আমার প্রিয় পোস্ট
- মণিপুরি নাকি আঞ্চলিক ভাষা!!! - চীংখেই
- নামকাহন: সন্তানের নাম মণিপুরি ভাষায় রাখা না রাখা - চীংখেই
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- কেবলমাত্র মাতৃভাষার চর্চাই ভাষা বিলুপ্তি রোধ করতে পারে। - মুকুল
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

রেসিপি: জনপ্রিয় মণিপুরী ইরলপা
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
ব্লগে সবাই যে হারে রেসিপি দেওয়া শুরু করেছে তাতে আর নীরব থাকা গেলনা। এখানে জনপ্রিয় মণিপুরী খাবার "ইরল্ পা" বা "ইরম্বা"র একটি সহজতম রেসিপি দেয়া হলো। উপকরন সহজলভ্য এবং রেসিপি সহজ হওয়ায় এটি মণিপুরীদের সবচেয়ে পছন্দের খাবার । প্রতিদিন মণিপুরীদের মেনুতে কোন না কোন ধরনের ইরলপা থাকবেই।
উপকরন : ২টি আলু, ১০০ প্রাম বরবটি, ২টি টম্যাটো, ১টা বেগুন, ২টা চ্যাপা শুটকি, ১০টি কাঁচা মরিচ, য়েন্নাম (অবর্তমানে ধনেপাতা), লবণ।
পদ্ধতি : আলু, বরবটি, টম্যাটো, বেগুন এবং কাঁচা মরিচ ভালো করে ধোয়ে পরিমানমত পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে আলুর খোসা ছাড়িয়ে নিন। চ্যাপা শুটকি কাটাচামচে গেঁথে আগুনে ঝলসিয়ে নিন। এরপর লবণসহ সবগুলো উপকরন একসাথে চটকে নিন। চটকানোর কাজে গ্লাস বা বড় চামচ ব্যবহার করতে পারেন। সবশেষে য়েন্নাম অথবা ধনেপাতা মিহি করে কেটে ছড়িয়ে দিন। হয়ে গেল ইরলপা। মণিপুরীরা ভাতের সাথে ইরলপা 'পোড়া শুটকি মাছ' অথবা 'ভাজা মাছ' সহযোগে খেতে পছন্দ করে।
* য়েন্নাম - বহুল ব্যবহৃত মনিপুরী ইনগ্রান্ট।
** ঢেঁড়শ, বাঁধাকপি, সীম, কলার থোড় অথবা ধুণ্ধুল দিয়েও ইরলপা হয়।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মণিপুরী খাবার ;
মুকুল বলেছেন:
ইরলপা খাইতে মন চাইতেছে...
লেখক বলেছেন: হে হে , ঝালের চোটে কিন্তু বাপ ডাকতে হইব ... ![]()
রাতুল" বলেছেন:
চাপা আমি খেতএ পারি না, অন্য শুটকি দিয়ে হয় না ?
লেখক বলেছেন: শুটকি ছাড়াও খাওয়া যায়। অনেকে টাকি মাছের শুটকি পুড়ে গুড়ো করে ব্যবহার করেন।
রাতুল" বলেছেন:
প্রিয়তে.........
লেখক বলেছেন: আমিও ঝাল খাই প্রচুর, আমার ফেবারিট হলো বোম্বাই মরিচ! ![]()
নেমেসিস বলেছেন:
ভর্তার দাওয়াত দেন
লেখক বলেছেন: হেহ্ হেহ্ ... যথাসময়ে দেয়া হবে ...
সিলেট কি ঘুইরা আসছেন?
দূরন্ত বলেছেন:
অসাধারণ রেসিপি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। দেখেই ভাল লাগছে। খাওয়ার ইচ্ছা রইলো। (এটা সত্যিকার রেসিপিতো? ব্লগে আবার বিশ্বাস নাই
লেখক বলেছেন: চিন্তার কিছু নাই ১০০% অর্জিনাল জিনিষ।
লেখক বলেছেন: সরি, মেইল চেক করতেছি একখন।
রাতুল" বলেছেন:
আপনের নিজের তৈরি খআরাব খেতে খুব লোভ লাগছে। এইবার দেশে গিয়ে আমি আমার চাকমা বন্ধুর আমন্ত্রনে রাংগামাটি গিয়েছিলাম। তিনদিন ছিলাম। আমার বন্ধুর ননদের বিয়েতে এটেন্ডও করেছিলাম। আমার ঐ বন্ধুরা এত অতিথীপরায়ন যে আমি অবাক হয়ে ঘিয়েছিলাম। আমার বন্ধুর স্বামীও নামকারা একজন রাংগামাটির।ওর শ্বশুর শ্বশুরী খুবই যত্ন করেছে। আমার জীবনের সেরা তিনটি দিন ঐ রাংগামাটিতে আমার অবস্থান।ওদের কালচার খুবই উন্নত। ওদের ট্রেডিশনাল অনেক রান্নাই খেয়েছি আমি। বাসায় এসে আমি ও আমার ওয়াইফও চেস্টা করেছি।আপনে যদি অনুমতি দেন তাহলে এরপরের বার দেশে গেলে আপনার ঐখান থেকে ঘুরে আসার ইচ্ছা রাখি। ইরলপা খেয়ে আসা যাবে !
লেখক বলেছেন: মণিপুরীদের বাড়ী আসতে এবং খেতে অনুমতি বা নিমন্ত্রনের প্রয়োজন হয় না। আপনি যে কোন সময় স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: হা হা ... নাগা মরিচের ইরলপা খুবই মজা। নিজে রান্না করে খাই। মাসে ৩০ দিনের মধ্যে ১৫ দিনই আমার খানদানি মেনু হলো ইরলপা + ডিম মামলেট।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: হ ।
নেমেসিস বলেছেন:
আচ্ছা লেখক বলেন দেখি আদিবাসীদের মধ্যে কারা সবচেয়ে বেশী শুটকী প্রিয়??
লেখক বলেছেন: আমার জানা নাই। তবে ইহজনমে আমি আমার মায়ের মতো শুটকিপ্রিয় দেখি নাই। সে ইলিশ মাছের রান্নাতেও শুটাকি দেয়!!!
মানবী বলেছেন:
মণিপুরী ঐতিহ্যবাহী খাবারের রেসিপি শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ সম্ভব হলে ভবিষ্যতে বিভিন্ন পার্বন/ উৎসবের বর্ণনা ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের কথা লেখার অনুরোধ রইলো।
+
ভক্কডা বলেছেন:
ভালই অইল ইরলপা রেসিপি পাইয়া। ফিরিজের কোনায় চ্যাপা শুটকি শুকাইয়া আরো শুটকি অইয়া যাইতাচে। এই উইকেন্ডে টেরাই মারুম ইরলপা খাওনের।আইচ্চা, উপরে ডাইন কোনায় যে লেখা গুলান আছে, এই কথাগুলানের মাইনে কি? দয়া কইরা ইট্টু কইবেন?
রাশেদ বলেছেন:
++
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
@ ভক্কডা
শুটকি হালকা আগুনে ভালো করে পুড়িয়ে নেবেন যাতে ভেতরটা কাঁচা ভাবটা চলে যায় ...
ঐটা জাপানী কবি কানেকা মিৎসুহারুর কবিতার অংশ বিশেষ
অনুবাদটা এরকম হতে পারে-
"ছোটবেলায় আমি পড়ালেখার বিপক্ষে ছিলাম। এখন আমি কাজ করার বিপক্ষে। প্রকৃতপক্ষে বিপক্ষে থাকাটা হলো বেঁচে থাকা। বিপক্ষে থাকার মানেই হলো নিজেকে আমুল আঁকড়ে ধরে থাকা... "

















