somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার পোস্টমর্টেম -১৩

১৬ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১০:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত সপ্তাহভর আমি পিজড অফ। প্রথম ঝামেলাটা হচ্ছে সচালয়তনে পোস্টকৃত একটা বক্তব্যে আমাকে ব্লগে প্রথম দিকে জামাত সহানুভূতিশীল বলে একজন মত প্রকাশ করেছে। সেটা জানতে পেরে একটু খারাপ লেগেছিল। সাধারণত এসমস্ত বিষয়ে আমার প্রতিক্রিয়া থাকে জিরো। তবে ব্লগ বলে পুরোপুরি পরিকল্পনা করে একটা প্রতিক্রিয়া জন্ম দিলাম। বলা যায় এটা হচ্ছে সত্যিকারের অনুভূতির খাঁটি আত্বপ্রকাশ। তবে এখন আমি শ্রদ্ধা করি সংশ্লিষ্টদের। তাদের প্রতিক্রিয়ার মুভটা ভাল লেগেছে।

তারপরের রোমহর্ষক ঘটনা হচ্ছে, আমার লেখা একটা পোস্টে প্রিয় একজন মানুষ সন্বন্ধে একটা বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে নিজেরই অসতর্কতায়। যার জন্য সে তার সব পোস্ট মুছে দিয়েছে। আমি চোখের সামনে দেখছিলাম সে তার পোস্ট মুছে দিচ্ছে আর আমার ফোন ইগনর করে চলছে। মনে হচ্ছিল চেয়ে চেয়ে দেখছি নিজের মৃত্যু। শরীরের সব রোমকূপ থেকে নির্গত হতে থাকলো তরল একটা লাভা। মাথার সচলতায়ন হয়ে গেলো অচল।

এরপরের পিয়িং হচ্ছে আননের মেইল। সে তার ছবি পাঠিয়েছে। আমি মজা করে লিখলাম, তোমাকে তো আগলি দেখাচ্ছে! আমাকে তোমার মেইল লিস্ট থেকে বাদ দাও! কিন্তু রিপ্লাই বাটনে অল ক্লিক করায় তা চলে গেছে আননের অন্যান্য সিসিতে। এতে যা হয়েছে তা হচ্ছে আননের বড় ভাই গেছে প্রচন্ড খেপে। আমাকে গালাগালি করে বিশাল একটা মেইল পাঠিয়েছে।

এরপরের বিষয় হচ্ছে আরো ভয়াবহ। আমার এমবিএর একটা পেপার রেডি করা বাকী ছিল। মেইলে পাঠাতে হবে কোঅর্ডিনেটরের কাছে। পড়াশুনা সংক্রান্ত কমিউনিকেশনের জন্য আমার আলাদা একটা ইমেইল এড্রেস আছে। সেটা দিয়ে পাঠিয়ে দিলাম একদম ইলেভেনথ আওয়ারে। বসে বসে তুড়ি বাজাচ্ছি। পরের দিন ইউনিভার্সিটি গিয়ে শুনলাম আমি আনলিস্টেড। কারণ জিজ্ঞেস করে জানলাম আমার মেইলে কোন এটাচমেন্ট ছিল না। পরে স্যারকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমার মোটামুটি ঘন্টা দুয়েক ধরে তার দশটা এসাইনমেন্টের পাওয়ার পয়েন্ট ভার্সন করে দিতে হয়েছে।
৪৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×