গতকাল ছিল বাৎসরিক সংগম দিবস। আমরা যৌবনে কখনও ভাবতে পারিনি সংগম বিহীন একটা দিনের কথা। অথচ এ-সময়ের যুবারা বাৎসরিক সংগম দিবস বানিয়েছে। আমাদের যৌবনে শুনেছিলাম বন্ধু দিবসের কথা, প্রেম দিবস, বাবা, মা আর নারী দিবসের কথা। যে সম্পর্কগুলো অবলুপ্ত হয়ে যায় তা স্মরণ করার জন্য বিশেষ একটা দিবসের তাৎপর্য্য রয়েছে হয়তো, কিন্তু সংগমও যে এমন দুর্লভ হয়ে যাবে কখনও মনে হয়নি।
অবশ্য বিশ্ব শত্রু দিবস যখন থেকে চালু হলো তখনই মনে হয়েছিল এ সময় আমার নয়। টেক-সংগম ধারণার উৎপত্তির পর থেকে প্রাকৃতিক সংগম এখন বিরল, কম-উত্তেজনাকর ও ব্যাক-ডেটেড হয়ে গেছে। তবে ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য এখনও মাঝে মাঝে ফেস্টিভেলের আয়োজন হয়, উৎসব হয়।
আমি ও টাপুরের মা এখনও শরীরে উদ্দীপ্ত হই। সম্ভবত বিগত প্রজন্মের বলেই। আমাদের সন্তানরা উইশ করলো, এ-দিনটা একান্ত আমাদের বলেই বাসায় একটা পার্টি দিল। টাপুর ও আমার মেয়ে ঋষী অবশ্য একটা এনডলেস বিতর্ক জুরে দিয়েছিল। টাপুরের বক্তব্য মানুষের শরীর হাইজেনিক নয়, প্রাকৃতিক সংগম তাই ঝুঁকিপূর্ণ। ঋষী জানালো, মানুষের শরীরের চেয়ে বড় পবিত্র আর কিছু হতে পারে না, দরকার কেবল বিশুদ্ধতর জীবন-পদ্ধতির উন্নয়ন।
আমরা অবশ্য তার আগেই বেডরুমের দরজা বন্ধ করে দিয়েছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



