জেলে যে পরিমাণ নেতাকর্মী বন্দী আছে তাদের জন্য যদি দলের সমর্থকরা গণঅনশন শুরু করে তবে রাতারাতি দেশের খাদ্যসমস্যা দূর হয়ে যেতে পারে। আওয়ামী লীগ আজ থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শেখ হাসিনার নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে গনঅনশন শুরু করেছে। দুর্মূল্যের বাজারে অনশন নিঃসন্দেহে একটা প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আওয়ামী লীগের উচিত হবে এই গনঅনশন না থামানো। এবং এতে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করানো। প্রয়োজনে নেতা-সমর্থকদের আত্মীয় পরিবারবর্গ যে যেখানে থাকুক না কেন এই অনশনে একাত্মতা ঘোষণা করে সামিল হতে পারবে।
আওয়ামী লীগের দেখাদেখি বিএনপি খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এবং অন্যান্য নেতাদের ভক্তরা যদি তাদের স্বস্ব নেতাদের মুক্তির জন্য এমন গণঅনশন শুরু করে তবে আশা করা যায় বাংলাদেশের পনের কোটি লোক অচিরেই না খেয়ে থাকার অভ্যাস রপ্ত করতে পারবে। সরকার, মিডিয়া, দাতা সংস্থা ও সুশীল সমাজের এই অনশন কর্মসূচীকে বিপুলভাবে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য আহবান জানানো উচিত। প্রয়োজনে তিনদিন নির্বিঘ্নে অনশন করার গাণিতিক ও সুশীলিয় পদ্ধতির উপরে সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক ও টকশো বসানো যেতে পারে।
অনশনের এই কর্মসূচীর সাফল্যজনক উৎক্ষেপনের পরে বিশ্ববাজারে চালের স্থিতিবস্থা ফিরে আসবে আশা করা যায়। প্রতিটা বাঙালী বছরে ১৭০ কেজি চাল খেয়ে ফেলে - যা বিশ্বে আমাদেরকে নাম্বার ওয়ানের স্বীকৃতি দিয়েছে। আশা করা যায় এই অনশনের পরে আমাদের মাথাপিছু বাৎসরিক চালের চাহিদা ১০০ কেজিতে এসে থামবে।
তবে সরকারের উচিত হবে না শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া। এদের মুক্তি দিলে অনশন কর্মসূচী থেমে যাবে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা দরকার এমন অনশন কর্মসূচীকে উৎসাহিত করার জন্য।
জনগনেরও এগিয়ে আসা উচিত - শেখ হাসিনার কিছু হলে বাঁধবো পাথর পেটে পেটে!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



