আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

বীরশ্রেষ্ঠ একজনও সিভিলিয়ান নাই কেন? আরো সাতজনকে বীরশ্রেষ্ঠ ঘোষণা করা হউক সিভিলিয়ানদের মধ্য থেকে!

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

শেয়ারঃ
0 0 0

প্রশ্নটা উত্থাপন করেছেন আসাফ-উ-দ্দৌলা। সেদিন বাংলা ভিশনের টক-শোতে তিনি বললেন, সিভিলিয়ানদের মধ্যে থেকে কি একজনও বীরশ্রেষ্ঠ হতে পারতেন না? সব কেন আর্মির শহীদ থেকে বানানো হলো? আসাফ-উ-দ্দৌলা ঢালাওভাবে আর্মির নিন্দা করে গেছেন। বলেছেন স্বাধীন হবার পরে যা হয়েছে শাষণভার প্রকৃতপক্ষে পাকিস্থানী অত্যাচারী সেনাবাহিনী থেকে বাংলাদেশী অত্যাচারী সেনাবাহিনীর হাতে এসে পড়েছে। ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিজিএফআইর কোন একাউন্টেবিলিটি নাই, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোন নিয়ন্ত্রণ নাই। কিভাবে তাদের বাজেট পাস হয়, তাদের কর্ম-পরিধি নিদৃষ্ট করা নেই, এবং জবাবদিহিতার কোন পরিসংখ্যান নাই। ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে রাজউক, ট্যাক্স কমিশনের কোন প্রবেশ নাই - সাধারণ মানুষের পথ আটকে আর্মীরা চলে দোর্দন্ড প্রতাপে।

আসাফ-উ-দ্দৌলার সমালোচনার সাথে আমি বেশীরভাগই একমত নই। তবে সাতজন বীরশ্রেষ্ঠই আর্মীর ভেতর থেকে কেন করা হবে, সিভিলিয়ানদের মধ্যে অনেক সাধারণ জনতা, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ভেতর থেকেও বীরশ্রেষ্ঠ হতে পারতো।

পাকিস্থান সেনাবাহিনীর বাঙালী ভাইয়েরা মুক্তিযুদ্ধে বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখেছেন এবং তাদের স্বীকৃতিও তারা পেয়েছেন। কিন্তু সাধারণ জনতার ভেতর থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের সম্মান জানানো উচিত ছিল। দীর্ঘ ৩৭ বৎসরে কেন এই বিষয়টা নিয়ে আমরা ভাবি নাই? কেন কেন? আরো ৭জন কি সিভিলিয়ানদের মধ্য থেকে বীরশ্রেষ্ঠ হতে পারে না?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
মদন বলেছেন: এইডা নিয়া একটা পোষ্ট দেওনের খায়েশ ছিলো অনেক দিন থেইকা...
২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: আর্মির উপরে তো কারোই নিয়ন্ত্রন নাই। নামে প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয়ের নিয়ন্ত্রনে থাকলেও সবকিছুই নিয়ন্ত্রন করে আর্মড ফোর্স ডিভিশন, যার দ্বায়িত্বে প্রধান মন্ত্রি থাকলেই নাটাই থাকে ব্লাডি জাংলিশদের হাতে।
৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
গুপী গায়েন বলেছেন: প্রবল ভাবে সহমত।
৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৬
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: হুমমম......ব্যাপারটা মনে হয় অনেকের ভাবনাই আছে।

মুক্তিযুদ্ধকেই সেনাবাহিনী অনেকটাই নিজের ঘরে নিয়েছে, সেই সাথে বাংলাদেশ আ'লীগ।

জরুরী প্রশ্নটা তোলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: হক কথা..সাধারণ জনগণ রণাঙ্গনের সাথে পরিচিত না হয়েও ১৯৭১ সালে যে বীরত্ব দেখিয়েছিল তার তুলনা মেলা ভার... ধন্যবাদ আপনাকে... অনেকের না বলা কথাটা বলার জন্য..
৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
যুগান্তকারী বলেছেন: সেনা ননসিভিলিয়ান্রাই ফ্রন্টলাইনে ছিলো সবকিছুতে সুতরাং তারাই পাবার যোগ্য।এইটা নিয়া জল ঘোলা করা কোন মানে হয়না।
৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: সহমত। বীরশ্রেষ্ঠের তালিকা রিভিউ করা হোক।
৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
নীল কমল বলেছেন: বীরত্বসূচক পদকগুলো শুধুমাত্র সশস্ত্রবাহিনীর জন্য সংরক্ষিত। আইন তাই বলে। গোড়া থেকেই এই আইন।
৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬
কষ্ট কষ্ট সুখ বলেছেন: সিভিলিয়ান তালিকায় বীরশ্রেষ্টদের আনা হলে যে দলই ক্ষমতায় আসবে সে দলই বীরশ্রেষ্টর তালিকা আপডেট করবে।তখন দূনির্তীবাজরাত্ত তালিকায় স্থান পাবে।আগামীপ্রজন্মের কাছ থেকে বীরশ্রেষ্ট সাধরন একটি শব্দ হয়ে যাবে।
১০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
মিলটন বলেছেন: আসলেই জিনিসটা ভেবে দেখার বিষয়।



[গতবারের মত আবারো ডিজিএফআই এর নজরদারিতে পড়বেন নাকি? বাসা বদলের সময় কি হয়েছে? :) ]
১২. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এই অনুষ্ঠানটি আমিও দেখেছি...সাথে মওদুদ এবং জলিলের বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছিল তারা নিজেদের সব কিছুকে শুদ্ধভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন...মওদুদ তাকে বন্দী করার কাহিনী বলে গেলেন...কিন্তু বল্লেন না তার বাসাতে কি কি পাওয়া গিয়েছিল যার ছবি পত্রিকাতেও এসেছিল...


আসাফ-উ-দ্দৌলা আসলেই বেশ কড়া সমালোচনাই করেছিলেন ... উনি ক্যান্টনমেন্টের রাস্তায় চলাচলে সাধারণ মানুষের প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি আলোকপাত করেছিলেন ...কিন্তু আমার মনে হয়, আমাদের দেশে অলটারনেটিভ রাস্তাঘাটের অভাব থাকাতে আমাদের ক্যান্টনমেন্ট রাস্তা কিঞ্চিত জিগাষাবাদ করে হলেও ব্যবহার করতে দেয়া হয় ...তাছাড়া এই এরিয়া নিশ্চয়ই চলাচলা সংরক্ষিত হতো যথেস্ট পরিমাণে ...

তবে বীরশ্রেষ্ঠ নিয়ে বক্তব্যটি আসলেই ভাবার মতই ছিল ...
১৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
অকাটমুর্খ বলেছেন: পার্শিয়ালিটি মানিনা..মানবো না..সিভিলিয়ান বীরশ্রেষ্ঠ চাই
১৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
লুকার বলেছেন:

এইটা আমারও মনে হৈছিল।

স্বাধীনতার পর হাঁটু ভাইয়েরা সব দখল করছে।
সব কৃতিত্ব, সব সুযোগ সুবিধা।
ওখান থেকে এসে সিভিল জবে বড় বড় পজিশন।

এইসব ক্রমাগত বেড়েই গেছে।
সেনা কল্যান সংস্থা, ডিওএইচএস, দেশজুড়ে বিশাল বিশাল ক্যান্টনমেন্ট।
শহরের অনেকখানি দখল।
গোপন বাজেট। বিশাল সব অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা।
ট্যাক্স নাই, দুর্নীতি ধরার কেউ নাই।
কাজ কর্ম নাই।
মানুষ খাইটা মরে ভাতের যোগার করতে গিয়া, আর তেনারা দেশের কর্মঠ তরুন-যুবকের দল কর্মহীন জীবন কাটায় লেফট রাইট কইরা আর মাঝে মাঝে মানুষ মারার ট্রেনিং নিয়া।

সভ্য সমাজে মানুষ মারার ট্রেনিং নেয়ার দরকার নাই, মানুষরে বাস্তুহীন, খাদ্যহীন রাইখা অস্ত্র কেনার দরকার নাই।

দাড়োয়ানদের হাতে মালিক জনগণ কেন নাস্তানাবুদ হৈব।


১৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪
লুকার বলেছেন:
এইবার নাকি তারা টাকা গইনা নেওয়ার সময় পায় নাই, দাঁড়িপাল্লায় ওজন কইরা নিছে। কেজিতে ৫০০ টাকার নোট কয় লাখ হয়, সেইটাও শুনছিলাম, ভুইলা গেছি।
১৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫
বিডি আইডল বলেছেন: লুকার বলেছেন:
এইবার নাকি তারা টাকা গইনা নেওয়ার সময় পায় নাই, দাঁড়িপাল্লায় ওজন কইরা নিছে। কেজিতে ৫০০ টাকার নোট কয় লাখ হয়, সেইটাও শুনছিলাম, ভুইলা গেছি।

এইসব কাহিনীও একদিন বাংলার াবাল ুদা পাবলিক জানবে
১৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
শিট সুজি বলেছেন: এই বিষয় নিয়া কথা বলতে গিয়া এক ব্লগার আমার উপর বিরাট হম্বিতম্বি করছিল অনেক আগে।

আসাফউদ্দৌলার সব মন্তব্যের সাথে একমত।
১৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০০
পান্হপাদপ বলেছেন: আসাফউদদৌলার মত সাহসী লোকের এ বক্তব্যকে সমর্থন করি।
২০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৪৩
মন মণষা বলেছেন: কি মিয়া সাত সকালে লগ ইন কইরা বইসা আসেন...
২১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: অথবা সেই বাস ড্রাইভার যে পিছলে খাদ ধরে নেমে যাওয়া বাস প্রাণপনে আটকে রেখেছিলো সব যাত্রী নিরাপদে নেমে যাবার আগের মুহুর্তেও। খাদের শেষমাথা পর্যন্ত তার শেষযাত্রায় যে বীর হবার সব উপাদানই বিদ্যমান ছিলো!
২২. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০১
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সিভিলিয়ানরা তো ব্লাডি ...তাই নাই বোধহয়
২৩. ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
লুকার বলেছেন: ব্লাডি সিভিলিয়ান, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী।
২৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৮
শুভ বলেছেন: কৌশিক,
মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। কেন করা হয়নি এটা আজও আমার বোধগম্য হয় না। অন্তত একজন বীরাঙ্গনাকেও করা হলে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ত বলে মনে হয় না।

আসাফ-উ-দ্দৌলা সেলিব্রেটি বলেই সম্ভবত আপনার মনে গভীর দাগ কেটেছে। কয়েক বছর আগেই অখ্যাত একজন এটা নিয়ে খুব হইচই করেছিল এবং জলপাই চোখ-লাল চোখও তাকে দেখতে হয়েছিল। নামটা ভুলে গেছি, মনে পড়লে জানাব। হা হা হা।
২৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩১
পান্হপাদপ বলেছেন: জাতি জানতে চায়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৫০৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ