সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রজাতন্ত্রের সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন। তিনি অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী হয়ে কাউকে প্রশ্রয় বা কারও বিরুদ্ধে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে পারবেন না।
বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, মন্ত্রী হিসেবে পুলিশ তার নির্দেশ মানতে বাধ্য। কিন্তু পুলিশের জন্যও সংবিধান ও দেশের আইন ‘কোড অব এথিক্স' তৈরি করে দিয়েছে।
***
সরকার পুলিশকে ছাত্রশিবির কর্মীদের হত্যা-নির্যাতনের মিশনে নামিয়ে দিয়েছে। চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গভীর রাতে নিরস্ত্র শাহীনকে পুলিশ পয়েন্ট ব্লাংক গুলী করে ঘটনাস্থলে হত্যা করেছে [/sbবিদ্যুত বন্ধকরে দিয়ে তারা ঘরে ঢুকেছে। অপর শিবির কর্মী এবং নিহত শাহীনের বন্ধুকে গ্রেফতার করে তাকে ঘাতক বানানোর নাটক সাজিয়েছে।
***
চট্টগ্রামেও অপর শিবির কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
***
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শিবিরের বিরুদ্ধে পুলিশকে চিরুনী অভিযান চালানোর নির্দেশ দেয়ার পর পুলিশ নিরস্ত্র শিবির কর্মীদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়ি বা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে হানা দিয়ে গ্রেফতার ও নির্যাতনে নেমেছে।
***
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সশস্ত্র কোন্দলের শিকার হয়ে মেধাবী ছাত্র আবু বকরের মৃত্যুর দায় ছাত্রলীগ বা সরকার নেয়নি। বরং প্রথমে তারা এ হত্যার দায় পুলিশের ওপর চাপাতে চেয়েছে। পরে বলেছে, ইটের আঘাতে আবু বকরের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ঘাতককে তারা খুঁজে পাচ্ছে না। আবু বকরের হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় লাগানো পোস্টার ছাত্রলীগ কর্মীরা ছিঁড়ে ফেলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি ও প্রশাসন আবু বকর হত্যার দায় থেকে ছাত্রলীগকে বাঁচাতে নগ্নভাবে মাঠে নেমেছেন। ***
রাজশাহী কলেজের এক মেধাবী ছাত্রের দুঃখজনক সেখানকার মৃত্যুই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা নয়। এর আগে ছাত্রশিবির ও ছাত্র মৈত্রীর কর্মীরাও ছাত্রলীগের ক্যাডারদের হাতে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু এসব ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৩০০ বিধিতে সংসদে কোন বিবৃতি দেননি। ঘাতকদের ধরতে পুলিশকে চিরুনী অভিযানেও নামানো হয়নি।
***
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা সরকার যেমন রাজনৈতিকভাবে যুদ্ধে নেমে পড়েছে, তেমনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ ও প্রশাসনকে নিয়ে শিবির উৎখাতে চিরুনি অভিযানের নামে পুলিশকে শিবির কর্মীদের হত্যার লাইসেন্স দিয়ে মাঠে নামিয়ে দিয়েছে।
এই ঘটনাকে নজিরবিহীন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বললেও কম বলা হবে।
***
সরকারের সামগ্রিক আচরণ বিশ্লেষণ করে যেকোন বিবেকবান মানুষই এই সিদ্ধান্তে আসতে বাধ্য হবেন যে, রাজশাহীর ছাত্রহত্যার নাটকীয় ও রহস্যময় ঘটনাটি শিবির বিরোধী ক্র্যাকডাউন চালানোর পূর্ব পরিকল্পনার একটি দৃশ্যপট মাত্র।
***
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ শিক্ষকরা পর্যন্ত বিস্মিত হয়েছেন যে, নিশ্ছিদ্র পুলিশী নিরাপত্তার মধ্যে শাহ মখদুম হলে ছাত্র হত্যা করে তার লাশ কয়েকশ' গজ দূরে ম্যানহোলে লুকিয়ে রাখা সম্ভব হয় কিভাবে? প্রগতিশীল শিক্ষকরাও ফারুক হত্যার ঘটনাকে রহস্যময় ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে দাবি করেছেন। পুলিশও এর কোন যুক্তিসিদ্ধ ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। নিহত ছাত্রের সহপাঠি একবার বলেছে, শিক্ষকরা তাদের নিজেদের কক্ষে থাকতে বলেছেন। তারা নিরাপত্তার জন্য টিভি রুমে গিয়ে থাকতে চাইলেও শিক্ষকরা নিষেধ করায় তারা হলরুমেই অবস্থান করেন। অথচ মামলার এজাহারে হত্যার স্পট হিসেবে টিভি রুম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার বর্ণনার পরম্পরায় প্রচুর অসংগতি রয়েছে।
***
বেশকিছু পত্রিকা প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে যে, ছাত্রলীগের রাজনৈতিক শ্লোগান ‘জয়বাংলা' দিয়ে শিবির কর্মীরা ছাত্রলীগ কর্মীদের বিভ্রান্ত করে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে এ ধরনের ঘটনা যদি সত্যি ঘটে থাকে, তাহলে এতে আবারও প্রমাণ হয়েছে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো রাজশাহীতেও ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বনেদ্বর ফলে ছাত্র হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
***
যারা ম্যানহোলে লাশ আবিষ্কারে জাদুকরী সাফল্য দেখিয়েছে তারাই বলতে পারবেন, নিহত ছাত্রটিকে কোথায়, কখন, কারা হত্যা করেছে এবং নিশ্ছিদ্র বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার পুলিশ পরিবৃত ছাত্রাবাস থেকে কিভাবে একটি লাশ বের করে ম্যানহোলে লুকানো সম্ভব হতে পারে? পুলিশ যাদের গায়ে হাত দিতে পারে না, এরা নিশ্চয় সেই ধরনের লোক ছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির মতো আমরাও এ প্রশ্নের জবাব জানার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি।
***
প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ উল্লেখ করে কোন কোন মিডিয়ায় লেখা হয়েছে যে, লাশটি সকাল ৬টা পর্যন্ত হলগেটের সামনে পড়েছিল। তৃতীয় কোন পক্ষ অতিরিক্ত সেনসেটিভ প্রতিক্রিয়া তৈরির জন্য লাশটিকে ম্যানহোলে লুকিয়ে রেখে আবার ঢাকনাও দিয়ে রাখে। কোন রকম দীর্ঘ অনুসন্ধান ছাড়া অদৃশ্য ম্যানহোলের গহবর থেকে তাহলে পুলিশ লাশ খুঁজে বের করলো কিভাবে? লাশ পেয়ে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও তা দেখায়নি। পুলিশের তড়িঘড়ি করার রহস্য কি?
*****
হত্যাকান্ডের দায় জামায়াত-শিবিরের ওপর চাপিয়ে তাকে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে অনেক অসত্য, অসঙ্গত ও অশোভন কথা বলেছেন। এর মধ্যে একটি হচ্ছে, পিলখানায় সেনা হত্যার পর যেভাবে লাশ ম্যানহোলে ফেলে রাখা হয়, রাজশাহীতেও একই কায়দায় লাশ ম্যানহোলে রাখা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পিলখানার হত্যালীলা ধামাচাপা দিতে যেভাবে ব্যর্থ প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, এবারও তার পুনরাবৃত্তি করলেন। ***
পিলখানার হত্যাকান্ডে জামায়াতকে জড়িয়ে রিপোর্টের নামে অসংখ্য গল্প রচিত হয়েছিল ভারতে। বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান বলেছিলেন, পিলখানা হত্যায় ইসলামী জঙ্গিদের সম্পৃক্ততার কথা কিন্তু তিনি আবার প্রত্যাহার করে নেন।
****
সরকার যদি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী কায়দায় জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করতে চায়, তাহলে সংসদে তাদের এত ব্যাপক আসন সংখ্যা রয়েছে, তাতে তারা আইনী প্রক্রিয়ায় তা সহজেই করতে পারে। কিন্তু সরকার ছাত্র হত্যার রক্তাক্ত নাটক তৈরি করে শিবির নিধনের চিরুনী অভিযানে রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করছে কেন?
***
পুলিশের আইজি বলেছেন, শিবিরের নেতাকর্মীদের তারা তাদের গ্রামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ধরবেন। এ কাজ শুরু হয়ে গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজশাহীর এক ছাত্র হত্যা মামলায় পাঁচ শতাধিক শিবির কর্মীদের আসামী দেয়া হয়েছে। একজন মানুষের হত্যায় পাঁচ শতাধিক ঘাতকের অংশগ্রহণ বাংলাদেশী পুলিশের কাছেই হয়তো বিশ্বাসযোগ্য। এই মামলার সূত্রে পুলিশ চিরুনী অভিযানের জাল ফেলে দেশব্যাপী শিবির বধ নাটক মঞ্চস্থ করার অধিকার পেল।
শিবগঞ্জে শাহীন নামের যে শিবির নেতাকে গলায় রাইফের ঠেকিয়ে গুলী করে পুলিশ হত্যা করেছে, তাকেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হত্যার মামলার আসামী হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
*****
শিবির কোন নিষিদ্ধ দল নয়। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে পুলিশের আইজি ঢাকা ছেড়ে রাজশাহীকে পুলিশ হেড কোয়ার্টার বানিয়ে ১৬টি জেলায় শিবির উৎখাতে চিরুনী অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ????
***
এর আগে সরকার সুপ্রিম কোর্টের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেছে। এবার ছাত্রলীগকে পাশে স্বাক্ষী গোপাল রেখে পুলিশকে শিবির নিধনের নিষ্ঠুরতায় ব্যবহার করছে। যারা শিবির করেন, তারা এ মাটিরই সন্তান। তারাও মা-বাবার স্নেহ-মমতায় বেড়ে উঠেছেন। তাদের হত্যা করে যারা মায়ের বুক খালি করার মিশনে নেমেছে, তাদের কোন না কোন আত্মীয়-স্বজনও হয়তো শিবিরের আদর্শবাদী আন্দোলনে সম্পৃক্ত রয়েছেন। দেশটাকে কি সরকার বধ্যভূমি বানাতে চায়? নাকি জবরদস্তি এদেশের মানুষকে জঙ্গি বানিয়ে বিদেশী শক্তির প্রশ্রয়ে ক্ষমতা রক্ষা করে ভারতের চুক্তির শর্ত বাস্তবায়ন করতে চায়?
***
সরকার শিবির নিধনের জন্য একটি লাশের প্রয়োজন ছিল। তারা তা বানিয়ে দিয়ে শিবিরকে স্কেপগেটে বানিয়ে রক্তের হোলি খেলায় নেমেছে। এর শেষ কোথায়? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ঢোল সরকারের অনেকদিন থেকে বাজাচ্ছে।
****
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে উত্তেজক ও বেসামাল বক্তব্য দিয়ে প্রমাণ করতে চান যে, শিবির রাজশাহীতে ছাত্রহত্যা করে তাকে সংসদে এ ধরনের বিবৃতি দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এ সুযোগটা তৈরি করা সরকারের জন্য খুবই প্রয়োজন ছিল। তিনি চোখে কালো চশমা দিয়ে ঢাকার ছাত্রহত্যা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ববর্তী হত্যার ঘটনা দেখতে পাচ্ছেন না। কেবলমাত্র রাজশাহীর ছাত্রহত্যার ঘটনাই তার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। এ জন্য তিনি শিবির নিধনে পুলিশকে চিরুনী অভিযানে নামানোর সুযোগ পেয়েছেন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশেষ বিমানে করে রাজশাহী ঝটিকা সফরে উড়ে গেছেন। পুলিশের আইজিকে শিবির নির্মূল অভিযান তদারকীতে সার্বক্ষণিক রাজশাহীতে ব্যস্ত রেখেছেন। এ সব কিছুই আকস্মিক বা তাৎক্ষণিক ঘটনা নয়। এটা সরকারের দীর্ঘ পরিকল্পনার ফসল।
****
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে প্রদত্ত তার বক্তব্যে বলেছেন : ‘খুনি মোশতাক-জিয়ার ছত্রছায়ায় জামায়াত-শিবির এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ ফিরে পেয়েছিল। তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যা করেছে, তা একাত্তরের নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দফতরে যেভাবে সেনা সদস্যদের হত্যা করে ম্যানহোলে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল, একই কায়দায় তারা ছাত্রকে হত্যা করে ম্যানহোলে লুকিয়ে রাখে। যেভাবে দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে, একইভাবে এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও কার্যকর করা হবে।’’
****
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি সত্যি হলে রাজশাহীর পুলিশের কারও চাকরি থাকার কথা নয়। পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র যদি চায়নিজ কুড়ালধারী কথিত শিবির ক্যাডারদের কাছে পরাভূত হয়, সেই পুলিশ পোষণ করার দরকার কি? ঢাকায় যে ছাত্রটি ছাত্রলীগের কোন্দলে মারা গেল, তার প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন দরদ নেই। কেননা তাকে শিবির নিধনের উপলক্ষ বানানো যায়নি। ঢাকার বাদামতলীর চাল ব্যবসায়ী বা বংশালের কমিশনার হত্যার ঘটনাও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবেককে নাড়া দেয়নি। এদের লাশ দেখতেও সরকারের কেউ যায়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব মৃত্যু নিয়ে সংসদে ৩০০ বিধিতে বক্তব্য দেয়ার প্রয়োজনও মনে করেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রহত্যার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে স্বাভাবিক ও বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
****
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী দেখা যায়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পথ পরিষ্কার করতেই শিবির নির্মূল অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের প্রেক্ষাপট তৈরির জন্যই রাজশাহীর ছাত্র হত্যার নারকীয় ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
****
রাজশাহীতে ছাত্রলীগ ক্যাডাররা সব পত্রিকার সাংবাদিকদের নির্যাতন করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি এসব সাংবাদিকদেরও অনুপ্রবেশকারী শিবির কর্মী বলে দাবি করবেন? ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগে যদি শিবির-জামায়াত ঢুকে থাকে, তাহলে আওয়ামী লীগের ঘর রক্ষা করবে কে?
******
হাস্যকর, অসত্য বক্তব্য দিয়ে কিংবা পুলিশী নিপীড়ন, ষড়যন্ত্র চালিয়ে এবং প্রতিহিংসার রক্তপাত ঘটিয়ে সরকার দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চায় সেটাই আজকের প্রশ্ন।
তথ্যসূত্র
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



