somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের দোযখই আসল বেহেশ্ত

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একজন মানুষ মরলো। তারপরে দোযখে গেলো। গিয়া দেখলো প্রত্যেক দেশের জন্য আলাদা আলাদা দোযখ। সে খুঁজতে শুরু করলো কোন দেশের দোযখে কম কষ্ট - এরম পাইলে সে সেইখানেই হাইন্দা যাইবো। তারপরে প্রথমে দেখলো জার্মান দোযখ। গিয়া জিগাইলো এইখানে কেমনে শাস্তি দেয়া হয়! তারে বলা হইলো যে প্রথমে একটা ইলেকট্রিক চেয়ারে বসানো হয় ঘন্টাখানেকের জন্য। তারপরে সূচালো গজাল পেরেক ভর্তি একটা বিছানায় তাকে শোয়ানো হয় আরো এক ঘন্টা। তারপরে একজন দোযখের জল্লাদ আইসা তাকে সারাদিন চাবুক মারতে থাকে।

শাস্তির বিবরণ শুইনা বেটার ভয় লাগলো। সে অন্য দেশের দোযখ খুঁজতে বের হইলো। আম্রিকা, রাশিয়া, ভারত সহ নানান দেশ দেখলো। সব গুলাতেই দেখলো জার্মানের মত শাস্তির ব্যবস্থা।

অবশেষ সে বাংলাদেশের দোযখে আইলো। আইয়া ভিমরী খাইলো। গেটের সামনে লম্বা লাইন। আশ্চর্য্য হইয়া জিগাইলো একজনরে - এইখানের শাস্তি কি? তারে কইলো প্রথমে একটা ইলেকট্রিক চেয়ারে বসানো হয় ঘন্টাখানেকের জন্য। তারপরে সূচালো গজাল পেরেক ভর্তি একটা বিছানায় তাকে শোয়ানো হয় আরো এক ঘন্টা। তারপরে একজন দোযখের জল্লাদ আইসা তাকে সারাদিন চাবুক মারতে থাকে।

শুইনা সে আরো অবাক। এইডা তো সব দোযখেরই কাহিনী। তারপরেও এইখানে যাওয়ার জন্য মানুষ পাগল কেন?

লাইনে অপেক্ষমান লোকটা কইলো, বাংলাদেশের দোযখে বিদ্যুৎ সাপ্লাই এত খারাপ যে ইলেকট্রিক চেয়ার কাম করে না। নিশ্চিন্তে ঘন্টাখানেক বইসা থাকোন যায়। বিছানায় সূচালো গজাল পেরেক রাখার জন্য বরাদ্দ ঠিকই থাকে কিন্তু কোনদিন সেইগুলা আইসা পৌছায় না। আর সবচেয়ে সুবিধার হইলো বাংলাদেশী দোযখের জল্লাদ একজন সিভিল সার্ভেন্ট। সে আসে, টাইমসিটে সিগনেচনার দিয়া তার নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেখার জন্য বাইরাইয়া যায়। তারমানে সারাদিন আপনি নিশ্চিন্তে ঘুমাইতে পারেন!

(এইটা আমার না। সদ্য প্রাপ্ত একটা মেইলের অনুবাদ কইরা দিলাম)
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৩
২৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×