আমার প্রিয় পোস্ট

প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

উতং চাক

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০২

শেয়ারঃ
0 9 0



পৌষ সংক্রান্তিতে মণিপুরী দের প্রধান খাবার আইটেম হলো উতং-চাক। পৌষ মাসের শেষে এবং মাঘ মাসের প্রথম দিকে বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈদের ঘরে ঘরে ঐতিহ্যবাহী উতং-চাক তৈরীর ধুম পড়ে। "উতং" হচ্ছে বাঁশের চোঙা আর "চাক" হলো ভাত। বাঁশের চোঙার ভেতর যে ভাত রান্না করা হয় তাই উতং-চাক। তবে উতং-চাকে সাধারনত সাধারন চালের পরিবর্তে বিরণ ধানের চাল ব্যবহার করা হয়। যে বাঁশের চোঙায় রান্নার কাজটি হয় সেটিও বিশেষ প্রজাতির বাঁশ। স্হানীয়ভাবে বেটু নামে পরিচিত এই বাঁশের চোঙাগুলো বেশ লম্বা ও পাতলা হয়ে থাকে। ভেতরে পরিমানমতো চাল ও পানি ঢুকিয়ে চোঙার মুখটি কলাপাতা বা খড় দিয়ে ভালোভাবে বন্ধ করা হয়। তারপর সেটা বিশেষ ব্যবস্থায় খরের বা কাঠের আগুনে পোড়ানো হয়। চাল ঠিকমতো সেদ্ধ হয়ে গেলে চোঙাটি বের করে ঠান্ডা করা হয়। তারপর বাঁশের পাতলা বাকলটি ছিলে উতং-চাক বের করা হয়।



উতং-চাক আখের রস, গুড়, মধু, দুধ ইত্যাদি দিয়ে খাওয়া যায়। উতং-এর ভেতর শাকশব্জিও রান্না করা যায়। মণিপুরীদের অন্যতম প্রিয় এই খাবারটি উৎসগতভাবে সহস্রাধিক বছর আগে থেকে মণিপুরের (বর্তমানে উত্তরপুর্ব ভারতের একটি রাজ্য) পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা তাংখুল আদিবাসীদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। পরে এর জনপ্রিয়তা মণিপুরের সমতল অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। উতং চাকের আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে এই খাবারটি সহজে নষ্ট হয় না, দীর্ঘদিন সংরক্ষন করে রাখা যায়।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মনিপুরী সংস্কৃতিমনিপুরী খাবারপৌষ সংক্রান্তি ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৮
হাসিব বলেছেন: এইভাবে তো পোস্ট দিলে হবেনারে ভাই । আগে রান্না করেন তারপর আমাগো দাওয়াত দেন । আমরা খায়া দায়া তারপর ভাবতে বসুম আপনেরে এই খাবার নিয়া পুস্টানোর অনুমতি দেয়া যায় কিনা ।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: হোকে, আগামী পৌষ মাসে অগ্রীম দাওয়াত রইল :)

২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: কনাকে মি লেইরিক তামকরানির বিপক্ষে আসিলু ।এবাকা বারো কাম করানির বিপক্ষৎ মি... বিপক্ষৎ থানা এহানেই জিঙতা অনিহান ।বিপক্ষৎ থানা এহানেই নিজরে চেৎকরে দরানিহান.

এটা মানে কি? /:)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: জাপানি কবি কানেকু মিৎসুহারুর একটি কবিতার লাইনের বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী অনুবাদ। বাংলায় করলে এরকম দাঁড়াবে - শৈশবে আমি লেখাপড়া করার বিপক্ষে ছিলাম, এখন আমি কাজ করার বিপক্ষে। বিপক্ষে থাকাটাই বেঁচে থাকা। বিপক্ষে থাকাটাই নিজেকে আমুল আকড়ে ধরে থাকা...

ধন্যবাদ ।

৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১১
আলিফ দেওয়ান বলেছেন: হে হে বাথিজা আমি যেই বিক্কেত অনছলের বাশিন্দা, আত্তিয়সঝনকে তুমার উথম ছাক কাইথে দিলে তাহারা বাশ দেউয়ার অপরাদে দরি ুন্দাই দিভেক।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: কাগুর অঞচল কুথায় জানতে মঞচায়... :)

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৫
সোনালীডানা বলেছেন: উতং চাক খাইতাম্চাই......:)+
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: ঠিকাসে, একদিন দাওয়াত দিয়া খাওয়ামুনে :)

৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯
মহাকালর্ষি বলেছেন: ভালো পোস্ট। প্রত্যাশা বাড়লো। ভালো থাকবেন, লিখে যাবেন।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৭. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৭
জুয়েল বিন জহির বলেছেন: দাদা আপনিতো লিখেছেন উতং-চাক সহজে নস্ট হয় না, মাঘ মাস থাকতে থাকতে খাওয়ার ব্যবস্থা হতে পারে না?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: ... সত্যি বলতে কি এই বছর আমি নিজেও খাইতে পারি নাই :( ... তাই পোস্ট দিয়া মনের কষ্ট কমাইলাম...

৮. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:১৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: দেখেই তো খেতে ইচ্ছা করছে।:(
৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: উতংচাক খাইতে মঞ্চায়.....

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দাবী করছি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ