somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পবিত্র আল কোরআনের বঙ্গানুবাদ (১)

১৭ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সূরা আল-ফাতিহা,আয়াত ১ থেকে ৭
ফাতিহা শব্দটি আরবি ফাতহুন শব্দজাত যার অর্থ উন্মুক্তকরণ। এটি আল্লহ'র তরফ থেকে বিশেষ উপহার। সূরা ফাতিহা অন্যান্য সূরার ন্যায় বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম দিয়ে শুরু। আল ফাতিহা সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে বিধায় মক্কী সূরা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।
আয়াত ১: পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)।
আয়াত ২: আল্লাহরই জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি বিশ্বজগতের রাব্ব।
আয়াত ৩: যিনি পরম দয়ালু, অতিশয় করুণাময়।
আয়াত ৪: যিনি বিচার দিনের মালিক।
আয়াত ৫: আমরা আপনারই ইবাদাত করছি এবং আপনারই নিকট সাহায্য চাচ্ছি।
আয়াত ৬: আমাদেরকে সরল সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।
আয়াত ৭: তাদের পথ, যাদের আপনি অনুগ্রহ করেছেন। তাদের পথে নয়, যাদের প্রতি আপনার গযব বর্ষিত হয়েছে, তাদের পথও নয় যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।

আমিন !
আমিন কিন্তু সূরার অংশ নয় ।

[সূরা আল-বাকারা এতা কোরআনের ২য় সূরা:/sb]
সূরা আল বাকারা আয়াত সংখ্যা ২৮৬ টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ৪০ টি। আল বাকারা সূরাটি মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।বাকারাহ মানে গাভী। এ সূরার ৬৭ থেকে ৭৩ নম্বর আয়াত পর্যন্ত হযরত মুসা (আঃ) এর সময়কার বনি ইসরাইল এর গাভী কুরবানীর ঘটনা উল্লেখ থাকার কারণে এর এই নামকরণ করা হয়েছে। কুরআন মজীদের প্রত্যেকটি সূরার এত ব্যাপক বিষয়ের আলোচনা করা হয়েছে যার ফলে বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে তাদের জন্য কোন পরিপূর্ণ ও সার্বিক অর্থবোধক শিরোনাম উদ্ভাবন করা সম্ভব নয়। শব্দ সম্ভারের দিক দিয়ে আরবি ভাষা অত্যন্ত সমৃদ্ধ হলেও মূলত এটি তো মানুষেরই ভাষা আর মানুষের মধ্যে প্রচলিত ভাষাগুলো খুব বেশি সংকীর্ণ ও সীমিত পরিসর সম্পন্ন। সেখানে এই ধরনের ব্যাপক বিষয়বস্তুর জন্য পরিপূর্ণ অর্থব্যাঞ্জক শিরোনাম তৈরি করার মতো শব্দ বা বাক্যের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ জন্য নবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী কুরআনের অধিকাংশ সূরার জন্য শিরোনামের পরিবর্তে নিছক আলামত ভিত্তিক নাম রেখেছেন। এই সূরার নামকরণ আল বাকারাহ করার অর্থ কেবল এতটুকু যে এটি এমন সুরা যেখানে গাভীর কথা বলা হয়েছে।
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আয়াত ১: আলিফ লাম মীম।
আয়াত ২: এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য,
আয়াত ৩:যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে,
আয়াত ৪:এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে সেসব বিষয়ের উপর যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেসব বিষয়ের উপর যা তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আর আখেরাতকে যারা নিশ্চিত বলে বিশ্বাস করে।
আয়াত ৫:তারাই নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে সুপথ প্রাপ্ত, আর তারাই যথার্থ সফলকাম।
আয়াত ৬:নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না।
আয়াত ৭:আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।
আয়াত ৮:আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়।
আয়াত ৯:তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।
আয়াত ১০: তাদের অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর আল্লাহ তাদের ব্যধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব, তাদের মিথ্যাচারের দরুন।

(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৪
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কেমন আছো বন্ধু

লিখেছেন নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন, ২৩ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৪:২৮



কেমন আছো বন্ধু....?
মনে কি হয় না আমায় একটিবার !!
অথচ কথা ছিল, আসুক বাঁধা যতো,
তুমি আমি কখনো নই হারাবার।।
কেমন আছো বন্ধু, জানিয়ে যেও শুধু,
নাই'বা নিলে তুমি খবর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জবাব চাই মাননীয় রাষ্ট্র

লিখেছেন নাগরিক কবি, ২৩ শে জুলাই, ২০১৭ বিকাল ৫:০৭



একজন পুলিশ একজন ছাত্রের উপর মিছিলে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কোন নিয়ম নেই? ইচ্ছে করলেই ঠিক বিদ্রোহী ছাত্রের চোখকে নিশানা করে গুলি বর্ষণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলম্বে বিবাহ, একটু ভাবুন, নিজের মনকে প্রশ্ন করুন ??

লিখেছেন rezaul827, ২৩ শে জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪০

বেশিরভাগ পশ্চিমা দেশে গড় বিয়ের বয়স প্রায় ত্রিশ। কিন্তু একজন মেয়ে প্রথম সেক্স করে গড়ে সাড়ে ষোল বছর বয়সে।
এরপর প্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছর) হলে লিভ টুগেদারে যায় কিংবা ইচ্ছেমত পছন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবুঝ-নয়নে প্রতিচ্ছবি খুঁজতে থাকি!

লিখেছেন নীলপরি, ২৩ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:১৬






পূর্বজন্ম কৌতূহল জাগায় মাঝে মাঝে
খুঁজতে গিয়ে পাই না সেসব গল্পগাছা
এজন্মের গল্প লিখতে বসে দেখি
কলম পড়েছে শাণিত ছুরির সাজ
যেন, আমাকে বিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সোজাসাপ্টা

লিখেছেন শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া), ২৩ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:৩৩



৮। সবাই ভার্জিন মেয়ে খুঁজে বিয়ে করার জন্য! আচ্ছা ভাই বুকে হাঁত দিয়ে বলত তুই নিজে ভার্জিন আছো কিনা? নিজে যখন নিজের শিউরিটি দিতে পারলিনা সেখানে অন্যের শিউরিটি কেমতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×