আমাদের রপ্তানীকারক সংঘের সংগীত প্রীতি দূর্দান্ত। মানে চেহারা দেখলেই গলার স্বর টের পেয়ে যাই। শুধু গলা কেন, অশ্বনিতম্ব, ব্যাকগ্রাউন্ড, প্রপ্রত্তি, এসব বেশী রপ্তানীযোগ্য মনে হয়। মাঝেমাঝে কি গাইলো, কেন গাইলো এসব আর তখন বিবেচ্য থাকে না বলে এটিএন মাহফুজ আমাদেরকে অভ্যর্থনা করলেন মোটামুটি সুবিশাল সাইজের কিছু গানবালিকাদের দিয়ে। উনি দেখলাম বহুত সমঝাদার লোক। গানের পাছা, আগা সব কিছু ভাল করে দেখে নিয়োগ দেন।
আমরা যথারীতি তার আবলুশ কাঠের সেক্রেটারীট টেবিলের সামনে। ইদানিং গান শোনার নতুন যে রীতি উদ্ভাবিত হয়েছে তাতে মোটামুটি বিশ্বশব্দ দূষণ দূরীভূত হবার এক অপার সম্ভাবনা জাগ্রহ হয়েছে। এই স্তন্যপায়ী গানের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আপনাকে ভলিউম কমিয়ে নিতে হবে - এবং মনিটরের খুব সন্নিকটে বসে আপনাকে দেখতে হবে। চোখ দিয়ে গান শুনবেন। কোন শব্দদূষণ নেই।
এক সার্ভে রিপোর্টে দেখা গেছে বিশ্বে মাত্র তেত্রিশ হাজার ঘনলিটার গান রপ্তানী হয়েছে। এতে পরিবেশের দূষণ গত বছরের তুলনায় কমেছে অর্ধেক। বাংলাদেশের অবদান সিংহভাগ, ৪০ পার্সেন্ট। ইভা রহমান গান গাইতে শুরু করার পরে সর্বত্রই এখন এই একজন শিল্পীর গান মানুষ শোনে। অভাবনীয়ভাবে চোখ দিয়ে গান শোনার পদ্ধতি আবিষ্কার হবার পরে - সংগীত বিষয়ক সাউন্ড পলিউশনের মাত্রা দেশ থেকে কমেছে প্রায় ৮০ শতাংশ। বিশ্ব শব্দ দূষন সংস্থা যারা জাতিসংঘের একটা সাবসিডারী প্রতিষ্ঠান - এই বিপুল সাফল্যে যারপরনাই আল্লাদিত।
তাদের আগ্রহ মাফফুজ সাহেবকে জানাতেই তার বত্রিশ দন্ত বিকশিত হয়ে গেলো। তিনি একটা ছোটখাটো বক্তৃতা দিয়ে ফেললেন, এই যে দেখুন র ম্যাটেরিয়াল থেকে আমি আজকের ইভা রহমান জন্ম দিয়েছি, প্রয়োজনে আরো ইভার জন্ম দেবো বাংলার ঘরে ঘরে!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


