somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কম্পিউটার কিভাবে কাজ করে-? অনুমাননির্ভর পোষ্ট-

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সম্পূর্ণটাই নিখাদ অনুমান, সুতরাং এটাকে বিশ্বাস করলে ঠকে যাওয়ার সমুহ সম্ভবনা। বরং নিজস্ব প্রয়োজনেই এইসব অনুমানের যথার্থতা যাচাই করবার প্রচেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অভিমত জানবার প্রচেষ্টা এই লেখা-

-------------------------------------------------------------------------
তখনও বাংলাদেশের ঘরে ঘরে কম্পিউটার আসে নি, কম্পিউটার এক্সেসরিজের প্রচন্ড দাম, তখন আমার এক বন্ধু হোম মেড সিডিপ্লেয়ার তৈরি করতো। সস্তাও ছিলো। বাজারে যখন একটা মোটামুটি মানের সিডি প্লেয়ারের দাম ৫০০০ তখন সে সিডি প্লেয়ার তৈরি করতো ৩০০০ টাকার ভেতরেই। মূল উপাদান বিশেষত কম্পিউটার এক্সেসরিজের সিডিরম আর সাথে দুটো সাউন্ডবক্স। তার দিয়ে সংযুক্ত করে দিলেই গান বাজতো।

বিষয়টা অভাবনীয় ছিলো আমার জন্য। আমি প্রযুক্তির বাইরের মানুষ, মূলত তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে অনুমান করি, সমস্যা সমাধানের প্রয়োজনীয় মেধা না থাকায় সেখানেও তেমন উন্নতি করতে পেরেছি এমনও না।

আমার তখনও বোধগম্য হতো না, আদতে কি ভাবে এই সিডিরম কম্পিউটার সফটওয়্যারের কোনো সহযোগিতা ছাড়াই কাজ করতে পারে? কম্পিউটারে সফটওয়্যার থাকবে, সেই সফটওয়্যার দিয়ে সিডি বাজানো যাবে- এই সহজ স্বাভাবিক বিষয়টাই কোনো রকম সফটওয়্যারের সাহায্য ছাড়া ঘটছে এবং সেটা নিয়মমতোই কাজ করছে - এই অদ্ভুত বিষয়টাই আমাকে অনেক দিন চিন্তিত করেছে।

অবশ্য তত্ত্বীয় অনুমান করে একটা গ্রহনযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো যেতোই। যেটা আমার অনুমান ছিলো এর গ্রহনযোগ্য সমাধান বিবেচনায়। সিডিরমের মূল উপাদান এর আলোকসংবেদী অংশ, যেটা দিয়ে আলো আপতিত হয় সিডির উপরে, সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে যেখানে গিয়ে অন্য সংবেদ তৈরি করে সেটাই সিডির ভেতরের তথ্যকে প্রকাশ করে। সিডির এই তথ্য পড়ে নেওয়ার ক্ষমতাটা সিডিরমের আলোকউৎস এবং আলোকগ্রহন করবার যন্ত্রের ভেতরেই থাকে- সুতরাং কম্পিউটার নামক যন্ত্রাংশটির কোনো প্রয়োজন নেই।

অনুমানটি তেমন সঠিক না ও হতে পারে- তবে কোনো এক দিন এক বন্ধুকে দেখলাম কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ক্রাশ করার পরেও সিডি বাজাতে। পাওয়ার অন করে সিডিরমের উপরে বোতাম চেপে চেপে দিব্যি গান শোনা গেলো।

সমস্যা উদ্ভব হলো ডিভিডি আসবার পরে- ডিভিডিরম ডিভিডি পড়তে পারে। সেটাই তার কাজ- কিন্তু ডিভিডি রমে অনায়াসে সিডিও চলে, গান বাজে- কিন্তু সিডিরমে এইকাজটা সম্ভব হয় না। গঠনগত দিক দিয়ে ডিভিডি এবং সিডির ভেতরে পার্থক্য আছে। পার্থক্য আছে ডাটাস্টোরেজের ধরণে। এমন কি যেই লেজার ব্যবহৃত হয় ডিভিডিরমে সিডিরমে সেই লেজার ব্যবহৃত হয় না।

মূলত প্রশ্নটা সেখানেই চলে আসলো, সিডিরমে যে লেজার ব্যবহার করা হয় সেটা ডিভিডিতে ব্যবহার করা হয় না, ডাটারিডিং মোডও ভিন্ন এরপরও ঠিক কিভাবে ডিভিডিরমে সিডি চলতে পারে? এর বিপরীত প্রক্রিয়া কেনো সম্ভব হয় না।

--------------------------------------------------------------------------

কম্পিউটার নিয়ে আমার এক বন্ধুর প্রধান অনুযোগ এত প্রযুক্তির উন্নতি ঘটছে কিন্তু টিভি ছাড়া মাত্রই আমরা টিভি দেখতে পারলেও কম্পিউটার ছাড়বার সাথে সাথেই কেনো কাজ শুরু করা যায় না।
আমি কম্পিউটার প্রকৌশলের কেউ না, সুতরাং আমার অনুমানগুলো ভুল হওয়ার শতভাগ সম্ভবনাই আছে। এই সম্ভবনা নিয়েই তার সাথে জ্ঞানী আলোচনা চালিয়ে যাওয়া আমার।

সফটওয়্যার লোড হতে সময় লাগবে তাই কাজ শুরু করা যাবে না। অপারেটিং সফটওয়্যার লোডিং টাইম কমিয়ে দিলে হয়তো সমস্যার সমাধান সম্ভব। তাই ভালো কনফিগারেশনের পিসি কেনার প্রবনতা রয়েছে অফিসগুলোতে। আরও দ্রুত গতির কম্পিউটারের কোনো প্রয়োজন হয় না আমার। আমি বিনোদনের কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করি, লোড হতে তেমন সময় নেয় না, এরপরও একটা ন্যুনতম সময় লেগেই যায়।

বন্ধুর প্রশ্ন এরপরও কেনো এটা সম্ভব হয় না, কম্পিউটারের মনিটর কিছুক্ষণ খালি থাকে, এরপর সফটওয়্যার লোডিং দেখায়, বুট হয়, এই বুটিং টাইম আর ডিসপ্লে টাইম কমাতে পারছে না কেনো প্রযুক্তি?

বুটিং সফটওয়্যার দিয়েও আসলে সময়টা কিছুটা কমানো সম্ভব হলেও তাৎক্ষণিক হয়ে উঠে নি বিষয়টা। কারণটা কি হতে পারে?


মূলত কম্পিউটারের তথ্যগুলো হার্ডডিস্কে জমা থাকে, কম্পিউটার চালু করবার পর হার্ড ডিস্ক থেকে তথ্য উদ্ধারের কাজটা শুরু হয়, এবং এজন্য অনেকগুলো প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। আমার তেমন ধারণা নেই এগুলো সম্পর্কে, ম্যাশিন ল্যাংগুয়েজ রয়েছে। ম্যাশিন ল্যাংগুয়েজের কাজ সম্ভবত হার্ডডিস্কের তথ্যগুলো কিভাবে প্রসেসরে আসবে এবং কিভাবে সেটার ভিত্তিতে তথ্য যাচাই ও তথ্যপ্রক্রিয়াকরণের কাজটা শুরু হবে সেটাকে নির্ধারণ করে দেওয়া। সিস্টেম ফেইলিউরের প্রধান কারণ এই ম্যাশিন ল্যাংগুয়েজ সংক্রান্ত জটিলতা। হার্ডডিস্ক খুঁজে না পেয়ে কম্পিউটারের সফটওয়্যার লোড হতে পারছে না, অপারেটিং সিস্টেম শুরু হচ্ছে না। এই ধাঁচের প্রাথমিক সমস্যাগুলো ম্যাশিন ল্যাংগুয়েজ জনিত সমস্যা।
অপারেটিং সিস্টেম একবার শুরু হলে সেটার ভিত্তিতেই বিভিন্ন কমান্ড লিখে কম্পিউটারের কার্যক্রম শুরু করা যায়। উইন্ডোজ ঘারানার অপারেটিং সিস্টেম মূলত আমাদের এইসব বাড়তি জটিলতা থেকে মুক্ত রেখেছে। আমরা চিহ্ন দেখে সেটাতে ক্লিক করেই প্রয়োজনীয় কাজগুলো করতে পারি, এমন কি স্বয়ংক্রিয় বুট প্রক্রিয়া থাকে বলেই আমাদের এ বিষয়ে তেমন ভাবতে হয় না। কোনো কমান্ড লিখবার প্রয়োজন নেই।

তাৎক্ষণিক বুট করা যদি সম্ভও হয় তাহলেও কি টিভির মতো সুইচ অন করা মাত্রই মনিটর ডিসপ্লে করবে? আমার নিশ্চিত উত্তর না। এটা ঘটা সম্ভব হবে না। মূলত আমাদের হার্ড ডিস্কে সংরক্ষিত তথ্যগুলো পড়বার জন্য হার্ডডিস্ককে একটি নির্দিষ্ট ঘূর্ণন বেগ অর্জন করতে হয়। বর্তমানে সম্ভবত এটা ৭০০০ আরপিএম। মানে প্রতি মিনিটে এটা ৭০০০ বার আবর্তিত হয়। যে ম্যাশিন হার্ডডিস্কের চাকতির এই ঘূর্ণনকে নিয়ন্ত্রন করে সেটা স্থির অবস্থা থেকে শুরু হয়ে ৭০০০ আরপিএমএ যেতে ন্যুনতম যে সময়টা নিবে সেটার আগে কম্পিউটারের মনিটরে ডিসপ্লে দেখা সম্ভব নয়। অন্য যেকোনো প্রক্রিয়া অবলম্বন করেও এই সময় সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের উপায় নেই।

তবে টিভি কার্ড ব্যবহার করলে মনিটরে টিভির মতোই স্বল্প সময়েই ডিসপ্লে দেখা সম্ভব। তবে প্রশ্ন হলো যদি আমি একই বুটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করি তাহলে ৭০০০ আরপিএম এবং ৩৬০০ আরপিএম কোন হার্ডডিস্ক ব্যবহার করলে আমার মনিটর তাড়াতাড়ি ডিসপ্লে দেখাবে? আমার সিদ্ধান্ত ৩৬০০ আরপিএম দ্রুত গতির হওয়া উচিত- যদি ঘূর্ণকের ক্ষমতা একই থাকে।


তৃতীয় প্রশ্নটিও এ সংক্রান্তই- আসলে আমাদের হার্ড ডিস্কে আমরা কিভাবে তথ্য সংরক্ষিত করি? বাইনার পদ্ধতিতে আমরা কম্পিউটারের কাজ চালাই- এটা পড়ছি- কম্পিউটার শুধু ০ আর ১ চিনে এটা জেনে ফেললেও হার্ডডিস্কে কিভাবে এই ০ আর ১ চিহ্নিত হয়? ৭০০০ আরপিএম এ হার্ডডিস্ক ঘুরলে কিভাবে এই ০ আর ১ গুলোকে কার্যকর পদ্ধতিতে এক্টিভেট করা যায়।

হার্ড ডিস্কে জমা তথ্যের এক্সটেনশন বদলে দিলে এটা অকার্যকর হয়ে যায়। অনেকেই এই প্রক্রিয়ায় নিজের কম্পিউটারে তথ্য গোপন করে। তথ্যগোপন এবং তথ্যপাচারের এটাও একটা পদ্ধতি। ফাইল এক্সটেশন বদলে দেওয়া- এমন কি ওয়ান সাইজ ফিটস অল ধাঁচের একই সফটওয়্যার দিয়ে টেক্সট ফাইল, ইমেজ ফাইল, ভিডিও ফাইল, মিউজিক ফাইল চালানো সম্ভব হয় না। ১ মেগাবাইটের বই যা টেক্সট ফরম্যাটে আছে আর ১ মেগাবাইটের এমপি৩ ফাইলের ভেতরে পার্থক্য কিভাবে তৈরি হয়? ফাইল এক্সটেনশন কিভাবে কাজ করে এখানে? যদি ০ আর ১ই মূল একক হয় তবে কিভাবে এদের ভিন্নতা হার্ডডিস্ক চিহ্নিত করে?

আমার অনুমান হার্ডডিস্ক আসলে কোনো কিছুই চিহ্নিত করে না। ম্যাগনেটিক ডাটা স্টোরেজ সিস্টেম আছে বলে যে ডাটাই দেওয়া হোক না কেনো সেটাই সে সংগ্রহ করে জমিয়ে রাখে। মূলত এই ডাটা এনক্রিপশনের কাজটা চিহ্নিত করবার জন্যই নির্দিষ্ট এক্সটেনশনের প্রয়োজন। এই সংরক্ষিত ডাটাস্ট্রীম কি প্রক্রিয়ার পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে এবং তা কিভাবে দর্শকের কাছে প্রতীয়মান হবে এটা নির্ধারণ করে দেয় এর সাথে সংযুক্ত এক্সটেনশন। এখানেই আমার পুনরায় প্রশ্ন তৈরি হয়- এক্সটেনশন কিভাবে ডাটাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে? সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার ভেতরে কি ভিন্নতা আছে- সাজানোর ধরণ কি বদলে যায় সফটওয়্যারের কারণে? এক্সটেনশনগুলোকে ডাটা সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রন করে?

প্রতিটা ডাটাগুচ্ছের সাথে কি তবে আলাদা একটা রিডিং ম্যাশিন থাকে- যা সফটওয়্যারের সাথে ডাটার সংযোগ ঘটায়, চিহ্নিত সফটওয়্যারকে বলে দেয় এই সজ্জিত তথ্যগুলো তোমরা এই প্রক্রিয়ায় খুলতে পারবে?

তাহলে কি সংরক্ষিত তথ্যগুলোর সাথে বাধ্যতামূলক একটি ক্ষুদ্র এক্সিকিউটিং মোড তৈরি হওয়া থাকে? এইসব প্রশ্ন আদতে কখনই মাথায় আসতো না। প্রশ্নটা মাথায় আসলো এই তথ্য জানবার পরে, হার্ডডিস্ক থেকে যদি কোনো কিছু ডিলিট করে ফেলা হয় তবে সেই ডিলিট করা তথ্যের উপরে যদি নতুন তথ্য লেখা না হয় তবে সেটা পুনরুদ্ধার করা সম্ভ.

আদতে এই প্রক্রিয়াটা কিভাবে কাজ করে? সংরক্ষিত প্রতিটা তথ্যপ্যাকেটের সাথে এই পরিচিত ফাইল এক্সিকিউটিং মোডকে সংযুক্ত করে সেটাকে পঠনযোগ্য করে তুলবার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।
যদি মুছে দেওয়া তথ্য কোনো একটি এক্সিকিউটিং মোডে সংবেদনশীল হয়ে উঠে তবে সেটাকে রিকভার করে ফেলে?

প্রশ্নটা পুনরায় চিন্তিত করে? তাহলে আমরা যখন ডিলিট করি, তখন আমরা আদতে কি করি? আমরা কি কোনো উপায়ে শুধু এই সঞ্চিত তথ্যের সাথে লেগে থাকা এক্সিকিউটিং মোডের প্যারামিটারগুলোকে মুছে ফেলি না কি আমরা সম্পূর্ণ সংরক্ষিত তথ্য সজ্জাকে মুছে ফেলি?

--------------------------------------------------------------------------------
আমার অনুমান আমরা প্রথমটাই করি- আমরা শুধুমাত্র ডাটাএক্সিকিউটিং প্রসেসের সাথে সংযুক্ত কোডগুলোকে মুছে ফেলি, ফলে সেখানে তথ্য খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করলেও অপারেটিং সিস্টেম কিংবা সফটওয়্যার সেই সংরক্ষিত তথ্যগুলোকে কোনো নির্দিষ্ট উপায়ে প্রকাশযোগ্য কিংবা পঠনযোগ্য করে তুলতে পারে না।
১৩টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×