আমার প্রিয় পোস্ট
- কম সময়ে একসাথে আপলোড করে ব্লগে অনেক অনেক ছবি দেওয়ার অনেকগুলো উপায় (নতুনদের জন্য) - সাইফুলহাসানসিপাত
- বাংলা ব্লগের বিভাজন রেখা : কর্পোরেট বনাম ইনডিপেন্ডেন্ট ব্লগ - মাহবুব মোর্শেদ
- একদিন, দেখে নিও! - সুলতানা শিরীন সাজি
- ব্যাবিলনের শুন্যোদ্যান ( Hanging Garden of Babylon) - বীরেনদ্র
- ব্লগ রাজনীতি ও ব্লগের রাজনীতি - একরামুল হক শামীম
- বেগম আখতার গানের জগতের সম্রাজ্ঞী। - সুরঞ্জনা
- জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস - অন্যমনস্ক শরৎ
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আমার ছানা পাখীর লেখা গল্প " মুক্তিযোদ্ধার গল্প" পড়ে আমি নিজেই মুগ্ধ - মেহবুবা
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র : জনপ্রিয় কিছু অনুষ্ঠান ও তাদের নেপথ্যের কুশলীরা - দস্যু রত্নাকর
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- স্মৃতির পাতা থেকে........ - নাআমি
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- ক্যাট স্টিভেন্স থেকে ইউসুফ ইসলাম - অসম্ভব জনপ্রিয় এক নওমুসলিমের ইতিকথা - কবির চৌধুরী
- ব্যাক্তি নিরাপত্তা ও আমরা কি করবো। - জুন
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- দেখা হবে আবার, এই সামহয়্যারইন, এই মায়াবীবৃক্ষের তলায় - সুনীল সমুদ্র
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি - চার্ত্রুজ-বী
- সোনারগাঁও হোটেলের সোনালী স্মৃতি .... ২য় খন্ড - চার্ত্রুজ-বী
- শব্দ কল্প দ্রুম -৩ - বোকা ছেলে
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আঁধারপ্রেমী - অনিক
- ২০০ বছরের পরাধীনতা এবং আমাদের তথাকথিত ওয়ার সিমেট্রী: পর্ব - ১ - মিলটন
- ডঃ ইউনুস ও আমার দেখা একটি সিনেমার কাহীনি - মুরশীদ
- মাতৃভাষা আন্দোলনের সেই সব সূর্যসন্তানেরা...... - রেজোওয়ানা
- - হৃদয়ের কথা-নির্মম বাস্তবতা আর রূপকথা - মানবী
গণভবনঃ ইতিহাস ও পরিচিতিঃ
১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০৭
গণভবনঃ ইতিহাস ও পরিচিতিঃ
মাত্র ক'দিন আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখহাসিনা ২য় বারের মত তাঁর সরকারী বাসস্থান গণভবনে উঠেছেন। গণভবন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবস্মরনীয় অধ্যায়। আগামী একশ বছর পরে এই গণভবন আমাদের ঐতিয্য আহসান মঞ্জিলকেও ছাড়িয়ে গণভবনের নাম সবার উপড়ে স্থান পাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে। আগের নাম ধারন করে নতুন সাজে স্বজ্জিত হয়েছে গণভবন| প্রধানমন্ত্রী গণভবনে উঠবেন, তাই ভবনটিকে দৃস্টিনন্দন স্থাপনা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে অনেক যত্ন আর সৃস্টিশীলতা দিয়ে। গণপুর্ত ও স্থাপত্য বিভাগ গত ৭ বছরের রক্ষনাবেক্ষণ ব্যয় চার কোটি টাকা(প্রতি বছরের জন্য ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ) গণভবন সংরক্ষণ ব্যয় ছাড়াও এককালীন বিষেশ বরাদ্ধ ৮ কোটি টাকা ব্যয় করে সংস্কার করে গণভবনকে আধুনিকায়ন করেছে। গণভবনের বর্তমান আধুনিকায়নের ভিতরে উল্ল্যেখযোগ্য হলো-ব্যাংকোয়েট হল নির্মান, ভবনের মেঝেতে লাগানো পুর্বের কার্পেট সরিয়ে হেমোনজিয়স টাইলস, মার্বেল পাথর স্থাপন, দড়জা জানালায় সুদৃশ্য বিদেশী দামী পর্দা লাগানো, ভবনের অভ্যন্তরের কৃতিম লেকের সংস্কার, মুল গেটের পাশে একটি ভবন নির্মাণ করা যেখানে প্রেসব্রিফিং কক্ষ, নিরপত্তা বাহিনীর জন্য কয়েকটি কক্ষ ইত্যাদি করা হয়েছে।গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান কৌশলী জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছায় গণভবন চমতকার স্থাপত্যশৈলীতে সাজানো হয়েছে-যাতে ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে গণভবনের ঐতিয্য চিরঞ্জিব থাকে।
১৯৯৬ সালে প্রথমবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাত্র এক টাকার বিনিময়ে নিজ নামে গণভবন কিনে নেন। যা নিয়ে তখনকার দেশী-বিদেশী মিডিয়া খুব ততপরতা দেখালে "আমাদের এতোসব কথা শুনতে ভালো লাগেনা" বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে গণভবন ছেড়ে চলে যান। পুণরায় জোট সরকার ক্ষমতায় এসে গণভবন রাস্ট্রীয় সম্পত্তি হিসেবে শেখ হাসিনার নামের বরাদ্ধ বাতিল করে প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণভবনের নাম পরিবর্তন করে প্রাইম মিনিস্টারস অফিস নামকরন করেছিলেন।কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ঐ অফিস ব্যবহার করতেননা। তিনি ওখানে ২ বার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠান করেছিলেন ইয়াতীম ও সাধারন মানুষের সাথে। গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রনালয়ের এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনে গত ২০ জানুয়ারী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফারহিনা আহমেদ স্বাক্ষরিত ঐ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে-রাস্ট্রপতির আদেশে ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরের বি-ব্লকের ৫ নং প্লটে অবস্থিত ভবনটিকে গণভবন হিসেবে পুণঃনামকরন করা হলো।
শেখ হাসিনা প্রথমবার ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবার পর এই গণভবনই ছিল তাঁর সরকারি বাসভবন। গত সাত আট বছর প্রায় অব্যবহৃত অবস্থায় থাকার ফলে গণভবন অনেক মুল্যবান জিনিষ নস্ট হয়ে যায়, যারফলে গণভবন প্রধানমন্ত্রীর বাসউপযোগী ছিলনা। গত সেনা সমর্থিত তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান উপদেস্টা ডঃ ফখরুদ্দীন আহমেদ গণভবনে উঠবেনবলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেজন্য ভবন সংস্কারের উদ্যোগও নিয়েছিল কর্তিপক্ষ। পরে প্রধান উপদেস্টা ঐ ভবনে উঠবেননা বলে সিদ্ধান্ত হলে সংস্কার কাজ পরিত্যাগ করা হয়। বর্তমান সংস্কার কার্য্যে প্রধানমন্ত্রীর সুরুচীশীলতারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন গণপুর্ত স্থাপত্য বিভাগের প্রকৌশলীগন। এপ্রসংগে গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল শাফী বলেন-গণভবন রাস্ট্রীয় সম্পত্তি, উপরোন্তু বংগবন্ধুর স্মৃতি বিজরিত গণভবন। তাই রাস্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ছাড়া সেখানে কোন প্রকার সংস্কার, নির্মাণ, উন্নয়ণ কাজ করা সম্ভব নয়।এতো দিন এই ভবন সংস্কার কিম্বা উন্নয়নের জন্য বিগত জোট সরকার কিম্বা গত দুই বছরের তত্ববধায়ক সরকার কোন ব্যাবস্থা না নেয়ায় ভবনের বেশীরভাগ আসবাবপত্র এবং মুল ভবনের অনেক অংশ নস্ট হয়ে যায়।প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর বর্তমান সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৮ মাস সময় লেগেছে।গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান স্থাপতি এ এস এম ইসমাইল জানিয়েছেন সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবার পর এই ভবনের স্থাপত্য সৌন্দর্য্য ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা উজ্জ্বল দৃস্টান্ত হয়ে থাকবে।
বর্তমানে সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে গণভবনের ভিতরে মুল গেটের পাশে আলাদা একটি ভবন তৈরী করা হয়েছে। সেই ভবনে সাংবাদিকদের জন্য তাদের পেশাগত কাজের সহযোগীতার জন্য আছে-প্রেস সেল। সাংবাদিকরা যাতে সহজে সংবাদ পাঠাতে পারেন সেজন্য সেখানে আছে টেলিফোন, কম্পুটার, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেটের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা।নতুন এই ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সব কর্মকর্তা, নিরাপত্তায় নিয়োজিত এসএসএফ, পিজিআর, আর্মড পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের জন্যও আলাদা আলাদা কক্ষের ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সচিব, সামরিক সচিবের জন্য করা হয়েছে আলাদা আলাদা অফিস ভবন। নতুন করে গণভবনে তৈরী হয়েছে ১৩০ আসনের একটি ব্যাংকোয়েট হল।গণভবনের রক্ষণাবেক্ষন ও সেবা সার্ভিসের জন্য জন্য রয়েছে পিডব্লিউ, সিভিল ও ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অফিস।এখানে কর্মরত রয়েছে ৪৫ জন কর্মকর্তা কর্মচারী।
গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর তথ্য মতে গণভবনের পুর্ব আয়তন ছিল ২২ একর। মুল ভবনের আয়তন ১৫ একর। গণভবন রক্ষনাবেক্ষনে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্য ৪ একর এবং ৩য়, চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আবাসনের জন্য ৩ একর যায়গা ব্যাবহার করা হয়েছে। বিশ্ববিখ্যাত স্থাপতি মিঃ লুই কান এর থিউরি মতে উন্নতমানের সিরামিক ইটে নির্মান করা হয়েছে গণভবন। গণভবনের মুল ভবনের উপড় ও নীচতলা মিলিয়ে আয়তন ৩৭ হাজার বর্গ ফুট। এখন মুল ভবনের সাথে বর্ধিতাংশ করে ব্যাংকোয়েট হল নির্মাণ কাজ শেষে গণভবনের মোট আয়তন দাড়িয়েছে ৫৭ হাজার বর্গ ফুটে।দোতলা গণভবনের ওপর-নীচ তলায় রয়েছে বিশাল সাইজের ছয়টি রুম। উপড় তলায় আরো আছে বিলাশবহুল ৫টি স্যুইট এবং নীচ তলায় আছে ৬টি স্যুইট। উপড়ের তলায় অনেক বড় একটা রুমের নাম সেন্ট্রাল রুম এবং অন্য আর একটা রুমের নাম কনফারেন্স লাউঞ্জ। নীচ তলায় প্রধান মন্ত্রীর অফিস কক্ষ। রুমের ভিতরটা পুর্বে মোজাইক করা ছিল। বর্তমানে মোজাইক তুলে গ্রানাইট টাইলস বসানো হয়েছে। অফিস কক্ষের দুই পাশে দুটি করিডোর এবং লাউঞ্জ সম্পুর্ণ মার্বেল পাথরে গড়া। এতোদিন ভবনে কোন জীম ছিলনা। বর্তমানে একটি অত্যাধুনিক জীম স্থাপন করা হয়েছে। ভবনটিতে কিচেনরুম, ড্রইংরুম, স্টোররুম ছারাও আরো তিনটি রুম রয়েছে। ভবনের ভিতরে হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য হেলিপ্যাড।২ টি গোলাপ বাগান, ২ টি বারোয়ারী ফুলের বাগান, ফলজ বাগান ছাড়াও রয়েছে বিশাল লন।সেই লনেই বংগবন্ধু সকাল বিকাল পায়চারী করতেন।
গণভবনের উত্তর প্রান্ত থেকে দক্ষিন প্রান্ত পর্য্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি মনোরম লেক। লেকের পশ্চিম দিকে রয়েছে শান বাধানো সুদৃশ্ব ঘাট। বর্তমানে এই লেকটিকেও সংস্কার করা হয়েছে। এই লেকে বংগ বন্ধু নিজ হাতে মাছ চাষ করেছিলেন এবং ঐ ঘাটে বসেই মাছদের খাবার খেতে দিতেন।
গণভবনের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাসঃ স্বাধীনতার পর বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মিন্টো রোডের প্রেসিডেন্ট হাউসে অফিস করতেন।প্রেসিডেন্ট হাউস তখোন গণভবন নানে পরিচিতছিলো।প্রেসিডেন্ট হাউস বর্তমানে সুগন্ধা ভবন নামে পরিচিত। বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সনে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ারপর তিনি সুগন্ধায় সান্ধকালীণ অফিস করতেন। বর্তমানে সুগন্ধা ভবনে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমী অফিস। স্বাধীনতার পর বৃটেনের রানী ২য় এলিজাবেথের প্রথমবার বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষে ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি এই ভবনে রাত যাপন করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ভবনে বংগবন্ধু অনেক কস্ট করে অফিস করতেন। সেখানে তার সকল স্টাফদের জন্য স্থান সংকুলান হতোনা। সেই অফিস ভবন ছোট হবার কারনেই বংবন্ধু ১৯৭৩ সনে শেরে বাংলা নগরে সংসদ ভবনের পাশে তাঁর বাসভবন ও সচিবালয় নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নেন।গণভবন বংবন্ধুর সরকারী বাসভবন হলেও তিনি কখনো গণভবনে রাত যাপন করতেননা।তিনি থাকতেন তাঁর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে।
১৯৭৩ সনে গণভবন নির্মাণকালে গণপুর্ত মন্ত্রী ছিলেন জনাব সোহরাব হোসেন। গণপুর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন আবুল বাশার।সরকারের নির্দেশে কেউ একক ভাবে গণভবনের নকশা করেননি।যদিও নকশাটির মুল অংশটি তৈরী করেছিলেন-প্রকৌশলী খবিরুদ্দীন বেগ।লিন্তু পুরো নকশাটি করেন স্থাপত্য বিভাগের কয়েকজন প্রকৌশলী মিলে।নির্মান কাজের তদারকি করেন স্থপতি আমির হোসেন।গণভবনের ঠিকাদার ছিলেন কুস্টিয়ার আতা মোহাম্মদ মুসা।গণভবন নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে বংগবন্ধু সেখানে সান্ধকালীন অফিস করতেন।সেখানে তিনি বিদেশী অতিথি, কূটনিতিক সহ বিভিন্ন ব্যাক্তিদের সাক্ষাত দিতেনঙ্গণভবনের পাশে যেখানে বংগবন্ধুর সচিবালয় ছিল-সেখানে একটি একতলা ভবন ছিল।পাকিস্তান আমলে এটি ছিল এমএলএ ভবন।তখন জাতীয় সংসদের অধিবেশন হতো বর্তমান তেজগাঁওস্থ্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।এই ভবনটিকেই বর্ধিত করে তৈরী করা হয় বংগবন্ধু সরকারের সচিবালয়। এখানেই প্রধানমন্ত্রীর সচিব, রাজনৈতিক সচিব, ক্যাবিনেট সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং বংগবন্ধুর ব্যাক্তিগত কর্মকর্তাদের অফিস ছিল।বংগবন্ধু মিন্টো রোডে প্রেসিডেন্ট হাউজে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত অফিস করতেন। তারপর চলে আসতেন শেরে বাংলা নগরের সচিবালয়ে। সেখানে রাত ৯/১০টা পর্যন্ত অফিস করতেন।ওখানেই তিনি দুপুরে কিছু সময় বিশ্রাম নিতেন, সময় সুযোগ পেলে বিকেলে লেকে মাছদের খাবার দিতেন, লনে একটু হাটাহাটি করতেনঙ্গণভবন বংগবন্ধুর সরকারি বাসভবন হলেও তিনি রাতে ওখানে থাকতেননা। ওখানে পরিবার নিয়ে উচ্চপদস্থ্যদের মধ্যে পরিবার পরিজন নিয়ে থাওক্তেন তাঁর সামরিক সচিব কর্ণেল সাফায়েত জামিল। ১৯৭৫ সনের সেনা অভ্যুত্থানের সময় কর্ণেল জামিল যখন বংগবন্ধুর সাহায্যে ৩২ নম্বর ধানমন্ডির বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন-তখন বিদ্রোহীদের গুলিতে শহীদ হন।
৭৫ সনে ১৫ই আগস্ট বংগবন্ধু নিহত হবার পর থেকে গণভবনে বংগবন্ধুর বাসভবনের মুল এলাকায় সকল কার্য্যক্রম বন্ধ ছিল।কিন্তু বংগবন্ধুর সচিবালয়ের কিছু অংশ শিক্ষা অধিদপ্তর, পাব্লিক এডমিনেস্ট্রেশন ট্রেইনিং সেন্টার, বি আর টি এ, নির্বাচন কমিশন সহ অনেক সরকারি অফিস হিসেবে বরাদ্ধ দেয়া হয়। তবে প্রথম সার্ক সম্মেলন উপলক্ষে ১৯৮৫ সনে এরশাদ সরকার গণভবন সংস্কারের উদ্যোগ নেয়।সংস্কার শেষে ১৯৮৬ সন পর্যন্ত ভবনটি গণভবন হিসেবেই পরিচিত ছিল।এরশাদ সরকার ভবনের নাম পরিবর্তন করে নামকরন করেন রাস্ট্রীয় অতিথি ভবন করতোয়া। ততকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিঃ রাজীব গান্ধী বাংলাদেশ সফরে এলে তিনি এই ভবনেই রাতযাপন করেন।১৯৮৮ সনে এরশাদ সরকার আবারো ভবনটির সংস্কার কাজ করেন।ভবনটিকে নতুন সাজে সজ্জ্বিত করণের কাজ সম্পন্ন করে কঙ্কর্ড গ্রুপ।
নতুন করে গণভবন সংস্কারের পর ততকালীন এরশাদ সরকারের প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং কাজী জাফর আহমেদ সেখানে আফিস করেন।তখন রাস্ট্রপতি এরশাদ দুই ঈদের সময় গণভবনে সাধারন জনগনের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছিলেন।এরশাদ যুগের অবসানের পর ক্ষমতাশীন হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বি এন পি সরকার।বি এন পি সরকারও ওই ভবনের নাম অপরিবর্তিত রাখে।
(গণভবনের সংস্কার কাজের কন্টাক্ট যিনি পেয়েছিলেন-তিনি আমার অত্যন্ত পরিচিত একজন ঠিকাদার। সংস্কার কাজ চলাকালীণ তাঁর সাথে-ওখানে কয়েকবার যাবার সুযোগ আমার হয়েছিল।কৌতুহল বশত ঐ সময়ে ওখানে দ্বায়িত্বরত অফিশিয়ালদের সাথে কথা বলে গণভবনের খুটিনাটি তথ্য সংগ্রহ করেছিলাম-যা পাঠকদের কাছে তুলে ধরলাম)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
চমৎকার একটি পোস্ট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় স্পেল্বাইন্ডার।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
দারুণ পোষ্ট..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মনসুর।
তোমাকে ৪০০ পোস্টের জন্য অভনন্দন।
ভাবছি, এই রাষ্ট্রিয় সম্পদ গণভবন না আবার কারো পার্সোনাল প্রপার্টি হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: তেমন সম্ভাবনার কথা মোটেই অমুলক নয়। আমি ভবিষ্যতবাণী করছি-বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কম পক্ষে ২০২১ সাল পর্যন্ত গণভবনেই থাকবেন।
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
দারুণ!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
ভাল লেখা। তবে আপনার লেখায় একটা রিকোয়েস্ট যুক্ত করে দেন, গতবার ১টাকার বিনিময়ে গনভবন প্রায় নিয়ে গেছিলেন হাসিনা আফা এইবার যেন দামটা একটু বাড়ায় দেন দেশের মূল্যস্ফীতির কথা মাথায় রাইখা.........
লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আমি তোমাকে আস্বস্ত করছি-এবার সরকারী কোষাগার বেশী দাম পাবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুবিদ।
সুস্থ্য নাথাকলেও আমাকে যে সুস্থ্য হতেই হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাদসা ভাই।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শাহরিয়ার ডট কবীর বলেছেন:
++গতবার ১টাকার বিনিময়ে গনভবন প্রায় নিয়ে গেছিলেন হাসিনা আফা এইবার যেন দামটা একটু বাড়ায় দেন দেশের মূল্যস্ফীতির কথা মাথায় রাইখা......... লেখক বলেছেন: আমি আস্বস্ত করছি-এবার সরকারী কোষাগার আগের থেকে বেশী দাম পাবে। কারন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উদারতা আগের থেকে অনেক বেড়েছে এবং তিনি বাজার মুল্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তবে বিরোধী দল "সিন্ডিকেট" করে সবকিছুর বাজার দর বাড়িয়ে দিলেও গণভবনের দাম তেমন একটা বাড়াতে সক্ষম হয়নি! আরো আস্বস্ত করতে পারি-এবার কিন্তু তিনি বা তাহারা গণভবন থেকে আর চলে যাবেননা।
লেখক বলেছেন: "মৃত্যু আমাকে নেবে-জাতিসংঘ আমাকে নেবেনা"! ঠিক তেমন-গণভবন আমাকে নেবেনা!
আপনি চেস্টা করলে 'ক্রেমলিন' প্রাসাদ কিম্বা হোয়াইট হাউজে ঢুকতে পারবেন কিন্তু দলীয় নেতা নাহলে আপনি গণভবনে ঢুকতে পারবেননা। তবে যেহেতু আপনি একজন প্রকৌশলী-তাই কোনো কন্সাল্টেন্সী নিয়ে ঢুকতে পারেন...।
অর্থহীণ বলেছেন:
পড়লাম। তথ্য নির্ভর লেখা। ভালো লাগলো।ভাবছি, এই রাষ্ট্রিয় সম্পদ গণভবন না আবার কারো পার্সোনাল প্রপার্টি হয়ে যায়, গতবার ১টাকার বিনিময়ে গনভবন প্রায় নিয়ে গেছিলেন হাসিনা আফা এইবার যেন দামটা একটু বাড়ায় দেন দেশের মূল্যস্ফীতির কথা মাথায় রাইখা........
লেখক বলেছেন: ধীরে বদ্ধু ধীরে! জাস্ট ওয়েট এন্ড সী............
চমৎকার তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া ................
লেখক বলেছেন: গণভবনে অনেক কিছুই হয়েছে। সব চাইতে অবাক করার বিষয় ওখানে রিনোভেশনের নামে সরকারী অর্থেরও হরিলুট হয়েছে! বরাদ্ধ কৃত ১২ কোটি টাকার কাজ ছয় কোটিতেই করা সম্ভবছিল!
ধন্যবাদ শামসীর।
তাজা কলম বলেছেন:
তথ্যবহুল, অন্য পোষ্টগুলোর মতোই। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাজা কলম।
জানপরী বলেছেন:
তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। বয়স হয়েছে তাই জীমের দরকার আছে আর অন্যগুলো প্রয়োজনীয়।
লেখক বলেছেন: "স্বাস্থ্যই সুখের মূল"-কথাটা প্রধানমন্ত্রী ভুলে যাননি সেজন্য ধন্যবাদ।
আমি বীরবল বলেছেন:
আগে যখন মিরপুর-নিউমার্কেট রোডে ডাবল ডেকার বাস চলতো-তখন দোতালায় বসে গণভবন অতিক্রম করার সময় উঁকি দিয়ে দেখতে চেস্টা করেছি ঐ দুর্গটার ভিতরে কি আছে? একবার ঈদের সময় মুলত গণভবন দেখার উদ্দেশ্যেই প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে গিয়ে লাইনে দাড়াই। কিন্তু আমি গেইটের কাছাকাছি আসার পুর্বেই অনুষ্ঠান সেষ হয়ে যায়! আমার আর গণভবন দেখা হলোনা!
লেখক বলেছেন: গণভবন দেখার জন্য আপনার আকুতি দেখে সত্যি আমার মন খারাপ লাগছে। আশা করি আপনার আশা পুর্ণ হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনি কি এখনো হিল ট্রাকে আছেন?
সুচিন্তিত মতবাদ বলেছেন:
চমৎকার একটি পোস্ট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লুকোচুরি বলেছেন:
ভাবছি, এই রাষ্ট্রিয় সম্পদ গণভবন না আবার কারো পার্সোনাল প্রপার্টি হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: আমাদের "মহান" রাজনীতিবিদগনের যা স্বভাব চরিত্র-তাতে তেমন শংকা থেকেই যায়!
চেম্বার জজ বলেছেন:
একজন সরকারের পদলেহনকারী চেম্বার জজ হিসেবে "সরকারী এবং আওয়ামী" নিরপেক্ষ দালাল হিসেবে আমার অবয়ার্ভেশন-এই পোস্টে অনেক সত্য কথা লেখা হইয়াছে। কিন্তু আল্লাহর কসম করে সরকারের পক্ষে বলতে পারি-গণভবন পূণঃনির্মানে কোনো দুর্ণীতি হয়নাই। আমি আরো মনে করি-"আমাদের এতোসব কথা শুনতে ভালো লাগেনা" বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে গণভবন ছেড়ে চলে যান-এই কথা পাব্লিককে মনে করিয়ে দিয়ে মহান নেত্রীকে চরম অপমান করা হইয়াছে। তারজন্য আপনার কমপক্ষে তিন মাসের ফাঁসীর আদেশ দেয়া হইল।
লেখক বলেছেন: পারফেক্ট চেম্বার জজ। নাম এবং কাম যথার্থ হইয়াছে!!!
মেঘকন্যা বলেছেন:
পড়লাম
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ-ফয়সাল বলেছেন:
এখন কেমন আছেন?? শরীর কেমন?? কোন খোঁজ খবর নাই কেন??
লেখক বলেছেন: একখন অনেকটাই ভাল ফিল করছি। আশা করি সপ্তাখানেকের ভিতর অফিস করতে পারবো।
শুধু মাত্রই অসুস্থ্যতার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তায়েফ।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
খুবই তথ্যবহুল পোস্ট, অনেক কিছু নতুন জানা হলো. আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ.
লেখক বলেছেন: সব সময় সাথে থাকার জন্য তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
ভাঙ্গন বলেছেন:
বাহ। সুযোগমত গণভবনও দেখে নিলেন। আর সে অভিজ্ঞতা নিয়ে চমৎকার একটা তথ্যবহুল পোস্ট দিয়ে আমাদেরকেও তার ভাগিদার করলেন।অভিবাদন ভাইয়া!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: "মৃত্যু আমাকে নেবে-জাতিসংঘ আমাকে নেবেনা"! মৃত্যুর মতো কঠিন আমাকে অনায়াসে বরণ করবে-কিন্তু আমারমতো মানুষদের গণভবন যায়গা দিবেনা।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
হযরত উমর (রা) খেজুর গাছের নিচে শুয়ে থাকতেন। তাঁর শাসনামলে একটা কুকুরও না খেয়ে মারা যায়নি। হায়, আমাদের দেশের কত কত মানুষ রাতের বেলা না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, আর এসব ভবনের স্থাপত্যশৈলী বাড়তে থাকে। লেখক বলেছেন: " উমর"এরা "ইতিহাস" হয়ে মরে যায়। বেঁচে থাকে লুটেরা, চাঁদাবাজরা! এরাই গণতন্ত্র শেখায়।
এর নামই আধুনিকতা! এর নামই বাংলাদেশী গণতন্ত্র!! এখন রক্ষক সব চাইতে বড় ভক্ষক!!!
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভাইয়া, আমি তোমাকে আস্বস্ত করছি-এবার সরকারী কোষাগার বেশী দাম পাবে---------কেম্নে আস্বস্ত করেন? আফায় যদি উল্টা গত সাত বছরের ভাড়া সরকারের কাছ থেকে নেয়?(আফটার অল সাত বছর আগে উনি কিনেছেন এটা এবং বাতিল করছে অবৈধ সরকার!)
অফট পিক: আমার বাড়িতে অনেকদিন দেখিনা আপনাকে।
লেখক বলেছেন: তোমার কথার যুক্তি আছে। আফায় হয়ত উলটো গত সাত বছরের বকেয়া ভাড়াও আদায় করে নিবেন! কারন উনি "খাওন"টা খুব ভালো বোঝেন!
আমি কিন্তু তোমার সব পোস্ট দেখি। তোমার বর্তমান পোস্টের পুর্বের পোস্টছিল ১৬ ফেব্রুয়ারী। আমি সেই পোস্ট ভিজিট করেছি ১৫ মার্স। যা তুমি এখনো দেখনি!
নিরন্তর শুভ কামনা।
আবু সাঈদ আহমেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ। আপনার লিখাটি পড়ে অনেক কিছু জানলাম।
সতত শুভ কামনা আপনার জন্য, সকলের জন্য।
পুনশ্চ: আমার ব্লগে(Click This Link) আপনার মতের সাথে একমত পোষন করে বলছি এই ব্লগে সকলের জবাব দিতে চেস্টা করি। কিন্তু প্রচন্ড মাথার যন্ত্রনা নিয়ে লগইন করেও জবাব লিখার মত অবস্থায় ছিলাম না। আজ বেশ সুস্থ মনে করছি। তাই সকলের জবাব দিচ্ছি। ক্ষমা পাবো আশা করি।
ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। মিল কিছুটা আমার সাথেও আছে। তবে পুরোপুরি নয়। আর মিলের বিষয়টা বললে বউ রিমান্ডে নিতে পারে.......... (অসহায়ের ইমো হবে)
আবারো সতত শুভ কামনা আপনার জন্য, সকলের জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবু সাঈদ আহমেদ।
ব্যাক্তিগত ভাবে আমি সকল পাঠকদের মন্তব্যের জবাব দিতে চেস্টা করি-তা হতে পারে কিছুটা দেরীতেও। আমি মনে করি একজন পাঠকই আমার লেখা পড়েছেন-সেটাই আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। তারুপড় সেই পাঠক কস্ট করে ভাল০মন্দ মন্তব্য করেছেন-আমাকে উতসাহিত করার জন্য। কাজেই আমার উচিত পাঠককে অন্তত মন্তব্যের জবাব দিয়ে একটুখানি কৃতজ্ঞতা জানানো। আমি যাদের পোস্টে মন্তব্য করি-তাঁরা সেই মন্তব্যের জবাব নাদিলে সেকেন্ড টাইম আমি আর সেই ব্লগারের পোস্টে মন্তব্য করিনা।
আপনার জন্যও শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের ভগবান প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার উপর সবকিছু নির্ভর করে!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না