আমার প্রিয় পোস্ট

যন্ত্র হতে হতে এখন অযান্ত্রিক তন্ত্রমন্ত্র ভালো বুঝি

কেউ সুইসাইড খাইতে আগ্রহী থাকলে যোগাযোগ করতে পারেন

০১ লা জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪৫

শেয়ারঃ
0 0 0

কেউ সুইসাইড করেছে শুনলেই মাথায় রক্ত উঠে যায়। যদি জানতাম আগে তবে পিটিয়েই মেরে ফেলতাম হয়তো। মানুষ কেনো সুইসাইড করবে? এমনিতেই তো মারা যাচ্ছে কিছুদিনের মধ্যে। তবে কেনো এত ঢঙভঙ করে সুইসাইড খেয়ে পৃথিবীকে দেখে নেয়া? ভাবটা এমন ইচ্ছে করলে অমর হতে পারতাম!

একসময় আমার সুইসাইড খেতে ইচ্ছে করতো। তখন মনে হতো এটা বোধহয় বেশ আরামপ্রদ কোনো এডভেঞ্চার হবে। দেখলাম এই ভাবটা উদয় হয় তীব্র কোনো অভিমানের ফলে এবং যা হাস্যকরভাবে কোনো মানবসন্তানের জন্যই।

পৃথিবীতে কোনো মানুষ প্রকৃতির উপরে রুষ্ট হয়ে সুইসাইড করেছে কিনা আমার জানা নেই। তবে তীব্র শারিরীক অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে কেহ কেহ সুইসাইড করে থাকে। কোনো কোনো দেশে আইন তৈরী হয়েছে লাইফ সাপোর্ট যন্ত্র অপসারণের - যা তাকে স্বেচ্ছামৃত্যু দেবে।

কিন্তু সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হচ্ছে পৃথিবীর তাবৎ আত্মহত্যার (ধরুন পরিমাণটা ৯৯.৯৯%) কারণ মানুষের প্রতি তীব্র রাগ বা বিরাগ। এটা কোনো কথা হলো? একটা মানুষ কখনই নিদৃষ্টভাবে অন্য মানুষের জন্য এতটা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠতে পারে না। কোনো মানুষই এমন হয় না। একবার নিজের দিকটা ভাবুন, আপনার জন্য কে আছে এমন যে বিসর্জন দেবে নিজের জীবন? মনে হতে পারে এপারেন্টলী, কিন্তু রিয়েলিটি বহুত যোজন দূরে, কেউ দেবে না! কেবল আপনার জীবনটাই গচ্ছা যাবে।

মানুষের এই ইচ্ছামৃত্যুর ধরণ দেখে আমি ধারণা করি সে হয়তো মস্তিষ্ক বিকৃতির শিকার হয়েছিলো। সুস্থ্য মস্তিষ্কে কোনো মানুষের পক্ষে সুইসাইড খাওয়া সম্ভব না। একমাত্র পাগল হলেই সম্ভব এবং পাগলামীর পর্যায়টা এমন স্তরে পৌঁছে গেলে যেখানে থেকে আর রিকভারী সম্ভব না। মানে তার আসল মৃত্যুটা ঘটে গেছে ঐ মস্তিষ্ক বিকৃতির সাথে সাথেই। ফলে শরীরের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা বা না রাখার কোনো মানে থাকে না।

যাদের আমরা মস্তিষ্ক বিকৃতি দেখি তাদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো সুইসাইড স্তরে পৌঁছে গেছে। তবে আমার ধারণা সুইসাইডাল স্তুরের বিকৃতি ঘটার পরে কোনো মানুষের বেঁচে থাকা ক্ষণস্থায়ীই হবে। তবে পাগলামীর মাত্রা কম হলে তারা হয়তো বেঁচে যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সুইসাইড করতে উদ্যত মানুষকে কোনোভাবে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব কিনা! কোনো আইন বা শাস্তি সেজন্য কার্যকরী না হবারই কথা। তবে সেই সুতীব্র নিয়ন্ত্রণহীন মানসিক অবস্থিতির মাত্রা খুব স্বল্পই হবার কথা, মরতে হলে সে সময়ের মধ্যেই মরতে হবে, নইলে........

আমাকে একটু খবর দিয়েন। পিটিয়ে মেরে ফেলবো। মানুষ প্রচন্ড প্রত্যাশা নিয়ে বাঁচতে চেয়েও বাঁচতে পারছে না যেখানে, সেখানে কেউ মরতে চাইলে আমাদের উচিত যথাশীঘ্র তার মৃত্যুর আয়োজন করা।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৬
মিলটন বলেছেন: ভাই সুইসাইড কেমনে খায়?
২. ০১ লা জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
জেরী বলেছেন: ঠিক সুইসাইড না মাঝে মাঝে মরতে চাই। কিন্তু সেখানেও আরেক প্রবলেম.....ভাবি এক চান্সে মরতে পারবো তো। এক চান্সে কাম না হলে তো রীতিমতন কেলেঙ্কারী হয়ে যাবে লোক জানাজানির কারণে /:)
৩. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: সবচেয়ে ভালো সুইসাইড খায় নাকি জাপানিরা। ওদের সুইসাইড খাওয়ার নাম - হারিকিরি।
একটা ছুরি দিয়ে পেটে পোচ দিয়ে নাকি ওরা হারিকিরি করে থাকে।
৪. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১২
দুরের পাখি বলেছেন: শব্দটা হারাকিরি । হারিকিরি না । হারা মানে পেট কিরি মানে কাটা । হারাকিরির যুগ মেলা আগে শেষ । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরেই । দ্বিতীইয় বিশ্বযুদ্ধেও অনেকে পরাজিত সৈনিক হ্যান্ড গ্রেনেডের পিন খুলে ধরে রেখে সুইসাইড খাইছে । আশেপাশে তলোয়ার ছিলো না দেইখা । এখন নরমালি বিষ খায়া বা ট্রেনের নিচে লাফ দিয়া এরা সুইসাইড খায় ।
৫. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: দূরের পাখি@ ভুলটা ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি এই ভুল শব্দটা কোন বইয়ে পেয়েছি।
৬. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২০
দুরের পাখি বলেছেন: হুমম । আমিও বাংলা ব্যাকরণে হারিকিরিই দেখছিলাম মনে আছে । অনেক শব্দই অন্য দেশের লোকজন উচ্চারণ করতে গিয়া এইরকম আ'কার ই'কার এর সমস্যা লাগায়া ফেলে । তবে জাপানি ভাষায় এটা করতে গেলে গোলমান অনেক । একটা আ'কার বা ই'কার এর জন্য পুরাপুরি অন্য শব্দ হয়ে যায় । যেমন হারা মানে পেট, হারি মানে সুঁই, হারু মানে বসন্ত, হারে মানে পরিষ্কার আবহাওয়া ।
৭. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪
ফেরদৌসী বলেছেন: "আমাকে একটু খবর দিয়েন। পিটিয়ে মেরে ফেলবো"..... :> :> :> :> :>
৯. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৩
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: বক্তব্য স্পষ্ট নয়, মাইনাস খান
১০. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
ফারা তন্বী বলেছেন: সুইসাইড কিন্যা দেন, খামু :)
০১ লা জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন: কিভাবে মরতে চাও? আমার আবার কেরোসিন গায়ে ঢেলে আগুণ দিয়ে সুইসাইড করতে ভালো লাগবে! কি চমৎকার!

১১. ০১ লা জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬
শায়মা বলেছেন:
ফেরদৌসী বলেছেন: "আমাকে একটু খবর দিয়েন। পিটিয়ে মেরে ফেলবো".....


আমাকেও সাথে নিয়েন ভাই। গলাটা নাহয় আমিই টিপে দেবো।
গাধার মত মরার কি হইলো?
০১ লা জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: গ্রেট। আজ থেকে তাহলে খুনের অভিযান শুরু হইলো! হুহাহাহাহাহাহ!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যদি প্রশ্নবিদ্ধ করতে হয় তবে বরঞ্চ তলিয়ে যাবো তিমির সাথে, অতল ঘাসের সাথে, নীরব রাতের সাথে। সময়ের বিভাজনে ক্ষুদ্র প্রতিশোধের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ