গত সপ্তাহভর আমি পিজড অফ। প্রথম ঝামেলাটা হচ্ছে সচালয়তনে পোস্টকৃত একটা বক্তব্যে আমাকে ব্লগে প্রথম দিকে জামাত সহানুভূতিশীল বলে একজন মত প্রকাশ করেছে। সেটা জানতে পেরে একটু খারাপ লেগেছিল। সাধারণত এসমস্ত বিষয়ে আমার প্রতিক্রিয়া থাকে জিরো। তবে ব্লগ বলে পুরোপুরি পরিকল্পনা করে একটা প্রতিক্রিয়া জন্ম দিলাম। বলা যায় এটা হচ্ছে সত্যিকারের অনুভূতির খাঁটি আত্বপ্রকাশ। তবে এখন আমি শ্রদ্ধা করি সংশ্লিষ্টদের। তাদের প্রতিক্রিয়ার মুভটা ভাল লেগেছে।
তারপরের রোমহর্ষক ঘটনা হচ্ছে, আমার লেখা একটা পোস্টে প্রিয় একজন মানুষ সন্বন্ধে একটা বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে নিজেরই অসতর্কতায়। যার জন্য সে তার সব পোস্ট মুছে দিয়েছে। আমি চোখের সামনে দেখছিলাম সে তার পোস্ট মুছে দিচ্ছে আর আমার ফোন ইগনর করে চলছে। মনে হচ্ছিল চেয়ে চেয়ে দেখছি নিজের মৃত্যু। শরীরের সব রোমকূপ থেকে নির্গত হতে থাকলো তরল একটা লাভা। মাথার সচলতায়ন হয়ে গেলো অচল।
এরপরের পিয়িং হচ্ছে আননের মেইল। সে তার ছবি পাঠিয়েছে। আমি মজা করে লিখলাম, তোমাকে তো আগলি দেখাচ্ছে! আমাকে তোমার মেইল লিস্ট থেকে বাদ দাও! কিন্তু রিপ্লাই বাটনে অল ক্লিক করায় তা চলে গেছে আননের অন্যান্য সিসিতে। এতে যা হয়েছে তা হচ্ছে আননের বড় ভাই গেছে প্রচন্ড খেপে। আমাকে গালাগালি করে বিশাল একটা মেইল পাঠিয়েছে।
এরপরের বিষয় হচ্ছে আরো ভয়াবহ। আমার এমবিএর একটা পেপার রেডি করা বাকী ছিল। মেইলে পাঠাতে হবে কোঅর্ডিনেটরের কাছে। পড়াশুনা সংক্রান্ত কমিউনিকেশনের জন্য আমার আলাদা একটা ইমেইল এড্রেস আছে। সেটা দিয়ে পাঠিয়ে দিলাম একদম ইলেভেনথ আওয়ারে। বসে বসে তুড়ি বাজাচ্ছি। পরের দিন ইউনিভার্সিটি গিয়ে শুনলাম আমি আনলিস্টেড। কারণ জিজ্ঞেস করে জানলাম আমার মেইলে কোন এটাচমেন্ট ছিল না। পরে স্যারকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমার মোটামুটি ঘন্টা দুয়েক ধরে তার দশটা এসাইনমেন্টের পাওয়ার পয়েন্ট ভার্সন করে দিতে হয়েছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




