আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

প্রকৃত জলঃ রাগ ইমনের মানসইশ্বরে নতজানু হবার কবিতা

২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:১৭

শেয়ারঃ
0 0 0

কবিতা পাঠ একধরণের প্রার্থনার মত। নিজের মানসইশ্বরে তন্দ্রালু দৃষ্টিপাত, নতজানু হওয়া। তার জন্য চোখ খুলে ও মস্তিস্কের ব্যবচ্ছেদ করে পাঠ ঠিক উপযুক্ত হবে না। আলোচ্য কবিতাটি পাঠের সময় চোখকে মুক্তি দিতে হবে; আলোর প্রতিফলনে দেখা এর শব্দ আপনাকে বুঝতে সহায়তা করবে না। বরং আপনি অন্তরচক্ষু খুলে আপন রষ্মিতে কবিতাটির দেহ স্পর্শ করুন। কি দেখতে পাচ্ছেন! হ্যা আপনি ঠিক বোধগম্যতার দ্বারপ্রান্তে, যখন কবি চারদিকের সব পানিকে কেবল অশ্রু দেখছেন তখন আপনার নয়নকে বিশ্রাম দিতেই হবে, এমনকি নিজের হাত মেলে ঠিক পঞ্চঅঙ্গুলী উপত্যকায় মস্তিস্কের বিচরণও বন্ধ করতে হবে। দেখতে হবে সেখানে মৃত্যুপুরান, এক অন্ধকারে যাত্রার আহাজারী! এবার পড়ুন, "পানে পানি নেই আর সব জল / তালু দেখায় আজ শব করতল"!

এক নিস্প্রহ সত্যের বয়ান, নিয়ন্তা মানস ইশ্বর থেকে এখন একে ভাগ্যতাড়িত ভাবার প্রায়াস পেয়েছেন। যা ঠিক ছিল লেখাঝোকা তাই মর্ত্যে হচ্ছে, যেমন হচ্ছিল নকশা, তেমন প্রবেশিছে শেকড়, কাঁটছে আচড়ে, অশ্রু পতন বারবার নিয়তীর অলংঘনীয় বিষময় হয়ে উঠেছে । ঠিক এর কাব্যিক স্ফুরণ এমনই, "করতলে তালু সেঁটে ব্রহ্মার ঠিকুজি / ঘুরে ফিরে সেঁকা আজগুবি মেঘদল"। আর তার ছত্রছায়ায় এক দ্রোহের আগমন লক্ষ্য করা সম্ভব, কেন বারবার এমন যাতনাময় পৃথিবীর নিষ্পেষন ললাটের লিখন হবে!

এমন বুকফাঁটা আর্তের চিৎকারে ধসে পড়ে অনেক ফলিত জ্ঞান। অনেক জ্যোতির্ময়তা। মানস ইশ্বর দেখা কবি নীরস পদযাত্রায় শাস্ত্রের লিপি দেখে, তার ঠোঁটে ক্রুর হাসি ফোটে, হায়রে জীবন, তোকে সমর্পনের অঙ্গীকারে বেঁচেবর্তে তুলতে হবে নবজন্মের দ্যুতি। এটা একধরণের নির্মোহ জীবনের কালাতিপাত ছাড়া আর কিছুই নয়। ভেবে দেখুন রহস্যময়ী কবি বলেন, "ব্রক্ষ্মিনী ঠোঁটে তোলে আগুণ শীতল / শাস্ত্র নাব্য ভাবে দ্বিতীয় আঁচল"! এক প্রকৃত স্বত্বা বিরাজিত, যার মাঝে প্রবাহিত স্রোতধারার পতিত রেদ, কেঁটে যায় সকল জাগতিক নিয়মের বিধান জীবনের এমন বহমানতায়! কবি আক্ষেপ করেছেন এবং নিরুপায়ে মেনে নেয়া জীবনের কলকাঠিতে বিলাপও করছেন, অতপরঃ দ্বিতীয় জীবন চলে দুলকি চালে, আপাত বহিস্তঃখোলসে; কিন্তু, প্রকৃত জল তখনও বয়ে চলে নিরবধি! কবিতাটি দেখুন আরেকবার -

পানে পানি নেই আর, সব জল
তালু দেখায় আজ শব করতল

করতলে তালু সেঁটে ব্রহ্মার ঠিকুজি
ঘুরে ফিরে সেঁকা আজগুবি মেঘদল

ব্রহ্মিনী ঠোঁটে তোলে আগুন শীতল,
শাস্ত্র নাব্য ভাবে দ্বিতীয় আঁচল !

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:২১
অচেনা বাঙালী বলেছেন: কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তির লাভের ঔষধ।
৩. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:২২
মুকুল বলেছেন: ১) জারীর
২) কাসেম বিন আবু বকর
৩) রাগ ইমন
৪) ???
বস, এরপর কে?
৪. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:২৩
শোহেইল মতাহির চৌধুরী বলেছেন: শিরোনাম দেখি সমালোচানা, একটা আকার বেশি। এটা কি নতুন ধরনের বিশ্লেষণ?
৬. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:২৯
যীশূ বলেছেন: ভাইরে, সমালচনাটা কি এট্টু সহজ ভাষায় লেখা যাইতো না?! মানুষ এত জটিল ক্যান?!
৭. ২২ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৩০
হাসান মোরশেদ বলেছেন: কৌশিক তো কবিকুলের ইজ্জতে হাত দেয়া শুরু করছে । কেউ কি নাই কৌশিকের কবিতার ব্যাবচ্ছেদ করে?
৯. ২২ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৭
অনন্তমৈথুন বলেছেন: উস্তাদের মাইর শেষ রাইতে...
১০. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৮
সৃজন বলেছেন: প্রকৃত জল তখনও বয়ে চলে নিরবধি!

আপনার ব্যখ্যার শেষ লাইনে প্রকৃত জল কি এ ব্যাপারে আমার মনে সন্দেহ দেখা দিয়েছে (ক্যামন জানি মুত মুত গন্ধ)...... দয়া করিয়া পুনঃব্যাখ্যা করিয়া সন্দেহ নিরসন করুন।
১১. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:১১
কৌশিক বলেছেন: ছি সৃজন ছি! এমন ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ সমালোচনার আপনি একটা কলংক!
১২. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২০
সৃজন বলেছেন: গাম্ভীর্যের ব্যখ্যা কি ? উহা কোন সমাস.....?

গাম্ভীর্য = গামলা ভর্তি বীর্য = স্যাতস্যাতে বহুব্রীহি

আমি ঠিক লাইনে আগাচ্ছি কিনা বলেন..
১৩. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২২
কৌশিক বলেছেন: ছি সৃজন ছি, আপনি আমার কাব্যসমালোচনার কেরিয়ারকে ধ্বংষ করে দিলেন!
১৪. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
সৃজন বলেছেন: না বুঝলে কি করব বলেন ......আপনার ছি .. ছি এর বহর দেখে মনে হচ্ছে না বুঝে অপরাধ করে ফেলেছি ।একটু বুঝায়ে বলেন না,প্লিজ.....
১৫. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৯
কৌশিক বলেছেন: ছি ছি ছি সৃজন, আপনার মন্তব্যগুলো আপনি মুছে ফেলেন। আপনি মুত ও বীর্য এদুটো শব্দকে এনে এমন একটা কবিতাকে ধর্ষনের দায়ে অভিযুক্ত। আপনাকে ব্যান করলাম!
১৬. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
রাগ ইমন বলেছেন: সৃজন ,
আপনি সৃজনে বড়ই অপক্ক দেখা যায় !
প্রকৃত জল বললে শুধু যদি শরীরেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান , তাহলেও শুধু মুতের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত প্রেম কেন আপনার ?

হাজার হাজার রোপ কূপের ঘর্ম কি পাপ করিলো ? অথবা মুখ নিঃসৃত লালা জল ?
চোখের অশ্রু ?
নাকের প্যঁটা কি বাপের ব্যটা নয় , আপনার সীমীত আচারে ?
আপনার মাতৃদুগ্ধ ও তো জলই । সাদা জল।

এত কুচুটে হলে চলবে কেন হে?

কৌশিক , আবারও অনুরোধ । একদিনের জন্য ধার চাই প্রতিভা।
১৭. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৩৫
রাগ ইমন বলেছেন: কৌশিক, আপনি বুঝিয়ে না দিলে , আমি কি লিখেছি বুঝতাম না । ;)
১৮. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৪৩
যীশূ বলেছেন: হায়রে, খায়দায় মফিজ, মোটা হয় জব্বার!
১৯. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
সৃজন বলেছেন: এর মইধ্যে রাগ ইমন আইল কই থাইক্যা!
ব্যাখ্যা চাই কৌশিকের ব্যখ্যার ... ব্যাখ্যা দ্যায় রাগ ইমন..হ্যার কবিতার প্রকৃত জলের .... রাগ ইমনের কবিতার তো প্রশংসা কইরা আইছি বইলাই মনে পড়ে...

ওরে ... দিদি ... এইয়া .. হেইয়া ... না ।
২০. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
রাগ ইমন বলেছেন: আমি আইলাম কই থিকা ? খাড়াও , দেহাইতেছি ।
বই যে দিলাম , না দিলা দাম, না লিখলা "প্রতিক্রিয়া"। আব্বুর কাছে কইয়া দিমু । বদের বদ বদি। ( আব্বু না, তুমি)
২২. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৩
সৃজন বলেছেন: দিদি... মনে করিয়া দেবার জন্য ধন্যবাদ

দাম .... প্রতিক্রিয়া... দুইই শীঘ্রই পেয়ে যাবেন

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭৫৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ