ফেলে দেওয়া মাল, কেউ নেই ধারে কাছে, বাতাস এলে উড়ে সব তালগোল,এখনই ঠিক সময়,লুঠ তো করতেই হবে। হা হা হা...

নিদারুণ হাওয়ায় উড়ে যায় বেগতিক
১৯ শে জুন, ২০০৭ সকাল ১০:১৩
ঝাউ, ও ঝাউ আমাদের বাড়ি যাবি? উত্তর উড়ে বেড়ায় উত্তর বাতাসে।
দরজার সবুজ রং চুরি করে নিল সে, আর গোটা কাজুবাদামের জঙ্গলে তখন এক নক্ষত্র শুষে নিচ্ছিল সমস্ত বাক্সবন্দি মৌচাক-মধু।
কয়েকটা ডাবের খোলা সার্চ লাইটের আলোয় গড়াতে শুরু করে দিলে ভয় পেয়ে সব দূরে সরে যেও। তোমার বাড়ি আমার বাড়ি ঢেউএর তলায় সবাই কেবল বালি হয়ে পাড়ছে ক্রমাগত।
ঝাউ তোর আঙ্গুলগুলো এভাবে বাতাসে বাতাসে ক্ষয়ে যেতে যেতে কেবল আঁশটে গন্ধে বেঁচে থাকবে ছোটবেলার ড্রইং খাতা।
আর কত উড়ে যাবি ঝাউ? গ্রহ ও নক্ষত্রের অভিসন্ধি জানার মহাকাশ যান হয়ে ওঠে ঝনক ঝনক ঝাউ, সুই-ই-ই-ই-ই-ই-ই-ই, ঐ দূর বালুতট, ঐ সব চাঁদের কলঙ্ক। সসাগরা সমুদ্রের ফনা হাচড়ায়, পিছুটানে,ধুস।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সমুদ্র, ঝাউ, সফর ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়তে ভাল লাগলো। বুঝতে একটু দেরী হলো।
সুমেরু বলেছেন:
না, খুব দেরী হয়নি। কেমন আসেন?
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
গদ্য কবিতা নাকি ?
সুমেরু বলেছেন:
আরে না না। ভাবনারা এলোমেলো জেগে রয়...
শ্যাজা বলেছেন:
একটু বুঝিয়ে শুনিয়ে লেখো!
সুমেরু বলেছেন:
কারে?
শ্যাজা বলেছেন:
সক্কলের তরে।
সুমেরু বলেছেন:
অসম্ভব। যে যে আমারে ট্যাহা দিব তাদের জন্য রাজী আসি।

















