আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আয়োজিত ব্লগার সমাবেশে উত্থাপিত প্রস্তাব ও কর্মপন্থা

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আমাদের সোচ্চার থাকতে হবে এ বিষয়ে কারো কোন সন্দেহ নেই। গতকাল ছবির হাঁটে ব্লগাররা সমবেত হয়েছিল তাদের এমন সংকল্প উচ্চারণের জন্য এবং কিভাবে সোচ্চার থাকা যায় তার কর্মপন্থা নির্ধারণে। উপস্থিত ৩০ জন ব্লগার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সশরীরে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্যম্পেইন পরিচালনা করতে এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাংলা ভাষার সবকটি ব্লগ কর্তৃপক্ষ ব্লগারদের এই উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ততা ঘোষণা করবেন।

সমবেত ব্লগাররা সর্বসম্মতভাবে যে সমস্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা হলোঃ

১. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে একটা গণসাক্ষর কর্মসূচী পরিচালনা করা হবে। এই সাক্ষর সংগ্রহ মূলত প্রতীকি একাত্মতা প্রকাশ হলেও এর সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে প্রতিজন সাক্ষরকারীর কাছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে পৌঁছে দেয়া যায় এবং মনস্তাত্ত্বিকভাবে সাক্ষরকারী নিজের দাবীর বিষয়ে সচেতন হতে পারেন যা তাকে অন্য আরেকজনকে সচেতন করতে অনুপ্রাণিত করে।

ক. গণসাক্ষর সংগ্রহের জন্য একটা ফর্ম আজকের মধ্যে তৈরী ও বিতরণ করা হবে। এই ফর্মটি বিভিন্ন ব্লগ কর্তৃপক্ষ তাদের সাইটে ডাউনলোডযোগ্য হিসাবে উপস্থাপন করবেন।

খ. একটা গণসাক্ষর ফর্মে দশজনের সাক্ষরের ব্যবস্থা থাকবে এবং প্রতিটা ফর্মের শেষে সংগ্রহকারী সাক্ষরসহ তার নাম ও পরিচয় লিপিবদ্ধ করবেন।

গ. গণসাক্ষর ফর্মে কলম দিয়ে সাক্ষর করতে হবে এবং ফর্মটির হার্ড কপি পাঠাতে হবে স্ব স্ব ব্লগ কর্তৃপক্ষের অফিসে বা তাদের নির্ধারিত কোন একটা ঠিকানায়। কোন ধরণের স্ক্যান্ড সিগনেচার ও সফট কপি পাঠাবার দরকার নেই।

ঘ. আগামী ৯ই জানুয়ারী সকাল দশটা থেকে বাণিজ্য মেলায় উন্মুক্ত সাক্ষর গ্রহণ কার্যক্রম চালানো হবে। ব্লগার শফিকুল বাণিজ্য মেলার এই কর্মসূচীর বিস্তারিত জানিয়ে একটা পোস্ট দেবেন ৬ তারিখ। তিনি ব্যানার ও ফর্মও প্রস্তুত রাখবেন। ব্লগাররা সকাল দশটা থেকে সেখানে সমবেত হবেন এবং সারাদিন ব্যাপী এই কর্মসূচী অব্যাহত থাকবে।


২. ব্লগাররা পর্যালোচনা করেছেন যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আইনের দিকটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং ব্লগারদের আইন বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকা অপরিহার্য্য। সেজন্য আইন অবহিতকরণের জন্য বিভিন্ন ফোরামে এ যাবত উত্থাপিত ও পর্যালোচিত আইন ও প্রবন্ধ সংকলন নিয়ে একটা বই ও অন্য আরেকটা বুকলেট প্রকাশ করা হবে।

ক. বইয়ের জন্য যাবতীয় আইনগুলো সংকলিত করবেন ব্লগার একরামুল হক শামীম। নানাবিধ তথ্য, উপাত্থ এবং পেপারকাটিং এর জন্য জন্য অমি রহমান পিয়াল, জেনোসাইড বাংলাদেশ ও অন্যান্য আর্কাইভ ব্যবহার করা হবে।

খ. বুকলেট হবে অল্প কয়েক পৃষ্ঠার, যা বিনামূল্যে বা মাত্র নামমাত্র মূল্যে প্রদান করা হবে।

গ. এই উভয় সংকলন প্রস্তুত ও সম্পাদনার জন্য লোকাল টককে অনুরোধ করা হবে।

ঘ. বই ও বুকলেটের জন্য আনুমনিক ৩০ হাজার টাকার একটা ফান্ড প্রয়োজন হবে। এজন্য আগ্রহীদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

৩. পোস্টারের প্রয়োজনীয়তার কথা ব্লগাররা বলেছেন তবে শেখ হাসিনার ভাষণ উদ্ধৃত পোস্টার কতটুকু পাঠযোগ্য হবে এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করা হলে একটা চমৎকার, নান্দনিক পোস্টার তৈরীর বিষয়ে আরো মতামত গ্রহণের কথা বলেছেন ব্লগাররা। কেউ কেউ বলেছেন সাক্ষর কর্মসূচীতে অংশ নেবার আহবান সম্বলিত পোস্টার হতে পারে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের ৫.১ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত “সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ শক্ত হাতে দমন করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করা হবে" কে জনসাধারনে প্রচারের জন্য পোস্টার হতে পারে। ব্লগাররা এ বিষয়ে আরো মতামত প্রদানের জন্য ব্লগারদের আহবান জানিয়েছেন।

৪. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আরো অসংখ্য ফোরাম, ফেসবুকের গ্রুপ সক্রিয়। এ সমস্ত উদ্যোগের সাথে সমন্বয় সাধণের জন্য এবং সাক্ষর কর্মসূচিতে সহযোগী হিসাবে রাখার জন্য ব্লগারা উদ্যোগী হবেন। এ কাজের জন্য ব্লগারদের মধ্যে স্বতস্ফূর্তভাবে নাম চাওয়া হচ্ছে।

৫. সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে পরিচালিত এই ক্যাম্পেইনকে বেগবান করার জন্য উপস্থিত ব্লগাররা বিভিন্ন দৃষ্টিকোন পর্যালোচনা করে বিচারের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক পোস্ট দেবেন। একাত্তুরের যুদ্ধে নির্যাতিত নারী ও শহীদদের আত্মত্যাগকে মাথায় রেখে এ ধরণের কোন পোস্টে অশালীন আক্রমণ ও পারস্পরিক অবমাননাকে উপস্থিত ব্লগাররা অত্যন্ত উদার ও সহনশীলতার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করবেন। ব্লগাররা বলেছেন যুদ্ধাপরাধ বিচারের দাবীকে গ্রহণযোগ্য মাত্রায় ছড়িয়ে দেবার জন্য আমাদের পারস্পরিক ঐক্য বজায় রাখা সর্বাগ্রে প্রয়োজন।

৬. এমন একটা উদ্যোগকে আরো বেশী মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য মিডিয়াকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। ব্লগার মেজবাহ য়াযাদ সহ আরো উৎসাহীদের এ বিষয়ে সম্পৃক্ত হবার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।


যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ব্লগারবৃন্দঃ

দাদুভাই, মারুফ হোসেন, আনিস সিজার, পথিক, শরৎ, সামী মিয়াদাদ, চৌধুরী ইশতিয়াক সাদমানী, মেসবাহ য়াযাদ, শেরিফ, যীশূ, জুবেরী, আহসান হাবিব শিমুল, অন্তিম, রাসেল....., অমি রহমান পিয়াল, বাপ্পাদিত্য, শওকত হোসেন মাসুম, জটিল, বৃত্তবন্দী, ভাস্কর চৌধুরী, জামাল ভাস্কর, নামহীন, মীতু, মিশু মিলন, শফিকুল, আরিফুর রহমান, স্বপ্নের ফেরীওয়ালা, একরামুল হক শামীম, লাল দরজা, কৌশিক

 

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬

 

১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: আছি আপনাদের সাথে।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: যতবেশি সাক্ষরসংগ্রহ করা যাবে ততবেশী আমাদের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। বিভিন্ন স্তরের মানুষের মাঝে এটা যোগাযোগ স্থাপনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। সমাজের বিভিন্ন স্তর ও শ্রেণীর মাঝে এটা বিভিন্ন ভাবে প্রভাব ফেলতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: ১) বই ও বুকলেট প্রকাশের জন্য আমি আপাতত ৫০০০ টাকা দেবার ইচ্ছা পোষন করছি।

২) স্বাক্ষর সংগ্রহ করার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে সমন্বয় করার দ্বায়িত্ব নেবার আগ্রহ পোষন করছি।

সব সময় সাথে পাবেন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুমন ভাই। শামীম আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। ফর্মটা আজকের মধ্যে বিতরণ করা যাবে আশা করছি।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস। যত বেশী সাক্ষর তত বেশী মানুষের মাঝে জাগরণ...

৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: পোস্ট টা অন্ততঃ আজকের দিনের জন্য স্টিকি করা হোক...
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ৯ তারিখ কিভাবে আয়োজনটা সফল করা যায় সে নিয়ে ভাবতে হবে। আপনি যে পিকনিকের আয়োজনটাকে একটা সাইট ট্যুর যা সাক্ষর সংগ্রহের জন্য পরিচালিত হবে এমন একটা আইডিয়ার কথা বলছিলেন..এইটার বিস্তারিত পরিকল্পনা চাই...

৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
রুবেল শাহ বলেছেন: আমিও আসার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ
৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পোস্ট টা স্টিকি করা হোক। সাথে আছি......
৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৪
জানা বলেছেন:

সবসময় আছি, থাকবো সবরকম সহযোগীতার হাত নিয়ে।
ত্রিশ হাজারেরও বেশী বাংলা ব্লগার বন্ধু এই চাওয়ায় একসাথে আছি। আর এই সংখ্যা ক্রমশ: বাড়ছেই।

সিগনেচার ফরমটি পাওয়ার অপেক্ষায়। এরপর শুরু হয়ে যাবে এই ন্যায্য এবং প্রাণের দাবীর স্বপক্ষের আকাশচুম্বী অংশগ্রহণ। নিশ্চিত।

যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবেই; হতেই হবে।



১০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
জেরী বলেছেন: আপনার সাথে আছি.......।

বৃত্তবন্দী,জেরী বলেছেন: পোস্ট টা অন্ততঃ আজকের দিনের জন্য স্টিকি করা হোক...
১১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
মামুন_চট্টগ্রাম বলেছেন: সত্যিই অসাধারণ পদক্ষেপ। তবে কারা করবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ? ১৯৯৬ এর সরকার পারেনি। যারা স্বৈরাচারীদের সাথে হাত মিলিয়ে নির্বাচনে জিতেছে তারা কি পারবে? যারা হরতাল করবে না প্রতিশ্রুতি দিয়েও বিশ্বাসভঙ্গ করেছে এবং বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে তারা করবে? নাকি আপনার স্রষ্টার বিচারে বিশ্বাস করেন না?
১২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
ইরতেজা বলেছেন: স্বাক্ষর সংগ্রহ করার জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে আমিও আছি। কি কি করা যায় সুমন ভাই এই ব্যাপারে আপনার সাথে ফোনে কথা বলব।
১৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
যীশূ বলেছেন: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি পাওয়া গেলে খুব ভালো হয়। সেক্ষেত্রে একই সাথে সে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাক্ষর সংগ্রহের বুথ বানিয়ে এ ক্যাম্পেইন চলতে পারে। ছাত্রদের মধ্যেই এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয়।
১৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
আজনবী বলেছেন: উদ্দোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আছি আপনাদের সাথে।
১৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আলোচনায় সবার সত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে ভাল লাগছে ।

১৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
আছি আপনাদের সাথে। উদ্দোগের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ।
১৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
মামুন_চট্টগ্রাম বলেছেন: যুদ্ধাপরাধী প্রসঙ্গ নিয়ে যারা আজ সোচ্চার তারা অনেকে তো নির্বাচনই দেখেননি। তারা কিভাবে সঠিক ইতিহাস জানবে? আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমি আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিয়েছি। নির্বাচনে হার জিত নিশ্চিত করতে স্রেফ ঘোড়ার চাল হিসেবে এটি ব্যবহার করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। ৭১-এ যারা নৃশংস গণহত্যায় অংশ নিয়েছে তাদের ২০% ও যদি আজ বেঁচে থাকে তাহলে আমিও আছি আপনাদরে সাথে।
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের উদ্ভব হয়েছে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির কারণেই। যুদ্ধাপরাধ ছাড়াও নানা ধরণের মানবত বিধ্বংষী অপরাধ সংগঠন হয়েছে এই একই কারণে। জঙ্গীবাদ যার নিকৃষ্ট উদাহারণ। যুদ্ধপরাধীদের বিচার হলে এর হোতাদেরকে উৎপাটন করা সম্ভব হবে।

১৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
নিবিড় বলেছেন: আমেরিকা থেকে সব রকম সাহায্যের জন্য আছি ,সময় মত আপডেট জানাবেন
১৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৭
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: কৌশিক ঠীক আছে এগিয়ে চলো। সবাই আছে আপনার সাথে।
২০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
দিনমজুর বলেছেন: ১.দারুণ উদ্যেগ। অবশ্যই সাথে আছি।
এই পোস্টটা স্টিকি করার দাবী জানাচ্ছি।

২. আজকের প্রথম আলোয় যুদ্ধপরাধীদের বিচার বিষয়ে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম এবং ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির দেয়া বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে। তাদের পরস্পরের বিবৃতিতে কিছু পরস্পর বিরোধী কথা লক্ষ করা যায়।

বিবৃতিতে ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলেছে: "১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার প্রণীত 'আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন(ট্রাইবুনালস্) এ যুদ্ধপরাধীদের বিচারের দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকার কেই দেয়া হয়েছে। ঐ আইন অনুযায়ী সরকার যেকোন সময় অফিসিয়াল গেজেট বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এক বা একাধিক ট্রাইবুনাল গঠন করতে পারবে। আইনটি প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।...... এ আইন উপেক্ষা করে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা যারা বলছেন তারা হয় আইনটি যথাযথ ভাবে অধ্যয়ন করেননি অথবা অন্য কোন উদ্দেশ্যে বলছে....."
লিংক:http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=MTM0Nzcz&mid=NQ==

অন্যদিকে সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম ১৯৭৩ সালের আইন, দালাল আইন পুনরুজ্জীবনের কথা বলার পাশাপাশি জাতিসংঘের সাহায্য চেয়ে সরকারী ভাবে পত্র পাঠানোর প্রয়োজনীতার কথা তুলে ধরে।

Click This Link

অথচ ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এ বিষয়টি শুরুর জন্য সরকারী উদ্যেগই যথেস্ট মনে করছে। জাতিসংঘের বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো: জাতিসংঘ সহ অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন বিচার কাজের সচ্ছ্বতার জন্য পর্যবেক্ষক পাঠাতে পারবে, এর বেশী তাদের করণীয় কিছু নেই।

এছাড়া "যুদ্ধপরাধীদের বিচার শুরু করতে বাধা নেই" শীর্ষক শেখ হাফিজুর রহমান লিখিত একটি তথ্যবহুল লেখার দিকে সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি:
Click This Link
২২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
পাপী বলেছেন: আছি! ইউনি তে ক্যাম্পেইন চালাতে পারি।
২৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭
জেরী বলেছেন: সামু কে ধন্যবাদ......পোস্ট টাকে স্টিকি করার জন্য
২৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
স্কাই বলেছেন: এই তো সময়
যুদ্ধে যাবার এই তো.................সহমত রইল
২৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
শিলু বলেছেন: গতকাল সমাবেশে যাওয়ার জন্যই বের হয়েছিলাম। কিন্তু...........

মুইও সাথে আছোং বাহে।
২৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
মামু বলেছেন: সামু তেকে ঘাদানিক এর সমান্তরাল একটা আন্দোলন তৌরি করার চেষ্টাকে মাইনাছ।

সামু এই রকম রাজনৌতিক ইস্যুতে নিজেকে জরানোর জন্য সামুরেও ডাবল মাইনাচ। অরাজনৈতিক প্লাটফর্ম বইলা সামু অলরেডী নিজেকে একটা রাজনৈতিক দলের প্রপাগন্ডয় জরায় ফেলচে, এইটা ক্লিয়ার।

যারা ২ নং বিষয়টা বুজেন তারা ভাল কইরাই জানের যে এই কামটা কতটা কষ্টকর।
কাজে নামার আগে এর আইনগত বিষয়টা দেইখ্যা নেন, তারপর কামে নামেন। নাইলে পরে রনভংগ দিতে যেন না হয়।

এই ইস্যুটা রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করা যায় মাগার আইন গত ভাবে করা যায় না বলা চলে। আইনগত ভাবে সম্ভব হইলে পৃতিবীর বহু দেশেরই বিচার করা হইত।

দেশের প্রচলিত আইনে "যুদ্বঅপরাধী" বইলা কাউকে সনাক্ত করা হয় নাই। সরকারীভাবে কাউরে "যুদ্বঅপরাধী" বইল্যা অভিযুক্তকরা হয় নাই। দেশের আইনে "যুদ্বঅপরাধী" বইল্য কুনু আইন তৈরি হয় নাই।

"যুদ্বঅপরাধীদের বিচার করতে গেলে আন্তজাতিক ভাবে একটা গ্রহন যুগ্যতা লাগে, সেই রকম পরিবেশও তৈরি হয় নাই। এই ধরনের বিচার প্রক্রিয়া আন্তজাতিক ভাবে একটা নিরুৎসাহিত করা হয়। বহু বন্দুপ্রতিম দেশকে হারায়তে হয়, সেইটা সরকার কখনই করব না। অলরেডি নেত্রী বিচার প্রক্রিয়া নিয়া একটা হালকা ঘোষনা দিচে।

আমার কতা কারে কারো গা জ্বালা করতে পারে। কারন বিষয়টা রাজাকারদের পক্ষে সুবিধা প্রদান করে, কিন্তু এইটাই হলো বাস্তবতা।

আগামী ৫ বছরের মধ্যেই বুজবেন বিষয়টা আইনী ভাবে কতটা সহজ। তবে এই ইস্যুটা নিয়া সামুতে মাট গরম করা যাইব, এইটা নিশ্চিত।
৩৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
সবই ঠিকাছে ।

শুধু একটা প্রশ্ন, ঢাকা থেকে কি শুধু ৩০ জন ব্লগার-ই ব্লগাই ।

আশা কররছি , প্রশ্নের কারণটি বুঝতে পারছেন ।
৩৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
একরামুল হক শামীম বলেছেন: @ ব্লগার মামু,

আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে আইনগত কিছু বিষয় নিয়ে কথা বললেন। একটা বিষয় মনে রাখবেন, না জেনে মানুষকে কনফিউজড করে দেওয়া খুব সহজ, কিন্তু জেনে মানুষকে সচেতন করা সময়সাপেক্ষ কাজ। আপনার এই কমেন্ট অনেককে কনফিউজড করতে পারে, তাই এর জবাব দেওয়া জরুরী মনে করছি।

১. আপনি বলেছেন- "এই ইস্যুটা রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করা যায় মাগার আইন গত ভাবে করা যায় না বলা চলে। আইনগত ভাবে সম্ভব হইলে পৃতিবীর বহু দেশেরই বিচার করা হইত।"

আপনি এর পুরোটাই ভুল জেনেছেন। যুদ্ধাপরাধের কোন ইস্যুকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার বিষয়টা আলাদা। তবে এই ইস্যুর অবশ্যই আইনগত ভিত্তি। সংশ্লিষ্ট অনেকগুলো আইন আছে। জেনোসাইড কনভেনশন আছে, ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের প্রিন্সিপল আছে। আইনগতভাবে পৃথিবী অনৈক দেশেই বিচার হয়েছে। চিলিতে অগাস্টো পিনোশেটের বিচার হয়েছে। ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের রায়ে ১২ জনকে মৃত্যুদন্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদন্ড দেওয়া হয়। তিনজনকে মুক্তি দেওয়া হয়।
টোকিও ট্রাইব্যুনাল এর ট্রায়ালে ২৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের নভেম্বরে ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণা করা হয় এবং যারা যুদ্ধ সংঘটিত ও পরিচালিত করেছিল, তাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়। যারা যুদ্ধাপরাধ, মানবতা ও শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ করেছিল, তাদের বিভিন্ন মেয়াদের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

২. আপনি বলেছেন- "দেশের প্রচলিত আইনে "যুদ্বঅপরাধী" বইলা কাউকে সনাক্ত করা হয় নাই। সরকারীভাবে কাউরে "যুদ্বঅপরাধী" বইল্যা অভিযুক্তকরা হয় নাই।"

এই বিষয়টিও আপনার জানার ভুল। দেশে প্রচলিত আইনে যুদ্ধাপরাধী বলে অনেককেই সনাক্ত করা হয়েছে।

পড়ুন এই অংশটুকু- "১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইব্যুনালস) আদেশ, ১৯৭২ এবং ১৯৭৩ সালের ২০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩ জারি করা হয়। ১৯৭২ সালের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইব্যুনালস) আদেশে তিনটি সংশোধনী আনা হয়। ১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশ থেকে এ আদেশের অধীনে ৩৭ হাজার ৪৯১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচারের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। যেসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১৯৭৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দুই হাজার ৮৪৮টি মামলা নিষ্কপত্তি হয়েছিল। অভিযুক্তদের মধ্যে ৭৫২ জন দোষী প্রমাণিত হয়েছিল, দুই হাজার ৯৬ জন ছাড়া পেয়েছিল।
১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর দালাল আইনে আটক যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, তাদের জন্য সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর দালাল আইনে আটক ১১ হাজারেরও বেশি ব্যক্তি এসব অপরাধের দায়ে কারাগারে আটক ছিল এবং তাদের বিচার কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।"

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট ১৯৭৩ , যুদ্ধারাপরাধীদের বিচারের জন্য আইন। এই আইন অনুযায়ী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে।

৩. আপনি বলেছেন- "যুদ্বঅপরাধীদের বিচার করতে গেলে আন্তজাতিক ভাবে একটা গ্রহন যুগ্যতা লাগে, সেই রকম পরিবেশও তৈরি হয় নাই। এই ধরনের বিচার প্রক্রিয়া আন্তজাতিক ভাবে একটা নিরুৎসাহিত করা হয়।"

এইখানেও আপনার ভুল ধারণা দেখে অবাক হলাম। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য অবশ্যই আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা আছে। কোনভাবেই বিচার প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিকভাবে নিরুৎসাহিত করা হয় না। করা হলে চিলিতে অগাস্টো পিনোশেটের বিচার হতো না। ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল এবং টোকিও ট্রায়ালের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না।

প্রাসঙ্গিক দুটি বিষয় এখানে উল্লেখ করছি-
প্রথমত- ১৯৪৬ সালের ১১ ই ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৯৬ (১) নম্বর সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের মাধ্যমে গৃহীত ঘোষণায় বলা হয় যে, গণহত্যা (জেনোসাইড) আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি অপরাধ, জাতিসংঘের মূলনীতি ও লক্ষ্যের পরিপন্থী এবং সভ্য জগৎ কর্তক নিন্দিত।

দ্বিতীয়ত- Convetion of the Prevention and Punishment of the Crime of Genocide এর অনুচ্ছেদ ১ অনুযায়ী

"চুক্তিকারী পক্ষসমূহ দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে যে, শান্তি অথবা যুদ্ধকালে-যখনই সংগঠিত হউক না কেন, গণহত্যা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি অপরাধ এবং তার (পক্ষসমূহ) উহার নিরোধ ও শাস্তিবিধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

৩৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এগিয়ে যান। সাথে আছি। আর ৯ তারিখে থাকব।
৩৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
চিরকালই গাধা বলেছেন: রাজাকার ইসসু শেষ হইয়া গেলে আওয়ামী লীগ আর কি নিয়া রাজনীতি করবো,তাই বলছিলাম কি এ ইসসুটি চিরদিন জিয়ে থাকুক। তাহলে আপনাদের ও আ'লীগের রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে
৩৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
সজীব মাহমুদ বলেছেন: সাথে আছি।
সবাই বুঝবে,তবু "৯ই ডিসেম্বর" কে "৯ই জানুয়ারী" লিখলে ভালো হয়।
৩৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
পারভেজ বলেছেন: স্বাগত জানাই।
৩৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: সাথে আছি।

এই বাংলার মাটিতে যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবেই; হতেই হবে।
৪০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: ব্যাটা ছাগল...কাকে বলেছি, বলবো না।

সব কথার জবাব দিনেই, @এ হ শামীম
৪১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬
শামীম রিয়াজ বলেছেন: একাত্বতা জানিয়ে গেলাম
৪৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪
চারবাক বলেছেন: আছি আপনাদের সাথে।
৪৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০২
লীনা ফেরদৌস বলেছেন: স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের প্রথম বিচার হয়েছে এই নির্বাচনে, সাধারণ জনগণের হাতে। এ প্রার্থীদের ভোট না দিয়ে জনগণ করেছে তাদের প্রথম বিচার। আর কোন দিন আমাদের জাতীয় পতাকা আমরা তাদের গাড়িতে দেখতে চাই না। আমরা এদের বিচার চাই।

সাথে আছি ।
৪৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
দূরন্ত বলেছেন: সাথে আছি। এ উদ্যোদের সবাইকে শুভেচ্ছা।
৪৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮
অকাটমুর্খ বলেছেন: আগে বারুন কমরেড
৪৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
মীতু বলেছেন: ভাইয়া জটিল কাল একটা ব্যাপার বলেছিল বিভিন্ন ভার্সিটিগুলোতে ক্যাম্পেইন করার ।
এই ব্যাপারটার বিষয়ে আপনার মতামত কি ?



আমি এই ব্যাপারে সাথে আছি যতদিন না আমরা সফল হচ্ছি । পাশাপাশি আমি আমার মত করে চালিয়ে যাচ্ছি ।
৫০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭
পথিক!!!!!!! বলেছেন: হায় আমরা আজও বিতর্ক করছি...
৫১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
ত্রিশোনকু বলেছেন: এদের দালাল আইনেও বিচার করা যেতে পারে আবার আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধী হিসেবেও বিচার করা যেতে পারে।

আমি মনে করি আন্তর্জাতিক আইনে বিচার করা ভাল কেননা এর গ্রহনযোগ্যতা বেশী।

তবে সেক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের কোন বিধান নেই।
৫৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: সাথে আছি ... সবসময় ...
৫৫. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
পাই বলেছেন: সাথে আছি
৫৬. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
অ্যামাটার বলেছেন: সর্বাত্বক সমর্থন থাকল।
৫৭. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৩
প্রচেত্য বলেছেন:
আপনাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই
এবং বিষয়বস্তুর সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করার ইচ্ছে পোষণ করছি
৫৮. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৮
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন: কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী । ফর্মের অপেক্ষায় আছি ।
৫৯. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩১
সেলটিক সাগর বলেছেন:
উদ্যোগের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।
৬০. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩২
মনির হাসান বলেছেন: দেরী হয়া গেছলো ... যায়া কাউরে পাইনাই .. যাদুঘরের সামনে জটিল আর শফিকুল ভাইয়ের সাথে দেখা হইছিল ...
৬১. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৯
শাওন মিয়া বলেছেন: সাথে আছি
আমিও আসার চেষ্টা করব
৬২. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৬
মামু বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম ভাই সুচিন্তিতা ধারনা দেওয়ার জন্য।
৬৩. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৯
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: নিচের ব্লগ ও ফোরামগুলোতে কৌশিক বা জামাল ভাস্করের একটি অভিন্ন পোস্ট একযোগে স্টিকি করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

সচলায়তন
আমারব্লগ
প্রথম আলো ব্লগ
নির্মাণ ব্লগ
দৃষ্টিপাত
গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন
আমাদের প্রযুক্তি ফোরাম
প্রজন্ম ফোরাম
বিজ্ঞানী
কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক্স
টেকটিউনস

ইমেজ বা টেক্সটনির্ভর ছোট ছোট কিছু ব্যানার করতে পারি আমরা। লক্ষ্য থাকবে, প্রধান প্রধান দৈনিকগুলোর হোমপেজে বিনামূল্যে ব্যানারগুলো প্রদর্শন করার ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিনা। এক্ষেত্রে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, নিউ এইজ, সমকাল, আমাদের সময়, ভোরের কাগজকে টার্গেট করা যায়।

যায়যায়দিনে নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ আল ফয়সাল, ভোরের কাগজে সরাসরি সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ডেইলি স্টারে সরাসরি সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সমকালে নির্বাহী সম্পাদক আলমগীর হোসেন, নিউ এইজে সরাসরি সম্পাদক নুরুল কবির, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমে তৌফিক ইমরোজ খালিদী, আমাদের সময়ে সরাসরি সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে ব্যানারের জন্য একটি স্পেস পাওয়া যাবেই। যুগান্তর ও ইত্তেফাকে বিস্তর আমলাতন্ত্র আছে, সেখানে কাজ হবে না বলে মনে হয়।
৬৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫২
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আর হ্যাঁ, সঙ্গে আছি।
৬৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
হরিপদ দে বলেছেন: পোষ্ট স্টিকি করা হোক। আমি সিলেটে থাকি। আমি এই অঞ্চলে কাজ করতে আগ্রহী।
উদ্যোগের সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।
৬৭. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

কৌশিক ভাই সাথে পাবেন সময়ে-অসময়ে।
৬৮. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
আমি ও আমরা বলেছেন: ফর্ম কবে নাগাদ পাঠাতে হবে। কোরিয়া থেকে আমি কালেক্ট করা শুরু করেছি। কিছু টাইম লাগবে।
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: প্রথম পর্বের সময়সীমা প্রস্তাব করা হয়েছে ২১শে ফেব্রুয়ারী। এর মধ্যে পাঠিয়ে দিতে পারেন।

৬৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
আমি ও আমরা বলেছেন: কৌশিক আমি সাক্ষর কালেক্ট করতে গিয়ে কিছু সমস্যায় পরছি। আপনি আমাকে কিছু প্রশ্নের জবাব দিলে আমার কাজের সুবিধা হবে।

এখানে যে প্রশ্ন গুলো মুখোমুখী আমি হচ্ছি তা হচ্ছে।

ক) কারা ডিল করছে
খ) কি উদ্দেশ্য
গ) মিস ইউজ হবে কিনা
ঘ) এটা পলিটিক্যাল ইউজ হবে কিনা, যদিও পলিটিক্যাল ডিসিসন ইনভল্ভ।
এবং
আইন কি বলছে।

এই প্রশ্ন গুলো কে ভেবে যদি একটা সুন্দর পোষ্ট দেন তাহলে আরো অনেক সাক্ষর আমি কোরিয়া থেকে কালেক্ট করতে পারবো।

কারন এখানে অনেকেই ভাবছেন মিস ইউজের ব্যাপারটা।


ব্যাপারটা ভেবে আজ কালের মধ্যে একটা পোষ্ট পেলে আমি মুভ করতে পারছি ভালো ভাবে।

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: ক) কারা ডিল করছে

বস, কারা ডিল করছে এইটা তো আপনি জানেনই। বাংলা ব্লগ কমিউনিটির মেম্বাররা এমন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। অতীতেও নিয়েছে। প্রাপ্তি, ল্যান্ডস্লাইড, সিডর, শ্বাশত সহ এমন অনেক উদ্যোগ ব্লগারদের যুথবদ্ধতায় সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত দুটো ব্লগ কমিউনিটি এর সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। যতদূর জানি প্রথম আলো ব্লগ ও সচলায়তনকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৯/১০টা ফোরাম/কমিউনিটিকে আহবান জানানো হয়েছে। আশা করা যায় তারা ক্রমশ অংশ নেবে।


খ) কি উদ্দেশ্য

আমি যা বুঝি তা হইলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে জনসাধারণের মাঝে জারি রাখা। প্রায় বেশীরভাগ ব্লগারই এই ইস্যু নিয়ে দীর্ঘ সময় তাদের দাবী বজায় রেখেছে, ব্লগের সবচেয়ে বেশীবার উত্থাপিত, আলোচিত ইস্যু। সেই সাথে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও আবেগীয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেন না হয় সেজন্য রয়েছে শক্তিশালী একটা কুচক্র, তাদের রয়েছে ধর্মের আড়ালে সহজে সেবনযোগ্য কিছু রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা। এগুলা মোকাবেলার জন্য সাধারণেরও সচেতন থাকা উচিত। বর্তমান সরকারের সামনে দ্রব্যমূল্য, আইন শৃংখলার মত জটিল কাজ রয়েছে যা হয়তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে দীর্ঘায়িত করতে পারে। কিন্তু পাবলিক যে সরব এইটা বোঝানোই আমি এই আন্দোলনটার উদ্দেশ্য মনে করি।

গ) মিস ইউজ হবে কিনা

স্বাক্ষর ও অন্যান্য তথ্য মিসউইজের কোন সম্ভাবনা নাই। ইহা কেবল প্রতীকি অর্থেই সংগ্রহ করা হইতেছে। কারো সাথে যোগাযোগ করার কোন সম্ভাবনা নাই। তবে যদি পুরা আন্দোলনকে মিসইউজের কথা বলেন তবে আমি মনে করি বস, আমিও এর সাথে থাকুম না। এইটা তা সচেতনতার প্লাটফর্ম, যদি দেখা যায় কেউ অন্য কোন উদ্দেশ্যে একে পরিচারিত করতেছে - আমরা সেটাকে বন্ধ করতে পারবো, ব্লগের সুবিধাই তো এখানে, কঠোর সমালোচনা সহ্য করে টিকে থাকার মত ব্লগার এখানে খুব কমই পাওয়া যাবে।

ঘ) এটা পলিটিক্যাল ইউজ হবে কিনা, যদিও পলিটিক্যাল ডিসিসন ইনভল্ভ

আমিও আপনার সাথে একমত, এইটা পলিটিক্যাল একটা তৎপড়তাই। তবে বুঝতেই পারছেন এই আন্দোলনের সাথে কোন পলিটিক্যাল পার্টির সংযোগ নাই। থাকতেই পারে না। আপনি দেখবেন কত বিভিন্ন আইডিওলজির মানুষ এইখানে এই একটা দাবীতে একত্রিত হয়েছে, যাদের পক্ষে একটা রাজনৈতিক দলের লেজুরবৃত্তি করা সম্ভব নয়, আর সেক্ষেত্রে সোকলড পলিটক্যালী ম্যানিপুলেটেড নয়।


এবং আইন কি বলছে?

কোন কোন আইনের বলে বিচার করা সম্ভব সে নিয়ে বিস্তারিত একটা পোস্ট আছে শামীমের। আমরা পুরো বিষয়টা নিয়ে আরো কাজ করতেছি, আপনাকে জানাইয়া দিমুনে বস। (আর সরি, লেট রিপ্লাইয়ের জন্য, নেটে ঢুকতেই পারি নাই নানা ঝামেলায়)।

৭১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
কাজ করে খাই বলেছেন: অস্ট্রেলিয়া থেকে PriyoAustralia.com.au কে সাথে পাবেন। যে কোন প্রয়োজনে, কাজে আসতে পারলে জানাবেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে সমন্বয় করার দ্বায়িত্ব সুমন নিলে ভালো হবে। ভালো থাকুন।
৭২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭
আমি ও আমরা বলেছেন: পোষ্ট করে দিয়েন লিখে, এটা দেখানো যাবে তাইলে ।
৭৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১০
আমি ও আমরা বলেছেন: সমস্যা নাই, আমি অলরেডি ১০০ টা সংগ্রহ করে ফেলেছি। অফিস শেষ করে করে আমাকে ছুটে যেতে হচ্ছে একেক্টা শহরে, জেলা তে।
ভালো থাকা হোক

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩৩৩৩ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ