আমার প্রিয় পোস্ট

চলে এসো সব স্বপ্নচারীরা...

একটি ইউক্যালিপটাস গাছের পাতা

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

সেন্টজর্জ হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে প্রভা। সেন্ট জর্জ হাইস্কুলে ইয়ার টেনে পড়ে। খুব সুন্দর, গোলগাল মায়া কাড়া চেহারা, অত্যন্ত রুপবতী। মায়ের মত লাল টকটকে হয়েছে গায়ের রং।
প্রভা প্রচন্ড স্পর্শকাতর একটা মেয়ে। অত্যন্ত আবেগপ্রবন। হঠাৎ করে কিছুদিন আগে, একটা পারিবারিক কারনে ওর মারাত্নক নার্ভাস ব্রেক ডাউন হয়। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অর্ধেকে নেমে আসে। তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় ওকে।

হাসপাতালের ব্যাক ইয়ার্ডের বিশাল একটা ইউক্যালিপটাস গাছ আছে। ওর বেডের খানিকটা দূরে; একটা জানলা থেকে সেই গাছের একটি মাত্র ডাল দেখা যায়। সে ডাল ভর্তি পাতা। সকালবেলার নরম রোদ পড়ে সেগুলো ঝলমল করতে থাকে। প্রভা যখন সেদিকে তাকিয়ে থাকে, তখন সে আলোর ঝলকানি ওর চোখের তারায় খেলা করে।

শুয়ে শুয়ে থাকতে থাকতে প্রভার যখন খুব বোর লাগে, তখন সে সেই ডালটার দিকে চুপচাপ তাকিয়ে থাকে। সে ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারে এভাবে। ছোট্ট এই ডালটাকে সে অসম্ভব ভালোবেসে ফেলেছে। সেটাকে মনে হয় যেন তার শরীরেরই একটা অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ!

ঘুম থেকে উঠেই সে আগে ওটার দিকে তাকাবে। ইউক্যালিপটাসের পাতা দেখে তার ভোর হয়। প্রতিরাতে শোয়ার আগে সে পাতা গুনে, ভোরে ঘুম থেকে উঠে আবার পাতা গুনে। একদিন রাতে নার্স কুলিং সিস্টেম অন করে ওর কেবিনের জানলাটা লাগিয়ে রেখে গিয়েছিলো। ভোরে প্রভার দৃষ্টি অনেক -হাতরিয়েও ডালটাকে না পেয়ে চিৎকার করে উঠল। নার্সরা দৌড়ে এল। ও চেচাচ্ছে-- "ওপেন দ্য উইন্ডো, ফর গড সেইক, ওপেন দ্য উইন্ডো"। জানলা খুলে দেবার পর সে শান্ত হল। ডাক্তারের মুখে চিন্তার ছাপ পড়ল। মেয়েটা কি তাহলে মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছে?

গত কিছুতিন থেকে প্রভা খুব অদ্ভুত এক দুঃসপ্ন দেখছে। দেখছে, গাছের পাতা গুলো ওর চোখের মাসনে একটা একটা করে কালচে হয়ে ঝরে ঝরে পড়ছে। এভাবে একসময় গাছটা নিঃশেষ হয়ে গেল। এরপর ওর ঘুম ভেঙ্গে যায়। এই সপ্নটাকে ও ইদানিং ও অসম্ভব ভয় পায়।

সেদিন সকালবেলা ওর বাবা এসেছিলো ওকে দেখতে। ---
-কেমন আছো মামনি, ভালো?
-হুমম।" গাছটার উপর থেকে চোখ না সরিয়ে বল্ল প্রভা।
-মামনি, তোমার মাম আর আমি মিলে একটা হলিডে প্ল্যান করেছি। ইজিপ্টে। সাতদিন থাকবো। তুমি যাবে আমাদের সাথে?
- মাথা নেড়ে না করল প্রভা।
-কেন যাবেনা মামনি?
-জানিনা।
-প্রভা, মামনি আমার, আমার উপর রাগ করেছো?' ওর মাথায় হাত বুলালো বাবা।
-Dad, would you mind to get out of here, please?
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বেরিয়ে এলেন তিনি।

প্রভার পাশের বেডটা খালি ছিল এতদিন। হঠাৎ একদিন ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে ও যারপর নাই অবাক হয়ে গেল। ওর পাশের বেডে একটা ছেলে আধশোয়া হয়ে বসে আছে। কোলের উপর একটা ছোট্ট পেইন্টিং ক্যানভাস। রং তুলি দিয়ে আপনমনে ছবি আঁকছে ছেলেটা।
প্রভা উঠে বসে দেখতে চেষ্ট করল ছেলেটা কি আকঁছে। সেটা খেয়াল করে ছেলেটা বল্ল- Hi, Good Morning.
- hi, Morning.
-have I waken you up, I'm sorry.
-no no its Alright. i've waked up by my own.
প্রভা আবার দেখার চেষ্টা করতেই ছেলেটা বল্ল-No worries, when i've finished drawing, i''ll let you to have a look on it.
প্রভা ঘাড় কাত করে সায় দিল।
প্রভা শুয়ে শুয়ে চুপচাপ ছেলেটার ছঁবি আকা দেখতে লাগল। একটুপর ছেলেটা হাত উঁচু করে দেখাল, একটা ক্যাকটাসের ছবি। একেবারে জীবন্ত মনে হচ্ছে।

-wow! Its great!!
-Thanks.
-Are you an artist?
-Not really. But i like drawing since i was very young, from my childhood. umm...you can say i'm an artist...preety much. বলেই হো হো করে উঠল ছেলেটি।

এরপর অনেক কথা হল ওদের। প্রভা জানতে পারল ছেলেটার নাম জেফ, জেফারসন। আইরিশ। কিন্তু জন্ম এবং বেড়ে উঠা সিডনীতেই। প্রায় ওরই বয়সী। গতকাল রাতে ফ্রেন্ডের পার্টি থেকে বাড়ী থেকে ফেরার পথে একদল কালো দৈত্য এ্যাবোরা ওকে অকারনে মারধর করে। কিছু কিছু এ্যাবোর কাছে সাদা চামড়া এখনও দুচোখের বিষ। চাদর সরিয়ে গোড়ালির কাছে একটা ব্যান্ডেজ দেখালো জেফ, আঁতকে উঠল প্রভা।

ছেলেটা খুব অনায়াস ভঙ্গিতে কথা বলে। মনেই হয় না ওদের পরিচয় মাত্র কিছুক্ষন আগে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো ছেলেটা একবারো প্রভার কাছে কিছু জানতে চায়নি। এমনকি ওর নামটাও না।
প্রভা টয়লেটে যাবার জন্য বেড থেকে নামতেই দেখে ছেলেটার সাইড টেবিলে আঁকাআঁকির রাজ্যের জিনিসপত্র। তার মানে হাসপাতালে আসার আগে তৈরী হয়েই এসেছে ছেলেটা। কি অদ্ভুত!
হাতমুখ ধুয়ে ফিরে এসে দেখল ছেলেটা এবার পেন্সিল স্কেচ শুরু করেছে। খুব দ্রুত একমনে কি যেন একেঁ যাচ্ছে। মনে হচ্ছে ছেলেটা চিকিৎসার জন্য নয়, ছবি আঁকার জন্য হাসপাতালে এসেছে। কি অদ্ভুত!

একটু পর দুজনের জন্য নাস্তা আনা হল। হাসিমুখে জেফকে দেখিয়ে নার্সটা বল্ল- "hi prova, he's your new mate. Last night he came here while you're sleeping." নার্সের কথা শুনে জেফ একবার শুধু মুখ তুলে একটি মুচকি হেসে আবার নিজের কাজে মন দিল। কি অদ্ভুত ছেলেরে বাবা!

ছেলেটাকে নিঃসঙ্কোচে অনেক কথা বলে ফেলেছে প্রভা। ওর নিজের কথা, ওদের পরিবারের কথা, ওর পোষা বিড়াল 'কিটির' কথা, এমনকি ওর সেই দুঃসপ্নটার কথাও। তবে একটা কথাও জেফ বৈঠকি মেজাজে শুনেনি। সবসময়ই তার হাত ক্যানভাসে নেচে বেড়িয়েছে। ব্যাপারটি খুব অফেনসিভ লেগেছে প্রভার কাছে। তবে ছেলেটা যে খুব ড্রইং পাগল ছেলে এটা বোঝা যায়। ওকে যতই দেখছে ততই অবাক হচ্ছে প্রভা।

একদিন ভোর বেলা প্রভা ওর বিছানায় বসে বসে বই পড়ছে। হঠাৎ দেখল ডালটায় একটা পাতা কম। দৌড়ে কাছে গিয়ে দেখে একটা পাতা কালচে হয়ে জানালার কার্নিশের নীচে পড়ে আছে। হতাবহ্ববল ও জেফারকে সব খুলে বলতেই ইউ আর সো সিলি" বলে আবার পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল জেফ। প্রচন্ড বিরক্ত হল প্রভা।
এরপরদিনও একটি পাতা উধাও। তারপর আরেকটি। তারপর আরেকটি। এরপরের ঘটনাগুলো খুব দ্রুত ঘটতে লাগল। প্রভার নাওয়া খাওয়া ঘুম সব হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেল। চোখের নীচে কালি পড়ে গেল সারারাত না ঘুমানোর জন্য। শুকিয়ে আমসি হয়ে গেল। রক্তে হিমোগ্লোবিন আর গ্লুকোজের মাত্রা ভয়ংকর কমে গেল। ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে লাগল প্রভা।

জেফারের সাথেও ও কোন কথা বলে না। সারাদিন শুধু গাছটার দিকে তাকিয়ে থাকে।
পরদিন ভোরে জেফারের ঘুম ভাংগল প্রভার ফোপাঁনির শব্দে।বুঝল আরেকটা পাতা খসে পড়েছে। নার্স ডাক্তারেরা ছুটাছুটি করতে লাগল, দিনে হাজারটা টেস্ট করতে লাগল কিন্তু কেউ কিছু ধরতে পারছে না যে কিভাবে এই সুস্থ্য সবল মেয়েটি মৃত্যুকে বরন করে নেবার জন্য তৈরী হচ্ছে।

বিকেলের নরম রোদ পড়ে ওর চেহারা আরো দুখী দুখী করে তুলেছে। বিষন্ন মনে সেদিকে চেয়ে জেফার ভাবছে যে তার মত একটা জিপসী টাইপ ছেলে এই দুখী মেয়েটার জন্য কি করতে পারে।
প্রভা প্রায় কোমায় চলে গেছে। সারাদিন স্যালাইন দেয়া হয়। মাঝে মাঝে একটু পর পর চোখ পিট পিট করে তাকায়। ওর বাবা-মা এসে সারাক্ষন ওর পাশে এসে বসে বসে কাদছেঁ।
হঠাৎ একদিন ভোর বেলা জেফার দেখল যে ডালটিতে একটি মাত্র পাতা অবশিষ্ট আছে। ও সাঁ করে প্রভার দিকে তাকাল। দেখল মেয়েটা সেদিকে চেয়ে হাসছে। তার মৃত্যু ঘন্টা যে বেজে গেছে সেটা সে বুঝে গেছে।

জেফার সারাদিন কোন ছবি আকতে পারল না। গত ১০ বছরে এই প্রথম ওর একটা দিন গেল যেদিনে ও একটা ছবিও আকেঁনি।

চোখের সামনে মেয়েটা এভাবে মারা যেতে পারে না। মেয়েটার জন্য কিছু একটা করা উচিৎ তার। কিন্তু কি করবে সে?

জেফার হঠাৎ উঠে বসল। সারাদিন না ছোঁয়া ক্যানভাসটা হাতে নিল সে। খুব সিরিয়াস কিছু আকতে হলে জেফ দাঁড়িয়ে দাড়িঁয়ে আকেঁ। সেভাবেই আকতে লাগল সে। প্রভা তখন গভীর ঘুমে অচেতন।

খুব ধীরে ধীরে নিঁখুত ভাবে ছবিটা আকছে জেফ। কোন তাড়াহুড়া নেই। অথচ সে জানে তাকে আজ রাতের ভেতরেই ছবিটা একেঁ শেষ করতে হবে। যে করেই হোক।

জেফ আকতে লাগল তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মটি।

পরদিন ভোরে প্রভা অবাক বিস্ময়ে দেখল যে পাতাটি এখনও তার আগের জাগাটিতে রয়ে গেছে। বাকী সব গুলোর মত ঝরে যায়নি।
পরদিনও একি অবস্থা। তার পরদিনও একি অবস্থা। পাতাটি আর ঝরে না।

প্রভা একসময় উঠে বসল। হাত বাড়িয়ে তখন পাতাটা খুব ছুঁতে ইচ্ছা করত। কিন্তু দুবর্লতার জন্য বেড থেকে নামতেই পারত না।

ও সেরে উঠতে লাগল দ্রুত। আবার বই পড়া শুরু করল। আবার খাওয়া দাওয়া করতে লাগল। এবং কিছুদিনের ভেতর সে পুরোপুরি সুস্থ্য হয়ে বাসায় চলে গেল। গাছটার কথা আর মনেও রইল না। বাবা-মা প্রমিজ করল, এখন থেকে তারা তাকে মাথার মুকুট করে রাখবে। আসার আগে নার্সকে জিগেস করে জানতে পারল কিছুদিন আগে খুব ভোর বেলা জেফ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে যায়। তখন ও ঘুমে ছিলো। ও আবারো অবাক হলো। ছেলেটা যখন এসেছিলো তখনও ও ঘুমে ছিলো, অবার যখন ও চলে গেল, তখনও ও ঘুমে!

বাসায় ফেরার পরদিন হঠাৎ একদিন হাসপাতাল থেকে ফোন। ও নাকি একটা বই ফেলে এসেছে ওর কেবিনে। গিয়ে নিয়ে আসতে বল্ল। যাব যাব করেও আলসেমির জন্য অনেকদিন যাওয়া হল না। একদিন স্কুল ছুটির পর হুট করে হাসপাতালে হাজির হল প্রভা। বইটা নিয়ে বাসায় যাবার সময় হঠাৎ করে সেই ডালটা কথা মনে হল। ছুটে গিয়ে দেখে ওর সেই কেবিন এখনো খালি, তাই একদম ঝকঝকে তকতকে। ও জানলার কাছে গিয়ে দেখল এখনও সেই পাতাটি ওর দিকে তাকিয়ে হাসছে। এটাকে এতদিন ভেলে ছিলো নিজেন উপর খুব রাগ লাগছে ওর।
হাত বাড়িয়ে ছুতেই মস্ত এক ঝাকি খেল ও। মাথাটা আবার ঝিমছিম করে উঠল। মনে হল মাথা ঘুরে পড়ে যাবে ও।

ইউক্যালিপটাস ডালটার একটা ড্রয়িং। একটি ডাল, তাতে একটি পাতা। খুব সুন্দর করে জানালার ফ্রেমের সাথে সাঁটানো। হুবহু সপ্নে দেখা সেই গাছটার মত।ফ্রেম থেকে খুলে নিয়ে আসতেই পেছনের আসল ডালটা চোখে পড়ল। একটা শূন্য ডাল। একটা পাতাও আজ আর নেই । সবগুলো ঝরে পড়েছে।
হঠাৎ মনে পড়ল জেফারের একটা কথা: "One day i''ll draw such a picture so that atleast a human will miss me seeing that."

ছবিটা দুহাতে ধরে ও ব্যালকনিতে নিয়ে আসল। আকাশে খুব মেঘ করেছে। একটু পর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি নামতে লাগল। সে বৃষ্টিতে জেফারের ক্যানভাসের শকনো জল রং গুলো চুইয়ে চুইয়ে পড়তে লাগল।

(এই গল্পের পিছনের কাহিনী:-আমার এক দূর সম্পকের্র ভাতিজী প্রভা। কদিন আগে বিশেষ একটা কারনে ওকে কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হয়। ওকে প্রায়ই দেখতে যেতাম। আমার সাথে গুটুর গুটুর করে কথা বলত মেয়েটা।ওর কেবিনের জানলা দিয়ে একটা ইউক্যালিপটাস গাছ দেখা যেত।
আমার এক কলিগের বয়ফ্রেন্ড জেফারসন। ওর আকা ছবি দেখলে যে কারো মাথা ঘুরে যাবে। আমাকে একদিন ওদের বাসায় ডেকে নিয়ে ওর আকাঁ কিছু ছবি দেখিয়েছিলো। আমারও মাথা ঘুরে গিয়েছিলো। প্রভা তখনও হাসপাতালে।
জেফদের বাসা থেকে ফেরার পথে হঠাৎ করে গল্পটার প্লট পেয়ে যাই।)






(পোস্টটা এই খান থেকে কপি পেস্ট করা হয়েছে। Click This Link)

 

 

  • ৩০ টি মন্তব্য
  • ১৯৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৮
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: ফ্রন্ট পেজে আসে নাই কেন এইটা?
২. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৫
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
রিপুষ্টে কইসা মাইনাচ।

ভাইরে, আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার, কাঁকন আমার সিরিজ লৈয়া টান দিছে :| আমারে আমার পুষ্টে সেইটা কমেন্টাইছেও :( কৈ যাই?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: হা হা তাই নাকি? ভালোই তো! আপনার খাটুনি কমছে। কোথাও যাবার দরকান নাই।:)

মাইনাচ দিলেন না যে!:(

(আপনি ছাড়া আর কেউ-ই প্লাসায় নাই!:(()

৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩০
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: প্রলয় ভাইয়া

ইংলিশ বানানগুলো একটু রিচেক করেন।


চমৎকার হয়েছে লেখাটা। প্রভার জন্য অনেক ভালোবাসা।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: হুমম..চেক করলাম। স্লিপিং বানানটা ছাড়া আর কোন ভুল তো পেলাম না। তুমি পেয়েছো?

সেটা ঠিক করা হয়েছে।

প্রভার সাথে প্রায়ই ফোনে কথা হয়। গল্পটা ওকে ইংলিশে অনুবাদ করে শুনিয়েছি। খুব মজা পেয়েছে। ও খুব সারপ্রাইজড যে ওকে নিয়ে গল্প লেখা হয়েছে।

অনেক ধন্যবাদ পুতুলাপু!:)

৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪
comment by: অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: হঠাৎ মনে পড়ল জেফারের একটা কথা: "One day i''ll draw such a picture so that atleast a human will miss me seeing that."



এই লাইনটা পড়ে হঠাৎ করেই অনেক পুরানো স্মৃতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো .....

বিশেষ করে ২টি লাইন --

তোমার খাতার প্রথম পাতায় একে দিলাম আল্পনা
আমার ছবি কইবে কথা, যখন আমি থাকব না।

এ লাইনটা না লিখলে কি একেবারেই চলত না ? .... :(
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: কি ব্যাপার!!! আপনার কমেন্টার রিপ্লাই তিনবার লিখলাম। একবারো দেখি প্রকাশ হলো না!

যা হোক, আবার লিখছি।

সরি অনন্ত দিগন্ত ভাই।:(

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। স্টে ফাইন।:)

৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
comment by: অপ্‌সরা বলেছেন: অনেক সুন্দর লেখা। দীর্ঘ লেখা পড়তে বোর লাগে কিন্তু তোমার লেখা একটাও পড়তে একটুও বোর লাগেনা।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: হা হা। এটা আমার লেখার গুন না তো! এটা হলো আপনাদের ধৈর্য্যের গুন।:)

অসংখ্য ধন্যবাদ অপসরাপু। ভালো থাকবেন।:)

৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: এমন কাহিনী আমার জীবনের একটা অংশের সাথে খুব মিলে গিয়েছে .... এ জন্য অমন করে বলেছিলাম .... তবে লেখাটা অনেক ভাল হয়েছে।


সা ইন এ মনে হয় "বাঘ" ঢুকছে ..... নাইলে এমন হবে কেন ?

আজকে এক জামাতি - রাজাকারের ব্লগে মাইনাস দিতে গিয়ে দেখি আগেই রেটিং হয়ে আছে ..... কৈ যাই রে ভাই :(
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? আপনি আবার ও হেনরীর কোন ঘটনাকে নিজের জীবনের বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করছেন নাতো!;)

হ, ব্লগে প্রায়ই বাঘ-ভাল্লুক আসে।:(


এইটা কোন নতুন প্রবলেম না। এরচেও গুরুতর ঘটনা এখানে ঘটেছে। আমার জীবনেই ঘটেছে।

৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: টুনি বলেছেন: If i'm not mistaken this story is not originally written by you. You've copied someone!! Loser!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০২

লেখক বলেছেন: আমি জানি আপনি কি বলছেন। লেখাটা আমার ব্লগের প্রকাশ হবার পর অনেকেই ব্যাপারটা আমাকে বলেছে। এটা নাকি ও হেনরীর কোন একটা গল্প। কিন্তু এই প্লটটা আমি বেশ কয়েকজন অস্ট্রেলিয়ানকে শুনিয়েছি, এবং বলেছি যে তারা ব্যাপারটার ব্যাপারে জানে কিনা। তারে স্পষ্ট বলেছে জানে না।
কাকতালীয়ভাবে ব্যাপারটা মিলে যাওয়া বিচিত্র নয় তাই না। আমি প্রমান দেখাতে পারব যে এটা আমার লেখা। প্রভা, জেফ এবং আমার লেখার খসড়া, সবই আমার কাছে আছে। যাইহোক, এটা তো কোন বৈজ্ঞানিক আবিস্কার নয় যে পেটেন্ট থাকবে। তাছাড়া, ও হেনরী বেচেঁ থাকলে না হয় তা পা ধরে মাফ চাইতাম!;)

আমি যে লুজার সেটা বুঝতে পেরে আপনার যে আনন্দ হচ্ছে, এটা ভেবে আমিও আনন্দিত।

কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ টুনি।

৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৪
comment by: অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ক্রিস্টিনা এ্যান্গুলিরার - হার্ট গান টা দেখেছেন ? আমার কাহিনী অনেকটা সে রকমই ...

সে সাথে একটি আর্ট + ২টি লাইন .... পরবর্তীতে একদিন সেটিই যদি হয়ে যায় ইতিহাসের অংশ ... তবে সেটাকে কি বলবেন .... কপি-পেষ্ট , নাকি হাজার মানুষের ভিড়ের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ক্রিস্টিনা এ্যাগুইলিরার ঐ গান্টা শুনা হয়নি হয়ত।

দেখুন, আমার কথাও সেটা। কিন্তু লোকে যখন খারাপটাই আগে ভেবে আমাকে লুজার প্রমান করার চেষ্টা করে, তখন ভীষন খারাপ লাগে। সেটাই কটাক্ষ করে বলেছিলাম। আপনারটাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতেই পারে। অনেক ধন্যবাদ অনন্ত দিগন্ত।:)

৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
comment by: রাগিব বলেছেন: মূল থিমটা ও হেনরির "দ্য লাস্ট লিফ" ছোটগল্পের সাথে কিছুটা মিলে, সেখানে একজন তরুণী বেঁচে থাকার আশা হারিয়ে ফেলে, আর গাছের পাতা ঝরা দেখে তার মনে হয়, সব পাতা ঝরে গেলে মারা যাবে। ইউক্যালিপটাসের স্থলে আইভি পাতা ছিলো। আর যে ছবিটা এঁকেছিলো, রাতের বেলা বাইরে ছবি আঁকার ফলে নিউমোনিয়া হয়ে মারা গিয়েছিলো। গল্পটার লিংক এখানে পাবেন।
Click This Link

অফ টপিক - প্রথম আলো ব্লগের "একজন ব্লগার" কি আপনি? (Click This Link ) , নাকি নিক চুরি গেছে আপনারও?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা, এই তাহলে সেই গল্প??? যাক, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে রাগিব ভাই। এটা পড়ার খুব ইচ্ছা ছিলো। :)

ব্যাপারটা আসলেই খুব কাকতালীয় এবং একই সাথে ভীষন ইন্টারেসটিং। গল্পের প্লট মিলে যাবার ঘটনা এরাগেও অনেক শুনেছি কিন্তু আমার জীবনেও যে এমনটা ঘটবে, সেটা স্বপ্নেও ভাবিনি।
তবে একটা আশার কথা হলো যে, গল্পের ডায়ালোগ গুলো তো মিলেনি। কি বলেন? সেটা মিল্লে গিনেজ বুকে খবর দিতাম।:)


না। ওটা আমার নিক নয়। আমি সেখানে আমার আসল নামে রেজিঃ করেছি। তবে এখনও কোন পোস্ট বা কমেন্ট করিনি। ধন্যবাদ আবারো আপনাকে, বিষয়টা জানাবার জন্য।

১০. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা কাকতলীয় ভাবে মিলে যেতেই পারে। আরো লিখুন।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: আর বইলেন না ভাই। বিরাট টাসকি খাইছি। বাসায় ফোন করে আম্মুকে বল্লাম সেদিন। :|

১১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: এই পোস্টাতে একটু নজর দিয়েন
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, দেখলাম। এটার কথাই তো রাগিব ভাই বলছেন মনে হয়।

যাক, আমার নিকও চুরি হলো তাহলে। আমি তাইলে প্রমিনেন্ট ব্লগার!!:``>>

১২. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:০৯
comment by: কঁাকন বলেছেন: আপনি আগে এত অসাধারন লিখতেন এখন লিখেন না কেন?
শুধু রিপোষ্ট করেন

ভালো থাকুন
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: এখন আলসে হয়ে গেছি। টাইপ করতে ইচ্ছে করে না। :(

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনিও ভালো থাকুন।

সেদিন মর্টডেল আর এস এল ক্লাবে গিয়েছিলাম ফ্রেন্ডের সাথে নিয়ে।:)

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: আমার এক ফ্রেন্ড থাকে সেখানে। ওর সাথেই দেখা করতে গিয়েছিলাম।

১৩. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৬
comment by: আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ভালো লেগেছে.....।
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টা পেয়ে আমারও ভাল লাগল। ধন্যবাদ।

১৪. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৯
comment by: নিবিড় বলেছেন: বাহ সুন্দর লিখা +++।রিপোস্ট করেন আরো ।যারা আগে ব্লগে ছিলাম না তারা ভাল ভাল লিখা পরার সুযোগ পাব।

কেমন আছেন?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, এই জন্যই তো রিপোস্ট করি।:)

এমন ভাবে জিগেস করলেন, মনে হয় আমি বেশ কিছুদিন অসুস্থ্য ছিলাম।

ভাল আছি । আপনি কেমনাছেন? অসংখ্য টেনকু আপনাকে। ভালো থাকুন।:)

১৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১২
comment by: নুশেরা বলেছেন: ভাল লেগেছে, বলার অপেক্ষা রাখেনা। শেষের ব্র্যাকেটবন্দী কথাগুলো না দিলেই মনে হয় গল্পটার গল্প-গল্প আমেজ আরও বেশী করে থাকত।
আচ্ছা, বাস্তবের প্রভা কেমন আছে এখন?
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: হা হা। ওটা দিয়েছি তাতেই লোকে বলছে আমি নাকি ও হেনরীর প্লট মেরে দিয়েছি। না দিলে তো খবরই ছিলো।:(


বাস্তবের প্রভা এখন খুব ভাল। ওটা ছিলো ওর প্রথম হাসপাতাল অবস্থান অভিজ্ঞতা। তাই বেশ কদিন মন খারাপ ছিলো। তবে একটা সুবিধা হয়েছে তাতে। এখন ওর বাবা-মার ঝগড়া হলেই ও নাকি চেচিঁয়ে হুমকি দেয়- Do you want me to book another seat at the hospital?:)

 

 


I'll come back,
When it's over.
No need to say good bye...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৩২১০৬