ওয়েবে এখন যেকোনো মানুষ তার মন্তব্য, ব্যাখ্যা তুলে ধরতে পারে। এসবই তার নির্দিষ্ট বোধ-বুদ্ধি থেকে উৎসারিত। প্রত্যেকটা মানুষ স্বতন্ত্রভাবে তার ব্যাখ্যা তুলে ধরতে পারেন - যাকে আমরা বাক স্বাধীনতা বলি।
প্রশ্ন হচ্ছে আমরা ইচ্ছে করলেই সব কিছু বলার অধিকার রাখি কিনা। যদি আমি ভিন্ন মত পোষণ করি, সমাজ ব্যবস্থা কতটুকু পর্যন্ত সেটা সহ্য করে?
নিশ্চয়ই একটা মাপকাঠি তৈরী হয়ে যায়। এটা তৈরী করে ঐ সমাজের মানুষেরাই। তাদের নিজস্ব দর্শন ঘিরে মাপকাঠির সীমা।
বিগত দু'দিন দৃশ্যমান জনমতের বাইরে গিয়ে আমি আমার মতামত বলার চেষ্টা করেছি। সমাজে এমন মানুষ হয়তো আছে, সাইবার স্পেসেও আছেন। কিন্তু সমাজ ও সাইবার স্পেসের মধ্যে এখন দূরত্ব কমে গেছে। যা সমাজে হয় - তাই সাইবার স্পেসে রিফ্লেক্ট হয়। অথবা বলা যায় যা সাইবার স্পেসে দেখা যায় তাই হয়তো সমাজের প্রতিচ্ছবি।
জনমানসের চিন্তার যে স্রোতধারা আমি দেখলাম, যার বিপরীতে আমার অবস্থান ছিলো, সেটা অনুধাবন করা আমার জন্য সহজ, কিন্তু প্রয়োজনীয় নয়। আমি একজন সাধারণ মানুষ। এসব কথা বলে লোকজনের গালি খাওয়ার কোনো মানে নেই, সহজেই এড়াতে পারতাম।
কিন্তু গণমানসের এই বিক্ষোভ কি আওয়ামী লীগের চোখে পড়ে? আমরা যাদের শাসনাধীন তাদের কাছে এর চেয়ে পরিস্কার মেসেজ আর কি হতে পারে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


