আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

We need some break! আড্ডাবাজ পরশমনিতে

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৪:৩১

শেয়ারঃ
0 0 0

We need some break, silence and pause in our busy life. আড্ডাবাজের ব্লগজীবনের এ প্রথম লাইনটি মনে করিয়ে দেয় ২০০৫ এর ৫ই জানুয়ারী তিনি ব্যস্ত জীবন থেকে দৃষ্টি ফিরিয়েছেন বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা গড়ার এক বিশাল প্রত্যয়ে, এ সময়ের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনের দিকে। তিনি নিজে বলেছেন নিজের নাম না দিয়ে আড্ডাবাজ নাম দিয়ে লেখার রহস্য ও কৌতুহূল সবার। .....আমার নাম ও জীবনবৃত্তান্তের চেয়ে, 'আড্ডা্থর মূল্য ও গুরুত্ব অনেক বেশী। সে আড্ডার স্ফুলিংগ ছড়াতে আজ তিনি আগুনের পরশমনিতে।

২০০৫ এর ১৭ই ডিসেম্বর আড্ডার বাংলা ব্লগ জীবন শুরু। সুপ্রাচীন ব্লগার। আগুনের পরশমনিতে তিনি আজ তার জীবন আড্ডার খেয়ালী সংগীত পরিবেশন করবেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার স্পষ্ট অবস্খান আমাদেরকে উদ্বেলিত করে, আন্দোলিত করে। আজকে আমরা জানবো অনেক ক্লাসিফাইড ইনফো - যা শাণিত করবে আমাদের চিন্তার দৌড়কে। প্রশ্ন করতে থাকুন - উত্তরের জন্য শনিবারের চেয়ে বেশী অপেক্ষা করতে হবে না,কথা দিচ্ছি!আড্ডাবাজের ব্লগজীবনের এ প্রথম লাইনটি মনে করিয়ে দেয় ২০০৫ এর ৫ই জানুয়ারী তিনি ব্যস্ত জীবন থেকে দৃষ্টি ফিরিয়েছেন বাংলাদেশ নিয়ে ভাবনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার সংগ্রহমালা গড়ার এক বিশাল প্রত্যয়ে, এ সময়ের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনের দিকে। তিনি নিজে বলেছেন নিজের নাম না দিয়ে আড্ডাবাজ নাম দিয়ে লেখার রহস্য ও কৌতুহূল সবার। .....আমার নাম ও জীবনবৃওান্তের চেয়ে, ্থআড্ডা্থর মূল্য ও গুরূতশ্চ অনেক বেশী। সে আড্ডার স্ফুলিংগ ছড়াতে আজ তিনি আগুনের পরশমনিতে।

২০০৫ এর ১৭ই ডিসেম্বর আড্ডার বাংলা ব্লগ জীবন শুরু। সুপ্রাচীন ব্লগার। আগুনের পরশমনিতে তিনি আজ তার জীবন আড্ডার খেয়ালী সংগীত পরিবেশন করবেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তার স্পষ্ট অবস্খান আমাদেরকে উদ্বেলিত করে, আন্দোলিত করে। আজকে আমরা জানবো অনেক ক্লাসিফাইড ইনফো - যা শাণিত করবে আমাদের চিন্তার দৌড়কে। প্রশ্ন করতে থাকুন - উত্তরের জন্য শনিবারের চেয়ে বেশী অপেক্ষা করতে হবে না,কথা দিচ্ছি!

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ২:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৭
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ আপনাকে অভিনন্দন। প্রথমে একদম একটা সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে শুরু করি। অমি রহমান পিয়াল তার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে প্রতিকূলতা, সাহস ও ভয় সংকান্ত একটা চিত্রন এঁেকছেন তার লেটেস্ট লেখাতে। সেখানে পরিষ্কার প্রতীয়মান হয় যে, এ নিয়ে যারা কাজ করেন তারা প্রতিনিয়ত নানাবিধ প্রতিকূলতার সম্মুখীণ হচ্ছেন। যা অনেক সময় ভয়াবহও হতে পারে। এ প্রসংগে ভন্ড এক পীরের এখনও বহাল তবিয়তে ওরশ করে যাবার বিষয়টিও এসেছে যার সাথে প্রধান একজন নেত্রীর পারিবারিক সম্পর্কও বিদ্যামান। এ তথ্য প্রকাশও হয়তো একটা বিশাল রিস্কি সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এধরণের আর কোন অভিজ্ঞতার কথা কি আপনি আমাদের সাথে শেয়ার করবেন?
২. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১১:২৩
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ, আপনাকে আগুনের পরশমণিতে পেয়ে ভালো লাগছে। প্রশ্ন:
1) 1990 এর পর বাংলাদেশে আমরা তিনটি নির্বাচিত সরকার দেখেছি। ক্রমান্বয়ে আমরা দেখতে পাচ্ছি - প্রধান রাজনৈতিক দল গুলোর মাঝে ব্যবধান দিন দিন বাড়ছে। পারষ্পরিক সহনশীলতা ও সহযোগিতা হ্রাস পাচ্ছে। দল গুলোর অভ্যন্তরেও গণতন্ত্রের চর্চা নেই। এ ট্রেন্ড থেকে বেরুনোর কোন পথ আপনি দেখছেন কি?

2) পারিবারিক প্রভাবে তারেক ও জয়ের রাজনীতিতে আগমন আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

3) ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ছোবল সম্পর্কে দেশের তৃণমূল মানুষকে কিভাবে সচেতন করা যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
৩. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:০৭
অতিথি বলেছেন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়টাকে অনেকে লম্বা একটা ছুটি হিসাবে এখনই দেখা শুরু করেছেন। অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট, লাইসেনস প্রদান থেকে শুরু করে বড় ধরণের কোন কাজ না হবার সম্ভাবনাই বেশী। এত কমপ্লেক্স একটা দেশে তিন/চার মাসের জন্য একটা অস্থায়ী সরকারের হাতে দায়িত্বভার অর্পনটাকে কতটুকু যৌক্তিক মনে করেন?
৪. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৫:০১
অতিথি বলেছেন: হুম, এখানে দেখি হ্যামলকের কাপ সাজানো হচ্ছে। দেখা যাক, কি হয়? আমি চেস্টা করব শুক্রবার রাত থেকে উওর দিতে। না পারলে, শনিবার সকাল থেকে উওর আসা শুরু করবে। ধন্যবাদ।
৫. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:২৯
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ, আপনি আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন। কিন্তু কেন?

প্রথম বাংলাদেশী ব্লগারদের সম্মেলন আয়োজন করেছিলাম আমরা এ বছর ফেব্রুয়ারীতে। আপনি বলেছিলেন আসতে পারবেন না। কারনটা জানতে পারি?

আপনার ইংরেজী ব্লগটা আগাচ্ছে না । আপনাকে মিস করছি বড্ড। বাংলাদেশের সেরা টাইপের আরও সিরিজ চাই।
৬. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:৩২
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ কি কোন পত্রিকায় আছেন?
৭. ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:৩৬
অরূপ বলেছেন: 1. হালকা লেখা লেখেন না কেন?
2. 10বছর পর মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের মানুষ কি চোখে দেখবে বলে মেেন করেন? (স্বপ্ন আর বাস্তব দুটো দিক থেকেই বলতে পারেন)
৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১:৫৮
অতিথি বলেছেন: চরম ভোগবাদ ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি-- এ দুয়ের সম্মিলনে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি যেখানে ধর্ম ও ছিল , বাঙ্গালীয়ান ও ছিলো -- সে জায়গাটা ক্রমশ: শূন্য হয়ে পড়ছে । প্রজন্মের একটা অংশ ডুবছে বলিউডি ভাবে আরেকটা অংশ ধমর্ীয় আচ্ছাদনে ।

এর বিপরীতে বাঙ্গালীর নিজস্ব সংস্কৃতি কতটুকু টিকে থাকবে ভরসা করেন?
৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৩:০২
হযবরল বলেছেন: আমাদের সামপ্রতিক রাজনীতি একপেশে নেতাদের দরকষাকষির বাজারে পরিণত হয়েছে । নিকট ভবিষ্যতে বেনিয়াভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামোতে, সম্ভাব্য করপোরেট মৌলানাদেরকে কি রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখা যাবে মনে করেন ? কেমন হবে এই নতুন তালেবানদের রুপ ?
১০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৩:৩৬
অতিথি বলেছেন: শুভ সকাল। সবাইকে আমার তরফ থেকে একগুচ্ছ শুভেচ্ছা। সময়ের অভাবে আমার উওর দিতে একটু সময় লাগবে। সেজন্য ক্ষমাপ্রাথর্ী।

কৌশিক,
ধন্যবাদ। সুপ্রিয় ও সাহসী ব্ল্লগার অমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করার ব্যাপারে নানান প্রতিকূলতার এক বাস্তব চিএ তুলে ধরেছেন। এটি বেদনাদায়ক সত্য যে, স্বাধীনতার 35 বছর পর এখনও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অতি প্রান্তিকীকরণ চলছে। বাংলাদেশের ন্যায় পৃথিবীর আর কোন দেশে স্বাধীনতা ও যুদ্ধবিরোধী শক্তি রাজনৈতিক কারণে এতোটা নোংরাভাবে পূনর্বাসিত হয়নি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে হঠকারী ও আপোষবাদী ধারা বিদ্যমান সেই ধারায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নির্বাসিত করা হয়েছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের ভাবনা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অপচেস্টা নির্লজ্জভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পায় যেখানে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ত্যাগের কথা উপেতি ও নির্বাসিত হয়।

স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে কাজ করার আমার ব্যক্তিগত কোন অভিজ্ঞতা নেই। তবে আমার ছোট বেলার স্মৃতি থেকে মনে পড়ে কিভাবে অবাঙ্গালী বন্ধুরা মাঠে খেলার সময় চাকু দেখিয়ে বলেছিল তারা বাঙ্গালীদের মারবে। দেখেছিলাম বাসার কাছে সলিমুল্ল্লাহ সাহেবের বাসায় আগুন লাগানোর কথা। মনে আছে তাকে [লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/অফফধ/ঢ়ড়ংঃ/4306]নির্মমভাবে হত্যার কথা[/লিংক]। মনে আছে আমার বাবার বিপন্ন ছবি যিনি পরিচিত সব মহলে গিয়ে তার একান্ত বন্ধু সলিমুল্ল্লাহ সাহেবকে বাঁচাবার চেস্টা করেছিলেন। সলিমুল্ল্লাহ সাহেবের অপরাধ ছিল তার বাসায় আগের রাতে আওয়ামী লীগের মিটিং হয়েছিল।

আমার মনে আছে বাসার সামনে দিয়ে রক্তাত্ব বাঙ্গালী শহীদদের দেহ মোহাম্মদপুর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। মনে আছে [লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/অফফধ/ঢ়ড়ংঃ/3557]এই ট্রমাটিক দৃশ্য দেখে[/লিংক] অসুস্থ আমি ডাক্তারের কাছে। মনে আছে, বাবার হাতে আমাদের প্রিয় এনইসি ট্রানজিস্টারে স্বাধীন বেতারের অনুষ্ঠান শোনার কথা। মনে আছে রাতের বেলা বিদু্যৎ পোলে জোরে জোরে শব্দ করে বিহারীদের ভয় দেখানোর কথা। মনে আছে ঘর বাড়ী ছেড়ে উদ্বাস্ত জীবন যাপনের কথা। আমাদের কস্ট, যন্ত্রণা আর এদেশের তিরিশ লক্ষ তাজা প্রাণের আত্মত্যাগকে কি মর্মান্তিকভাবে আমরা বিসর্জন করেছি। আজকের পটভূমিতে স্বাধীনতার চেতনা ও ত্যাগকে তুলে ধরতে নতুন প্রজন্মের এগিয়ে আসার দরকার অনেক অনেক বেশী। মনে রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের জাতীয় পরিচিতির অখন্ড অংশ, এর অনুপস্থিতিতে আমাদের পরিচিতি অসম্পূর্ণ।
১১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৩:৫৪
অতিথি বলেছেন: সুপ্রভাত আড্ডাবাজ ।

পশ্চিমের একদল সমাজবিজ্ঞানী অনেকদিন থেকেই বলে আসছেন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্যাপিট্যালিজম মৃত । তাদের কথা মেনে নিলে, অথর্াৎ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন অবকাঠামো নিমর্াণ , উন্নয়নের মৌলউপাদান না হলে উপনিবেশ বিরোধী সংগ্রামের ইতিহাস এখন অতীতচারিতা ছাড়া কিছু নয় । সেক্ষেত্রে কেন্দ্রিভূত পুঁজির সম্প্রসারণে মিডলম্যানদেরকে মানতে হয় উন্নয়ণের প্রতিভূ হিসেবে - যাদের ঐতিহাসিক অবস্থান যাবতীয় গণআন্দোলনের বিরুদ্ধে । আপনি একে কিভাবে দেখেন ?
১২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫:১৭
অতিথি বলেছেন: আনোয়ার সাদাত শিমুল,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য।

(1) বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গড়ে উঠা দুরত্ব ও অসহষ্ণিুতার ট্রেন্ড থেকে বের হওয়ার কোন আশু সম্ভাবনা নেই। গণতন্ত্র গণমানুষের রাজনৈতিক অধিকারের হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার জন্য স্বাধীন, স্বচ্ছ, প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ বারবার প্রতারিত হবে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যেমন একদিনে বিকশিত হয়না, তেমনি তার বিকাশের পথে অন্তরায় সৃস্টি করে তার বিকাশ আশা করা যায় না।

বাংলাদেশে গণতন্ত্র মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে পণবন্দী হয়ে আছে যেখানে রাজনৈতিক ইসু্যতে জনগণের অংশগ্রহণ খুবই সামান্য। সুশীল সমাজের প্রেসকি্্রপশন থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদদের অর্থ ও প্রভাব প্রতিপওি বারবার প্রতারিত করে জনগণের স্বপ্নকে। নীতিবোধ বিসর্জিত নেতাদের মুখোশ খুলে দেয়ার জন্য আমার [link|http://www.somewhereinblog.net/Adda/post/2102|wbi
১৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:০৭
আপন তারিক বলেছেন: .....
বঙ্গবন্ধু কেন শুধু আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু হয়ে আছেন ? তিনি কেন প্রতিটি বাঙালীর কাছে গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠেননি? সমস্যাটা কোথায়?
আরেকটা প্রশ্ন- আড্ডায় আপনার প্রিয় বিষয় কি ?
১৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৬
অতিথি বলেছেন: কৌশিক,
তত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্বৈরাচারী সামরিক সরকার থেকে উওরন পরবতর্ী বাংলাদেশে তত্বাবধায়ক সরকারের সাময়িক উপযোগিতা ছিল। কিন্তু এটা কোনভাবেই একটি স্থায়ী ব্যবস্থা হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করে ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার জন্য একটি ঐক্যমত সৃস্টির প্রয়োজন। এটা সম্ভব হবে যখন রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে নির্বাচন কমিশন গঠনে অংশগ্রহণ করবে। নির্বাচন কমিশন সদস্যদের নিয়োগ ও পদোন্নতিতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অবসান ঘটবে। নির্বাচন কমিশন তদারকিতে স্বাধীন নাগরিক রিভিউ বোর্ড থাকবে। এছাড়া, আইন-শৃংখলা বিভাগকেও বিচার বিভাগের অধীনে নিয়ে আসতে হবে। স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন কমিশন ও আইন শৃংখলা বিভাগ থাকলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অবসান ঘটানো সম্ভব। অন্যথায়, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অহেতুক বিতকর্, অসন্তোষ ও সংকট দেখা দিবে।

আপাতত এ পর্যন্ত। আজকে সন্ধ্যার পর আবার নেটে বসার চেস্টা করব। ধন্যবাদ সবাইকে।
১৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:১৯
অঃরঃপিঃ বলেছেন: আড্ডাবাজ ভাই সালাম, কিছু প্রশ্নের উত্তর তো আমারই দিতে মন চাইতাছে কিন্তু আপনে তার চেয়েও ভালো দিতাছেন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়া কাজ করতে গিয়া যেটা দেখলাম, যারা সচেতন তারা আগে থাইকাই সচেতন। এবং নতুন উপাত্ত তারা সাগ্রহে গ্রহণ করতাছে সেই বিশ্বাসটারে জোরদার করতে। যারা ইগনোর করতাছে, তাদের মেন্টাল প্রোফাইলটাই সেইভাবে তৈরি হইছে। মুক্তিযুদ্ধ কি ও কেন তাতে তাদের কিছুই যায় আসে না। অথচ বেনিফিশিয়ারি তারাই। এই অংশটারে মোটিভেট করার উপায়টা কী?
দ্্বিতীয় যেটা জানতে চাই, সাধারণ মানুষের কাছে শিবিরের অ্যাপ্রোচ ও মুক্তিযুদ্ধপন্থী দলগুলোর অ্যাপ্রোচে তফাত আছে। শিবির মাথায় হাত বুলাইয়া কাজ বাগায়, আর আমরা হাকডাক দিয়া নান্দিবিনাস কইরা দি। এই অ্যাপ্রোচে চেঞ্জ আনতে ঠিক কী করা উচিত বইলা মনে করেন। মানে জনগণের কাছে সেই অতীত খুড়ে বেদনা জাগাতে কোন পথে আগাতে হবে? এখানে সহমর্মিতা আদায়ই লক্ষ্য
১৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:০০
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান,
ধন্যবাদ। আমি কোথায় আড়ালে? ব্লগে সব সময়ই তো আছি। গত বছর গেট টুগেদারে আসতে পারিনি তো কি হয়েছে? অন্য আরেকবার দেখা হয়ে যাবে।

হ্যা, ইংরেজী ব্লগটা নিয়ে একটু কাজ করা দরকার। খুব অবহেলা করছি। বাংলাদেশ সবার সেরা টাইপের লেখা নিয়ে আবারও হাযির হ'ব। ভাল থাকেন। ধন্যবাদ।
১৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:৩৮
অতিথি বলেছেন: এস এম মাহবুব মুর্শেদ,
না, আমি কোন পএিকার সাথে নেই। ধন্যবাদ।
১৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১০:৪৬
অতিথি বলেছেন: সালাম আড্ডাবাজ।
ক্যামন আছেন?
আপনার জন্মদিন কবে?

শব্দ প্রচন্ড শক্তিশালী। প্রতিটা শব্দ আমাদের মননে কিছু বিশেষ স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে।

"মুক্তিযুদ্ধ" শব্দটা উচ্চারনের সাথে সাথে আপনার মনের গভীরে ঠিক কি ভেসে আসে? এটা হতে পারে ভিন্ন আরেকটা শব্দ, কতগুলো শব্দ, বিশেষ ছবি, কারো চেহারা, কোন দৃশ্য ... । খেয়াল করে বলুন তো। স্বত:স্ফুর্ত স্মৃতির কথা বলছি আমি। যেটা ঝট করে আসে, ভাবনার প্রয়োজন ছাড়াই।
১৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫:৩১
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ,
বিস্তারিত বিশ্লেষনের জন্য ধন্যবাদ। একই প্রেক্ষিতে আরেকটি (আমার পছন্দের) প্রশ্ন:
2020 সালে বাংলাদেশকে আপনি কেমন দেখতে চান? সামাজিক - অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক এই তিন প্রেক্ষিতে বলুন। আপনার ভাবনার সাথে বাস্তবে কতটুকু মিলবে বলে আশা করেন?
২০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৭
অতিথি বলেছেন: 1. স্বাধীনতা বিপক্ষ শক্তিদের বিচার করা কেন জরুরী মনে করেন? যেখানে জামাত ও দোসররা বলছে এ মুহূর্তে এ নিয়ে উচ্চবাচ্য করার দরকার নেই। যা হয়েছে তাতো হয়েই গেছে। এমনকি বিএনপিরও এ বিষয়ে অনাগ্রহ দেখা যায়।

2. বর্তমান প্রচলিত আইনে তাদের বিচার করা কি সম্ভব?
২১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৩
অতিথি বলেছেন: অরূপ,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আমি হালকা লেখা লিখি না কেন এই প্রশ্নের ছোট্র উওরে বলব, সিরিয়াস লেখার যে বড্ডো আকাল। এই দেশ, জীবন ও সমাজ নিয়ে আরও অনেক বেশী ভাবনার প্রয়োজন। পরিবর্তনের বড্ডো প্রয়োজন। তাই, খুব প্রয়োজন সিরিয়াস ভাবনার।

আপনার দ্বিতীয় প্রশ্নের উওরে বলব, এখন থেকে 10 বছর পর মুক্তিযুদ্ধের বিষয় আমাদের দেশজ ভাবনায় আরও অনেক বেশী অগ্রাধিকার পাবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, স্বাধীনতাওোর প্রায় পনের বছরই খুব দু:খজনকভাবে আমরা সামরিক আইনের যাঁতাকলের অধীনে ছিলাম। এ সময়কালে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়েছে বারবার। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা হয়েছে পুনর্বাসিত। বিকৃত হয়েছে এদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের ভাবনা থেকে আমাদেরকে বিচ্ছিন্ন ও বিভ্রান্ত করার চেস্টা খুব সক্রিয় ছিল এবং এখনও আছে।

আমার স্বপ্ন আগামী দশ বছরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের মেরুকরণ আরও স্পস্ট হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রাজনৈতিক প্রভাব বলয় থেকে মুক্তি পাবে গণসচেতনতার কারণে। সাধারণ মানুষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিবে। অবশ্যই যুদ্ধাপরাধীরা বিচারের সম্মুখীন হবে। সেই ইতিবাচক প্রক্রিয়ার কিছু সম্ভাবনা আমরা এখনই দেখতে শুরু করেছি। নতুন প্রজন্ম যেভাবে এগিয়ে আসছে তাতে বিচারের জন্য অপেক্ষমান মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহীদের আত্মাদের আর আশাহত হতে হবে না। আমার এই স্বপ্ন কতোটা বাস্তবসম্মত তা নির্ভর করে নতুন প্রজন্মের উপর। ইতিহাস সচেতন নতুন প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারটি দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে এব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ ও দ্বিধা নেই। কারণ যে জাতি পরাধীনতার শৃংখল থেকে স্বাধীন হতে পারে, সামরিক স্বৈরাচারের থাবা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারে সেই জাতি মুক্তিযুদ্ধের ভাবনাকে বিসর্জন করতে পারে না। ইতিহাস অন্তত: তা-ই বলে। ধন্যবাদ।
২২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৬:৫৫
অতিথি বলেছেন: শম্বুক গতিতে উওর দেওয়ার জন্য দু:খিত। আপনাদের সব প্রশ্নের উওর অবশ্যই দিব।

হাসান মোরশেদ,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনার প্রশ্নের উওর দেওয়ার আগে বলে রাখি আপনার সিরিয়াস লেখাগুলোর আমিও একজন ভক্ত। বাংলাদেশের চলমান জীবনপটে ভোগবাদী অপসংস্কৃতি ও ধর্মভিওিক রাজনীতির বিস্তৃতি নতুন প্রজন্মকে চিরায়ত বাংলার সংস্কৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করছে সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। নিওকলোনিয়ালিজম যে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে বিস্তৃতি পাচ্ছে তা ধ্রুব সত্য। সেই পথে হারাচ্ছি আমরা ভাষা (নব্য শিক্ষিতরা বাংলা ভুলে যাচ্ছে-টিভিতে দেখুন), গুণগত শিক্ষা ও চিরায়ত জীবনবোধ।

শ্রমবিমূখ শহরমূখী চাকচিক্যময় তারকা সন্ধানী সংস্কৃতি চর্চা পাচ্ছে মূলধারা। মোবাইল ভিওিক, স্যাটেলাইট টিভিভিওিক, ধর্মভিওিক ও শ্রেণীগত উওরণকেন্দ্রিক জীবনধারায় অন্তরীণ হয়ে যাচ্ছে খোলসসর্বস্ব সংস্কৃতি চর্চা। এটা আমাদের দেশজ সংস্কৃতির জন্য সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ। বাংলা সংস্কৃতি এই চড়াই উৎরাই পার হয়ে একটা স্থিতাবস্থায় আসবে কি-না তা নির্ভর করে আমাদের সবার উপর। সুস্থ সংস্কৃতির প্রসার ও বিস্তার দশ মিনিটের বিজ্ঞাপনকেন্দ্রিক প্যাকেজ নাটকের উপর নির্ভর করে না। আমদানি করা ঝলমলে বিজ্ঞাপনের উপরও নয়। বাংলা বলতে ও লিখতে না পারার অসুস্থ অহংকারবোধের মধ্যেও নয়। বাংলাদেশের সংস্কৃতির নিজস্বতা টিকবে আমাদের সাংস্কৃতিক রিভাইভালের মধ্যে।

যারা অপসংস্কৃতিকে প্রমোট করে(বিশেষত: মিডিয়া আউটলেট) তাদেরকে অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে। সুস্থ জীবনমূখী সংস্কৃতিমনস্ক নতুন প্রজন্ম সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবশ্যই সফল হবে। সেজন্য মিডিয়া থেকে শুরু করে অর্গানাইজড হিপোক্রেসীর আধিপত্যের বিরুদ্ধে সংস্কৃতিকর্মীদের বিচ্ছিন্ন সংগ্রামকে সংগঠিত করে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তবে বাংলা ভাষার অস্তিত্বের মতো এদেশের সংস্কৃতির নিজস্ব ধারাও অক্ষুন্ন থাকবে, কিন্তু তা কতোটা প্রবল ও ব্যাপকভাবে থাকবে এই সংশয় থেকে মুক্তির বড্ডো প্রয়োজন।
২৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:১১
অতিথি বলেছেন: হয়তো আপনি সব খবর সাথে সাথেই পেয়ে যান। তবে সংলাপ নিয়ে একটা লেটেস্ট ডেভলপমেন্টের কথা বলে রাখি। তিনদিন আবদুল দ্্বয় বের হয়ে একই কথা বলেছে সাংবাদিকদের কাছে। তা হচ্ছে সৌহাদর্্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা হয়েছে। সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এবং জনগনের যদি সহযোগিতা তারা পান তবে একটা ভাল কিছু দিতে পারবেন। আগামী কাল আবার তারা বসবেন। এ বিষয়ে সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের একটা কমেন্ট টিভিতে দেখিয়েছে, তা হচ্ছে বিএনপি নাকি শর্ত জুরে দিয়েছে। তোফায়েল ও জলিল বলেছেন, সংলাপ নিয়ে আওয়ামী লীগ তাদের প্রেসিয়িাম ও 14 দলের সাথে মিটিং চালিয়ে যাচ্ছে একই সাথে ফিডব্যাকের জন্য। অন্যদিকে মান্নান সাহেব নাকি প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার সুযোগই পাচ্ছেন না যিনি ইলেকশন ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন সভা সমিতিতে বক্তৃতা করে বেড়াচ্ছেন। তাতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা বা আগ্রহ নেই সংলাপ বিষয়ে, কোন ফিডব্যাকও দিচ্ছেন না। ওদিকে সংসদে অপেক্ষমান দুই দলের নেতাকর্মীদের চিল্লাচিলি্লতে এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে যে নেতাদের সিকিউরিটি নিয়েও অনেকে বিচলিত হয়ে পড়েছেন। এত ফালতু পাতি নেতাদের সেখানে কেন প্রবেশ করতে দেয়া হলো তাও প্রশ্নবিদ্ধ। এ বিষয়ে আপনার কি প্রেডিকশন? সম্ভাব্য কি কি ঘটতে পারে?
২৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪২
অতিথি বলেছেন: পিয়ালের লেখা প্রসঙ্গে মনে হলো প্রশ্নটা, যদিও এখন পর্যন্ত হওয়া সবচেয়ে গুরু গম্ভির প্রশ্নগুলো উঠে আসছে এখানে আরও একটা যুক্ত হোক-
মাঠপর্যায়ে স্বাধিনতার ইতিহাস নিয়ে কাজ করান্মানুষগুলো কখনই তাদের নাম সামনে আনতে চাইছে না, বরং একটা সার্বক্ষনিক সংশয়ে থাকছে, এমন কি একই বিষয় নিয়ে কাজ করা মানুষগুলোর ভেতরেও পারস্পরিক অবিশ্বাস আছে, এই সমন্বয়হীনতা মোচনের উপায় কি।
অন্য একটা প্রশ্ন নর্থ ক্যারোলাইনা উইনিভার্সিটির সাউথ এশিয়া স্টাডিস বিভাগে প্রায় 3500 পেপার কাটিং জমা আছে মার্চ 1971 থেক ডিসেম্বর 1971এর। সংগ্রহ করেছে কোনো এক জন জলিল সাহেব, তার সাথে এন ওয়াই বাংলার জলিল ভাইয়ের কোনো সম্পর্ক আছে?
২৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫:২১
অতিথি বলেছেন: গতকাল প্রধানমন্ত্রী পুত্রসূত্রে বিএনপির সিনিয়র নেতা তারেক জিয়া তার পরিচিত খোলস ছেড়ে বেরিয়ে বক্তৃতা করেছেন একটা ইফতার পার্টিতে। তিনি বিরোধী দলের নেত্রীকে কঠোরভাবে বলেছেন শালীণ ভাবে কথা বলার জন্য। কারণ তার হাতে ইনফরমেশন আছে টেক্সাসে নোভো নামে একটা কোম্পানী রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। সে কোম্পানীটা কার তা বিরোধীদলের নেত্রীকে জানাতে হবে। একটা এড্রেস দিয়ে বলেছেন বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশী 7 কোটি টাকা দিয়ে যে বাড়িটি কেনা হয়েছে তাও শেখ হাসিনার জানা আছে। শেখ হাসিনার পরিবারের এক সদস্য স্টেটসে ড্রাংক অবস্থায় পুলিশের হাতে ধরা পরে 1200 ডলার জরিমানা দিয়েছে, এমন সব হাজারো সিক্রেট সে ফাঁস করে দিতে পারবে। সুতরাং বিরোধী নেত্রী যেন শালীণভাবে কথা বলেন। তারেক জিয়া আরো বলেছেন, শেখ হাসিনা নৌকার বৈঠা, লগি নিয়ে আসতে বলেছেন জনগনকে, এতে বিএনপির কর্মীরা ধানের শীষের সাথে ধান কাটার কাস্তেও সাথে নিয়ে আসবে তাদেরকে প্রতিরোধ করার জন্য।

তারেক জিয়ার উপরোক্ত বক্তৃতা শুনে একজন যোগ্য নেতার কোন ইমেজ ফুটে উঠতে দেখেন কি আপনি?
২৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫:০৩
অতিথি বলেছেন: (উপরের প্রশ্নের ব্যাকগ্রাউন্ড হিসাবে নিম্নোক্তকথাগুলোও ধরে নেবেন)
গতকাল একটা ইফতার পার্টিতে তারেক জিয়া উদ্ধৃতি দিয়েছেন প্রথম আলোর মতিউর রহমানের সম্পাদকীয়, যেখানে তিনি বলেছেন, শেখ হাসিনা অসত্য বলেছেন। তারেক জিয়া সেটাকে বলছেন যার অর্থ শেখ হাসিনা মিথ্যে বলেছেন এবং তার মিথ্যে এই প্রথম নয়, অতীতে অসংখ্যবার বলেছেন, উদাহারণ টেনেছেন 1986তে ইলেকশন না করার কথা বলে ইলেকশন করার, হরতাল না দেয়ার অঙ্গীকার করে হরতাল দেয়া, 1996 সালে শেয়ার মার্কেটের বৃদ্ধিকে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি বলে সেটাকে ফল করার সাথে সাথে শেয়ার সন্বন্ধে কিছু না বোঝার কথা বলা জাতিয় অসংখ্য উদাহারণ দিয়েছেন তারেক জিয়া।
২৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ২:৫১
অতিথি বলেছেন: হযবরল,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আমার মনে হয় না কর্পোরেট মৌলানারা রাস্ট্র ক্ষমতায় আসবে। ধর্মভিওিক রাজনীতির দেশীয় কোন সম্ভাবনা নেই। মধ্যপ্রাচ্যের পেট্রোডলারে ও রাজনৈতিক কারণে ধর্মভিওিক রাজনীতি ঐতিহাসিকভাবে বিকাশ ও বিস্তার পেলেও তারা দেশের মূলধারায় কখনো স্থান পায়নি। তাই যখন আওয়ামী লীগ মতায় আসে তখন মসজিদে যেমন উলুধ্বনি উঠে না তেমনি লেজুরবৃওির পথ ধরে জামাত ও ঐক্যজোট ক্ষমতার স্বাদ নেয়, তখনও দেশ ইসলামী রাস্ট্রে পরিণত হয় না। বাংলাদেশের লোকজন ধর্মপ্রাণ কিন্তু তাদেরকে অবলীলায় ধর্মান্ধ বানানো সম্ভব নয়। ধর্মান্ধ ও উগ্র মৌলবাদী শক্তির রাজনৈতিক ব্যবহার প্রবল হলেও এদেশে রাজনৈতিক ইসলামের ভবিষ্যত অন্ধকার। ইসলামকে ব্যবহার করা হয় রাজনৈতিক ক্ষমতার জন্য। ধর্মপ্রাণ মানুষকে প্রতারিত করার জন্য। তাই, ধর্মভিওিক রাজনীতির অর্থনৈতিক উপযোগিতা থাকতে পারে, কিন্তু রাজনৈতিক সম্ভাবনা একেবারেই নেই।

এদেশে ইসলাম বিপন্ন বলে শ্ল্লোগান বিভিন্ন সময়ে মৌলবাদীরা ব্যবহার করে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য ও অপকর্ম ঢাকার জন্য। ধর্ম ও রাস্ট্রকে গুলিয়ে ফেলে এরা নিজস্ব রাজনৈতিক ক্ষমতার বৈধতা ও স্বীকৃতির সন্ধানে। এধরণের হেজেমোনি আরোপ করে ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে এরা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করে। তাই, প্রয়োজন ধর্মভিওিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণ ও মৌলবাদী রাজনীতির মুখোশ উন্মোচন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঠেঙ্গানোর জন্য মৌলবাদী শক্তির ব্যবহার কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারে তার দৃস্টান্ত জনগণ সামপ্রতিককালে দেখেছে। তাই, এদেশে মৌলবাদী অপশক্তি ও তালেবানদের বিরুদ্ধে জনগণ আগের যে কোন সময় থেকে অনেক বেশী সচেতন। নতুন তালেবানদের যুগ অন্তত: এদেশে কখনও আসবে না এব্যাপারে আমি নিশ্চিত।
২৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৫:৪৮
অতিথি বলেছেন: চেস্টা করছি দ্রুত আপনাদের অতি সিরিয়াস প্রশ্নের উওর দিয়ে সাক্ষাৎকার পর্বের ইতি টানতে। ধন্যবাদ।

সুমন,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনার প্রশ্ন অতি সত্য কথন। শিল্পকেন্দ্রিক পুঁজিবাদ থেকে অর্থকেন্দ্রিক পুঁজিবাদে রূপান্তরে কোন নীতিবোধ কাজ করে না। ওয়েবার প্রটেস্ট্যান্ট নীতিবোধ জুড়ে দিয়ে পুঁজিবাদের মধ্যে বৈধতার সন্ধান করেছেন। এর বিপরীতে লাগামহীন আর্থিক দুবর্ৃৃওপনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাদী বিকাশ সকল নীতিবোধকে বিসর্জনের অসুস্থ প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত। বাংলাদেশে আর্থিক শৃংখলায় কর্পোরেট স্বার্থ এতোটা শেকড় গেড়েছে যা শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের স্বার্থের প্রতি দু:খজনকভাবে নির্বিকার।

অর্থলগ্নীকারী ও ঋণখেলাপীদের কর্পোরেট ক্লাব রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে নাগরিক সাধারণের স্বার্থ বিকিয়ে। প্রাতিষ্ঠানিক দুনর্ীতি অর্থনীতিকে প্রবলভাবে প্রভাবিত করে। এছাড়া, শহরকেন্দ্রিক মার্কেন্টাইল ও ভোগবাদী ইকোনমির বিস্তার যা সাধারণ মানুষের ধোঁয়া ছোয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। দরিদ্র আরও দরিদ্র হচ্ছে। এধরণের অসম উন্নয়ন রাস্ট্রীয় স্থিতি ও অগ্রগতির জন্য খুবই বিপজ্জনক যা ইদানীং কালের মাসিক ষোলশত টাকা বেতনের গার্মেন্টস শ্রমিকদের রক্তাত্ব আন্দোলনে মাঝ দিয়ে বেশ প্রকটভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বিশেষ ভবন কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী উত্থান, দুনর্ীতি, সন্ত্রাস ও পণ্যমূল্যের সিন্ডিকেটদের দোর্দন্ড প্রতাপ হচ্ছে এদেশের লাগামছাড়া বাজারভিওিক উন্নয়নের উপসর্গ।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ওলফউইজ সমপ্রতি যখন বলেন বাংলাদেশকে দেয়া সাহায্যের টাকা সুইস ব্যাংকে গিয়ে জমে আর তার প্রতু্যওরে অর্থমন্ত্রী দাবী জানান সুইস ব্যাংক বন্ধ করার তখন বোঝা যায় পশ্চিমা পুঁিজবাদী দুনিয়াও এদেশের নীতিহীন পুঁিজবাদী বিস্তারে কতোটা আতঙ্কগ্রস্থ। পুঁজিবাদের এই অসুস্থ বিকাশের ধারায় উন্নয়নের প্রতিভূ হিসেবে মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণীর বিস্তৃতি যে মানুষের ক্ষোভ ও রোষকে প্রতিহত করতে পারে না তা আলাদা করে বলার দরকার নেই। গণআন্দোলন যে রাজনৈতিক মাস্তানী ও পেটোয়া পুলিশ বাহিনী দিয়ে বন্ধ করা যায় না তার সামপ্রতিক প্রমান হচ্ছে কানসাট। তাই, আশাহত হওয়ার কোন কারণ নেই।
২৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০৭
অতিথি বলেছেন: আপন তারিক,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। কেউ যদি বঙ্গবন্ধুকে কেবল দলীয় নেতা হিসেবে তুলে ধরেন তবে এটা হবে তার প্রতি অবিচার। বঙ্গবন্ধু এদেশের মুক্তিকামী জনতার অবিসংবাদিত নেতা। তাকে দলীয়ভাবে যতোটা না ব্যবহার করা হয়েছে তার চেয়ে বেশী তাকে রাজনৈতিকভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাকে হত্যা করে আর ইতিহাস বিকৃত করে চেস্টা চলেছে তার অবদানকে ম্লান করার। সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। তিনি প্রতিটি সচেতন মুক্তিযুদ্ধপ্রেমী মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য। সমস্যাটা হচ্ছে স্বার্থান্বেষীদের ষড়যন্ত্রে যেখানে বঙ্গবন্ধুর নাম ও অবদানের বিকল্প খোঁজার হাস্যকর চেস্টা চলে। অতোটা ইতিহাস বিস্মৃত হলে কি চলে?

আড্ডায় আমার প্রিয় বিষয় অবশ্যই মৌলবাদ ও সমাজ। ধন্যবাদ।
৩০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:২৭
অতিথি বলেছেন: সাদিক,
শুকরিয়া। ভাল আছি। আমার জন্মদিন অক্টোবরের 24 তারিখে। কি সারপ্রাইজ বার্থডে পার্টি... হা হা..

মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি ছোট ছিলাম। কিন্তু এই শব্দের সাথে যে ছবিটা সবসময় চোখে ভাসে তা হচ্ছে, রিকশা ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া শহীদদের দেহ। বাসার পাশ দিয়ে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মায়ের সাথে বন্ধ জানালার ফাঁক দিয়ে দেখা সেই রক্তাত্ব দেহগুলো এখনও চোখে ভাসে। এর চেয়ে বেশী গ্রাফিক বর্ননা দিতে খুব কস্ট লাগছে। ধন্যবাদ।
৩১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৫:১৮
অতিথি বলেছেন: কিছুদিন আগে মেলগিবসন ড্রাংক অবস্থায় পুলিশ কতর্ৃক ধৃত হলে ইহুদী পুলিশটিকে বলেছিল পৃথিবীতে সব যুদ্ধের জন্য ইহুদীরা দায়ী। আজকে সে ঘটনার জন্য এপলজি চেয়ে তার একা টিভি সাক্ষাতকার ব্রডকাস্ট করা হবে। কিন্তু আমার জিজ্ঞাসা হচ্ছে, এই ধারণা সম্ভবত পশ্চিমারা প্রকটভাবে বিশ্বাস করে। তারপরেও ইহুদীবাদীরা ও ইসরায়েল তাদের ভাবমূর্তি কিভাবে পশ্চিমের কাছে গ্রহণীয় করে তুলছে? বর্তমানে মুসলিমদের সন্ত্রাসী ভাবা থেকে উত্তরণের জন্য ইহুদীদের স্ট্রাটেজী থেকে কিছু শিক্ষণীয় আছে বলে কি মনে করেন?
৩২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৬ ভোর ৬:০০
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ,
অসংখ্য ধন্যবাদ গরীবি প্রশ্নের উত্তরের জন্য। যখন আগের একটা উত্তরে বলছিলেন, 'দ্রুত সিরিয়াস প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সাক্ষাৎকার শেষ করবেন', আমি ভাবলাম - সারছে। আমার ফালতু প্রশ্ন মাঠে মারা যাচ্ছে।

উত্তর দিয়েছেন দেখে যারপরনাই খুশি।

নাহ, জন্মদিনটা রাশির জন্য। আর অগ্রিম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর সুযোগটার জনও। অবসরে টুকটাক 'মানুষ ভজ, মানুষ জানো' - এর জন্য রাশি, অকালট, মেটাফিজিক্স নিয়া নাড়াচাড়া করতে ভালো লাগে। তাই বোঝার চেষ্টা করছিলাম আরকি।

ভালোই হইলো, আপনি বৃশ্চিক। আমি নিজেও বৃশ্চিক, তাই চানসে আপনারে চিমটি।

মুক্তিযুদ্ধ শব্দের সাথে যে ছবিটা ভেসে আসে বললেন, সেটা নি:সন্দেহে ট্রমাটাইজিং। বিশেষ করে কম বয়সে এই দৃশ্য দেখা। যে পরিমান আত্নদান হয়েছে গৌরবের মুক্তিযুদ্ধে, তাতে আমার কেন যেন মনে হয় সেই সময়ে প্রায় প্রত্যেকের মননে মুক্তিযুদ্ধের একটা বিষাদময় স্মৃতিই প্রতিনিধিত্ব মূলক।
৩৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:২৫
অতিথি বলেছেন: 'সাক্ষাৎকার পর্ব শেষ' করার আগে আরেকটা প্রশ্ন করে নিই -
2007 সালের সংসদ নির্বাচন নিয়ে নাজিম কামরান চৌধূরীর সামপ্রতিক প্রেডিকশান নিয়ে আপনার মতামত কি?
৩৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:২৭
অতিথি বলেছেন: আপনি ভীষণ ব্যস্ত এটা আমরা বুঝতে পারছি। কিন্তু প্রশ্নগুলোর উত্তরের জন্য এ পোস্ট অনন্তকাল আপনার থাকতে পারবে। যখন সুবিধা হয়, আপনি উত্তরগুলো দিতে পারবেন।
৩৫. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৩:২৪
অতিথি বলেছেন: কৌশিক,
দু:খিত, অনেকদিন পরে ব্লগে আসলাম। কথা দিচ্ছি আগামী ক'দিনের মধ্যে প্রশ্নের উওরগুলো দেব। শরীরটা পুরনো গাড়ীর মতো হঠাৎ করে বিগড়ে গেল ঠান্ডা আর জ্বরে। তারপর মারা গেল আমার পাশের রুমের কলিগ। জীবন এমনই। কখনও সরল রেখায় চলে না। ধন্যবাদ।
৩৬. ২২ শে অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ২:২৭
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ - আপনার কলিগের মৃত্যু সংবাদ শুনে ভীষনভাবে দুৎখিত। আপনার শরীর এখন কেমন? আপনি সম্পূর্ণ ঠিক হয়ে নিন, তারপরে আসুন। আপনার কলিগের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
৩৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪৬
অতিথি বলেছেন: কৈফিয়তনামা:
প্রথমেই কৌশিকসহ প্রশ্নকারী সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সময়মতো প্রশ্নগুলোর উওর দিতে না পারার জন্য। জীবন মাঝে মাঝে প্রচন্ডভাবে হোঁচট খায়, তা সামলে উঠতে হয়তো একটু দেরী হয়। সেরকম একটা বিশৃংখলার শিকার হয়ে পড়েছিলাম। এখন হয়তো একটা ইকুইলিব্রিয়ামে ফিরে এসেছি। যতো শীঘ্রই সম্ভব, বাকী উওরগুলো দিয়ে দেব। ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ আনোয়ার সাদাত শিমুল,
ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। 2020 সালকে কেমন দেখতে চাই এ প্রশ্নের জবাবে বলব, শোষনমুক্ত স্বনির্ভর সচেতন বাংলাদেশ দেখতে চাই। 2020 সালে আঠার কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের দারিদ্র বিমোচন ও বৈষম্য দূরীকরন হবে সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ। আজকের বাংলাদেশে যে নৈরাশ্য ও সংকট বিরাজ করছে তা কেউ 1971 সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের কালে কল্পনাও করেনি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ও সামাজিক অঙ্গনে যে হঠকারী ও আপোষকামী মধ্যস্বত্বী দানবীয় শক্তি আমাদেরকে পণবন্দী করে রেখেছে তা থেকে নিষকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের ভবিষ্যত সত্যি খুব অন্ধকার।

তারপরেও প্রত্যাশা ও কল্পনায় সাজিয়ে রাখি সুন্দর একটি 2020 সালের বাংলাদেশের চিএ। টমাস মূরের "ইউটোপিয়া" আমার প্রিয় লেখা ছিল। হয়তো ইউটোপীয়ান ভাবনা বাস্তবে রূপায়নের মাঝে যে শক্তি, মেধা ও প্রচেস্টার বুনন থাকে তার বড্ডো প্রয়োজন আজ। তাই, কল্পনায় দেখি একটি সুসংহত ও সচেতন সমাজ। যেখানে ধর্মবোধ ও নীতিবোধ সমাজকে শাসন করে কিন্তু যেখানে ধর্মান্ধতা নির্বাসিত। যেখানে মৌলবাদী শক্তির আস্ফালন নেই। যে সমাজ ধর্মভিওিক রাজনীতিকে চিরকালের জন্য ইতিহাসের আবর্জনায় ছুঁড়ে ফেলেছে। যে সমাজে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ও সামাজিক নিরাপওার সার্বজনীন গ্যারান্টী আছে। যেখানে হাজার বছরের বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা, সংস্কৃতি ও কৃস্টি সামাজিক মননকে শাসন করে, গর্বিত করে। যে সমাজে লিঙ্গভিওিক বৈষম্য নেই। শিশু ও নারী নির্যাতন নেই। যেখানে আইনের শাসন আছে।

2020 সালে অর্থনৈতিক ক্ষেএে কৃষি ও শিল্পভিওিক উন্নয়নের যুগপৎ অগ্রযাএা জিডিপির ঈর্ষনীয় হার নিয়ে আসবে বলে আমার বিশ্বাস। বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুরের মতো দেখতে চাই। অর্থনৈতিক মডেলের দিক থেকে অন্তত:। যেখানে জনাকীর্ণতা আছে কিন্তু নাগরিক সুবিধার কোন ঘাটতি নেই। অবশ্য সিঙ্গাপুরের মতো রিজিডিটি পছন্দ করি না। বাংলাদেশকে উন্নয়নের নতুন মডেল আর পাওয়ারহাউজ হিসেবে পৃথিবীর কাছে প্রতিষ্ঠিত দেখতে চাই।

রাজনীতির ক্ষেএে নাগরিক সচেতনতার সর্বোচ্চ বিকাশ দেখতে চাই। মানুষ সচেতনভাবে গণতন্ত্রের চর্চা করছে। হঠকারী ও মৌলবাদী রাজনীতির কবর দেখতে চাই। জবাবদিহি সরকার ব্যবস্থা চাই। গণতন্ত্রের চর্চা তৃণমূল থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে দেখতে চাই।

স্বপ্ন আর কল্পনার সাথে এক যুগ পরের বাস্তবতা মিলবে কি-না তা নির্ভর করে আমার আপনার মতো সবার এগিয়ে আসার উপর। গণমানুষের জাগরণের মধ্যে বাস করে সম্ভাবনা ও সাফল্যের বীজ। আমি মোটেও হতাশ নই। যে দেশ এতো ত্যাগ আর চড়াই উৎরাই পার হয়ে স্বাধীন হয়েছে, গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিয়েছে এবং দিচ্ছে, সেদেশে এতো লাখো মানুষের রক্ত কখনও বৃথা যাবে না। মনে রাখবেন, ভিশন থাকতে হবে, অ্যামবিশন থাকতে হবে। পাখির মতো উড়তে থাকার মতো কল্পনার ডানায় ভর করে আমরা এখন পাখির মতো সত্যি সত্যি উড়তে পারি। গতকালকের কল্পনা হচ্ছে আজকের বাস্তবতা। হতাশার রাতগুলো দীর্ঘ মনে হলেও সাফল্যের সূর্য সকাল ঠিকই আসে। ধন্যবাদ।
৩৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৫৬
অতিথি বলেছেন: বস অনেকদিন পরে উত্তরগুলি দিতে শুরু করেছেন দেখে ভীষণ ভাল লেগেছে। হোঁচট খেয়েও আপনি এখন সব সামলে উঠেছেন জেনেই ভাল লাগছে। আপনার জন্য এ প্রশ্ন-উত্তরের খাতাটা প্রতীক্ষারত থেকে শুস্ক হয়ে পড়েছিল, এখন মনে হলো প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রদানের আন্দোলনকে কোন দৃষ্টিতে দেখছেন! এ দাবী বাস্তবায়িত হবার সম্ভাবনা কতটুকু!
৩৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:২৭
অতিথি বলেছেন: কৌশিক, ধন্যবাদ। খেলব না। মিয়া, পরীক্ষা শেষ হ'বার পর আবার প্রশ্ন যোগ করে দিলেন.... যাক, আপনার নতুন প্রশ্নের উওর ধারাবাহিকভাবে পরে দেব।

কৌশিক, স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির বিচার কেন জরুরী এই প্রশ্নের উওর বলব, এতোগুলো নিরীহ মানুষ 71সালে এতো মর্মান্তিকভাবে নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হলো তাদের জন্যই দরকার বিচার। এটি একটি মৌলিক ইসু্য। আইনগত, ধমর্ীয় অথবা নূ্যনতম মানবিকবোধ ও নীতিবোধের যে কোন মানদন্ডে বিচার করলেই স্পস্ট হয়ে উঠে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তিদের বিচার কেন এতো জরুরী। তার সাথে আমি যোগ করব যারা তাদেরকে রাজনীতিতে পূনর্বাসিত করেছে ও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে, তাদেরও বিচার হওয়া উচিত।

[link|http://www.gendercide.org/case_bangladesh.html|evsjv
৪০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৫
অতিথি বলেছেন: আড্ডাবাজ:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ 2020 নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণের জন্য। আপনার কথাগুলো অনেক ভাবনার খোরাক জন্মাবে। ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
৪১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:১৮
অতিথি বলেছেন: আমি একজন ফ্লাডার

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৮৫২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ