মায়া-দরোজা

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২৭

শেয়ারঃ
0 3 0

"দেয়ালে দরোজাটা আসলে আঁকা!" পথচারী কেউ এক ঝলকে বলেই হাঁটা দেয় নিজ গন্তব্যে।
কথাটা খুব সম্ভব সত্যি। আঁকাটা বিশ্বাসযোগ্য হলেও অঙ্কনের সব ছাপও ওতে সুস্পষ্ট। কিন্তু দেয়ালের ওপাশ থেকে ভেসে আসা মধুর টুং টাং, মৃদু মদির হাসি বড় মন্ত্র-মুগ্ধ করে রাখে। দরোজার ঘন্টি বাজাই, কান পাতি, ওইতো তার শব্দও শোনা যায়। দরোজা খোলে না।

খোলে না দরোজা, ক্রমে বাড়ে ভীড়। কত বিচিত্র নর-নারী, আমার কি সাধ্য হবে এদের টপকাই! "নিজেদের যোগ্য করে তোলো, নির্বাচিতরাই কেবল প্রবেশের অনুমতি পাবে!"- সহসাই গুজব রটে। "যে কোন নারীকে আমি তৃপ্তি দিতে সক্ষম", "আমার সতীত্বমূল্য চির প্রশ্নাতীত", "যৌবনের স্থায়িত্ব নিয়ে গবষেক আমি", "আমি অপরিহার্য, আমি পরিচ্ছদ সাজাই", "যে কোন নতুন মাল আমি বেঁচে দেই নতুন কৌশলে"- আরও কত কত স্বর। "আমি কবিতা করি, আমি কবিতা করি"- মিনমিনে কণ্ঠ বলে এক কোন থকে। "চোপরাও সব! আমি দণ্ড আর বিধান দাতা, আমাকে জায়গা ছেড়ে দাও!" হুকুম করে এক বজ্রকণ্ঠ।

বজ্রকণ্ঠ আমাকেও দমিয়ে দেয়। আমার কি হবে স্থান! বিশেষ কেউ যে নই আমি, তাই এক কোনে বসে দুলি নিরাশার দোলে। ক্রমে দরোজার সামনে গড়ে ওঠে কোলাহল ভরা মাঠ, দালালে র্পূণ গণিকালয় আর হতশ্বাসপ্লাবিত শুঁড়িখানা। তাদের উচ্চস্বরে দেয়ালের ওপারের মৃদু শব্দ প্রায়শঃই ঢাকা পরে যায়। প্রায়শঃই ভ্রম হয়, ওই পারে কখনোই কিছু ছিল না। কখনো মনে হয়, এপারেই, এরই মাঝে, কোথাও আছে নিষ্কৃতি।

নিষ্কৃতির খোঁজে তাই বেশি বেশি বেচি, কিনি আরও বেশি। ক্রমশঃ যোগ্য হয়ে উঠি। আকণ্ঠ পানে আর এলোমেলো রমণে ডুবে যেতে চাই বিস্মৃতির অতলে। আর কী অভিশাপ দেখো! প্রতিটি সফল সওদা শেষে বুঝি নিষ্কৃতি নেই। মগজের কোষগুলো সুরায় ডোবালে আরও যেনো বেশি বেশি জেগে ওঠে তারা। প্রতিটি তুমুল সঙ্গম শেষে বোধ করি আরও বেশি একা।

একা একা তাই হেঁটে চলে যাই মায়া দরোজার সামনে। "দরোজা খোলো। খুলে দাও এই রূদ্ধ কপাট। এই আমি, অসহায় একা, আত্মসর্মপণ করছি। নিয়ে নাও আমাকে। মেনে নেব সব র্শত, পরিশুদ্ধ হব আত্মায়। গ্রহণ করো আমাকে।" করাঘাত করি, মাথা ঠোকরাই। নতজানু হই। নিথর সেই দরোজা।

দরোজার সামনে ক্রমে জমে ওঠে মৃত কত সভ্যতার স্তুপ; তাদের মজ্জা শুষে গড়ে ওঠে আরও শত শত। হট্টগোলে চাপা পড়ে গেছে ওপারের মৃদু সব ধ্বনি! ছুটতে ছুটতে একজন ঘোষণা করে "শো-নো-ও, দরোজার ওপারে সব মৃত বহুকাল, কেউ শুধু পায়নিকো টের!" বলে সে নিজেও ঢলে পড়ে শান্তির ঘুমে। অস্থি আর কঙ্কালের স্তুপে বসিয়ে দূরবীণ কেউ কেউ দেখে নিতে চায় ওপারে জগত, মায়াদেয়ালও ক্রমশঃ উচ্চতর হয়...।

মায়া দেয়াল উচ্চতর হয়, বিস্তারিত হতে থাকে আমাদের মায়া বাজারখানা। ক্রমশঃ আদিগন্ত ছড়িয়ে পড়া সেই র্সবগ্রাসী নগরে, রোজ রাতে বুনো এক মোষ বুকের ভেতরে ডেকে ওঠে আ-ড়-ড়-ড়-ড়-ড়... আহ্-হাহ্-হা...

আর যে পারি না।

প্রভু, একবার দয়া কর, একবার।





ডিসেম্বর ০৭

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
খারেজি বলেছেন:
প্রথম পথচারীটা চার্বাক বা এপিকিউরাস কেউ হবে, আর যে হতভাগাটা ওপারের জগতের মৃত্যু ঘোষণা করে নিজেই ঢলে পড়লো সবার আগে, ও বেচারা নিৎসে।
রিগরী ত্রুটির কারণে এই পোস্টটি দুবার ড্রাফটানো হয়েছে, আশা করি আর আর হবে না।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন:

প্রথম পথচারীটা চার্বাক বা এপিকিউরাস কেউ হবে, আর যে হতভাগাটা ওপারের জগতের মৃত্যু ঘোষণা করে নিজেই ঢলে পড়লো সবার আগে, ও বেচারা নিৎসে।
কারিগরী ত্রুটির কারণে এই পোস্টটি দুবার ড্রাফটানো হয়েছে, আশা করি আর হবে না।

২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪
শিবলী রহমান বলেছেন: প্রভু, একবার দয়া কর, একবার।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: প্রভু নিরুত্তর।

৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯
কঁাকন বলেছেন: বিশ্ম ব্রম্মাণ্ড সৃষ্টি করিয়া স্রষ্টা ভীষণ ক্লান্ত হইয়া পরিলেন ভাবিলেন এইক্ষনে একটু বিশ্রাম লই
সেই যে চক্ষু মুদিলেন এখনো সে কাল ঘুম ভাঙিলো না

এন্জেলরাও প্রথম কিছুদিন দায়িত্ব পালন করিয়া তারপর প্রমোদে মত্ত হইলেন
সেই থেকে জগৎ আপন গতিতে চলিতেছে
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৭

লেখক বলেছেন:

আপন দুঃখী গতি!

৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৫০
দেশী পোলা বলেছেন: ওরেব্বাস!

আজি এ প্রভাতে রবির কর


কেমনে পশিল প্রাণের 'পর,


কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!


না জানি কেন রে এতদিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।


ভাঙ্ ভাঙ্ ভাঙ্ কারা, আঘাতে আঘাত কর্।


ওরে আজ কী গান গেয়েছে পাখি,


এসেছে রবির কর!


সালাম দাও খারেজি, সালাম দাও
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৮

লেখক বলেছেন: ওলায়কুম।

৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১৪
কঁাকন বলেছেন: আপন গতিতে চলতেছে সেইটাই ইমপর্ট্যান্ট
সুখ দু:খ ইম্পর্ট্যান্ট না
৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১৪
কঁাকন বলেছেন: আপন গতিতে চলতেছে সেইটাই ইমপর্ট্যান্ট
সুখ দু:খ ইম্পর্ট্যান্ট না
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১৬

লেখক বলেছেন: তাও সত্য। স্টোয়িক হইতে পারলে।
আহামরি না এমন মানুষদের জন্য সুখ-দুঃখও সত্য।

৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৫
কঁাকন বলেছেন: জগতে মোট সুখ দু:খের পরিমান ধ্রুব বুঝছেন
আমি জখন কোন ঘটনায় দুঃখ পাইতেসি ঠিক সেই সময় ঐ একি ঘটনা আরেকজনরে সুখী করতেসে
৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৬
নুশেরা বলেছেন:

"নিজেদের যোগ্য করে তোলো, নির্বাচিতরাই কেবল প্রবেশের অনুমতি পাবে!"

-- এখানেই তো ভয়!

লেখাটা অসম্ভব ভাল লাগলো।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: সাহস পাইলাম।

১০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩০
নুশেরা বলেছেন: কে কার কথায় সাহস পায়! :-*

আপনার দেখা এবং লেখা দুইই ঈর্ষণীয় রকমের দুর্দান্ত।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: লগ-আউট করি ফালামু কিন্তুক!

১১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:১৮
চাঙ্কু বলেছেন: প্রভু দয়া কইরছেনি?? ;)
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন: কইরলে জানামু।

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সুপার!!!
আপনার লেখা নিয়মিত পড়তে চাই ... +++++
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: জ্বীনজী,
কৃতার্থ হইলাম।

১৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:৪১
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: খারেজি ভাই আপনি আসলেই দারুন লেখেন!
পড়ে শুধু মুগ্ধ হই!
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪০

লেখক বলেছেন: খারেজি pote geche!

১৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৬
শীমুলতা বলেছেন: সাইমুম ভাই কেমন আছেন?
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: সাইমুম! বেশ।

হ্যাঁ, ভাল আছি। আপ্নে ভাল তো। কোথায় যেন দেখা হইছিল, মন করতে পারতেছি না...

১৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:২৩
পারভেজ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।
এরকম মৌলিক লেখা ব্লগে খুব কমই চোখে পড়ে।
শুভকামনা।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। তবে জগতের কোন কিছুই মৌলিক না। তারপর্ও আপনার প্রশংসা ভাল লাগল।

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: অস্তিত্ব ধরে আমূল টান দেয়া অবিশ্বাস্য রকমের ভালো একটা লেখা পড়লাম। এমন অসাধারণ লেখা বহুকাল পড়িনি। আজ থেকে আপনি আমার প্রিয় লেখকে পরিণত হলেন...
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ধন্যবাদ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
মেহবুবা বলেছেন: ভাল লাগল লেখাটি ।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: [একটা অফটপিক হুমকি : আপনার সঙ্গে কথা বলতে এলেই আপনি আমার 'খ্যাতি' নিয়ে কথা শুরু করেন, ব্যাপারটা আমার ভালো লাগে না, বরং মনে হয়- আমাকে খামোখাই খোঁচাচ্ছেন! আমি এখানে 'খ্যাতি' দেখাতে আসিনা, সবার মতোই যে কোনো একজন হয়ে থাকতে চাই এবং থাকি। এরপর এ নিয়ে আর কোনো খোঁচাখুঁচি করলে, আপনার লেখা পড়বো বটে, কিন্তু কমেন্ট করবো না!]

ও হ্যাঁ, না বলেও নেয়া যায়, তবে 'লেখাটা প্রিয়তে নিয়েছি' বলাটা বোধহয় ব্লগীয় রীতির অংশ, আমিও রীতি মানলাম...
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন:

আপনার কথা সত্য, "খ্যাতিমান"দের আসলেই অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।

হয় কী, আপনি যখন লোকের কণ্ঠকে ভাষা দিচ্ছেন, লোকেও আপনার কাছ থেকে আশা করবে আরও বেশি, এবং এই চাপট সৃজনশীলরা সর্বদা গ্রহণ করতে রাজিও নন, স্বাভাবিক। কিন্তু লোকের ধারণাও এই যে, পরিচিত, খ্যাতিমান বা স্বনামধন্য কেউ যখন চাপ নেয়, তখন তার ঝুঁকি কমে যায়।

ধরেন আমি প্রায় একই ভঙ্গিতে ব্লগে আমার সমস্যাটার কথা বললাম: কাউকেই আমি চিনি না, প্রায় এক বছর পর ব্লগে ঢুকেছি, একমাত্র মনজুরুল হক আমাকে সহায়তা করলেন।

আমি আসলে আপনি খ্যাতি দেখাচ্ছেন বলে যাইনি আপনার কাছে, আমি একটা সাহায্য দরকার ছিল, আর আমার বিবেচনায় আপনি খ্যাতিমানদের একজন বলেই আপনার কাছে গিয়েছিলাম, আমার এই চাপ প্রয়োগটা ভুল হতে পারে, কিন্তু আমিও ঐ পাব্লিকের অভ্যাস মতই ভেবেছিলাম যে আপনারা কেউ দায়িত্বটা নিলে তা কৌশলগত দিক দিয়ে নিরাপদতর, কম ক্ষয়্ক্ষতিতেই লক্ষ্য হাসিল হবে। মনজুরুল হক তা প্রমাণও করেছেন।

তারপরও, আমি মনে করি আপনার সাথে এ ভুল বোঝাবুঝির অবসান দর্কার। ব্লগে আমার প্রথম তারকা যিনি ছিলেন, তারসাথে প্রথমদিনেই গায়ে পড়ে ঝগড়া শুরু হয়েছিল- সুফী এখন আর ব্লগিং বোধ হয় করেন না।

দ্বিতীয় দফায় ঝগড়া করে ফেলেছি আরও বহু ব্লগারের সাথে; কয়েকজন বিখ্যাত লোকের পোস্টে তো আর ঢুকিই না। কিন্তু ঝগড়ার পর বন্ধুত্ব হয়েছে ভাল-মানুষ নামের এক ব্লগারের সাথে, কিন্তু তার সাথে তর্ক থামছে না।

তর্ক চলুক, তর্কে আনন্দ দিব্যি।

২৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১০
রাতমজুর বলেছেন:
ঘটোৎকচ ষ্টাইলে কোন ব্যাবস্থা লওন যায় না বিধাতারে জাগানির লাইগ্যা?
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: বিধাতা কিন্তু ঘুমায়া আছে বইলা আমার কখনো মনে হয় নাই।

মায়া দরোজার ওপারে কি যে হয়, আল্লাই মালুম।

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: মহামান্য, ঘটনা তো আপ্নের জানার কতা, লুকে বলে আপ্নের কারণে নাকি আমাগো এইপাড়ে খেদায়া দিছে!

আসক্তি ছুটে কেমনে, কইলেন তো না!

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: ফোনটুফোন না ফ্রেন্ডটুফ্রেন্ড?


মেইল করেন:



২৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
রিসাত বলেছেন: শো-নো-ও, দরোজার ওপারে সব মৃত বহুকাল, কেউ শুধু পায়নিকো টের

দরজা নাকি ব্রিক নাকি অন্য কিছু? লেখায় অনেক কনফিউশন,,, কিচ্ছু বুঝি না,,,,
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন:

রিসাত মিয়া,
মাছ রান্না ধইরা দিলাম, রাইন্ধা দিলাম- এহন নিজে কাঁটা বাইছা খাও।


লেখক তো নিজের কনফিউশনই বোঝাতে চাইছে, কনফিউশনই তো থাকবে।

তুমি শিরোনামটা নিয়ে গোলমালে পরনি তো?

মায়া-দরোজার মায়া কিন্তু দয়ামায়া টাইপের মায়া না, মায়া মানে ইলিউশন (ইমাজিনারি বললে পুরোটা হয় না, ইলিউশনে আক্রান্ত একটা লোক ইমাজিনারি কোন কিছুকেই সত্য বলে বুঝতে পারে) । মায়া-দরোজা হলো একটা ইল্যুসরি-এনট্রান্স, যার ওপারে আর একটা জগত আছে বলে প্রায়ই ভ্রম হয়, কিংবা বোধ হয়। এই বোধটা ভ্রম কিনা, সেটাই মানবের একটা আদি অনুসন্ধান। আর যত যন্ত্রণা সহ্যাতীত হলে সেই মায়া-জগতের বাসনা কখনো কখনো আরও তীব্র হয়।
তাহলে মায়া-বাজার কি? বাহ্, যদি তুমি দরোজার ওপারের জগতটাকে মায়া বলে উড়িয়ে দিতে পারো, যে জগতে তুমি আছো, তাই যে একটা বিরাট মায়া না, তা কে বলবে তোমাকে? এত আকাঙ্খা, যন্ত্রণা, হতাশা আর গ্লাণির কি মানে আছে? দিন শেষে কে জানে আমরা ঘুমভেঙ্গে দেখব না যে বাস্তবতাটাই একটা মায়া, একটা ঘোর দুঃস্বপ্ন ছিল? এমন দার্শনিকও কিন্তু সত্যি সত্যি ছিলেন।

বাস্তবটা সহ্যাতীত, কিন্তু এর মোহ ছেড়ে বেড়ৃতেও পারে না, তাদের জন্য, তাদের নিয়ে লেখা এই মায়া-দরোজা।

যাও, তুমি বলে এত ব্যাখা করলাম। বাকি সবাই তো বুঝেছে এম্নিতেই।

২৭. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১০
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: সেই দরজার আরেকটা ছায়া রচিত হয়, সেই দরজায় আরেকবার আছড়ে পড়ে কোন এক কাব্য পাঠকের কাতরতা, মৃত মানুষের অক্ষি ফোকরের দীর্ঘশ্বাস,চীর অন্ধকার।

আমি জানি না, কেবল দেখি, বুঝি না , কেবল ভাবি, সেই দরজায় চৌকাঠ আছে কি।


ভালো লাগলো বললেই কি সব বলা হয়।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন:
না, সবটা বলা হয় না, কিন্তু আরো যে কিছু বলার আছে, তা অন্তত বোঝা যায়।
অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

২৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৩৭
শয়তান বলেছেন: ডাকবাস্‌ক চেক করেন
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: ঘুমায়া পড়ছিলাম, বস। এখনি করতাছি।

৩০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৪
অরণ্যদেব বলেছেন:

f2f মানে কি ফুট টু ফুট ? আইমিন পায়ে পায়ে চলা? (বেদম হাসি)
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: ইমোটিকন ব্যবহার করবো না ঠিক করছি, নাইলে...হাঃ হাঃ হাঃ

৩১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৪৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

@নেমু। খারেজি কোন কিছুই খারিজ করেননা, কিন্তু .........
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: কিন্তু কি?

২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন: আমিও ভাল কইরা বুঝি নাই।
তয় এইখানে অনেকেই দেখো ভাল কইছে, প্লাস দিছে।
বরং চলো তাগো গিয়া গিয়া জিগাই: অই মিয়া, কি বুইঝা পাব্লিকরে পামপট্টি মারেন? নাকি গাছে তুইলা মই কাইড়া নিতে চান, হু?

৩৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৪২
রিসাত বলেছেন: B:-)

হইছে,,,, এক মোষ বুকের ভেতরে ডেকে ওঠে আ-ড়-ড়-ড়-ড়-ড়...

হ-ড়-ড়-ড়-ড়-ড়-ড়...
৩৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
খারেজি বলেছেন:

রিসাত, তুমার কমেন্ট মুছতে খারাপ লাগল।

থাইকগা, রাগ করি নাই।


তুমি তো এরামই।
৩৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪২
নাজনীন খলিল বলেছেন:
ফাজিল বলে খ্যাত(অন্তত আমার কাছে)খারেজির হাত থেকে এমন মাস্টারপীস!++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: ফাজিল!
পায়ের ধূলা দেন, আপ্নে ঠিক ধইরা ফালাইছেন।

আসলে খারেজি নিকের তথাকথিত "মালিক" নিজে যা যা কইতে পারে না, করতে পারে না, সব আমার ঘাড়ে চাইপা নিজে ভদ্দরলোক হয়া ঘুরতেছে। খারেজি তার আনকনসাস। যা সকলে ভাল কইবো, এমন লেখাগুলা নিজের নামে দেয়, তার নিষ্টা যা, পোঁকাকাটা, লুকে হাসব, সব খারেজির জন্য বরাদ্দ।

কিন্তু কই আপনেরে, খারেজিও বিদ্রোহী হয়া উঠতেছে দিনে দিনে.... তারও ব্যক্তিত্ব দাঁড়াইতেছে... যে কোন দিন সে মালিকরে খুন কইরা নিজেই সার্বভৌম হয়া উঠব।

৩৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:১৮
ফারহান দাউদ বলেছেন: অফটপিক: ডেইলি স্টিকিতে ঢুকি আপনের অর্থনৈতিক প্রশ্নের জবাব খুঁজতে,অখনতরি পাই নাই।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪

লেখক বলেছেন: একা একা কারও সাধ্য নাই জবাব বের করে। যদি দল বেধে জিগান, আপ্নে শুরু করেন, অন্যদেরও বলেন, সাংবাদিক তো, পপুলার দাবি অবহেলা করতে পারবে না, জবাব দেবেই।
চাইলে আপ্নি আর একটা পোস্টওদিতে পারেন। সেটা সবচে' ভাল হয়।

৩৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
অলস ছেলে বলেছেন: মন খারাপ কেন এত? এখন ভালো? মায়া দরোজাকে যে এভাবে দেখতে পারে, তার জন্য মন খারাপের এই ভাবটাইতো আরেকটা সহজসাধ্য এড়িয়ে যাওয়া মায়াই হওয়ার কথা। সিরিয়াস কিছু?

আমার মন ভালোই। আপাতত সামুর এডিকশান কাটাতে ইন্টারনেট কানেকশান স্থগিত রাখছি। মাঝে মাঝে লাইব্রেরীতে আসলে ঢু মারি একটু একটু। বিড়ির নেশা কাটাতে গাড়ি দিছি গ্যারেজে, কিনতে যাওয়ার উপায় নাই। সাতার কাটি, ব্যায়াম করি, সুবোধ বালকের মত পড়ালেখার চেষ্টা করি, কাজ করি, টাকা কামাই; বিরাট রুটিনমাফিক জীবন গত দুই সপ্তাহ ধরে। আবার মাথা আউলানোর আগে কয়দিন চালাতে পারবো জানিনা। দোয়া করো। ভালো থেকো।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: গৃহবন্দী থাকতে হবে।
আরও বহুদিন।

৩৮. ০৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:০৭
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন: ই ই ই ই ই ই ই...... আন্ধার কইরা ফেলছেন.. খাসা লেখা.... আরেকবার স্টারে বাড়ি... আরেকবার গুরুর লিস্টিতে এড করা লাগল!!!!

এই মায়া-দরোজার তড়পানিতে তড়পাইতে থাকা হইল মানুষের জীবনের আলটিমেট ফেইট... মুক্তি নাই... :(
০৫ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: হরে ভাই, যুগ্য লুকেরা দুনিয়া আন্ধার বানায়া ফেলছে!

২৮ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: ...

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৩২৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এইপথে আলো জ্বেলে এ পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে, সে অনেক শতাব্দীর মনীষির কাজ.....
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই