জিব্রিল থ্রিডি স্ত্রিনে বসিয়া বসিয়া শিলা কি জওয়ানি দেখিয়া মনে মনে গুনগুনাইতেছিল । এমন সময় পুচকে এক পাইক আসিয়া কহিল ইশ্বর জরুরী তলব করিয়াছেন। জিব্রিল মনে মনে ব্যাটার পিন্ডি চটকাইয়া কহিল,
দিল আমার ছুটির দিনখানি মাটি করিয়া, কিন্তু মুখে কহিল, কেন কেন ডাকিয়াছে?
পুচকে মাথা নাড়িল, তাহার মাথা নাড়া দেখিয়া জিব্রিলের মনে হইল যে কোন সময় উহার মাথা ঘাড় হইতে খসিয়া পড়িতে পারে । না, ইশ্বর এর এই প্রোডাক্ট খানা তেমন সুবিধার হয় নাই । সময় করিয়া একবার বলিতে হইবে।
জিব্রিল তাহার র্অন্তবাস পড়িতে পড়িতে কহিল, শালা আমার আর খাইয়া দাইয়া কোন কাজ নাই। একবার ইশ্বর আর একবার মনুষ্যকূল । কেন রে বাপ এখন তো আর সেই আরব্য রজনী নাই যে প্রদীপ ঘষিয়া দৈত্য বাহির করিতে হইবে। এখন মনূষ্য কূল অনেক আপডেট হইয়াছে একখানা ইমেল, এসএমএস বেশি ঝামেলা হইলে স্কাইপেতে কল করিলে হয়। তা না কিছু হইলে তুমি যাও। বলি ফেরেস্তাকূলের টাইমলাইনে তো আমার ষ্টাটাস কম নয়।
গজরোইতে গজরাইতে জিব্রিল পৌছিল ইশ্বরের দরবারে । ইশ্বর একখানা দাবা সেট নিয়া বসিয়া ইবলিসের সঙ্গে আলোচনা করিতেছিলেণ ।
জিব্রিল কে দেখিয়া ইবলিস একখানা মিটু টাইপের ভেটকি মারিল । তাহা দেখিয়া জিব্রিলের পিত্তি জ্বলিয়া উঠিল, ইশ্বর এখানে বসিয়া আছে বলিয়া নাহইলে জুতাইয়া সে ইবলেসের বারোটা বাজাইত । গত বার যখন সে একখান হুরের সাথে লাইন ঘাট সেট আপ করিয়া আনিয়াছিল কিন্তু এ ব্যাটা ঠিক সেই সময় কামাসুত্র প্রয়োগ করিয়া ভাগাইয়া নিয়া গেল।
ইশ্বর জিব্রিল কে দেখিয়া কহিল, মনুষ্য কূল বরই বেয়াদব এবং অর্বাচীন হইয়া উঠিয়াছে, তাহাদের বোধ বুদ্ধি প্রায় হাটুতে নামিয়া আসিছে ।
জিব্রিল কহিল তাহলে একখান সিগন্যাল পাঠাইয়া দেন । মিক্রিল কে বলিলে সে একখান সুনামী, অথবা লাঠি দিয়া একখান গুতা দিলেইতো পৃথীবি লড়িয়া উঠিবে তাহাতে মানূষ্যকূলের একখানা শিক্ষা হউবে ।
ইশ্বর বলিল তুমার মাথা খানও দেখি দিন দিন মনুষ্যকূল ন্যায় গোবরে আখড়া হইয়া উঠিতেছে । আমার তো আর খাইয়া দাইয়া কাজ নাই কয় দিন পর পর সুনামী আর ভূমিকম্প দিয়া পৃথীবি লড়াই।
জিব্রিল মাথা চুলকাইয়া কহিল, তবে উপায় কি?
ইবলিস এবার তাহার পূর্ন দন্ত বিকশিত করিয়া কহিল । উপায় একখান বাহির করিয়া আমি ইশ্বরের নিকট সাবমিট করিয়াছি । উনি এপ্রভাল দিয়ে দিয়েছে।
ইশ্বর কহিলেন ইবলিস তার চেলা বেলা লইয়া মনুষ্য কূলে বসত করিতে চাহিতেছে । সে মনূষ্য কূলকে টাইট দিতে পারবি বলিয়াই আমার বিশ্বাস।
জিব্রিল মুখ হা হইয়া গেল। বলিল পৃথীবিতে ইবলিসের কাজ কি হইবে ? ইশ্বর ঠান্ডা মাথায় কহিলেন, কেন এখন যাহা করিতেছে গোলযোগ পাকানো।
জিব্রিল মনে মনে কহিল, পাইছ তোরে। কহিল এত অতি উত্তম প্রস্তাব তবে ইবলিশ ও তার দলবলকে বঙ্গ মুল্লুকে পাঠানো হউক । ওখানেই উহার কর্মস্থল শুরু হওয়া উচিত।
ইশ্বর বলিলেন, তবে তাই হোক ।
জিব্রিল মনে মনে কহিল, যা তোর জন্য বঙ্গ মুল্লুকে কিছূ উল্লুগ রেডি হউয়া বইসা আছে।
( কেউ যদি বর্তমান কোন দলবলের কর্মকান্ডের সাথে ইবলিস এর মিল খুজিয়া পান তবে জানাইবেন মনুষ্য রুপি ইবলিস দেখিবার খুব শখ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



