শুনলাম ভারতের কাছে দেশ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ, কিন্তু তার চেয়েও অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে মূল্য নির্ধারণ করা। কারণ ৪৭সালে কলকাতার বিনিময়ে দ্বিখন্ডিত বঙ্গ যখন মেনে নিয়েছিলো মুসলিম লীগাররা সেসময়ে একটা বড়ধরণের ধরা খেয়ছিলো পূর্ববঙ্গীয় আতেলগন। কলকাতার সরকারী স্থাপনার মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত একটা জটিলতা দেখা দিয়েছিলো - চলতি দর না ক্রয়কালিন দর ধরা হবে সে নিয়ে। বাঙালরা কয়েককোটি টাকা পাবার স্বপ্ন দেখে শেষে উল্টো ঋণের দায় নিয়ে পদমা পাড়ি দিয়েছিলো।
এবার আর সে ভুল হতে দেয়া যায় না। বাংলাদেশ যখন বিক্রিই হয়ে যাচ্ছে তখন আমাদের অবশ্যই চলতি দরে সবকিছুর মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। এটা একটা বিরাট সুযোগ। বিক্রিত অর্থ দিয়ে প্রদেশের নানান উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করা যাবে। ভেবে দেখুন ঢাকায় এক কাঠা জায়গার মূল্য? এভাবে কেবল গুলশানের জমিটুকুরও যদি দাম পাওয়া যায় তাহলেও ঢাকার মত আরেকটা নগরী তৈরী করা যাবে।
বাংলাদেশ বিক্রি হচ্ছে শুনে আমি ভীষণ আশাবাদী। এতদিন পরে একটা মূল্যবান জিনিস বিক্রি হচ্ছে। এবং এটা সত্যিই আনন্দের যে বাংলাদেশ বিক্রি হয়ে বেশীদূর যেতে পারবে না - তাদের থাকতে হবে ভারতেই, যখন তখন আমরা এখন তখনের মত বাংলাদেশ ই বলতে পারবো, আড়ালে আবডালে, ব্লগে। প্রয়োজনে আমাদের তারকনাথের মত কোন বীরপুরুষের আবির্ভাব হবে যে পিতৃদেবের মত স্বাধীনতার এনাউন্সমেন্ট করে আবার বাংলাদেশ স্বাধীন করে ফেলবে।
আমার মনে হয় বাংলাদেশ বিক্রি করার এই সুযোগ হেলায় হারানো উচিত না। আমাদের প্রতিটা ইঞ্চি জমির হিসাব করতে হবে। ভালো একটা দাম হাকাতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


