তাকে আমি কোন নামেই ডাকতে পারি না, অথচ তার অনেক নাম। কোন নাম পছন্দ হয় না; আবার সব নামেই সে পরিচিত। এমন নয় যে তার নাম নেই, রয়েছে একটা নিশ্চয়ই, কিন্তু তা জানার আগেই গত হয়েছে প্রায় দুইবছর এবং "ও" হয়ে গেছে "তুমি" এবং তারপরে আবার "ও"। পরিচয়টা একপ্রকার ব্লগফাইট থেকেই; তবে কোন একটা অদৃশ্য কারণে ব্যক্তিটিকে আমি পছন্দ করি। সে কারণ অনুধাবনের দুরূহ তত্ত্ব তালাশে আমি নেই - ভালোবাসা থাকাটা বোধ করি; এ নিয়ে সন্তুষ্টি আমাকে তৃপ্তি দেয়।
যার কথা বলছি সে ডঃ আইজুদ্দিন নামে সমাধিক পরিচিত। বর্তমানে বোঘদাদী হেকিম নামে ব্লগাচ্ছে। আইজুদ্দিন কোথায় থাকে, কি করে, কি ভাবে, সব কিছুই অজ্ঞাত। তবে জ্ঞাত রূপটা হচ্ছে দৃশ্যমানতা। তাকে প্রয়োজন হয় সর্বত্র, আলোচিত হয় জ্যাকনাট থেকে রকেট সাইন্স পর্যন্ত। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিচয়ের যে নিশানা মানুষকে একটা পূর্বানুমানে সীমাবদ্ধ করে ফেলে - তা থেকে মুক্ত আইজুদ্দিন তার মতামত ও অভিব্যক্তি দিয়ে দারুন সার্থকতায় একটা সলিড চরিত্র তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে। সে চরিত্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম সংগ্রামী।
আগুণের পরশমনিতে ডঃ আইজুদ্দিনের সাথে আজকে পিঠ চুলকাচুলকি সভার আয়োজন করেছি। কুঁজের মত নুয়ে পড়া দেশটাকে চুলকাচ্ছে কিছু গর্ধভ তত্ত্বাবধায়ক, এই সুযোগে না হয় আমারও একটু আইজু্দ্দিনকে চুলকিয়ে দেই!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

