অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
সকল লেখার সর্বসত্ত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত।
আর এস এস ফিড

আমার প্রিয় পোস্ট

সাদা চোখে অপরবাস্তব

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫ |

শেয়ারঃ
0 0


লোকালটক সম্পাদিত সামহোয়ারইন ব্লগের "অপরবাস্তব" বইটির ব্যাপারে সম্পাদকের একটা বক্তব্য আমার ভীষণ ভালো লেগেছে..." এটা ব্লগারদের বই"। তাই ব্লগার হিসেবেই এই বইটির একটি নিখুঁত সমালোচনা ব্লগারদের থেকেই প্রাপ্য। সাহিত্য বোদ্ধা কেউ সেটা করলে খুব ভালো হতো। কিন্তু অনেক দিন তার জন্য অপেক্ষা করে অধৈর্য হয়ে পাঠক হিসেবেই তা দিলাম।

প্রথমে নিজের পাঠাভ্যাস সম্পর্কে বলে নিই। আমি খুব সাধারণ মানের পাঠক, ভালো-খারাপের পার্থক্যটা মোটামুটি বুঝতে পারি। তবে সবচাইতে ভালো বুঝি কোন বই কেমন জনপ্রিয় হবে তা। যেহেতু আমি খুব সাধারণ পাঠক, খুব জনপ্রিয় বই বাদে তেমন কিছু পড়িনি; ক্ল্যাসিক, অনুবাদ আর জনপ্রিয় ধারার বাইরে আর্ট ঘরানার কোনো লেখা পড়িনি, সেহেতু আমার সমালোচনাতে অবশ্যই কোনো লেখার মান কমবে বা বাড়বে না...এ শুধুই আমার অনুভূতি সবার মাঝে ভাগ করে নেয়ার প্রয়াস।


প্রথমেই বলে নিই বইয়ের শ্রেষ্ঠ দিকগুলো। বিষয়বৈচিত্র আর হরেক রকম লেখনীর লেখকের সমারোহ হওয়াতে নিঃসন্দেহে এই ধরণের বই বৈচিত্র অনুসন্ধানীদের ভালো লাগবে। সেই সাথে আমি এটাও নিশ্চয়তা দিতে পারি, ২২ জন লেখকের অন্তত ৬-৭ জন বাংলাদেশের লেখালেখির মেইনস্ট্রীম পালটে দেবার ক্ষমতা রাখেন। সেই সাথে প্রতি গল্প শেষে লিঙ্ক দিয়ে দেওয়াতে আমি যারপরনাই খুশি। কিছু মানুষ নতুন করে ব্লগ জিনিসটাকে চিনতে পারবে। এমন মানুষও আমার পরিচিতের মাঝে আছে যারা ব্লগকে সময় নষ্টের কারখানা বলে থাকেন। তাদের জন্য এটা এক সমুচিত জবাব।


বইয়ের প্রকাশজনিত কিছু সমালোচনাও এই ফাঁকে সেরে নিই।
১. তাড়াহুড়ো অথবা অন্য কোনো কারণে বইয়ে অসংখ্য বানান ভুল...ব্যাপারটা পীড়াদায়ক। সেই সাথে বইয়ের কোথাও যুক্তবর্ণের(সংযুক্ত ল) প্রিন্ট ঠিকমতো আসেনি। গ্লানি, ম্লান শব্দগুলো বানান দৃষ্টিকটু হয়ে এসেছে।
২.বইটার প্রচারে যথেষ্ঠ পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। আমি সংহতির সামনে দিয়ে দুইবার ঘুরেও বইটি যে এই স্টলেই আছে তা বুঝতে পারিনি। সেই সাথে মেলতে সংহতির স্টল খুঁজে বের করতেও কষ্ট হয়েছে। আমাদের ব্লগারদের মতো করে কেউ কষ্ট করে খুঁজে বের করবে তা আশা করি না। আমি এইটাও মনে করি না যে শুধু ব্লগারেরা কিনলেই বই সার্থক। দেশের সবচাইতে বড় পাঠক-গোষ্ঠী ধরতে না পারলে সেই বইকে সার্থক বলবো না।
৩. এইটা ঠিক তেমন বড় কোনো সমস্যা না, আমার নিজের মনের খটকা। আমার মনে একটা প্রশ্ন ছিল, ব্লগীয় নিকগুলো কেন নামে পালটে গেল? ব্লগের বই কি অন্যসব সাধারণ বই থেকে একটু অন্যধাঁচের হতে পারতো না? লেখকের নাম রংবেরঙ্গের নিক দিয়ে হলে ক্ষতি কি ছিল?


বই পড়ে আরেকটা ব্যাপার অবাক হয়ে খেয়াল করেছি এবং কষ্টও পেয়েছি। ব্লগে লেখতে লেখতে ছোট কলেবরে লেখা ট্রেন্ড হয়ে গেছে সবার। বিশাল বিশাল সব গল্প ... অথচ সে গল্প বইয়ে দেখি মাত্র দুই-তিন পৃষ্ঠা। ব্লগ থেকে গল্প সংকলনই হওয়া সম্ভব। উপন্যাসের সংকলন কখনো হবে না:(

গল্পের আলাদা আলাদা করে রিভিউ ইতোমধ্যে ব্লগে এসে গেছে তাই আমি সেই পথে হাঁটবো না। বরং আমি গল্পগুলোকে আমার নিজের মতো করে র‌্যাংকিং দেয়ার চেষ্টা করবো আর নিজের কিছু অনুভূতির কথা বলবো।

তারার ফুল --- তানভীরুল ইসলাম
তারার ফুল গল্পটা নিঃসন্দেহে সংকলনের সেরা গল্প। আমি অভিভূত। আমার কাছে মনে হয়েছে, এই গল্প আর সব গল্পকে ছাড়িয়ে গেছে। আমার নন-ব্লগার বন্ধুদের বইটি কিনতে উৎসাহী করতে আমি শুধু এ গল্পটুকু ট্রেলার হিসেবে পড়তে বলেছি।


স্কেলিটন শপ --- কৌশিক আহমেদ
অসাধারণ কাহিনী। সেই সাথে দারুণ রকমের সহজ-সাবলীল লেখনী। আমি এ গল্পের কাহিনীতে অ-সাধারণ মুগ্ধ হয়েছি। এই গল্পটা বইয়ের প্রথম গল্প হতে পারতো। যে কেউ বই উলটে এই ধরণের গল্প দেখতে পেলে নিশ্চিত ভাবেই বইটি সংগ্রহ করতো।


এইসিমেট্রিক ---নুশেরা তাজরীন
এটাও একটা দারুণ লেখনীর গল্প। পটভূমিটা অনেক দারুণ দেখেই আমার মনে হলো যেন এই গল্পটা কলেবরে বর্ধিত হয়ে উপন্যাস হতে পারতো। যদি গল্প সংকলন না হয়ে অপর বাস্তবে কবিতা উপন্যাসও থাকতো, আমি স্টার একটা নিশ্চিতভাবেই কমিয়ে দিতাম। স্রেফ গল্প সংকলনের রেটিং দিচ্ছি বলে লেখক বেঁচে গেলেন।


আপসের গল্প --- ফাহমিদুল হক
মদের নেশায় বন্ধুদের মাঝে জীবনের সত্যগুলো অকপটে বলে ফেলার সময় খুব সাধারণ কাহিনী অসাধারণ ফ্লেভারে উপস্থাপন করার জন্য এ গল্পকে অন্যতম সেরার দলে ফেলা যায়। লেখকের লেখার হাত দারুণ।


কুউউ... --- রন্টি চৌধুরী
গল্পটা দারুণ। কাহিনী লেখনী সবই ভালো লেগেছে, তবে রিপিটেশনটা কখনো কখনো অতিরিক্ত মনে হয়েছিল। মাঝে মাঝে পাঠককে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার বদলে বুদ্ধিমান ইশারা ছোট গল্পকে আরো সুন্দর করে তুলে...এই গল্পের বেলাতেও পারতো।


পুনর্জন্ম --- সাইফুল ইসলাম
খুব অন্যরকম কাহিনী মনে হয়েছে। বেশ মজা পেয়েছি পড়তে। শুধু শেষে এসে একটু তাড়াহুড়ো করে শেষ করে দেয়া হয়েছে মনে হল।


ক্রমশ নির্মীয়মান দৃশ্য কিংবা চরিত্রের গল্প --- অনীক আন্দালিব
খুব দারুণ লেখকের হাতের যশ। তবে একটা কথা না বললেই নয়, আমজনতা এতো কঠিন লেখা পড়তে চাবে না। অথচ আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, যে কেউ মুগ্ধ হতো এ লেখাটি পড়ে। সমালোচক পুরস্কারে নিঃসন্দেহে প্রথম পুরস্কার জেতার মতো হলেও, পাঠকের কাছে হয়তো এ ধারার লেখা একটু দুর্বোধ্য ঠেকবে। এই কারণে বইয়ের শুরুতে এই গল্পটা রাখার সমর্থন করতে পারলাম না।


পেটকাটি চাঁদিয়াল --- মনজুরুল হক
এ গল্পটাও দারুণ। এরকম প্রতিথযশা লেখকের সমালোচনা আমাকে মানায় না। তারপরও ঠিক আগের গল্পের দোষে এই গল্পও একটু হলেও দুষ্ট। সাধারণ পাঠক হয়তো অতি-বর্ণন এড়িয়ে চলতে চাইবে।


আগামীকাল যা ঘটে গেছে --- মাহবুব লীলেন
এই গল্পটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। কেমন যেন অন্য ধাঁচের। প্রচলিত ধারার গল্প না হলেও, বেশ সহজ লেখনীর কারণে আমি মুগ্ধ হয়েছি। গল্পটা কি চোখের আত্মকাহিনী বলবো:P?


একদিন হঠাৎ --- মাহবুবুর শাহরিয়ার
লেখকের প্রশংসা না করে পারছি না। এই লেখাটি তুচ্ছ কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধরে রাখবে পাঠককে। খুব ভালো লাগাতেই হয়তো শেষে এসে হতাশ হয়েছি...লেখক শেষ হইয়াও হইলো না শেষ ধরণের রেশটুকু রাখেননি। ছোটগল্পের শেষে এসে আমি তাই হতাশ।

অপেক্ষা --- একরামুল হক শামীম
মুক্তিযুদ্ধের খুব সাধারণ গল্প। লেখক সহজ ভাষায় লিখেছেন। তারপরও মাঝে মাঝে মনে হয়, লেখায় লেখকের অনভিজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে।


মৌমিতা আর ময়নার গল্প --- আবদুর রাজ্জাক শিপন
মানবিক একটা গল্প। যদিও এখানেও লেখক পাঠকের জন্য শেষের রেষটুকু না রেখে নিজের বক্তব্য দিতে চেয়েছেন।


মরীচিকা সময় --- তানজিলা আফরিন
ভীষণ আবেগে ভরা মায়াময় কাহিনী। স্বল্প পরিসরে লেখকের ভাষার প্রয়োগ সুনিপুণ ছিল। শেষ অংশে ঈশ্বরের বন্তব্যটুকু যেকোনো পাঠককে বেশ কিছুটা ভাবাবে।


স্মৃতি হন্তারক বৃষ্টিতে থ্যাতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম --- তারিক স্বপন
লেখক বর্ণনামূলক হতে গিয়ে গল্পের গতি কিছুটা হ্রাস করেছেন বলেই আমার ধারণা। তাই সাধারণ পাঠক খুব একটা উপভোগ করবে না। ভাষার সুনিপুণ ব্যবহারে মুগ্ধ হবার উপাদান পুরো গল্পে ছড়িয়ে আছে।


জোঁকের বাড়ি, বর্শা এবং নাগিনীর ফণা --- লাবণ্য প্রভা
অন্যরকম এক পেশাজীবীর জীবনের কিছু টুকরো খন্ড নিয়ে এ গপ লেখা। বেশ ভালো লেগেছে, গল্পের বর্ণনার ঢং এর কারণে। তবে শেষে এসে কিছুটা অস্পষ্টতা থেকে গিয়েছে। বারংবার পড়েও দূর করতে পারিনি।

দুঃস্বপ্নের যাত্রী --- শফিউল আলম ইমন
খুব সাধারণ কাহিনী নিয়ে লেখা গল্প। হরহামেশাই আমাদের আশেপাশের বাস্তবটা এ গল্পের মতো হয়ে থাকে। তবু লেখকের লেখনী বেশ ভালো ছিল, তাই লেখা উপভোগ্য হয়েছে।

যে বছর গ্রামে পাখিবৃষ্টি হয়েছিল --- মোস্তাফিজ রিপন
পাগলের বৃক্ষপ্রীতি আর তাকে নিয়ে ক্ষমতাবানেদের লড়াই, এরকম পটভূমির একটা গ্রামীন গল্প লেখকের সুনিপুণ বর্ণনায় বেশ উপভোগ্য ছিল। তবে শেষে এসে কিছুটা অলৌকিকতা আমার মনে খটকা তৈরি করেছিল।


চন্দ্রবালিকা --- আবু কায়েস কুন্তল
এ গল্পটা কেন যেন ভালো লাগেনি। অত্যন্ত বাস্তব আর মানবিক পটভূমিতে লেখা, ভালো লাগা উচিৎ ছিল। তবে এই ধরণের গল্পে যেটা প্রত্যাশা করি, আবাগে ভেসে যাওয়া...সেটুকু হয়নি বলেই হয়ত হতাশ হয়েছি।

যুদ্ধ শিশু বলছি --- নিবিড় ইসলাম
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের একটা বহুল আলোচিত সমালোচিত আর বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লেখা এ গল্প...যুদ্ধ শিশু বলছি। খুবই আবেগময় বর্ণনা, যেকোনো পাঠককে মন খারাপের স্বাদ দিবে। তবে পুরো লেখায় লেখকের অনভিজ্ঞতা চোখে পড়ে।


ফ্যাক্ট ও ফিকশনের গল্প --- মাহমুদ আরিফ
চার্চিল-ফ্লেমিং এর চমৎকার যে উদাহরণটা লেখক অবতারণা করেছিলেন সেটা বেশ উপভোগ্য ছিল। কিন্তু তার বাইরে লেখাটা উপভোগ করতে পারি নি। হয়তো এক্ষেত্রেও লেখক পাঠকের ভাবনার অবকাশ রাখেননি বলেই। গল্পের কাঠামোও ততো মজবুত মনে হয়নি।

বিদ্যাকূটে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে একটা গল্পের ভণিতা --- সুমন রহমান
এই একটা গল্প যেন অন্য গল্পগুলোর কাছে খসড়া টাইপ মনে হলো। পুরো সংকলনে আমার সবচাইতে অপ্রিয় গল্প।



সিটি মরিচের খিয়ারী আখ্যান --- মাজুল হাসান
কেন যেন এ গল্পটা পড়তে পারলাম না অনেক চেষ্টার পরও...শুরুতেই বারবার ইচ্ছে মরে গেছে। তাই কোনো রেটিং এ গেলাম না।



গল্পগুলো পড়ার সময় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াগুলো টুকে রেখেছিলাম। ব্লগের বই তথা নিজেদের বই বলে কথা। সেই কথা গুলোই গুছিয়ে লিখে দিলাম। কিছু কথা খুব নিষ্ঠুর শোনাবে ভেবেই সহব্লগারদের উৎসাহ দানকল্পে এড়িয়ে গেলাম। তবে আমি ছোটগল্প পড়ার সময় যে কয়েকটা জিনিস প্রাধান্য দেই তা হলো সাবলীল ঢঙ্গের বর্ণনা, কাহিনীরবিস্তার কেমন করে হলো, লেখকের লেখনী কেমন আর সর্বশেষে শেষ হইয়াও হইলো না শেষের রেশটুকু। এই কয়েকটা বিষয়েই আমি সাধারণ পাঠক হিসেবে খুশি হয়ে যাই। বোদ্ধাদের অন্য কোনো মাপকাঠিতে হয়তো এই গল্পগুলো ভিন্নরকম ভূমিকা পেতে পারে।

সবশেষে বলি, বাংলাদেশে লেখার ধারা ধীরে ধীরে বদলে যাবে। এ হয়তো সময়ের দাবি...বইটা পড়ে মনে হলো, এ পরিবর্তন আমাদের ব্লগারদের হাত ধরেই আসবে। যারা এখনো বইটি পড়েননি, তাদের জন্য বলি, নিঃসন্দেহে বইটি মেলার শ্রেষ্ঠ বই হতে পারতো, প্রচারের অভাব তথা মূলধনের অভাব হয়তো একমাত্র বাধা ছিল। তবে মানের প্রশ্নে জনপ্রিয় লেখকদের ছাইপাশ বইগুলোর তুলনায় হাজার গুণ ভালো একটা বই।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): অপরবাস্তব ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৬৯টি মন্তব্য

১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ভেংচুক বলেছেন: ভাইরে, টেহার অভাবে এহন থক কিনবার পারি নাই

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: ৭৫ টাকারে ভাই...রাইতে গেজানি কমায় দেন;)। এক রাত বই পইড়া কাটান।

২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৮

নুশেরা বলেছেন: বিষয়বৈচিত্রের বিশিষ্টতা আর প্রকাশ-সংশ্লিষ্ট সমালোচনা এই রিভিউ থেকে বিশাল বড় প্রাপ্তি। প্রতিটি লেখার রেটিংসহ রিভিউ করার স্টাইলটা বেশ লাগল (বক্তব্যে প্রায় একমত হলেও রেটিঙ বিষয়ে একটু ভিন্নমত; তা তো হতেই পারে)। একটা কথা না বললেই নয়, বইতে লেখার ক্রম বিষয়ে এই সমালোচকের মন্তব্য নিশ্চিতভাবে দৃষ্টি কাড়ে।

[ব্যক্তিগত আলাপ-- বাপরে, বড় বাঁচা বেঁচে গেছি... :) ]

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: রেটিং না দিয়ে লেখা ক্রমানুসারে সাজাতে গেছিলাম। পরে দেখি ক্রম দেয়া সম্ভব না...ভালোর সাথে ভালোর তুলনা সবসময়ই কঠিন। তবে বইয়ের ক্রমটা এমন হওয়া উচিৎ ছিল যেন যে কেউ হাতে নিয়ে বইটা উল্টালেই মুগ্ধ হয় এবং কিনতে চায়।

আরেকটা ব্যাপার বলতে ভুলে গেছি, ব্লগে লেখতে লেখতে ছোট কলেবরে লেখা ট্রেন্ড হয়ে গেছে সবার। বিশাল বিশাল সব গল্প ...বইয়ে দেখি মাত্র দুই-তিন পৃষ্ঠা। ব্লগ থেকে গল্প সংকলনই হওয়া সম্ভব। উপন্যাসের সংকলন কখনো হবে না:(

৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৪

নিঃসঙ্গ বলেছেন: বর্ননা খুবি ভালো লাগছে :) একটা দুইটা গল্পের জন্যই না হয় পুরা বইটা কিনে রাখবো।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: একটা দুটা গল্প নারে ভাই...৫ রেটিং এর গল্পগুলো খুব সহজেই মুগ্ধ করবে। ৪ রেটিং এর গল্পগুলো শেষ করলে মুগ্ধ হবেন। এইটুক গ্যারান্টি

৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩০

নীল আলো বলেছেন: বইটি আগে হাতে আসুক ...তারপর বলবো......!!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: যেই সিরিয়ালে দিলাম সেই সিরিয়ালে পড়িস। মজা পাবি।

৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: কয়েকটা ব্লগে পড়েছিলাম, অন্যগুলো পাঠ করার আশা রাখি। আপনার 'পাঠক' হিসেবে করা সমালোচনা ভাল্লেগেছে, এতে লেখকের সামনে অন্য 'চোখ'র দৃষ্টি আসবে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: পাঠকের দৃষ্টি সমালোচকের চাইতে আলাদা...সেখানে ভালো লেখকের ভালো লেখাও অনেকসময় ফেলনা হয়ে যায়।

৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

ভেংচুক বলেছেন: এক্কানা পুস্ট লিকিয়াচিলাম


রাইতে গেজাই না, গেজানির টেকা নাই

৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

নুশেরা বলেছেন: হুম। লেখার দৈর্ঘটা ব্লগে আসলেই একটা "ফ্যাক্টর"। পোস্ট এডিট করে পয়েন্টটা দিয়ে দাও। এই পোস্ট ব্লগে বইয়ের আলোচনার জন্য একটা ট্রেন্ড সেটার হয়ে থাকবে, আমি নিশ্চিত। একটা "সম্পূর্ণ" সমালোচনা। ওয়ার্থ-রিডিং। শোকেসে রাখলাম।


[অ.ট. আমি দেশ থেকে ফেরার পর স্মৃতিবিভ্রাটে কারও কারও প্রতি সম্বোধন-গোলযোগ ঘটছে। তেমনটা হলে ক্ষমাপ্রার্থী]

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: সম্বোধন পুরোপুরি ঠিক আছে। এরকমটাই ছিল।:)

৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

ভেংচুক বলেছেন: ভাইরে রে আমার কমেন্ট খানা মুচিয়া দেন, বেন খাইচি

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: বাবুয়া কেসের আন্দোলনে আমিও ধরা খাইছি। সে নিয়ে দুঃখ নাই। তবে সবার জন্যই বলি, মডারেটরদের দিকটাও দেখা উচিৎ। তারা চায় প্রথম পাতাটা ভালো লেখা বা ফান পোস্টে বা কমিউনিটি ব্লগিং এ সীমাবদ্ধ থাক। যেকোনো অতিথি এসে যেন সংকলিত পাতায় নোংরামি না দেখে। নোংরামি দেখলে কেউই ব্লগ লেখতে উৎসাহী হবে না। ওইদিকটা ভেবেই কিন্তু তারা পোস্ট ডিলিট করে। বাবুয়া গেছে, এখনো কেন তাওয়া গরম তা বুঝি না। বাবুয়া কেসে আমি যেমন আমাদের পদক্ষেপগুলো সমর্থন করি, তেমনি মডারেটরদের পদক্ষেপও সমর্থন করি।

৯. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৫

রাত্রী বলেছেন: অহনতরি পড়িনাই। পড়া হইলে মন্তব্য দিমুনে।।।।।।।।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: অবশ্যই দিবেন। আমি অন্য যারা পড়েছেন তাদের মন্তব্য জানতে চাচ্ছি, আমার সাথে তাদের গড়মিলটা জানতে চাচ্ছি। এখনো পাঠক আছি নাকি সমালোচক(B-)) হইয়া গেছি বুঝতে হবে না!

১০. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০

ফাহমিদুল হক বলেছেন: তারিক স্বপন, মোস্তাফিত রিপন ও সুমন রহমানের গল্পের রেটিং কম এসেছে, আমার দৃষ্টিতে। মাজুল হাসানের গল্প সুখপাঠ্য নয় হয়তো, কিন্তু ভালো গল্প।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪

লেখক বলেছেন: সুমন রহমানের গল্প আমি নিশ্চিত ভাবেই বলতে পারি যে সাধারণ যেকোনো পাঠক এই রেটিং দিবে। তারিক স্বপন আর মোস্তাফিজ রিপনের গল্প নিখুঁত...সমালোচনা করতে গেলে আমি এক ফোঁটা ত্রুটি দেখাতে পারবো না। কিন্তু আমি সাধারণ একটা পাঠকের দৃষ্টিতে দেখতে চেয়েছি। বর্তমানের ট্রেন্ডটা দেখেন...যারা জনপ্রিয় কেন জনপ্রিয়? কারণ তাদের লেখার সহজবোধ্যতা। সেদিক দিয়ে দুজনের গল্পই পিছিয়ে পড়বে। কাহিনীর বাহুল্য পাঠককে আকৃষ্ট করে না।

আপনার তরফ থেকেও একটা রিভিউ দিতে পারেন, নিজের লেখাটা বাদ দিয়ে:P

১১. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৩

মগ্নতা বলেছেন: ভাল লাগল। কিনতে হবে জানতে হলে।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: আমার পোস্টের শেষ লাইনটা খেয়াল করবেন। একজন পাঠক হিসেবেই কথাগুলো বলেছি, ব্লগার হিসেবে না।

১২. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৯

হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: পাঠ্যালোচনা পড়লাম।।।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: রিভিউ এর আরো ভালো বাংলা নাই কোনো?:(

১৩. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: তারার ফুল গল্পটাকে আমার মনে হয়েছে অসাধারন এক লেখা। আগেও পড়েছি। আবার রিভাইস দিলাম এখানে। বাকি গুলোও অসাধারন।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: আমার মতে সেরা লেখা...উড়তে না পারা জ্বিনির দুঃখটা বেশ লেগেছিল যখন পড়েছিলাম। আমি কল্পনা করি যে এই গল্পটা বইয়ের শুরুতে থাকলে কেউ একবার পাতা উলটে না কিনে পারতো কিনা!

১৪. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০২

আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বেশির ভাগ গল্পই ছাপা কাগজে প্রথম পড়লাম।আগে ভার্চুয়ালী পড়ছি।পড়ে খারাপ লাগছে এমুন গল্প নাই বললেই চলে!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আপনি তো ভাই তেলাপুকা পাঠক:P

আমি কিন্তু খারাপ লাগাগুলো আপেক্ষিক বিবেচনায় বলেছি। প্রতিযোগিতাটা ২২টা গল্পের একের সাথে অন্যের। অন্য যেকোনো বইয়ের সাথে তুলনাটা পোস্টের শেষ প্যারা আর গল্প সমালোচনার আগে করেছি।

১৫. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩০

হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: আমিতো বলি "পাঠ-প্রতিক্রিয়া".....এইখানে ইচ্ছা করে "পাঠ্যালোচনা" লেখলাম।।। তবে , রিভিউ কে বলি "পুন:বীক্ষণ"....কিংবা "বিকল্প পাঠ", "ভিন্ন দর্শন"..........
এ ব্যাপারে
মিশেল ফুকো বলেন..............

জ্য পল সার্ত্র বলেন............

নোয়াম চমস্কি বলেন..............

নীটসে বলেন..........

জ্যা জিরাদু বলেন.....

আলবেয়ার ক্যামু বলেন....

বারট্রাণ্ড রাসেল বলেন..../

...............................(মন্তব্য বড় করার চেষ্টা নিলাম , অফটপিক মন্তব্য)

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ৭ জনের মধ্যে মাত্র তিনজনরে নামে চিনলাম, দুইজনের লেখা পড়ছি!:|

১৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

আমি রোদের ছেলে বলেছেন: হিমালয়৭৭৭ এর কমেন্টটার পূর্ণাঙ্গরূপ আনতে এতো কষ্ট করে কততো বড় লেখা লিখলাম। এখন কমেন্ট করে দেখি... কিচ্ছু নাই :(:(

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: আহহারে...কি লেখছিলেন?:(

১৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০২

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: রিভিউটি এককথায় চমৎকার হয়েছে। সমালোচনাগুলোও ভালো লাগল। এখানে একটি কথা- সুমন রহমানের আসলে এই একটি গল্পই অপ্রকাশিত ছিল। তাছাড়া তিনি রাজিও ছিলেন না ওই গল্পটি দিতে। কিন্তু অন্য নির্বাচকরা সেটিই সিলেক্ট করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি ওই গল্পটিকে পাঁচ রেটিং দিতে রাজি আছি।

১. যেহেতু বইয়ের মূল পাণ্ডুলিপি কৌশিক ও রাহাকে পাঠিয়েছি ইমেইলে, আমার ধারণা, সেখানে কিছু শব্দবিভ্রাট (বানানবিভ্রাট নয়) ঘটেছে মূলত ফন্টজনিত সমস্যায়। আগেও এই সমস্যাটি দেখেছি, ইউনিকোড থেকে কোনো কিছু প্রচলিত বাংলা বা বিজয়ে কনভার্ট করলে প্রিন্টের সময় শুধুমাত্র "ল্ল প্ল ম্ল গ্ল ক্ল ব্ল"- এই ধরনের যুক্তাক্ষরগুলো ভেঙে যায়। এটা একটা বাগ। কোথাও কোথাও মূল লেখার আদি বানান অবিকৃত রেখেছি। কিন্তু বানান ভুল তো তেমন চোখে পড়ল না। আপনি কি আরো কিছু উদাহরণ দিতে পারেন?

২. গত দুইবারের ব্যর্থতার পর এবার আসলে আমাদের মূল দায়িত্ব ছিল অপরবাস্তবকে যে কোনো ভাবে অন্তত ব্লগারদের হাতে পৌঁছানো। এর ফল পাওয়া যাবে আগামীতে। আমি এখনই বলে দিতে পারি যে, আগামী বছর থেকে গাঁটের টাকা খরচ করে আর অপরবাস্তব বের করতে হবে না। এর জন্য নিশ্চিতভাবেই ভালো প্রকাশক পাওয়া যাবে। এটাই আমাদের মূল সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

৩. আমাদের যে সংরক্ষিত গ্রুপ ছিল, তাতে ১৭ জন নির্বাচকের প্রায় সবাই লেখকের ছদ্মনামে নয়, স্বনামেই বই প্রকাশ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। আমার নিজের কাছেও এই সিদ্ধান্ত ঠিকই মনে হয়েছে। তাছাড়া গল্পের শেষের ব্লগ লিংকটি ব্রাউজারে পেস্ট করলেই নিকের নামধাম সবই পাওয়া যাচ্ছে। ছদ্মনামে লেখা প্রকাশ পাঠকের মনেও বাজে ফেলতে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা ছিল।

৪. যে কোনো ধরনের বিতর্ক এড়াতে বর্ণানুক্রমে বইয়ের সূচিপত্র তৈরি করা হয়েছে। এতে নবীন-প্রবীণ সবারই একটা সমানাধিকার থাকে।


নুশেরা @ আপনার নাম সঠিকভাবেই গেছে বইয়ে। শামীমের এই পোস্ট দেখুন- Click This Link

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: ১.সংযুক্ত ল টা বেশ চোখে লেগেছে, আরো কিছু দেখেছি মনে হয়। পেলে জানাবো।

২. একটা পোস্টার কমসে কম স্টলের আশেপাশে দেয়া যেত...হাতে আঁকা হলেও। আমি সাজিপুর জাগৃতি আর অপর বাস্তবের সংহতিতে প্যাচ লাগায় ফেলছিলাম। সংহতি নামটা মনেই পড়ছিল না। তারপর প্রায় আধা ঘন্টা লাগছে খুঁজতে। এমনকি স্টলের সামনে এসে ঘুরে না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত স্বাক্ষর নিতে থাকাদের জিজ্ঞেস করে বই কিনলাম। প্রশ্ন হলো এইটুক কষ্ট কোন পরিচিত পাঠককে আমি করাতে পারবো? একটা পোস্টার হতেই পারতো!

৩.আমার নিজের কাছে ছদ্মনাম ব্যবহারটা ইউনিক মনে হয়েছিল। আজকের যুগে কেউই লেখে না। একসময় বনফুল লেখতেন, রবীন্দ্রনাথও লেখতেন। পাঠক মনে বিরূপ প্রভাব পড়তো বলে মনে হয় না। যাই হোক...এটা তেমন কোনো বড় কিছু না।

৪. বর্ণানুক্রম বিতর্ক এড়াতে ভালো পদক্ষেপ। তবে আমি পাঠক হিসেবে এ পয়েন্টটা বলেছি। কি ধরণের পাঠককে টার্গেট করবেন তার উপর নির্ভর করে গল্পের ক্রম হতে পারতো। পাঠক মেলার স্টলে দাঁড়িয়ে উল্টেপাল্টে সর্বোচ্চ প্রথম গল্পের একটা পাতা পড়বে, সেখানে সহজ ভাষার একটা দারুণ পটভূমির গল্প কার্যকর হতে পারতো। নিঃসন্দেহে প্রথম গল্পটা অসাধারণ একটা গল্প ছিল...কিন্তু সেটা ভিড়ের মাঝে আধাআধি পড়তে থাকা এক পাঠককে আকৃষ্ট করার মতো না ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: দ্রুত একটা রিভিশন দিলাম। কিছু ভুল বের হলো। আরো হয়তো আছে।

পৃঃ১১, শেষ থেকে তিন নং লাইনঃ ...এমনকি মায় এই সিএনজিসুদ্ধা...
পৃঃ১৭, প্রথম থেকে ৯নং লাইনঃ ট্রান্সজিস্টরটা ...
পৃঃ৩৯, ৩অং প্যারার ১নং লাইনঃ ...সবার না চাওয়ার মধ্যে পৃথিবীতে ...
পৃঃ৪৯, শেষ থেকে ৬ নং লাইনঃ ...ঢেউটিনের পামিট দিচ্ছে...
পৃঃ৬৩,শেষ থেকে ৬ নং লাইনঃ ...সাত সুমুদ্দুর .........
পৃঃ৭০, ২ নং লাইনঃ ?
পৃঃ৭৩, ৪নং লাইনঃ ... ভেঁজা ...
পৃ৯৬ঃ১ম লাইনঃ ...কিন্তু কী করার...

১৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫২

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: "মায়" "সমুদ্দুর" শব্দগুলো তো সাহিত্যে চলে। "ট্রান্সজিস্টর" আর "পৃথিবীতে" ভুলটা কী? কথ্যভাষায় "পামিট"ও চলে, মানে কিনা পারমিট। "কী করার"ও তো ঠিকই আছে মনে হয়। কী বলেন আপনি?

২ নম্বর পয়েন্টে প্রচারণার বিষয়টি ঠিকই বলেছেন। এটা করা উচিত ছিল। আসলে কৌশিকও ব্যস্ততার মধ্যে সময় দিচ্ছেন। ওদিকে প্রকাশক রাহা তার অসুস্থ স্ত্রীকে ভারতে গেছেন। লোকেরও অভাব ছিল।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: কী শব্দটা বইয়ের মতো করে আমি অভ্র দিয়ে লেখতে পারি নাই। বইয়ে কী এর নিচে উ-কার আসছে।
সমুদ্দুর না, সুমুদ্দুর আসছে।
মায় টা ঠিক জানি না...হতে পারে।
ট্রানজিস্টর হবে কথাটা, ট্রান্স না।
পৃথিবী এর প এর নিচে হসন্ত আসছে, তারপর ঋ-কার; যদিও এটা খুব বোঝা যায় না।

তবে বানান বলতে গেলে সংযুক্ত ল টাই বেশি ঝামেলা করছে। এতোবার ইউজ হইছে...সব জায়গায় ভাঙ্গা।

১৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২২

নুশেরা বলেছেন: @ফিউশন ফাইভ-- নামের বানানের কথা বইয়ের জন্য বলিনি। "সত্যের মতো বদমাশ"-এর পোস্টের জন্য বলেছিলাম।

২০. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০৫

শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হুমম। আপনার একান্ত নিজের রেটিং দেখে ভালো লাগল। তবে, কিছুটা দ্বিমত আছে। মোস্তাফিজ রিপন/তারেক স্বপনের লেখা দুটোকে আমি পাঁচ এ পাঁচ দিতাম। আমার নিজেরটা এখানে আসবে সেটা ভুলেও বিশ্বাস হয়নি। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে হয়ত 'দুই' দিতাম।:)
কেন সেটা বলি: লেখাটাতে লেখক দেখাতে চেয়েছিল যেটা সেটার চেয়ে আজাইরা স্টুডেন্ট পলিটিক্সটাই বেশি গল্পে ঠাঁই পেয়েছি। এক্ষেত্রে গল্পটি আরেকটু বাড়ানো যেত। গল্পে মীরার সাথে পরিচয়টা খুব বেশি দেখানো হয়নি, ব্যাকগ্রাউন্ড তুলে আনার জন্য। বড় হয়ে যাবে কিংবা হবে এই ভয়ে এটা করা হয়নি। এটা লেখকের সীমাবদ্ধতা বলতে পারেন। কিছু গল্প এখনো পড়া হয়ে উঠেনি। তাই কিছু বলতে পারছিনা।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১২

লেখক বলেছেন: ১০ নং কমেন্টের জবাবটা দেখেন। ওই দুইজনের লেখা আমারও ভালো লেগেছে। কিন্তু সাধারণ পাঠক সেই লেখা কিভাবে নেবে? তারিক স্বপনের লেখার রেটিং একটা মানুষ তখুনি ভালো দিবে যখন সে গল্পটি কেমন হলো সে প্রশ্নের উত্তর দিতে যাবে...অর্থাৎ সাধারণ পাঠক যখন সমালোচকের আসনে থাকবে। কিন্তু পাঠকের অবস্থান থেকে আমার মনে হয় দুটি গল্পই এই রেটিং ই পেত। আর মোস্তাফিজ রিপনের লেখাটার শেষে এসে কিছুটা অহেতুক অলৌকিকতা ভালো লাগেনি, বরং হুমায়ূন আহমেদের কথা মনে করিয়েছে।


আপনার গল্পের বেলায় বলি, আপনি অনেক কিছি স্বল্প পরিসরে আনতে চেয়ে একটু গোলমেলে করে ফেলেছিলেন। স্বতঃস্ফূর্ততার ব্যাপারটাও একটু কম ছিল। আর ২ নং কমেন্টের জবাবের ২য় প্যারা দেখেন। এটা যেন আপনাদের মতো পাবলিকের জন্যই লেখা।:P

২১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪০

সত্যের মত বদমাশ বলেছেন: আপনার সাদা চোখের পর্যালোচনা সত্যিই অসাধারণ হয়েছে!
বিশেষত গল্পের পর্যায়ক্রমিকতার চেয়ে ভিন্নভাবে রেটিং করার কারণে বিষয়টা চোখে পড়ার মত।

ধন্যবাদ

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: পর্যায়ক্রমিক বানাতে চেয়েছিলাম। বেশ কঠিন কাজ। ভালোর সাথে ভালোর তুলনা সবসময়ই কঠিন!

২২. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

পূর্ব বলেছেন: ভালা লেগেসে । আমার যখন বই বেরুবে আপনার কাছে একটা কপি পাঠায়া দেবো.....

সমালোচনা সাহিত্যে দিকপাল হবার সমূহ সম্ভাবনা আছে দেকি আপনার মধ্যে ।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: রবীন্দ্রনাথকেও তাঁর লেখার জন্য কট্টর সমালোচনায় পড়তে হয়েছিল। তাতে উনি দমে যাননি...
আরো শুনেছি, শেষের কবিতার মতো অমর উপন্যাস সমালোচকদের ব্যঙ্গ করেই নাকি লিখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথকে এখন সবাই চিনে, হাজার বছর পরেও বাঙ্গালি জাতি বেঁচে থাকলে তিনি বেঁচে থাকবেন। আর তাঁর সমালোচকদের নাম-পরিচয় মৃত্যুর পরে অস্থি-চামড়া পুড়ে ছাই হওয়াতেই মিলিয়ে গেছে। মাঝে মাঝে তাও তাদের নাম উঠে আসে রবীন্দ্রনাথের সমালোচক পরিচয়ে...

পূর্বের লেখার সমালোচনা ভাঙ্গা পেন্সিল অবশ্যই করবে। হাজার হোক, পূর্ব যদি তাঁর ভক্তদের মাঝে বেঁচে থাকে...ভাঙ্গা পেন্সিলও পূর্বের সমালোচক হয়ে বেঁচে থাকবে।;)

২৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

হাল্ক বলেছেন: আমিও কিনে পড়লাম। ভালো লাগে নাই খুব একটা।

আমার কাছে মনে হলো, ব্লগ আর বই একসাথে যাবে না। বেশিরভাগ গল্পই তাড়াতাড়ি শেষ করে দেয়া হয়েছে এবং সেটা চোখেও পড়ে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: এই কথাটা কিন্তু আমি নুশেরাপুর কমেন্টের জবাবে বলছি। ব্লগের বিশাল সব গল্প বইয়ে এসে ১-২ পৃষ্ঠায় শেষ! যদিবা গল্প সংকলন কাজ করে, ব্লগ থেকে উপন্যাস সংকলন কি বের হবে?

২৪. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৫

সাহারা তুষার বলেছেন: ভাল লেগেছে। লেখার হাত ভাল। সামনের পথ খোল- চালিয়ে যান।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: এই খানে তো আমারে কষ্ট কইরা কিছু লেখতে হয় নাই...এইখানে আমি পড়ার অভিজ্ঞতা জানাইলাম।

ধন্যবাদ

২৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

ইউনুস খান বলেছেন: ভালো থাকুন সবসময়।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা! :D

ভাইজান কি শহীদ হইছেন নি?;) ব্লগে দেখা-টেখা যায় না!

২৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

তানভীর মোর্শেদ বলেছেন: ফিউশন ফাইভ @ ও ভালো প্রকাশক (!!) পাইলে রাহারে বাদ... চমৎকার মানসিকতা!!! +++++++

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: বইয়ের কোন গল্প কেমন লেগেছে বা প্রকাশনার ত্রুটি সাফল্য, বইয়ের সাফল্য ইত্যাদি নিয়ে কথা বলেন।

২৭. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

জানা বলেছেন:

অপর বাস্তব-৩ পড়ার পর বইটি নিয়ে আমারও কিছু লিখতে ইচ্ছে হয়েছে। নানান ঝামেলায় সেই ইচ্ছাটা খানিকটা চাপা পড়েই গেলো বুঝি।

বইটি নিয়ে ভাল একটা রিভিউ পড়ে খুব ভাল লাগলো। রেটিং নিয়ে কোথাও কোথাও আমার একটু দ্বিমত রয়েছে।

ফাহমিদুল ভায়ের কাছে আর একটি রিভিউ আশা করছি।

অনেক ধন্যবাদ লেখককে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু তার চাইতে বেশি আগ্রহী আহমেদ মোস্তফা কামাল সহ আরো যারা প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য বিশারদ আছেন এবং একই সাথে বইয়ে লেখা ছাপা হয়নি, তাদের রিভিউ পড়তে।

আপনাকেও ধন্যবাদ

২৮. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৬

কোজাগরী চাঁদ বলেছেন: ভালো ভালো !!! দেই একটা মাইনাস!! হিহি

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪২

লেখক বলেছেন: দাও দাও, আমি তোমারে প্লাসই দিবো। পূর্বরে দিমু মাইনাস;)

২৯. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন, 'ল' যুক্তাক্ষরগুলোই সমস্যার সৃষ্টি করেছে কিছুটা। রাহা যদিও তার স্ত্রীকে নিয়ে ইন্ডিয়া যাওয়ার আগে বেশ পরিশ্রম করেছেন, কিন্তু মেইলে দেওয়া আমার ইন্সটাকশন তিনি ঠিকভাবে অনুসরণ করেননি। আমি মেইলে তাকে ফন্টও পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু পরে বই প্রিন্ট হওয়ার পর মনে হল তিনি তা ফন্টগুলো ইনস্টল করেননি। তাছাড়া কোয়ার্ক এক্সপ্রেসে প্রিন্ট দেওয়ার সময় কিছু ট্রিকস মানতে হয়। পরে দেখা গেল, সেটা মানা হয়নি। ফলে বইয়ের ভেতরে যে ইমেজগুলো ব্যবহার করেছিলাম, তা যথেষ্ট ঝকঝক করছে না। যা হোক, এরপরও রাহার পরিশ্রম অসামান্য। তাকে ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করতে চাই না।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: অবশ্যই...ত্রুটি খুঁজলে হয়তো অনেক খোঁজা যায়। তবে আমরা উজ্জ্বল দিকটা দেখবো।

৩০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

ফিউশন ফাইভ বলেছেন: তানভীর মোর্শেদ @

ভাঙ্গা পেন্সিল এই পোস্টে যে প্রচারের অভাবের কথা বলেছেন, এর জন্যই প্রতিষ্ঠিত প্রকাশক দরকার। এইসব প্রচারণার কাজ, বই মার্কেটিংয়ের কাজ বিচ্ছিন্নভাবে ব্যক্তি উদ্যোগে হয় না আসলে। আর রাহা হলেন অপরবাস্তবের আদি উদ্যোক্তা। তাকে বাদ দেবে কে? আমার দায়িত্ব অপরবাস্তব-৩ পর্যন্তই। আগামীবারের কথা আদি উদ্যোক্তারাই ভাববেন। আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতার কথাগুলোই তাদের জানাতে পারি।

৩১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫৩

রেজওয়ান শুভ বলেছেন: ভাই একটু কষ্ট করেন তো ........

নীতিমালার একটা খসরা বানাইয়া ফালান। তারপর তা দিয়া প্রথম পাতায় একটা পোস্ট দেন অার আমারে মেইল কইরা দেন।

খুব খেয়াল কৈরা , কোন ফাঁকফোকড় যেন না থাকে

এই কাজটা অাপনে অার একলব্যের পুনর্জন্ম ২ জন মিলে করবেন ;)

৩২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

সুমন রহমান বলেছেন: ভাঙা পেন্সিল সুমন রহমানের গল্পের যে রেটিং করেছেন তার সাথে আমি একমত। আসলে এটা গল্প নয়, ফিউশন ফাইভ বলেছেন বিষয়টা। এট ছাপা হোক এ বিষয়ে নীতিগতভাবে আমি একমত ছিলাম না। তবু ছেপে দেয়া হয়েছে, সম্ভবত সার্বিকভাবে আমার গল্পের ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রীতিকর অনুভূতি কাজ করেছে এই সিদ্ধান্তের পেছনে।

বিদ্যাকূট নিয়ে পূর্ণাঙ্গ একটা গল্প তৈরি করার অংশ হিসেবে ব্লগে ঐ খসড়াটুকু লেখা। ফলে একে "গল্প" বিবেচনা অন্তত আমি করছি না। মূল গল্পটি বের হলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে হয়তো।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: পাঠক হিসেবে আমার কাছেও কিন্তু খসড়া মনে হলো:`>

৩৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৮

সাহারা তুষার বলেছেন: অভিজ্ঞতা জানাতে হলে বুঝি লেখা লাগে না?

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: সবচাইতে বেশি তো পড়া লাগে। অল্প অল্প লেখতে পারলেই হয়:)

৩৪. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৪

তামিম ইরফান বলেছেন: নাফিস কে কি জন্য কোন পোষ্টের জন্য ব্যান করা হইছে?

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০৬

লেখক বলেছেন: জানি না...সবাই ফ্লাডিং করে মডারেটরের মাথা খারাপ করে দিচ্ছ...হুদাহুদি ব্যান তো গত কয়েকদিন ধরে হচ্ছে। যেইধরণের রম্য নাফিস আগে করতো, সেইরকম রম্যই করছে। কিন্তু ওইটার জন্য ব্যান কেন করছে কে জানে? আর দুপুর তিনটা বাজে ব্যান করছে ...অথচ নোটিশবোর্ড বলে সবাই পিকনিকে ছিল। ওরা কি ব্যাখ্যা দেয় কালকে জানা যাবে। তবে এইটা নিয়া রাগ করে ব্লগ ছাড়ার মতো কিছু নাই। দোষ মডারেটরের যেমন আছে, আমাদের ব্লগারদেরও আছে।

বাড়াবাড়ি কিন্তু মডারেটর যেমন করছে, ব্লগারেরাও কম করতাছে না।মডারেটরদের অস্বচ্ছ মডারেশনের জন্য আস্তে আস্তে এরকম করে ভালো ব্লগার চলে যাবে আর ব্লগারদের ফ্লাডিং এর জন্য নতুন কোনো ব্লগার আসবে না, ব্লগও ভালো লাগবে না...পরিবেশ আরো খারাপ হবে। গত ৪৮ ঘন্টায় আমি পড়ার মতো পোস্ট পাইনি। আমরা এইসব প্রতিবাদ মনে করতাছি...নতুন ব্লগারেরা গেঞ্জাম মনে করে ভাগতাছে। হিসাব করতে বসেন সবাই, এতে কারা লাভবান হচ্ছে?

বাংলাদেশে যখন হরতাল হয়, কিছু মানুষ সে হরতালরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বলে মনে করে , কিন্তু বাইরের দেশের ইনভেস্টররা কিন্তু এইটারে গোলমাল মনে করে অন্য দেশে ভাগে।

৩৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৮

কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। অপরবাস্তব-৩ এ প্রকাশিত গল্পগুলোর রিভিয়্যু, রেটিং ও সমালোচনা ভাল লাগলো। কয়েকটা গল্পতো এক কথায় অসাধারণ। আগামী বইমেলায় আরো ভাল কিছু আশা করছি। ব্লগারদের লিখতে উৎসাহিত করার জন্য এমন প্রয়াশ প্রশংসার দাবীদার। অপরবাস্তব-এর ক্রমোন্নতি বা উত্তরণ সেটাই প্রমাণ করে।

০১ লা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: অপর বাস্তবের মতো অপর কল্পনা বানিয়ে হলেও ব্লগীয় কবিদের সুযোগ করে দেয়া উচিৎ। কি বলেন?:)

৩৬. ০৪ ঠা মে, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

মুহিবমুন্সি বলেছেন:
হুম...রিভিউটি দেরিতে পড়লাম, দেরিতে দেখলাম বলেই ।

মোস্তাফিজ রিপন আর তারিক স্বপনের গল্পের রেটিং ব্যাপারে একমত নই । পাঠকের সহজবৌধ্যতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, সেইসাথে নতুন একটা ধারা, নতুন একটা ভঙ্গি যদি কেউ দিতে পারে, সেটাকেও কম গুরুত্বপূর্ণ বলা চলেনা । মোস্তাফিজ রিপন আর তারিক স্বপন এ জায়গাটাই ব্যতিক্রম । ছোটগল্পে তাঁরা একটা নতুন ধারা তৈরি করছেন বলে বিশ্বাস হয় । ব্যক্তিগতভাবে এ দু'জনকে আমি ব্লগের সেরা গল্পকার হিসেবে নির্বাচিত করবো.. ।

(অ)গাণিতিক একজন অসাধারণ গল্পকার । দুঃখের বিষয় ব্লগ থেকে আমরা এই দারুণ প্রতিভাবান লেখককে প্রায় হারিয়ে ফেলেছি । ভালো লাগছে নির্বাচিত আরো অনেক গল্পের সঙ্গে "তারার ফুল" গল্পটিও আমার মনোয়ন ছিল বলে ।

ধন্যবাদ, সযত্ন পাঠের জন্য ।

০৪ ঠা মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: অগাণিতিক ঠিক হারিয়ে যায়নি, ব্যস্ততা মনে হয়...মাঝে সাঝে লিখেন।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন