somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাইনাস দেওয়ার মেশিন চাই

১৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা সাইন-ইন ছাড়া পোস্ট পড়ে তারা প্লাস-মাইনাচ দিতে পারে না। যারা সাইন-ইন কইরা পোস্ট পড়ে তাদের নাম "সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন" এই লিস্টে উঠে যায়। তবে এইখানে একটা আজিব তেলেসমাতি দেখা যায়। এই তেলেসমাতি ঘটে "মাইনাস মেশিন" এর কল্যাণে। ধরেন লাস্ট পাঠকের নাম "এ"। তারপরে একটা পোস্ট দিলাম এবং সেইটা যারা পড়লো তাদের নাম যুক্ত হইতে থাকলো 'এ" র পরে। এমন কইরা পাঁচজনের নাম যুক্ত হইলো। তাদের মধ্যে দুইজন মন্তব্য করলো। একজন প্লাস দিলো। তারমানে পাঁচজন সাইনড-ইন পাঠকের মধ্যে চারজন এখনও মাইনাচ দিতে পারে। কিন্তু পোস্ট দেইখা টাসকি খাইয়া যাইতে হয়। সেইখানে সাতটা মাইনাচ শোভা পাইতেছে!

একটা মাইনাচ-মেশিন যে এই ভোজভাজি প্রদর্শন করায় - সেইটা বুঝতে পারতেছিলাম। অনেকে আকার ইংগিতে এইটা বলেছিলও। তবে ফাইনালী মাহমুদুর রহমান রুবেল রহস্য উন্মোচন করলো। এ-টিমে তারা কে কি করতো ইত্যাদি নানা তথ্য দিলো একদিন। মাইনাচ দেওয়াটাও তাদের আন্দোলনের একটা অংশ। কোন একটা প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার থেকে কম্পিউটার রিস্ট্রার্ট করে বা রিফ্রেশ করে টার্গেটেড পোস্টে ঢুকে মাইনাচ দেয়ার বাটনটা খুঁজে পাওয়া যায় এবং যে নিক থেকে মাইনাচ দেওয়া হলে তার নাম "সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন" এই লিস্টে উঠবে না। এইভাবে মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য মাইনাচ দেওয়া সম্ভব। তবে বেশী দিলে আবার ধরা খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে বইলা এই মেশিনডা একটু বিশ্বাসযোগ্যভাবে ব্যবহার করতে হয়। শুনে আমি বেশ চমকিত হইছিলাম। আমার মনে আছে সে বলেছিলো এই মাইনাচ-মেশিনটা সুশান্তের সরবরাহ করা। ভাবছিলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে এই মাইনাচ-মেশিনের প্রয়োগরে সমর্থন করা যায়।

এখন তো মাইনাচ খাইতে খাইতে আমার জীবন-যৈবন বুড়িগঙ্গার ওয়েস্ট ওয়াটারে ভাইসা গেলো। মনে হইতেছে এই মাইনাচ মেশিন এখন সুশান্তের হাত নাই - অনুমান করি সে এইটা একটা মহৎ কাজের জন্য আবিষ্কার করেছিলো কিন্তু যাদেরকে দিছে তারা সেটাকে এখন নিজেদের খেয়াল খুশীমত অপব্যবহার করতেছে। বেচারা সুশান্ত!

এখন আমারও একটা মাইনাচ-মেশিন চাই। যাদের পোস্ট পছন্দ হবে না তাদের সেই মেশিনে চড়ে মাইনাচ দিতে চাই। নইলে আমার পোস্টে যে পরিমাণ মাইনাচ পড়তেছে অচিরেই বুড়িগংগার পানি খাইয়া আত্মহত্যা করতে হবে। মনে রাখবেন, আত্মহত্যার জন্য বুড়িগংগার এক আউঞ্চ পানিই যথেষ্ট।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
২৯টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×