ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচনের স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র। বংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণে যে শিক্ষকদের সচেতনতা জনগনকে দিক নির্দেশনা দিয়েছে; যে শিক্ষকদের সমর্থনে গত বছর ২০ শে আগস্টের ছাত্র বিক্ষোভ স্ফুলিঙ্গের মত ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বাংলাদেশে, সেই শিক্ষকদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিরুদ্ধে মামলা ঠূকেছে, আশিকুল ইসলাম, আ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র।
তার বক্তব্য, জরুরী ক্ষমতা বিধিমালার ৪ বিধির ২ উপধারা মোতাবেক রাজনৈতিক, পেশাজীবি সংগঠনের সব তৎপড়তা নিষিদ্ধ থাকায় শিক্ষক সমিতিও নির্বাচন করার অধিকার রাখে না; যেহেতু এটা পরিষ্কার একটা রাজনৈতিক লেজুরবৃত্তিকারী সংগঠন এবং এই নির্বাচনে সরাসরি রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পৃক্ততা থাকে। আবেদনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, শিক্ষক সমিতিকে বিবাদী করা হয় এবং প্রথম আলোর সূত্রমতে আদালত নির্বাচনের উপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেন।
২০শে আগস্ট পরবর্তী ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে মাত্র গতসপ্তাহে; যেখানে শিক্ষকদের রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত করার সুপারিশমালা রয়েছে। ঠিক এর পরপরই একজন ছাত্রের এই আবেদনের ঘটনাকে বেশ সাজানো গুছানো নাটকই বলা যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষকদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ষড়যন্ত্র এখনও শেষ হয়নি মনে হচ্ছে। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ছাত্রদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার এহেন ব্রেনড্রেন বর্তমান সরকারের এক সুদূরপ্রসারী অবস্থানের ইঙ্গিত দেয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



