somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খালেদা জিয়া কি পোড়া ঘরের মধ্যে আবার আলু পোড়া দিলেন?

০১ লা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সমস্যাটা খালেদা জিয়ার না, এটা সংক্রমিত হয়েছে শহীদ জিয়ার মাধ্যমে। তিনি রাজনীতিকে ডিফিকাল্ট করেছেন, রাজনীতির মধ্যে পলিটিক্স ঢুকাইছিলেন। বাংলাদেশী টার্মটাকে এমনভাবে ডিফাইন করলেন যে বাঙালী হয়ে পড়লো শত্রু, বাংলাদেশী হিসাবে এর আগে কেউ ভাবতে শেখে নাই তেনার আগে। মোটামুটি তিনি বাঙালীদের বাংলাদেশীর সামনে মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিলেন যুদ্ধাংদেহীরূপে অথচ উক্ত দুইটা টার্মের মধ্যে কোন বিদ্বেষ থাকারই কথা নয়। বাংলাদেশীদের বেশীরভাগ বাঙালী - এই বিষয়টাকে অস্বীকারের একটা নষ্ট পলিটিক্স ঢুকিয়েছিল তথাকথিত জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা।

তার উত্তর ও অর্ধাঙ্গিনীসূরী খালেদা জিয়া বিডিআর ম্যাসাকারের প্রথম দিন বেশ ঐক্যবদ্ধ টোনে বললেন, জাতীয় এই ক্রাইসিসে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, সরকারকে যেকোন সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

তৃতীয়দিন মানে ২৭ তারিখ থেকে খালেদা জিয়ার কণ্ঠে নতুন বানী ঝংকৃত হতে থাকলো। তিনি বললেন, বিডিআর বিদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা ছিল কৌশলগত ভুল। বরবারের মতই ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পুড়িয়ে খাবার লোভ তিনি সংবরন করতে পারলেন না। বিডিআরদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা না করে যদি তখনই আর্মীর আক্রমন চালানো হতো জনগনের সাপোর্ট যে আর্মী পেত না সেটা বুঝতে প্রথম দিনের বিডিআর সাপোর্টারদের দেখলেই বোঝা যায়। এত বড় একটা হত্যাযজ্ঞ হলো, আমাদের সোনার সন্তানদের কুকুরের মত হত্যা করলো অথচ পাবলিক সহানুভূতিশীল হলো বিডিআরএর প্রতি। হাউ কাম! এর জন্য ইনফরমেশন গ্যাপকে একটা বড় কারণ হিসাবে উল্লেখ করা যায়। দরবার হল সহ পিলখানার ভেতরে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ সম্বন্ধে তখনও মিডিয়া, পাবলিক ও সরকার কিছুই জানে না। তেমন একটা অবস্থায় বিদ্রোহের রেশ সীমান্তে ছড়িয়ে যেন না পড়ে তারজন্য সবচেয়ে কৌশলগত সিদ্ধান্ত ছিল সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে বিডিআরদের বিদ্রোহ বাড়তে না দেয়া। এটা যে সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল তার প্রমান মেলে সীমান্তে বিডিআরদের প্রশমিত হতে দেখে।

অথচ খালেদা জিয়া সরকারের সাথে সহযোগিতার কথা বলে এখন কেবল আর্মীর নৈকট্য অর্জনের জন্য সরকারের সিদ্ধান্তকে কৌশলগত ভুল আখ্যা দিচ্ছেন। আর্মী অফিসারদের প্রতি অবর্ননীয় অত্যাচার দেখে জনমত যখন এখন আর্মীর প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠেছে তখন তিনি সুযোগটা নিলেন। অথচ সরকার যখন সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন তখন তিনি উল্টো স্বরেই কথা বলেছিলেন। কে নিষেধ করেছিলো তাকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার বিরোধিতা করতে?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
১৯টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×