এই ভ্রমণ কাহিনীর পরের পার্ট লিখবে মাসুম ভাই। কিন্তু সেখানে অনেক কাহিনীই থাকবে না, সবাই তো আর আমার মত সাহসী না। কেউ কেউ ডুবে ডুবে বুড়িগঙ্গার জলও খায়। আমি অবশ্য কেবল ভোদকা খাই। তবে জনগণ তা বিশ্বাস করে না। যাউগ্গা, আমার তো একটা দায়িত্ব আছে, পাঠককে তো আর অজ্ঞতার মধ্যে রাখতে পারি না। শত হইলেও বিষয়টা প্রত্যূৎপন্নমতিত্বের বিবাহ লইয়া। স্বার্থ প্রতিটা ব্লগারের। প্রত্যুর পাত্রী মানেই সব ব্লগারের পাত্রী। জনপ্রিয়দের এভাবে আপন করে নেয় মানুষ।
পাত্রী বাছাই কমিটি সাকুল্যে তিনজন পাত্রীকে যাচাই বাছাই শুরু করেছিল। এর মধ্যে একজনের থরো চেক-আপের জন্য দায়িত্ব পেল মেজবাহ য়াযাদ, ল্যাব এইডে। বাকী দুইজনের দায়িত্ব নিল শওকত ভাই।
পরীক্ষার মধ্যে একটা ছিল সাতার বিদ্যা দেখা। কোন এক কারণে শওকত ভাইয়ের ধারণা হয়েছে যে বিবাহ মানে আসলে বিশাল মহাসমূদ্রে ঝাপ দেয়া। সেখানে পুরুষেরা কেবল ডুবতে থাকে। সুতরাং স্ত্রী যদি ভাল সাতার জানে তবে স্বামীকে হয়তো টেনে টুনে তুলতে পারবে।
এজন্য দুইজনকে নিয়েই শওকত ভাই রওনা হলো বরিশাল। সমস্যা হইতেছে কেবিনে দুইটা বেড। মানুষ তিনজন। সাতার কিভাবে প্রাকটিস করবে এই নিয়ে অনেক বিতন্ডার পরে দেখা গেল মাসুম ভাই দুই বেডের কোন জায়গায় নাই।
সকাল বেলা তাকে খুঁইজা পাওয়া গেল দুই বেডের মাঝখানের পাটাতনে। প্রশ্ন হইলো এতে কি প্রমাণ হয় পাত্রীর সাতার বিদ্যা? পরের পার্ট পাবেন মাসুম ভাইয়ের পোস্টে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

