নকশাটি করেন স্থাপত্য বিভাগের কয়েকজন প্রকৌশলী মিলে।নির্মান কাজের তদারকি করেন স্থপতি আমির হোসেন।গণভবনের ঠিকাদার ছিলেন কুস্টিয়ার আতা মোহাম্মদ মুসা।গণভবন নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে বংগবন্ধু সেখানে সান্ধকালীন অফিস করতেন।সেখানে তিনি বিদেশী অতিথি, কূটনিতিক সহ বিভিন্ন ব্যাক্তিদের সাক্ষাত দিতেনঙ্গণভবনের পাশে যেখানে বংগবন্ধুর সচিবালয় ছিল-সেখানে একটি একতলা ভবন ছিল।পাকিস্তান আমলে এটি ছিল এমএলএ ভবন।তখন জাতীয় সংসদের অধিবেশন হতো বর্তমান তেজগাঁওস্থ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।এই ভবনটিকেই বর্ধিত করে তৈরী করা হয় বংগবন্ধু সরকারের সচিবালয়। এখানেই প্রধানমন্ত্রীর সচিব, রাজনৈতিক সচিব, ক্যাবিনেট সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং বংগবন্ধুর ব্যাক্তিগত কর্মকর্তাদের অফিস ছিল।বংগবন্ধু মিন্টো রোডে প্রেসিডেন্ট হাউজে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত অফিস করতেন। তারপর চলে আসতেন শেরে বাংলা নগরের সচিবালয়ে। সেখানে রাত ৯/১০টা পর্যন্ত অফিস করতেন।ওখানেই তিনি দুপুরে কিছু সময় বিশ্রাম নিতেন, সময় সুযোগ পেলে বিকেলে লেকে মাছদের খাবার দিতেন, লনে একটু হাটাহাটি করতেনঙ্গণভবন বংগবন্ধুর সরকারি বাসভবন হলেও তিনি রাতে ওখানে থাকতেননা। ওখানে পরিবার নিয়ে উচ্চপদস্থ্যদের মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে থাওক্তেন তাঁর সামরিক সচিব কর্ণেল সাফায়েত জামিল। ১৯৭৫ সনের সেনা অভ্যুত্থানের সময় কর্ণেল জামিল যখন বংগবন্ধুর সাহায্যে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন-তখন বিদ্রোহীদের গুলিতে শহীদ হন।
৭৫ সনে ১৫ই আগস্ট বংগবন্ধু নিহত হবার পর থেকে গণভবনে বংগবন্ধুর বাসভবনের মুল এলাকায় সকল কার্য্যক্রম বন্ধ ছিল।কিন্তু বংগবন্ধুর সচিবালয়ের কিছু অংশ শিক্ষা অধিদপ্তর, পাব্লিক এডমিনেস্ট্রেশন ট্রেইনিং সেন্টার, বি আর টি এ, নির্বাচন কমিশন সহ অনেক সরকারি অফিস হিসেবে বরাদ্ধ দেয়া হয়। তবে প্রথম সার্ক সম্মেলন উপলক্ষে ১৯৮৫ সনে এরশাদ সরকার গণভবন সংস্কারের উদ্যোগ নেয়।সংস্কার শেষে ১৯৮৬ সন পর্যন্ত ভবনটি গণভবন হিসেবেই পরিচিত ছিল।এরশাদ সরকার ভবনের নাম পরিবর্তন করে নামকরন করেন রাস্ট্রীয় অতিথি ভবন করতোয়া। ততকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিঃ রাজীব গান্ধী বাংলাদেশ সফরে এলে তিনি এই ভবনেই রাতযাপন করেন।১৯৮৮ সনে এরশাদ সরকার আবারো ভবনটির সংস্কার কাজ করেন।ভবনটিকে নতুন সাজে সজ্জ্বিত করণের কাজ সম্পন্ন করে কঙ্কর্ড গ্রুপ।
নতুন করে গণভবন সংস্কারের পর ততকালীন এরশাদ সরকারের প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং কাজী জাফর আহমেদ সেখানে আফিস করেন।তখন রাস্ট্রপতি এরশাদ দুই ঈদের সময় গণভবনে সাধারন জনগনের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছিলেন।এরশাদ যুগের অবসানের পর ক্ষমতাশীন হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বি এন পি সরকার।বি এন পি সরকারও ওই ভবনের নাম অপরিবর্তিত রাখে।
(গণভবনের সংস্কার কাজের কন্টাক্ট যিনি পেয়েছিলেন-তিনি আমার অত্যন্ত পরিচিত একজন ঠিকাদার। সংস্কার কাজ চলাকালীণ তাঁর সাথে-ওখানে কয়েকবার যাবার সুযোগ আমার হয়েছিল।কৌতুহল বশত ঐ সময়ে ওখানে দ্বায়িত্বরত অফিশিয়ালদের সাথে কথা বলে গণভবনের খুটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করেছিলাম-যা পাঠকদের কাছে তুলে ধরলাম)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৪ সকাল ১০:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



