আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

আগুণ নেভানোর পিকটোরিয়াল ডেমনেস্ট্রেশন - নিজেই হয়ে যান ফায়ার ফাইটার!

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0


ফায়ার এলার্ম সুইচ। যে সমস্ত ভবনে ফায়ার ফাইটিং সিস্টেম আছে সেখানে এমন একটা ম্যানুয়েল সুইচ দেখবেন। কোথায় আগুণ দেখা মাত্রই নিকটবর্তী সুইচের বাটন তুললেই একটা ফায়ার এলার্ম বেজে উঠবে।


স্মোক ডিটেক্টর। রুমের ছাদে এমন একটা ডিটেক্টর স্থাপন করা থাকে। আগুণ বা অন্য কোন ধোয়া এর চারিপাশে আসলেই এলার্ম বেজে উঠবে।



এটা হচ্ছে এলার্ম বেল। ম্যানুয়েল সুইচ চাপুন অথবা স্মোক ডিটেক্টরের নাগালে ধোয়া আসুক - এই এলার্মটা বেজে উঠবে।

প্রতিবার গ্রীষ্মে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড এখন নৈমত্তিক হয়ে গেছে। নগর জীবনের নিরাপত্তার জন্য দরকার নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের বন্দোবস্থ করা। আগুণ যদি প্রাথমিক ভাবে ডিটেক্ট করা যায় তবে হাতের কাছের ইকুইপমেন্ট দিয়ে তা নেভানো সম্ভব। সাধারণত বাসা, বাড়ী, এপার্টমেন্ট, অফিস বিল্ডিং এ যে ধরণের আগুণ নেভানোর সরঞ্জামাদী দেখা যায় সেগুলোর একটা পিকটোরিয়াল ডেমনেস্ট্রেশন দেখুন -


কার্বডাইঅক্সাইড এক্সটিনগুইশার। মানে আগুণ নেভানোর জন্য কার্বনডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ একটা সিলিন্ডার। যেকোন অফিস বা ভবনের দেয়ালে এইটা লটকানো থাকে। ৫ কেজি বা ৩ কেজি ওজনের সিলিন্ডার সহজে বহনযোগ্য। ৩ ফিট উচ্চতা এবং ৬ বর্গফিট এরিয়াতে ছড়ানো আগুন এর এক পাঞ্চে নেভানো সম্ভব। কার্বনডাইঅক্সাইড ভাল কাজ করবে ঘরের ভিতরে মানে ইনডোরে এবং বৈদ্যুতিক আগুণ নেভানোতে। তবে ২০ সেকেন্ডে পাঞ্চ করে রাখলেই সিলিন্ডার খালি হয়ে যাবে। এই সিলিন্ডারের উপরের ক্যাপটা লাল রঙের যদিও আন্তর্জাতিকভাবে কার্বনডাইঅক্সাইডের এক্সটিনগুইশারের ক্যাপ কালো রঙের। কিন্তু বাংলাদেশ বলে কথা, এইখানে এখনও এই নিয়ম চালু হয় নাই। যাউকগা, এবার দেখি এইটার মধ্যে কি আছে।


আপনি কেবল স্প্রে করার পাইপের সামনের দিকের হাতলে হাত রাখবেন, পাইপের গোড়ার দিকে হাত রাখলে আইচবার্ন হতে পারে।


এইটা ড্রাই পাউডার এক্সটিনগুইসার। অফিস, এপার্টমেন্টের আশেপাশে এইটাও দেখবেন দেয়ালে ফিট করা আছে। বাংলাদেশে এইটার ক্যাপ ব্লাক যদিও আন্তর্জাতিকভাবে গৃহিত সিদ্ধান্ত এইটার রঙ করতে হবে নীল, কিন্তু কে শোনে কার কথা। ড্রাই পাউডার দিয়ে পেট্রল, গ্যাস, কাগজ ও কাঠের আগুণ তাড়াতাড়ি নেভানো সম্ভব। এইটার ভেতরে যা আছে


এটাও বিশ সেকেন্ডে খালি হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে কারো মুখে, ফেসে যেন এর স্প্রে না যায়।



এক্সটিনগুইশারে হ্যান্ডেলটা মানে যেটা পাঞ্চ করতে হবে সেটা একটা হলুদ রিবন ও স্ক্রু দিয়ে আটকানো থাকে। হলুদ রিবনটা ছিড়ে স্ক্রুটা বের করে ফেলতে হবে স্প্রে করতে।



এরপরে ছুটে যান আগুণের দিকে। এক হাতে সিলিন্ডার তুলে নিন হ্যান্ডেলটা ধরে, অন্য হাতে স্প্রে পাইপ। তারপরে


স্প্রে করুন আগুনে - ঠিক আগুনের উপরেই...মুহূর্তে নিভে যাবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮
মেঘলা মানুষ বলেছেন: হুমম, কাজের পোস্ট।

আরেকটা ব্যাপার যোগ করি। অনেক অফিসে কার্ড পাঞ্চ করে ঢুকতে হয়, সেখানকার দরজা কার্ড ছাড়া খুলবে না। আগুন লেগে গেলে দরজা রিলিজ করার জন্য এরকম MCP (Manual Call Point) থাকে যার গায়ে Door Release ও লেখা থাকে অনেক সময়:


আর কাঁচ ভেঙেও Alarm activate করার ব্যবস্থা থাকে।



ধন্যবাদ।
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আমি দেখেছি অফিসের লোকজনও এইসব ডেমোতে তেমন উৎসাহী না, আগুণ লাগলে ধরা খায় কিন্তু তারাই।

৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমাদের দেশে আরেক প‌্র্যাকটিস হয় না..তা হলো বড় বড় ভবনে যেসব অফিস আছে বা তা যদি বাসভবনও হয়ে থাকে...এখানে সবাইকে এসব একটিনগুইসার চালানোর নিয়মিত ডেমোনেস্ট্রেশনস...ভবনের কোথায় ফায়ার এ্যালার্ম সুইচ আছে...আগুন লাগলে প্রথমে কি করতে হবে- নিয়মিত ডেমোতে এগুলো শিক্ষা দিলে বিপদে মানুষের মাথা ঠাণ্ডা থাকবে ...

কিন্তু কে শোনে কার কথা...
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: বাঙালীর জাতিয় সমস্যা। বেশীদিন কিছুই মনে রাখে না। দেখবেন বিডিআর নিয়েও এখন কারো আগ্রহ নাই। নতুন বিষয় এসে গেছে।

৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এটাও অনেক কাজের তথ্য ...এখন তো অনেক অফিস এই এরকম অটোমেটেড সিসটেম থাকে...ইমার্জেন্সীতে কি করতে হবে, এটা কিন্তু সবাই জানে না ...

@ মেঘলা মানুষ
৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
পথিক!!!!!!! বলেছেন: আমারো এই বিষয়ে একটা চোট ট্রেনিং করা আছে..
যদিও ভুরে গেচি অনেক কিছু

পোষ্টটা এক্কেরে সময়উপযোগী
৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
যীশূ বলেছেন: দরকারী পোস্ট। সম্ভব হলে স্টিকি করা হউক।
------------------------------------------------------------------------------
ভালো জিনিস শিখাইছো, এখন তো চুলায় আগুন দেখলেও নিভাইয়া দিমু :D
৭. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৭
চাচামিঞা বলেছেন: ভালো পোস্ট।
ফায়ার ফাইটিংএর প্রশিক্ষন সবারই থাকা উচিত।
৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: মাদ্ধান্তা আমলের জিনিস পত্র !!

টিউব লাইটের পাশেই কেউ ফায়ার এলার্ম লাগায় নাকি কেউ ?
১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: ফায়ার এলার্ম না বস। ওইটা স্মোক ডিটেক্টর।

৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৩
কৌশিক বলেছেন: সুমন এই পিকচারটা দেখেন



স্মোক ডিটেক্টর রুমের মাঝমাঝি ছাদের দিকে লাগানো উচিত। যেন এর সেন্সর পুরা রুমের যে কোন দিকের ধোয়াকে ডিটেক্ট করতে পারে।
১০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
তর্পন বলেছেন: ভাল গবেষণামূলক পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ যোগ্য ।+

কম খরচে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র বানানোর জন্য সহজ একটি প্রজেক্ট নিয়ে ভিডিও

১৫ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু

১১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
মেঘলা মানুষ বলেছেন: ধন্যবাদ @ আইরিন আপু।

আরেকটা ব্যাপারে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে:

১. আগুন লাগলে কোনক্রমেই লিফট ব্যবহার করা যাবে না। (বিদেশে অনেক লিফটে এই কথাটা লেখা থাকে, আমাদের দেশে কেউ এই লেখাটা লেখেন না, যেন এটা লিখলে লিফটের ইজ্জত কমে যাবে )
২. যা পড়ে থাকে থাকুক, কোন কিছু নিয়ে (যেমন, টেবিল থেকে মোবাইল, ল্যাপটপ, কোন কাগজ, চশমা ইত্যাদি ) বের হতে যাবেন না। এসব নিতে সামান্য দেরির মূল্য হয়ত জীবন দিয়ে পরিশোধ করতে হতে পারে। ৩. প্যানিক না করা, সম্ভব হলে নিচের দিকে নামা। সম্ভব না হলে তো উপরে উঠতেই হবে, কিন্তু উপরে ওঠাটা ফার্স্ট চয়েস না হওয়াটাই ভাল। ৪. অনেক লোক নামতে হলে সাবধানে নামা দরকার। আমাদের দেশে গার্মেন্টসের যত কর্মী অগ্নি-দুর্ঘটনায় মারা যায়, তার একটা বড় অংশের জন্য দায়ী পায়ের নিচা পড়া।
১২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: সবাইকে ফায়ার ফাইটিংএর প্রশিক্ষন দিতে হবে।
১৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: টাইপো বস :(

স্মোক ডিটেক্টর হবে :( তবে এমম জায়গায় লাগানো যায় যা যার আশে পাশে গরম কিছি থাকবে এবং এমন জায়গায় লাগাতে হবে যেখান থেকে সব কিছু কাভার করতে পারে :)

আমার রুমে স্মোক ডিটেক্টরের ব্যটারি খুলে ধুমায় সিগারেট খাইতাম । বউ আসার পর সেইটা বন্ধ হয়ে গেছে :(
১৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:২১
টমাটো বলেছেন: ছবিতে দেখলাম আপনারা পাউডার ব্যবহার করছেন । কিন্তু এই পাউডার কম্পিউটার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের জন্য ক্ষতিকর । তাই ভাল হয় অফিসে যদি C02 ব্যবহার করা হয়
১৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: দরকারি পোস্ট। সময়োপযোগী। ++
১৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
আন্ধার রাত বলেছেন: গুড-গুডি পোস্ট, আলমারীতে তুলে লাখলাম, পরে পড়বো।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৩২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ