আমার প্রিয় পোস্ট
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মি: আকন্দ এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী জোশ (উৎসর্গ : কল্পণা চাকমা) - মেজভাবী
- তারকাঁটার ঐ পাশে আরশি নগর (উৎসর্গ কুঙ্গ থাঙ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারসহ সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন - জেনন
- রতন থিয়ামের কবিতা - হামোম প্রমোদ
- রাংলাই ম্রো-শেকলে বন্দী ক্ষুব্ধ পাহাড়। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

ভাষার জন্য শুধু বাংলাদেশের বাঙালীরাই প্রাণ দিয়েছে একথা সত্য নয়
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
এই ভুল তথ্যটি বাচ্চাদের পাঠ্যবইতে এখনো শেখানো হয়, গর্বিত সুশীল সমাজ এনিয়ে পত্রপত্রিকার সম্পাদকীয় উপসম্পাদকীয়ের পাতা ভরিয়ে ফেলেন এবং এই ব্লগেও কিছু সংখ্যক পোষ্টে এধরনের প্রবনতা লক্ষ করছি। প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীতে বাংলাদেশের বাঙালীরাই একমাত্র জাতি নয় যারা আপন মাতৃভাষার জন্য জীবন দিয়েছে এবং বুকের রক্ত ঝরিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি -
(১) ১৯৬১ সালের ১৯ মে আসামের শিলচরে বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদ হোন বিশ্বের প্রথম নারী ভাষাশহীদ কমলা ভট্টাচার্যসহ ১১ জন ভাষাবিপ্লবী। আসামে ১৯ মে এখনও ভাষাদিবস পালন করা হয়।
বিস্তারিত দেখুন:
১৯শে মে - সূর্য্য দিবস
আজ ১৯শে মে। ১৯৬১ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন ১১ জন ভাষাবিপ্লবী।
(২) বরাক উপত্যকাতেই বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষার স্বীকৃতির আন্দোলনে ১৯৯৬ সালের ১৬ মার্চ শহীদ হোন বিশ্বের দ্বিতীয় নারী ভাষাশহীদ সুদেষ্ণা সিংহ। ঐদিন পুলিশের গুলিতে আহত হোন সহস্রাধিক বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষাযোদ্ধা এবং পরে হাসপাতালে প্রান হারান আরো একজন শহীদ সলিল সিংহ। শহীদ সুদেষ্ণার স্মরণে ভারত ও বাংলাদেশের মণিপুরীরা ১৬ মার্চ ভাষাদিবস পালন করে থাকে।
বিস্তারিত দেখুন:
বাংলা উইকিপিডিয়া / সুদেষ্ণা সিংহ
আজ ১৬ই মার্চ । শহীদ সুদেষ্ণা দিবস ।
ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ?
বাংলাদেশের সকল জনগনের রাষ্ট্রের সংবিধান কেবল বাংলা ভাষাকেই রাষ্ট্রের একমাত্র সাংবিধানিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। উপরন্তু রাষ্ট্র, প্রচারমাধ্যম ও প্রকাশনাগুলো পৃথিবীর ভাষাসংগ্রামের ইতিহাস সম্বন্ধে ভুল এবং খন্ডিত তথ্য ক্রমাগতভাবে প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং অপরাপর জাতিসমুহের ভাষা ও অস্তিত্ত্বের লড়াইকে অগ্রাহ্য করছে । এটি মহান ভাষা আন্দোলনের মনস্তত্ত্বের সাথে কোনক্রমেই সঙ্গতিপুর্ণ নয়। ২১ ফেব্রুয়ারি যদি আজ আন্তর্জাতিকভাবে সকলের মাতৃভাষার অধিকারের দাবী তুলতে পারে তবে যে রাষ্ট্র এই দ্রোহের জন্ম দিয়েছে সেই রাষ্ট্রই কেন আজ অপরাপর জাতির মাতৃভাষাকে মেনে নিতে বা স্বীকৃতি দিতে নারাজ?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ, ভাষা আন্দোলন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: যেতালো ডাঙর সাউরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক বলেছেন:
প্রথম শহীদ হয়েছে বাঙালী বড়জোর এটুকু বলা চলে। ১৬ই মার্চ এর আগে একটা পোস্ট দিয়েন, অংশগ্রহণের ইচ্ছে রইল।
লেখক বলেছেন: প্রথম শহীদ এইটাতো সবাইকে স্বীকার করতে হবে। আমার আপত্তি 'একমাত্র' শব্দটিতে। এতে করে অপরাপর শহীদদের উপেক্ষা করা হয়।
আপনি বুঝতে পেরেছেন এজন্যে ধন্যবাদ।
... দিব। অপেক্ষা করেন।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
দিগন্ত বলেছেন:
১৯৫২ সালে তেলেগুভাষীদের জন্য পৃথক অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যের দাবীতে আমরণ অনশন শুরু করেন পট্টি শ্রীরামালু এবং উনি শেষ পর্যন্ত ৫৮ দিন অনশনের পরে মৃত্যুবরণ করেন। উনিও ভাষা আন্দোলনে শহীদ।
লেখক বলেছেন: সেটি ভাষা আন্দোলন ছিল না। সেটি ছিল স্বায়ত্তশাসিত পৃথক তামিলরাজ্য প্রতিষ্টার আন্দোলনের অংশ। এ জাতীয় ব্যাপার ভারতের প্রতিটি রাজ্যেই ঘটছে।
১৯৯৬ সালের ১৬ মার্চ শহীদ হোন বিশ্বের দ্বিতীয় নারী ভাষাশহীদ
আর বাঙলা ভাষার আন্দোলন... ১৯৫২ তে... এর আগে কেউ করে নি...
এটাই সত্য।.....
লেখক বলেছেন: সহমত।
আউটসাইডার বলেছেন:
নতুন জিনিষ জানলাম। ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: আপনাকেউ।
আর বাংলাদেশের ঐসব মানুষগুলোর জাতই দালালী করা। ভাষা আন্দ্লেন বা আর্ন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের গর্বে ফুলে ওঠে অথচ বাংলাদেশের অন্যান্য ভাষাভাষী মানুষদের মাতৃভাষার প্রসঙ্গ আসলেই অবতীর্ণ হয় রাষ্ট্রের দালাল হিসেবে।
চাকরীর ধান্দায় লেখাপড়া (দালালী) শিখে এখন মহাপন্ডিত ভাব নিয়েছে এবং নিচ্ছে অনেকে কিন্তু কান্ডজ্ঞানের বড়ই অভাব।
পোষ্টের সাথে সম্পুর্ণ সহমত এবং ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সহমর্মীতার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
হুমম, জানতাম না, তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। লিংকে ৬২ সালের ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত নেই। থাকলে ভাল হত। ১৬ মার্চ ভাষাদিবসের সাফল্য জেনে ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: যদি আরো লিংক পাই আপনাকে জানাবো।
সমকালের গান বলেছেন:
ভালো তথ্য। তবু শুনে একটু খারাপ লাগছে। গর্ব করে অনেক সময় অনেককে বলেছি কি না, তাই।
লেখক বলেছেন: ৫২র ভাষা আন্দোলন সকল জাতি এবং ভাষার জন্যই গর্বের বিষয়। এটা নিয়ে কোন দ্বিমতের অবকাশ নেই।
তবে আয়রনি হইল, আমাদের বাংলাদেশ সরকারের হাতেই মনিপুরী ভাষাশহীদ নিহত হইল ... কি বলব!
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ যদিও একটি ব্যাপারে একটু ভুল হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের হাতে নয়, ঘটনাটি উত্তর পুর্ব ভারতের।
লেখক বলেছেন: "ভাষাশহীদ নিহত হইল ... কি বলব! " মন্তব্যে +
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ । আমার মনে হয়না চক্রান্ত করে কেউ একথা বলে যে বাঙ্গালীরা-ই একমাত্র ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে । আমার কাছে বিষয়টা তথ্যের অভাবজনিত কারণে সৃষ্ট বলে মনে হয় । সকল ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা , যারা ভাষার অধিকার আদায়ের জন্য প্রাণ দিয়েছেন । তথ্যগুলো ঠিক মত প্রচারিত হলে নিশ্চয় অধিকাংশ-ই তা ভেবে চিন্তে গ্রহণ করবেন।
আপনার লেখায় বেশ আক্রোশ -এর উপস্থিতি দেখলাম । এটা ঠিক না ।
আর যে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আপনার উষ্মা , সে নিজেই জন্ম থেকে বিপদের মাঝে আছে। যে বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করা হয়েছে সে বাংলা-ই এখনো অনেক জাগায় উপেক্ষিত।
আর গর্বিত সুশীল সমাজ যে "এনিয়ে পত্রপত্রিকার সম্পাদকীয় উপসম্পাদকীয়ের পাতা ভরিয়ে ফেলেন" , তাকে বাঁকা চোখে দেখার কিছু নেই। জাতীয় জীবনে এমন আহংকারের বিষয় কয়জনের-ই বা আছে !
জেনে ভাল লাগলো যে, আসামের বাঙ্গালীরা ও মণিপুরীভাষীরাও সেই এক-ই রকম গর্বের অংশীদার ।
আপনার লেখার একজায়গায় আপনি "সস্স্তা আবেগ" -এর কথা উল্ল্যেখ করেছেন !
এ ব্যাপারে কিছু বললাম না আপনার আবেগের কথা বিবেচনা করে ।
তথ্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ৫২র ভাষা আন্দোলন নিয়ে কোন বিতর্কের অবকাশ নেই। এটি তাবৎ বিশ্বের ভাষার ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্তপুর্ণ ঘটনা। ২১ ফেব্রুয়ারি আপনি যদি সিলেট বা মৌলবীবাজার যান তাহলে ভাষিক সংখ্যালঘুদেরকেই সর্বাগ্রে শহীদ মিনারে দেখতে পাবেন, ভাষা আন্দোলন নিয়ে তাদের অনুভুতি ষ্হানীয় বাঙালীদের চাইতে বেশী, কারণ তারা জানে মাতৃভাষা কি জিনিষ এবং কিভাবে সুকৌশলে রাস্ট্র কোন মাতৃভাষাকে দুরে সরিয়ে দিতে পারে।
দিগন্ত বলেছেন:
@. . . এখনো খুঁজি - সুন্দর লিখেছেন, ধন্যবাদ। আমি ঠিক এরকমই একটা উত্তর খুঁজছিলাম।
লেখক বলেছেন: আমার বিষয়বস্তু সেটা নয়। বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান মর্যাদা পাবে না?
এক্সবিজনেস বলেছেন:
উইকিতে দেয়া তথ্য অনুযায়ী আপনাদের আন্দোলন অসম সরকারের বিরুদ্ধে ছিলো এবং দুঃখজনক ঘটনাগুলোও ঘটেছে ওখানে । কিন্তু আপনি এখানে রাগ প্রকাশ করলেন বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে । ক্ষোভপ্রকাশটা কি উদ্দেশ্যমুলক ?
উইকিতে যা লেখা :
সুদেষ্ণা সিংহ (১৯৬৪-১৯৯৬) পৃথিবীর সর্বপ্রথম আদিবাসী এবং দ্বিতীয় নারী ভাষাশহীদ। তিনি ১৯৯৬ সনে ভারতের আসাম রাজ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা স্বীকৃতির আন্দোলনে শহীদ হন। আসামের বরাক উপত্যকায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের দীর্ঘ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৬ই মার্চ একটি স্মরনীয় দিন। ১৯৫৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভাষাবিপ্লবীরা বরাক উপত্যকায় ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে ৫০১ ঘন্টার রেলপথ-রাজপথ অবরোধ কর্মসূচী ঘোষনা করে। ১৬ই মার্চ আসামরে পাথারকান্দির কলকলিঘাট রেলষ্টেশনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে ভারতীয় পুলিশ গুলিবর্ষন করলে ঘটনাস্হলে গুলিতে প্রান হারান বত্রিশ বছরের তরুণী সুদেষ্ণা সিংহ। এ ঘটনায় অসংখ্য ভাষাবিদ্রোহী আহত হন এবং ব্যাপক ধরপাকড় হয়। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা স্বীকৃতির আন্দোলনকে উপেক্ষা করতে পারেনা আসাম সরকার। অবশেষে ২০০১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বরাক উপত্যকার ১৫২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষায় শিক্ষাদান চালু করে। এরপর ২০০৬ সালের ৮ মার্চ ভারতের সুপ্রীমকোর্টের এক রায়ের মাধ্যমে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা ভারতে একটি স্বতন্ত্র ভাষার স্বীকৃতি লাভ করে।
লেখক বলেছেন: শুধু বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নয়, যে কোন রাষ্ট্রেরই কর্তব্য ঐ রাষ্ট্রের বাসিন্দা সকল মাতৃভাষাকে স্বীকৃতি ও গুরুত্ত দেয়া। আজ পৃথিবীর প্রায় সাত হাজারেরও বেশী সংখ্যক বেশী ভাষা আছে, এর মধ্যে অর্ধেকই বিলুপ্তির পথে শুধুমাত্র রাষ্ট্রের অসচেতনতা এবং অসম মনোভঙ্গির কারণে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ + দেবার জন্য। এই পুষ্টে জনৈক বিদগ্ধ ব্যক্তি মাইনাস দিয়েছেন। কি দোষ করলাম বুঝলাম না।
মানুষ বলেছেন:
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। পোষ্টদাতা এবং কমেন্টদাতা সবাই কে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মানুষ।
লেখক বলেছেন: আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পাবার পর আন্তর্জাতিকভাবে মনোযোগ তৈরি হয়েছিল সকল মাতৃভাষাকে স্বীকৃতি ও গুরুত্ব দেয়ার ব্যাপারে। কিন্তু বাংলাদেশে এ নিয়ে এখনও কোন কার্যকরী মনোযোগ তৈরী হয়নি। রাষ্ট্রের সংবিধানের একটি পাতায় শুধু একটি লাইনে কি উল্লেখ থাকবে না এই স্বাধীন দেশে বাঙালী ছাড়াও মণিপুরী, চাকমা, মান্দি, ককবরক ইত্যাদি অন্যান্য ভাষার মানুষও বাস করে ?
আকাশ সাগর বলেছেন:
মূল লেখক এবং এখনো খুঁজি'কে ধন্যবাদ। চমৎকার পোস্ট এবং মন্তব্য।
শয়তান বলেছেন:
রাষ্ট্রের এহেন উদাসীনতার নিন্দা জানাই ।
লেখক বলেছেন: শয়তান এর মন্তব্যে বিপ্লব...
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
@ দিগন্ত@ আকাশ সাগর
আন্তরিক ধন্যবাদ।
@ কুঙ্গ থাঙ
কত কথা বলার থাকে , তবু বলা হয়ে ওঠেনা । হয়তো একথাটাও বলা হতোনা, যেহেতু না বলা কথা থেকে যায় অনেক !
ভাল থাকুন ।
লেখক বলেছেন: ইশ্বর আপনার মঙ্গল করুন।
বিহংগ বলেছেন:
তবে আয়রনি হইল, আমাদের বাংলাদেশ সরকারের হাতেই মনিপুরী ভাষাশহীদ নিহত হইল ... কি বলব!
চমতকার পোস্ট, ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যে +
পলাশমিঞা বলেছেন:
সত্য জানলাম তাই বাংলাভাষাকে আরো সম্মান করব।
লেখক বলেছেন: জেনে ভাল লাগল। ব্লগে আসার জন্য ধন্যবাদ। আপনার বাড়ী সিলেটের কোথায়?
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:
বঙ্গদেশে তথা আসামে বাঙালী জাতি মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করিয়াছে, কেহ কি বলিবেন আমাদের উন্ননাসিক উর্দ্ধনেত্র কলিকাতার দাদাবাবুরা বাঙলা ভাষার জন্য কি বালখানা করিয়াছেন?
লেখক বলেছেন: তাদের এইসবের দরকার কি? রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিৎ. মানিক, কমলকুমারের লগে বন্দে মাতারাম মিলায়া তারা বালাই আছে।
তবে আয়রনি হইল, আমাদের বাংলাদেশ সরকারের হাতেই মনিপুরী ভাষাশহীদ নিহত হইল ... কি বলব!
চমতকার পোস্ট, ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যে +
এক্সবিজনেস বলেছেন: উইকিতে দেয়া তথ্য অনুযায়ী আপনাদের আন্দোলন অসম সরকারের বিরুদ্ধে ছিলো এবং দুঃখজনক ঘটনাগুলোও ঘটেছে ওখানে । কিন্তু আপনি এখানে রাগ প্রকাশ করলেন বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ।
ক্ষোভপ্রকাশটা কি উদ্দেশ্যমুলক ?
উইকিতে যা লেখা :
সুদেষ্ণা সিংহ (১৯৬৪-১৯৯৬) পৃথিবীর সর্বপ্রথম আদিবাসী এবং দ্বিতীয় নারী ভাষাশহীদ।
তিনি ১৯৯৬ সনে ভারতের আসাম রাজ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা স্বীকৃতির আন্দোলনে শহীদ হন। আসামের বরাক উপত্যকায় বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের দীর্ঘ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৬ই মার্চ একটি স্মরনীয় দিন। ১৯৫৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ভাষাবিপ্লবীরা বরাক উপত্যকায় ১৯৯৬ সালের মার্চ মাসে ৫০১ ঘন্টার রেলপথ-রাজপথ অবরোধ কর্মসূচী ঘোষনা করে। ১৬ই মার্চ আসামরে পাথারকান্দির কলকলিঘাট রেলষ্টেশনে আন্দোলনকারীদের একটি মিছিলে ভারতীয় পুলিশ গুলিবর্ষন করলে ঘটনাস্হলে গুলিতে প্রান হারান বত্রিশ বছরের তরুণী সুদেষ্ণা সিংহ।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৪
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ যদিও একটি ব্যাপারে একটু ভুল হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের হাতে নয়, ঘটনাটি উত্তর পুর্ব ভারতের।
এ সব কি কেবল অসচেতনতা? লেখক প্লিজ লক্ষ করুন....
লেখক বলেছেন: আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা। আমার ক্ষোভপ্রকাশ মোটেও উদ্দেশ্যমুলক ছিলনা, আমি শুধু সরকার এবং সংশ্লিষ্ট যারা ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখালেখি করেন তাদের জন্য পাঠ্যবই, প্রচারমাধ্যম এবং অন্যান্য মিডিয়ায় বহুল প্রচলিত একটি তথ্যের অসংগতি ধরিয়ে দেবার চেষ্টা করেছি। আপনাকে ধন্যবাদ সত্যদা ।
পড়ে_পাওয়া বলেছেন:
প্রচুর বাঙ্গালী এ প্রসঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। বাংলাদেশের সমমনা বাঙ্গালী ও অবাঙ্গালীদের দ্রুত জোট বাঁধতে হবে, ক্ষুব্ধদের ক্ষোভ যাতে প্রশমিত হতে পারে এবং বাংলাদেশের অন্যান্য ভাষা সম্মন্ধে মানুষের সচেতনতা বাড়ে। মাতৃভাষার দুঃসময় এখন পৃথিবীতে।
অনেক গুরুত্বপুর্ণ ইস্যুতেই এদেশের মানুষের
কোনো মাথাব্যাথা নাই, আসলে এটা শিক্ষার দোষ....
লেখক বলেছেন: পড়ে_পাওয়া, জনগনের সচেতনতাই পারে রাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে কার্যকর ইৎসাহ এবং ইশারা দিতে। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার আগ্রগ দেখে কি ভাল লাগছে বুঝাতে পারব না। এরকম পোষ্ট দেবার ইচ্ছা আছে।
পড়ে_পাওয়া বলেছেন:
বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি তো অনেক প্রতিষ্ঠিত ভাষা, অন্য ভাষাগুলি তো আরো বেশী হুমকিতেএই ফোরামে মারমা কেউ আছেন কি?
সোনার বাংলা বলেছেন:
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন: বঙ্গদেশে তথা আসামে বাঙালী জাতি মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করিয়াছে, কেহ কি বলিবেন আমাদের উন্ননাসিক উর্দ্ধনেত্র কলিকাতার দাদাবাবুরা বাঙলা ভাষার জন্য কি বালখানা করিয়াছেন?
সহমত।
পোষ্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
+
লেখক বলেছেন: সোনার বাংলা, আপনাকে ধন্যবাদ। জনগনের সচেতনতাই রাষ্ট্রকে আইনগত সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে কার্যকর উৎসাহ এবং ইশারা যোগাতে পারে।
মানবী বলেছেন:
তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। তবে পোস্টের "উপরন্তু রাষ্ট্র, প্রচারমাধ্যম ও প্রকাশনাগুলো পৃথিবীর ভাষাসংগ্রামের ইতিহাস সম্বন্ধে ভুল এবং খন্ডিত তথ্য ক্রমাগতভাবে প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি এবং সস্স্তা আবেগ সৃষ্টি করছে। "
এই অংশটি আপত্তিকর।
মণিপুরী ভাষার প্রতিষ্ঠার দাবীতে যে ভাষা সৈনিক প্রাণ হারিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে গুরুত্ব পূর্ণ, অন্যান্য যে সকল ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছে বা চলছে তাও কেই অস্বীকার অবজ্ঞা বা অস্বীকার করছেনা। অন্যান্য ভাষা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলনের উপমা তুলে ' বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার ইতিহাস' নিয়ে গর্ব করাকে - """"সস্স্তা আবেগ সৃষ্টি করছে""" বলার নিন্দা জানাই।
অন্যরা নিজের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন বা করছেন বলে আমার দেশের গবরএর ইতিহাস ম্লান হয়ে যায়না।
আমার মনে হয়না কেউ জোর দিয়ে বলেছে বাংলা ভাষা একমাত্র ভাষা যার জন্য মানুষ প্রাণ দিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লেখক নিজের জ্ঞানের সীমার মাঝে থেকেই কথাটি বলেন। আপনি সেই তথ্যবহুল পোস্ট দিয়ে সেই জানার পরিধি বাড়িয়েছেন বলে ধন্যবাদ তবে বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার আন্দোলন নিয়ে গর্ব করা নিয়ে যে কটাক্ষ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার নিন্দা জানাই।
লেখক বলেছেন: ভাষা আন্দোলন নিয়ে কোনরূপ কটাক্ষ আমার পোষ্টে ছিলনা। তার পরেও ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমার অসাবধানতার জন্য আমি আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ঐ অংশটুকু প্রত্যাহার করছি। আশা করছি এরপর আর ভুল বুঝাবুঝির অবকাশ থাকবেনা।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি যা বলেছেন তা মাতৃভাষার প্রতি আপনার অগাধ ভালবাসার নিদর্শন।
মানবী বলেছেন:
আমার মন্তব্যে টাইপের ভুল গুলোর জন্য দুঃখিত।
মানবী বলেছেন:
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।মণিপুরী ভাষার প্রতি আপনার ভালোবাসার জন্য শ্রদ্ধা জানাই। ভালো থাকুন।
শাওন বলেছেন:
আবেগ প্রবণ বলেই হয়ত এই কথা গুলো মুখে চলে আসে লেখকদের তবে খেয়াল রাখতে হবে আবেগের বসে সত্য ঘটনার বাইরে চলে গেলে হবেনা । আমি চিন্তা করতেছি অন্য কথা । নরমালি এই কথা বললে রাজাকার ঘোষনা দেওয়া হয় । আপনি এখান থেকে বাচলেন কি করে ?
লেখক বলেছেন: মানবী আমারে বাচাইসে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। মানুষের ভাষার অধিকার ছিনিয়ে নিতে, পাকিস্তানের সাথে ভারতও একই পথে চলছে। দেশপ্রেম বজায় রেখে, মাতৃভাষার জন্যে লড়ে যান। সমর্থন রইল।
লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদী আপনাদের সমর্থন এবং সহমর্মিতা দেখে আমি অভিভূত।
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি পাবার পর আন্তর্জাতিকভাবে মনোযোগ তৈরি হয়েছিল সকল মাতৃভাষাকে স্বীকৃতি ও গুরুত্ব দেয়ার ব্যাপারে। কিন্তু বাংলাদেশে এ নিয়ে এখনও কোন কার্যকরী মনোযোগ তৈরী হয়নি। রাষ্ট্রের সংবিধানের একটি পাতায় শুধু একটি লাইন কি যোগ হবে যেখানে বলা হবে এই স্বাধীন দেশে বাঙালী ছাড়াও মণিপুরী, চাকমা, মান্দি, ককবরক ইত্যাদি অন্যান্য ভাষার মানুষও বাস করে ?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদী আপনাদের সমর্থন এবং সহমর্মিতা দেখে আমি অভিভূত।অভিভূত হবার তো কিছু নাই ভাই। ভাষার জন্যে যুদ্ধ করা জাতি আমরা, আমরা একই পথে চলা যাত্রিদেরতো আমরা সমর্থন করবই।
রাষ্ট্রের সংবিধানের একটি পাতায় শুধু একটি লাইন কি যোগ হবে যেখানে বলা হবে এই স্বাধীন দেশে বাঙালী ছাড়াও মণিপুরী, চাকমা, মান্দি, ককবরক ইত্যাদি অন্যান্য ভাষার মানুষও বাস করে ?
অবশ্যই থাকতে পারে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতি যাদের আনুগত্য আছে, তাদের স্ব স্ব ভাষার প্রতি রাষ্ট্রেরও কর্তব্য অবশ্যই রয়েছে।
লেখক বলেছেন: রাষ্ট্র তার কর্তব্য সম্বন্ধে সচেতন হবে সে প্রত্যাশাই করি।
পড়ে_পাওয়া বলেছেন:
মনিপুরীতে একটা শর্টকোর্স দেন তো।
মদনবাবু বলেছেন:
+ অত্যন্ত যৌক্তিক আপনাদের দাবী । অবশ্যই ভাষার পারস্পরিক সহাবস্থান থাকা উচিৎ । নয়তো একে অন্যকে কিভাবে বুঝবো আমরা ।
কুঙ্গ থাঙ কেমন আছেন ? অনেক কম লিখছেন আজকাল । একটু বাড়িয়ে দিন ।
কানা বাবা বলেছেন:
ভালো পোস্ট; আলোচনাও স্বাস্থ্যকর।
আমিও মদনবাবু'র মতো বলতে চাই "একটু বাড়িয়ে দিন", দাদা...
রাশেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ জানানোর জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কমেন্টের জন্য।
অনার্য তাপস বলেছেন:
অনেকদিন আগের পোস্ট!! প্রায় একবছর আগের।এই জন্যই সামহো.কে পছন্দ করি। কখন যে কোন তথ্য পাওয়া যায়।
ধন্যবাদ।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
কথা সত্য।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
মানুষ কত কিছু ভুলে যায়
রাসেল ( ........) বলেছেন:
মনিপুরীদের আন্দোলনকে খাটো করতে চাইছি না, তবে ভাষার দাবীতে আন্দোলন অনেক হয়েছে, সে তালিকায় নিহত মানুষের নাম আরও বাড়বে, এমন কি এটাও সত্য যে ১৯৫২র ২১শে ফেব্রুয়ারী পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার আগেই পৃথিবীতে ভাষার দাবিতে মানুষ প্রাণ দিয়েছে। তবে আমাদের আবেগী মিডিয়া আমাদের সেসব সত্য জানায় নি।তামিলনাড়ুতে যে মানুষটা অনশন করে মৃত্যু বরণ করলো রাষ্ট্র ভাষার দাবিতে তার নামও কেউ তালিকায় উঠায় নি।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা সত্য। শ্লোভাক আর চেকদের মধ্যে ভাষা নিয়ে অনেকবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে।
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
তথ্যগুলো জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
বুঝলাম । কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় সংখ্যাগরিষ্ঠ(মূল রাষ্ট্রীয় ভাষার অনুপাতে) না হলে সংখ্যালঘু ভাষীদের ভাষাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয় না । এটা পৃথিবীর সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য । আপনি যেভাবে বলছেন তাহলে ইটালিতে তো আরও আগে বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা করা উচিত ।
উদাহরণ দিলাম মাত্র ।
তবে আপনার পক্ষে আছি ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















