কলিগের স্ত্রী বিরক্ত হইয়া পঞ্চাশ টাকা দিলো শেষবারের মত। বললো, এরপরে পঞ্চাশ পয়সাও পাইবা না!
কলিগের জুয়ারু বন্ধুর গাড়ী পো পো বাজলো এপার্টমেন্ট হাউজটার সামনে। দুইজন গেলো ইস্কাটনের আমু ক্লাবে।
কলিগের এইবার ভাগ্য সুপ্রসন্ন। বোঝা গেল প্রথম রাউন্ডে। পঞ্চাশ টাকা হইয়া গেলো তিনশটাকা। দ্বিতীয় রাউন্ডে তিনহাজার। চতুর্থ রাউন্ডে ত্রিশ হাজার, পঞ্চমে সেইটা তিন লাখে ঠেকলো।
জুয়ারী দুস্তরে কলিগ আগেই কইয়া রাখছিলো - জীবনের শেষ খেলা এইটা। জুয়ায় কলিগের নেশা লাগাইয়া দিয়া দুস্ত তখন তামুক টানতেছিলো। কলিগ পঞ্চমে থাইম্মা গেল। হইছে, আর না!
দুস্তে কয়, আরে মিয়া - ত্রিশ লাখের মওকাটা ছাড়বেন! জীবনের শেষ বাজি! ধরেন ধরেন! কলিগ দুস্তের কথায় ধরলো এবং যা হবার তাই হলো। গেলো পুরা তিনলাখই।
দুস্তের গাড়ীতে বাড়ি ফিরলো তিনলাখ টাকা লসের আফসোস মাথায় নিয়া। ঘরে ঢুকতেই বউ কইলো, কি খবর!
কলিগের মুখে হঠাৎ হাসি ঝিলিক দিয়া উঠলো। কইলো, আরে না! মাত্র পঞ্চাশ গেলো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




