২০০৪ এর বন্যার পরে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের আয়োজনে বিশাল ওয়ার্কশপ হয়েছিল। ২০০৭ এর জন্য আগেভাগে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারেন। যারা ওয়ার্কশপে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগান দেয়ার ব্যবসা করেন তারা নতুন চ্যানেল ধরতে পারেন। যেসমস্ত বিদেশি এনজিও বন্যাকে দেখিয়ে বেশ ভাল কিছু প্রজেক্ট পেয়ে থাকেন, তারা এখনই প্রজেক্ট প্রপোজাল রেডি করতে পারেন। প্রয়োজনে বিগত দিনের ছবি দিয়ে কম্পোজও তৈরী করতে পারেন। দূর্যোগে তা ছাপিয়ে যাবে বিগত দিনের ক্ষতি। তাহলেও অসুবিধা নাই। আপাতত চালানো যাবে।
যারা চ্যারিটি করতে চান তারা এখনই ত্রাণের জন্য গ্রুপ ফর্ম করতে পারেন। যারা ফটোগ্রাফী করতে চান, তারা ক্যামেরার লেন্স ঠিক করুন। যে সমস্ত পরিচালক সিনেমা নাটকে একটা বন্যার দৃশ্যের জন্য আটকে আছেন তারাও এবার সিডিউল মেলাতে পারেন।
সরকারী এডভাইজাররা প্রতিদিন যেসমস্ত বন্যা বিষয়ক বক্তৃতা দিবেন তার ড্রাফট সেক্রেটারীদেরকে দিয়ে দিতে পারেন। আইসিডিআরবি তাদের নতুন গবেষণার জন্য ভাল কিছু উপাদান পেয়ে যাবেন। বিদেশে ট্রেনিং এ যারা গিয়েছে তাদেরকে ফেরত নিয়ে আসুন এখনি।
বিদেশী সাংবাদিকদের ঢাকায় অবস্থানের জন্য শেরাটান, সোনারগাঁ, রাডিসন এখনই যোগযোগ করে রাখতে পারে। যত আগে আপনি যোগাযোগ করবেন তত আপনার বেশী ক্লায়েন্ট। টিভি চ্যানেলগুলোর রিপোর্টারদের এখনই যমুনা, হাওর আর নর্থের বিভিন্ন জেলাতে পাঠিয়ে দেয়া যেতে পারে।
গবেষণা হতে পারে মৃত মানুষের কিভাবে দাফন হবে। চারদিকে পানি আর পানি। এ নিয়ে মোল্লারা দেখে নিতে পারে ধর্মীয় বিধানগুলো। প্রয়োজনে আমরা নতুন শরীয়াহ নির্মাণ করবো।
মোট কথা বন্যা হচ্ছে এটা এখন নিশ্চিত। আমাদের প্রস্তুতি ঠিকমত চালাতেই হবে, ব্লগেও আগাম কবিতা লিখে রাখতে পারেন। কেবল বন্যায় ভূগে ধুকে শোকে পাথর অসহায় মানুষের প্রস্তুতি না থাকলেও চলবে। ওদের জন্য আমরা প্রস্তুত, আসুক বন্যা!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





