সাতসকালে সড়ক উপদ্বীপে বসে কলিগের দাত ব্রাশ করা রীতিমত ক্লাসিকাল। থুথু ছিটিয়ে কলিগ রাজনৈতিক প্রলাপ বকে। দুইটাই আমার কাছে কুৎসিত লাগলেও আজকে কলিগের পাশে ছোটখাট জমায়েত দেখে অগ্রসর হতে কিঞ্চিত সাহসী হলাম। পাশ্ববর্তী হতেই শুনলাম কলিগের বক্তব্য....আওয়ামী লীগ কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে! কয়েকজন প্রাতঃদন্তমর্জনকারী মাথা ইতিবাচক দুলাতে আরম্ভ করলে কলিগ তাদের বললেন, থামেন মিয়া! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আওয়ামী লীগ করিবে না!
আমি বুঝলাম ইহা প্রলাপই। লোকজন সমস্বরে চিৎকার করে উঠলো, কি বলেন? জামাতকে তো এখনই ঝুলাইয়া দেয়ার সময়! একজন আরেককাঠি সরস, সে বললো, হুইয়া তো পড়ছেই, এখন সপাৎ সপাৎ বাড়ি মারলেই দেখবেন কেল্লাফতে!
কলিগ হো হো করে হাসে। মিয়া, এই ভয়াবহ বিজয়ের আনন্দে আওয়ামী লীগের মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটিবে। অচিরেই তাহারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে সংঘাতমূলক আখ্যা প্রদান করিয়া বলিবে এখন দ্রব্যমূল্যের দাম কমানো গুরুত্বপূর্ণ - জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রাখিতে হইবে, এইসব...
উপস্থিত লোকজনদের মত আমিও জানিতে চাহিলাম, তাহলে উপায়?
কলিগ বলিল, আওয়ামী লীগ কোন বিজয় মিছিল করিতে পারিবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলেই কেবল আমরা আনন্দ করিতে পারি!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

