আমার প্রিয় পোস্ট
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মি: আকন্দ এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী জোশ (উৎসর্গ : কল্পণা চাকমা) - মেজভাবী
- তারকাঁটার ঐ পাশে আরশি নগর (উৎসর্গ কুঙ্গ থাঙ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারসহ সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন - জেনন
- রতন থিয়ামের কবিতা - হামোম প্রমোদ
- রাংলাই ম্রো-শেকলে বন্দী ক্ষুব্ধ পাহাড়। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ
০৯ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:১২
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি ছাড়াও অন্যান্য জাতিসত্তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল অনেকেই বিষয়টা প্রায় ভূলে থাকতে চান ৷ ফলে ইতিহাসের পাতা থেকে বাদ পড়ে যায় তারা৷ হিসাব-নিকাশ না করে কেবল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষ কীভাবে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ইতিহাসের পাতা থেকে বাদ পড়ে যায় সেই পরিচ্ছেদ৷
... এ রকমই এক শহীদের নাম গিরীন্দ্র সিংহ ৷ জাতিগত পরিচয়ে মণিপুরী −বিষ্ণুপ্রিয়া আদিবাসী সম্প্রদায়ভূক্ত। জন্ম তার ১৯৩০ সালে তৎকালীন মৌলবীবাজার মহকুমার কমলগন্জের মাধবপুরে আউলেকি গ্রামে।
... মনিপুরী গ্রামের পেছনে নদী সংলগ্ন শ্বশানঘাট থেকে পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের সাথে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল তার সংগঠন ও নেতৃত্তে ছিলেন গিরীন্দ্র। সাধারন অস্ত্র লাঠি, বর্শা এবং আরো নানান প্রাচীন অস্ত্রকে সম্বল করে পরিচালিত হয় এই লড়াই। রক্তে লাল হয় ধলাই নদীর পানি। ১৯৭১ সালের আগষ্টের ১২ তারিখে হানাদাররা মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া সমাজের পুরোহিত সার্বভৌম শর্মাকে গ্রেফতার করে নিয়ে গুলি করে মেরে ফেলে। এরপর ফুঁসে উঠে গিরীন্দ্রের নেতৃত্তে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সমাজের তরুন সম্প্রদায়। মুক্তিবাহিনীতে মণিপুরী যোদ্দ্ধাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বাবুসেণা সিংহ, থইবা সিংহ, নিমাই সিংহ, বাসন্তী সিংহ, বসন্তকুমার সিংহ, পদ্মাসেন সিংহ, রবীন্দ্র সিংহ, আনন্দ সিংহ, মন্ত্রী সিংহ, নীলমণি চ্যাটার্জ্জিসহ অসংখ্য বীর তরুন জীবন বাজি রেখে মাতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন। কেউ অস্ত্র হাতে,কেউ সংবাদবাহক হিসাবে, কেউ বা সংগঠকের ভূমিকায়, আর গিরীন্দ্র ছিলেন তাদের মধ্যমণি।
গিরীন্দ্র ছিলেন অসীম সাহসি ও অসাধারন দৈহিক ক্ষমতার অধিকারী। যুদ্ধের পাশাপাশি মাধবপুর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য খাবারদাবার সরবরাহের দ্বায়িত্ব ছিল তার উপর। মাঝেমধ্যে গোপনে এস ভীতসন্ত্রস্ত মণিপুরীদের অভয় দিয়ে আবার ফিরে যেতেন কর্তব্যস্থলে। মাগুরছড়ায় মাইন পাতার কাজ তাকে দেয়া হয়।
... আশ্বিন মাসে দুর্গাপুজার সময় (সেবছর অবশ্য শুধু ঘটপুজো হয়েছিল) মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অপারেশনের সময় শত্রুসৈন্যদের হাতে ধরা পড়েন । এরপর তাকে জীপে করে ধলাই ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সপ্তাহখানেক আটকে রেখে নৃশংসভাবে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েও তার কাজ থেকে কোন তথ্য বের করতে না পেরে তাকে হত্যা করে লাশ ধলাই নদীতে ভাসিয়ে দেয় পাকবাহিনী ও তার দোসররা। যে ধলাই নদীর তীর থেকে অকুতোভয় এই মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রামের ডাক দিয়ে মণিপুরী তরুনদের উজ্জিবীত করেছিলেন, সেই ধলাইয়ের পানিতেই তার সমাধি ঘটে।
... স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মযজ্ঞের অন্যতম এই কারিগরের পরিবার ও উত্তরসুরিরা কেউ আজ পর্যন্ত রাস্ট্রের কাছ থেকে কোন আনুকুল্য পায়নি, কারণ গিরীন্দ্রকে তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা সাটিফিকেট বা পদক দিয়ে জাতে তোলা হয়নি ।
... কয়েক বছর আগে স্থানীয় উদ্যোগে শিববাজারের মণিপুরী ললিতকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে শহীদ গিরীন্দ্র সিংহের একটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে। অভাবক্লিষ্ট গিরীন্দ্রের উত্তরসুরিরা সেই স্মৃতিস্তম্ভের দিকে তাকিয়ে পাওয়া ন্যুনতম সান্তনায় রাস্ট্রের উদাসীনতাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনা।
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সম্বন্ধে বিস্তারিত একটি নিবন্ধ আজকের প্রথম আলোতে (০৯ মার্চ , ২০০৮) ছাপা হয়েছে। আগ্রহী পাঠক প্রথম আলোর ১১ পৃষ্ঠায় লেখাটি পড়তে পারেন ।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: যেতালো ডাঙর সাউরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: গিরীন্দ্রসহ অপরাপর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের স্বীকৃতি চাই।
নেমেসিস বলেছেন:
দেশের জন্য প্রান দেয়া শহীদ গিরীন্দ্র সিংহকে অশেষ শ্রদ্ধা জানাই ।
আমরা সবাই গর্বীত আমাদের এই দেশের জন্য । লেখক কুঙ্গ থাঙ কেও ধন্যবাদ বিষয়টি সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নেমেসিস।
শুভ বলেছেন:
'অনেকেই বিষয়টা প্রায় ভূলে থাকতে চান ৷'নগ্ন সত্য...।
গিরীন্দ্র সিংহ নামের মানুষটার জন্য স্যালুট!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শুভ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ অসীম সাহসী এক যোদ্ধাকে তুলে ধরার জন্য। আপনাকে জন্মযুদ্ধ গ্রুপে যোগে দেওয়ার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। পোস্টটি সেখানে সংরক্ষণ করলে খুশী হবো
লেখক বলেছেন: আমন্ত্রনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। যুক্ত হলাম।
জানা বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধা গিরীন্দ্র সিংহর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। দেশের স্বাধীনতায় নিবেদিতপ্রাণ এই শহীদের প্রতি অবহেলার কথা জেনে কষ্ট হচ্ছে। এই হীনতা, এই লজ্জাতো আমাদেরই!লেখাটির জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ কুঙ্গ থাঙ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
. . . এখনো খুঁজি বলেছেন:
প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই তথ্যের জন্য।কিন্তু একটা কথা না বলে পারছিনা - আপনার লেখার মাঝে আক্রোশ উপস্থিত বরাবরের মতই ।
মনে নাও থাকতে পরে আপনার, ভাষা আন্দোলন নিয়ে আপনার একটা পোস্টে ও আমি একথা বলেছিলাম।
আজকের এই পোস্টটাও খুবই জরুরি। জানান, প্লিজ জানান। আর কিছু না করতে পারি, আন্তত বন্ধুদের সাথে গল্প করার সময় তো বলতে পারবো এসব ভুলে থাকা ইতিহাসের কথা ।
কিন্তু আপনার অসঙ্গত আক্রোশ আমি মেনে নিতে পারছিনা । আপনি লিখেছেন - " . . . তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা সাটিফিকেট বা পদক দিয়ে জাতে তোলা হয়নি ।"
কেন এভাবে লেখেন ? মুক্তিযোদ্ধারা জাত পাত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে রাষ্ট্রী উদাসীনতার শিকার। সেখানে আদিবাসীদের বঞ্চনার মাত্রা হয়তো বেশি। কিন্তু " তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা সাটিফিকেট" আর " পদক দিয়ে জাতে তোলা " টাইপের কথা মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আবেগকে-ই আঘাত করে , তা আপনার দাবীকে জোরালো করতে কোন ভূমিকা রাখেনা ।
আপনার এত শার্প লেখা এরকম অসঙ্গত আক্রোশ এর কারণে তার শক্তিশালী আবেদন হারাতে পারে।
লেখক বলেছেন: আপনি খুব গুরুত্তপুর্ণ কথা বলেছেন। আমাদের এখানে কিছু লোক যারা মুক্তিযুদ্ধ না করেও সার্টিফিকেট যোগার করে সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে এই দু:খ থেকে কথা লিখেছি।
সেলিম তাহের বলেছেন:
হৃদয়ে রক্তক্ষরণ টের পাই। সশ্রদ্ধচিত্তে সালাম জানাই এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। আর কৃতজ্ঞতা জানাই কুঙ্গ থাঙ আপনাকে এই পোস্টটির জন্য।
লেখক বলেছেন: গিরীন্দ্রসহ অপরাপর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের স্বীকৃতি চাই।
ইথাক বলেছেন:
গিরকরে সেচারাং হমা। রনজিৎ সিংহের "মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মণিপুরী সম্প্রদায়" বইতে গিরীন্দ্র সিংহের একটি ফটোগ্রাফ রয়েছে, সেটা এখানে আপলোড করতে পারেন।
লেখক বলেছেন: আমার কাছে বইটি নেই। আপনার কাছে থাকলে আগের ই-মেইলে পাঠিয়ে দিন।
এস্কিমো বলেছেন:
আমার কমেন্ট মুছলেন কেন?
লেখক বলেছেন: জানিনাতো ভাই, এমনিতেই মুছে গেছে। দয়া করে কি লিখেছিলেন আবার লিখুন। আমি কখনো কারো পোষ্ট মুছিনা।
এই ব্লগে কি টেকনিক্যাল কোন সমস্যা বা বাগ আছে?
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন!
রাশেদ বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ প্রতি শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: আমার পোস্টগুলো পড়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
এস্কিমো বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ প্রতি শ্রদ্ধা। - আপনার পোস্টের সাথে একমত হয়েও কিছু কথা বলা দরকার মনে করছি। আমাদের দৃর্ভাগ্য যে ১৯৭৫ সালের থেকে দেশে পরাজিত শক্তি প্রতিবিপ্লবীদের হাত ধরে ক্ষমতার কাছাকাছি এসেছে। এরা চেষ্টা করেছে আমার ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে। তারামন বিবিকে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে উনার প্রাপ্র্য সন্মান পেতে। এরা মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ককে খল নায়ক বানানোর চেষ্টা করেছে - এনেছে নকল নায়ক।
দীর্ঘদিন ইতিহাসের স্বাভাবিক চর্চা বন্ধ ছিল - কিন্তু পরাজিতরা সফল হয়নি। যার ফলে আজ আমরা জানছি - মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহের কথা।
এখনও পরাজিতরা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এদের হাত থেক েমুক্তির একমাত্র পথ যুদ্ধাপরাধীর বিচার।
আসুন সবাই মিলে যুদ্ধাপরাধীর বিচারকে ত্বরান্বিত করে সকল মুক্তিযোদ্ধার বিদেহী আত্নার প্রতি যথাযথ সন্মান জানাই।
লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে সহমত পোষন করছি।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, বিষাক্ত মানুষ ।
রুদ্র আনোয়ার বলেছেন:
অশেষ শ্রদ্ধা জানাই মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ কে । দেশের মহান মুক্তিযাদ্ধে অংশগ্রহন এবং আত্মত্যাগের মাধ্যমে উনি প্রমান করেছেন আমরা সবাই এক । আমাদের মাঝে নেই ভেদাভেদ । দেশের তরে আমরা সবাই সমান । আমাদের এই দেশ এই মাটিকে আমরা সব্বাই অনেক ভালবাসী । কিছুর আকর্ষনে নয় আমরা নিজেদের আত্মতুস্টির তাগিদেই আমাদের এই দেশমাতৃকাকে অমন করে ভালোবাসী ।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো সবাই নিশ্বাসে ও বিশ্বাসে ধারন করুক।
মানবী বলেছেন:
শ্রদ্ধা জানাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ সহ মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া সমাজের সকল মুক্তিযোদ্ধাদের।"বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি ছাড়াও অন্যান্য জাতিসত্তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল অনেকেই বিষয়টা প্রায় ভূলে থাকতে চান "
- আমার মনে হয়না অস্বীকার করার উদ্দেশে কেউ ভুলে থাকতে চান, আর যাঁদের কথা বলেছেন তাঁরা বাঙালী না হলেও সকলেই বাংলাদেশী। আলাদা ভাবে তাঁদের ইতিহাস লেখা নেই সত্য তবে "মুক্তিযোদ্ধা"দের স্মরণ করা হলে অবশ্যই মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া মুক্তিযোদ্ধা, বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা সকলেই তাঁদের মাঝে পড়েন।
"স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মযজ্ঞের অন্যতম এই কারিগরের পরিবার ও উত্তরসুরিরা কেউ আজ পর্যন্ত রাস্ট্রের কাছ থেকে কোন আনুকুল্য পায়নি, কারণ গিরীন্দ্রকে তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধা সাটিফিকেট বা পদক দিয়ে জাতে তোলা হয়নি ।"
- শুধু কি মণিপুরী যোদ্ধাদের পরিবার অবহেলিত? বাংলাদেশে অগুনিত মুক্তিযোদ্ধা আছেন, শহীদ পরিবার আছে- যাঁরা কোন স্বীকৃতি পাননি, অনেকে স্বীকৃতির(সার্টিফিকেটের) চেষ্টাও করেননি। অনেক মুক্তিযোদ্ধারা দারিদ্রের সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন।এক্ষেত্রে শুধু আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত, এমন ভাবনা সঠিক নয় মনে করি।
আপনি যেভাবে একদল বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা তুলে ধরেছেন, আপনাকে সাধুবাদ জানাই।তবে, একজন বাংলাদেশী হিসেবে তাঁদের আমি আদিবাসী মুক্তি যোদ্ধা বা "মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া মুক্তিযোদ্ধা" হিসেবে নয়, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবার হিসেবে দেখা শোভন মনে করি।
পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ কুঙ্গ থাঙ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অসাধারন কমেন্টের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ময়ুরবাহন বলেছেন:
বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংকে শ্রদ্ধা জানাই। মণিপুর নিয়ে জানতে আমি বিশেষ আগ্রহী। মণিপুরী নাচ নিয়ে আপনার লেখার অপেক্ষায় রইলাম। ওখানে বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতে ছাড়া কি অন্য কোনো জনগোষ্ঠী আছে? মণিপরী ভাষা কি এখনো বাংলা হরফে লেখা হয়? বাংলাদেশ থেকে কি মণিপুরীরা ইম্ফলের শ্রী আদি গোবিন্দজীর মন্দিরে যান?
লেখক বলেছেন: মণিপুরী নৃত্য নিয়ে পোস্ট দেবার ইচ্ছা আছে। ... বর্তমানে মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়া এবং মৈতৈ দুইটি ভাষাই ইস্টার্ন নাগরী লিপির বাংলা হরফ সামান্য মডিফিকেশানসহ লেখা হচ্ছে ... প্রায় ত্রিশটি ভিন্ন জাতিসত্তার লোক মণিপুরে বাস করে। পলিটিক্যাল কারণে ওখানকার মণিপুরীদের সাথে যোগাযোগ প্রায় নেই বললেই চলে।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
শ্রদ্ধা জানাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ সহ আদিবাসী সকল মুক্তিযোদ্ধাদের।
চিপা রংবাজ বলেছেন:
অজানা তথ্য জানানোর জন্য +
উনার কি ফটু আছে কারো সংগ্রহে ? দেখতে খুউব ইচ্ছা করতাছে উনারে
মোঃ খায়ের উল আহসান টিপু বলেছেন:
মনিপুরীদের সংস্কৃতি খুবই সমৃদ্ধ। আমি সরাসরি এদের খুব কাছে থেকে দেখেছি হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটের মনিপুরী গ্রামগুলোতে।শ্রদ্ধা জানাই বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ সহ আদিবাসী সকল মনিপুরী মুক্তিযোদ্ধাদের।
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ সহ নাম না জানা শহীদ দের প্রতি শ্রদ্ধা।
হুমায়ূন সাধু বলেছেন:
লাল সালাম গিরীন্দ্র সিংহ। আমরাও তমার মত পারতে চাই, করতে চাই।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
শহীদ গিরীন্দ্র সিংহকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। ---
এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি গুরুচণ্ডালি ডটকম-এর টইপত্র 'মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসী' নামক সংকলনে যোগ করা হয়েছে।
চলুক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















*****