আমার প্রিয় পোস্ট

সাবধানে কিবোর্ড চাপুন

ঐতিহাসিক মে দিবস এইসব শ্রমিকের "জব সিকিউরিটি" নিশ্চিত করেছে কি?

০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:০৬

শেয়ার করুন:                   Facebook


স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা বিক্রি করে রুহুল

বিদেশী কোন দলের সাথে কিক্রেট ম্যাচ হলে এই পতাকার কাটতি দারুণ। এছাড়া রাষ্ট্রীয় জাতীয় দিবসে মোটামুটি চলে। এছাড়া অন্যসময়ে রিকশা চালায়।


সুপালিশার কার্তিক প্রতিদিন পনের কিলোমিটির যাত্রা করে ঢাকায় আসে

আশুলিয়া গ্রামে বাড়ী। মিরপুর বেড়ি বাঁধ থেকে তুরাগ পেরিয়ে পাঁচ কিলোমিটার হেঁটে গেলে তার বাড়ী। সকাল ৯টায় মিরপুরে তার সুপালিশের জন্য নির্ধারিত স্থানে আসে, ফেরে রাত আটটায়। প্রতিদিন পুলিশকে চাদা দেয় ত্রিশ টাকা।


বালুশ্রমিক রুস্তুমের মজুরী একশ বিশ টাকা

বুড়িগঙ্গার বালুর ট্রলারে কাজ করে। দুপুরে রুটি কলা খায়। চিতই পিঠা আর গুর কোনদিন। ডেইলী মজুরী থেকে ত্রিশ টাকা সঞ্চয় করে। রোগশোকে ভরসা তার সদরঘাটের ক্যানাভাসারের বড়ি।


সাবিনা ও তার ছেলে ফাহাদ ইট ভেঙে দুইশটাকা আয় করে

মিরপুর স্টেডিয়ামে কাজ করে। রাতে মা-ছেলে স্টেডিয়ামের সামনের খোলা মাঠে ঘুমায়। ছেলেকে নিয়ে একদিন শিশুপার্ক ঘুরিয়ে দেখিয়ে এনেছে।


শুক্কুর ও রশিদ শিশু বয়স থেকে হোটেল শ্রমিক

শুক্কুরের কথা হচ্ছে খাওয়ার চিন্তা নাই, এই কাজের চেয়ে আর কোন কাজ ভাল হতেই পারে না। তবে রশিদের বক্তব্য, অসুখ হলেই চাকুরী হারাবার একটা সম্ভাবনা থাকে।


এটিম বুথের সিকিউরিটি গার্ড আক্কাস আলী

কিন্তু সারাবেলা কাশে। ঈদকোরবানীতে যারা টাকা তুলতে আসে তাদের কাছে রোগের কথা বলে দশবিশটাকা উপার্জন করে। মাসিক বেতন আড়াই হাজার।


শীলখোদাইকারী সোলাইমান পাটাপুতার বিলুপ্তিতে আশংকাগ্রস্থ

আগের মত আর নাকি ঘরঘরে পাটাপুতা পাওয়া যায় না। প‌্যাকেটজাত মশলার আবির্ভাবে তার কর্মসংস্থান হুমকীগ্রস্থ। ভাবছেন, গ্রামে ফিরে যাবেন নয়তো একটা পান-বিড়ির দোকান দিয়ে বসবেন টংগীতে।


কাঠমিস্ত্রি রবিউল তিনহাজার টাকা বেতনে কাজ করে

তবে ঈদকোরবানীর সময় চারপাঁচ হাজারটাকাও আয় হয়। কাজীপাড়ার বড় একটা ফার্নিচারের দোকানে কাজ করতো।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:২২

 

  • ১১ টি মন্তব্য
  • ৮৭০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
comment by: মামু বলেছেন:
ব্লগের কৌচিক দাদা তেমন কুনু কাম কাজ করে না, অপিস পাকি দিয়া নেটএ বইস্যা ব্লগায়। মাতার গাম পাতায় ফেইল্যা ব্লগাইতে ব্লগাইতে মাথার কাম শেষ,...

ব্লগাইতে যে মাতা গামাইতে হয় এইডা কেউ বুজল না....

আপচুস...

৪৫টকা চাউলের মূল্যের বাজারে সংসার ক্যমনে চলব? তার বেতান ভাতা বৃদ্ভি করা হোক....
ব্লগানু যকন শুরু করচিল তকন তো চাউল ৪৫টকা চিল না....
২. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
comment by: মামু বলেছেন:
কৌচিক দাদা ব্লগের একটা সাধারন চিত্র মাত্র, যা সার্বিক সকল ব্লগারের চিত্র বহন করে মাত্র।
৩. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিকদা, প্রিয় পোস্টে।
৪. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
comment by: সবুজমিয়া বলেছেন: মামু বলেছেন:
ব্লগের কৌচিক দাদা তেমন কুনু কাম কাজ করে না, অপিস পাকি দিয়া নেটএ বইস্যা ব্লগায়। মাতার গাম পাতায় ফেইল্যা ব্লগাইতে ব্লগাইতে মাথার কাম শেষ,...

ব্লগাইতে যে মাতা গামাইতে হয় এইডা কেউ বুজল না....

আপচুস...
৫. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:২১
comment by: মেঘবাজি বলেছেন: কামের একখান পোস্ট দিসেন

৬. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
comment by: মামু বলেছেন: সবুজমিয়া @ সংবিধিবদ্ধ সর্তকীকরনঃ

আমার মন্তব্য কৌচিক দাদার লগে ব্যক্তিগত কতপোকতন, ইহা যে কুনু ধরনের কপি করা কপিরাইটের আইনে দন্দনীয় অপরাদ।
৭. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: রাহা বলেছেন: মামু @ মামুর কমেন্টে একশ ।হাচা কতা কইচে মামু ।
৮. ০১ লা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: গিফার বলেছেন: দারুন পোস্ট...

ধন্যবাদ
৯. ০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: এই ফিচা র টি পাবলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া দরকার
১০. ০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
comment by: দূরন্ত বলেছেন: মে দিবসের পোস্টটা ভালো লাগলো।
আপনি তো জিনিয়াস। ছবিগুলোও খুব ভালো হয়েছে?
১১. ০২ রা মে, ২০০৮ রাত ১:৪৭
comment by: স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: টাইটেল টা কেউ বুঝলে হয়... ভালো

 

 


পুরোপুরি রাজনৈতিক। একজন ভালো মানুষ ও গরুর মধ্যে আসলে কোনো পার্থক্য নাই। দুটোই নিরীহ, বলিষ্ঠ ও উন্নত শরীর নিয়ে সটান...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ