আমার প্রিয় পোস্ট
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা বুদ্ধ আর শস্যপোড়া ছাই হতে উত্থিত হোক বিদ্রোহী মধুপূর্ণিমা। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- মীরাবাঈ: আরেক পাগলিনী রাই - ইমন জুবায়ের
- আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা: যাঁদের ত্যাগে এ দেশ স্বাধীন হল - অচেনা সৈকত
- মি: আকন্দ এবং সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী জোশ (উৎসর্গ : কল্পণা চাকমা) - মেজভাবী
- তারকাঁটার ঐ পাশে আরশি নগর (উৎসর্গ কুঙ্গ থাঙ) - অন্যমনস্ক শরৎ
- আদিবাসীদের মাতৃভাষাকে টিকিয়ে রাখতে সরকারসহ সকলের আন্তরিকতা প্রয়োজন - জেনন
- রতন থিয়ামের কবিতা - হামোম প্রমোদ
- রাংলাই ম্রো-শেকলে বন্দী ক্ষুব্ধ পাহাড়। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- আদিবাসীদের ভাষা কেও সমান মর্যাদা দেওয়া... - হমপগ্র
- আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে? - বিপ্লব রহমান
- পল্লবের পরীরা (শেষ) - বিপ্লব রহমান
- দায় এবং দায়িত্ববোধ... - মিট্ঠু
- আদিবাসী সম্পর্কে ভুলে ভরা বাংলাপিডিয়া (এক) - বিপ্লব রহমান
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি

সুহাসিনী দাস আর নেই
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
সুহাসিনী দাস কিছুক্ষন আগে সিলেটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। সুহাসিনী দাসের জন্ম ১৩২২ বাংলা সনে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর গ্রামে।
গত শতাব্দীর ত্রিশের মধ্যভাগ সিলেটের যে সাধারণ গৃহবধূটি পারিবারিক গন্ডি অতিক্রম করে যুক্ত হন অহিংস গান্ধীবাদী ধারার সাথে, সেই সাধারণ বধূটিই পরবর্তীকালে বিপ্লবী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাস। ১৯৪২ সালে কংগ্রেসের নেতৃত্বে 'ভারত ছাড়' আন্দোলনে কারাবরণ করেছেন এই মহিয়সী নারী। ১৯৪৬ সালে সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করলেন। নোয়াখালীর দাঙ্গা উপদ্রুত এলাকায় মহাত্মা গান্ধীর সাহচর্য লাভ করার সুযোগও হয়েছে তাঁর। ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পর তাঁর সুযোগ ছিল ভারতের নাগরিকত্ব নিয়ে সেখানে স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে নানা সুবিধা লাভের। কিন্তু তা না করে দেশের টানে রয়ে গেলেন সে সময়ের দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র পাকিস্তানে।
১৯৪৭ উত্তর পাকিস্তানে কংগ্রেস রাজনীতির ক্ষীণধারাকে বেগবান রাখার ক্ষেত্রে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করলেন। উল্লেখ্য ভাষা আন্দোলনে রাজনৈতিকভাব কংগ্রেস ধারার অবদান আছে। পার্লামেন্টে বাংলা ভাষার পক্ষে প্রথম যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য রাখেন কংগ্রেস নেতা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। আপন প্রতিভায় সুহাসিনী সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে সক্রিয় কংগ্রেস কর্মী এবং পরবর্তীকালে নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। কুলাউড়ার রঙ্গিরকুল পাহাড়ে ইংরেজ আমলে কংগ্রেস কর্মীরা এক আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই আশ্রমের সাথে যুক্ত ছিলেন পূর্নেন্দু কিশোর সেনগুপ্ত, নিকুঞ্জ বিহারী গোস্বামী, দুর্গেশদেব প্রমূখ। এরা সবাই এক কালের প্রথিতযশা কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ। কালক্রমে সুহাসিনী দাস সেই আশ্রমেরই অধ্যক্ষার দায়িত্ব নেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সাল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দুর্যোগময় দিনগুলোতে তিনি তাঁর প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে আশ্রমটিকে রক্ষা করেছিলেন। স্বাধীনতার পর সক্রিয় রাজনীতি ছেড়ে যুক্ত হন সমাজ সেবায়। বিশেষ করে নারীদের স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে পালন করেন বিশেষ ভূমিকা। ১৯৭৩ সালে তিনি ভারতের রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে সংবর্ধিত হন। তখনো তাঁর সুযোগ ছিল সসম্মানে সেখানে থেকে যাওয়ার। কিন্তু তা-না করে তিনি ছুটে এসেছেন দেশের দু:খী অসহায় মানুষদের পাশে। বঞ্চিত নিপীড়িত মানুষকে শুনিয়েছেন অভয়বাণী। বিশাল বিষয় সম্পত্তির অধিকাংশই বিলিয়ে দিয়েছেন মানুষের কল্যাণে। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য উত্সর্গ করেছেন তাঁর সারাজীবন।
স্যালুট অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাসকে।
সহায়ক লিংক:
অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাসের সংক্ষিপ্ত জীবনী
ভানুবিল কৃষক প্রজা বিদ্রোহ - অগোচরে থেকে যাওয়া প্রান্তিক লড়াই এর ইতিহাস
ছবির জন্য কৃতজ্ঞতাঃ দীন মোহাম্মদ শিবলী
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বৃটিশবিরোধী আন্দোলন, সুহাসিনী দাস ;
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
খুব ভালো করেছেন সামুতে শেয়ার করে। খবরটা জানতাম না। স্যালুট অগ্নিকন্যাকে।
নকীবুল বারী বলেছেন:
অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাস সম্পর্কেই আসলে আমি কিছু জানি না। অনেক অনেক ধন্যবাদ এ পোষ্টের জন্যউনার আত্মা শান্তি পাক।
কেল্টূ দা বলেছেন:
নতজানু শ্রদ্ধা অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাস প্রয়াণে
স্যালুট আমাদের মাথা উচু করে বাঁচতে শেখানোর জন্য
জেনন বলেছেন:
স্যালুট অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাসকে।
মিছে মন্ডল বলেছেন:
নতজানু শ্রদ্ধা অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাস প্রয়াণেস্যালুট আমাদের মাথা উচু করে বাঁচতে শেখানোর জন্য
শয়তান হন্তারক বলেছেন:
আসলে এই দেসে বৃটিস বিরোধি আন্দোলন বলতে তেমন কিছু একটা হয় নি। হয়ে থাকলেও , বৃটিসরা কোন আন্দোলনের তোপে পরে এদেস ছেড়ে পালায়নি। যা হয়েছিল তা হল , দ্বিতিয় বিস্বযুদ্ধে সক্রিয় অঙসগ্রহনের কারনে , তারা সামরিক ও আর্থিকভাবে যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়ে , তাই এই উপমহাদেশে তার সামরিক সক্তিকে টিকিয়ে রাখার সামর্থ তার আর ছিল না। তাই তারা ইন্ডিয়া ছেড়ে পালান। কিন্তু কিছু সুবিধাবাধি রাজনিতিবিদ নিজেদের নাম তুলার জন্য এই কৃতিত্বটা তাদের ঘাড়ে তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন ও কিছুটা সফলও হোন।যেমন: আমাদের দেসের ব্যর্থ রাজনিতিবিদরা কোন সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বলেন " আমরা সরকারকে আন্দোলন করে ক্ষমতা থেকে সরে দাড়াতে বাধ্য করলাম!" ( আমি বাঙলা বানানের নতুন নিয়ম অনুযায়ি ঈ,ঊ,ণ,ং আর শ ব্যবহার করি নি Click This Link)
লেখক বলেছেন: কেউ দাবী করেনি যে আন্দোলনের তোপে বৃটিশরা পালিয়েছে। বৃটিশদের তাড়ানোর জন্য আন্দোলন হয়েছে এই ইতিহাস কি স্বীকার করছেন না? তেভাগা আন্দোলন, নানকার বিদ্রোহ, কৃষকপ্রজাবিদ্রোহ এগুলো কি?
আর "সুবিধাবাধি রাজনিতিবিদ" বলতে কি বুঝালেন? সুহাসিনী দাস কোনপ্রকার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন না।
বিধান রিবেরু* বলেছেন:
বিদায়ী লাল সালাম!ভাই যদি দয়া করে ওপরের ছবিটির আলোকচীত্রী ও আপনার নামটা জানাতেন---- তাহলে আমাদের একটি পত্রিকা আছে---কিশোরদের জন্য---"কিশোরবেলা"---সেখানে কার্টেসিসহ খবরটি ছাপাতাম।
আমাদের ই-মেইল:
লেখক বলেছেন: gunijan.org এই সাইটে ছবি পাবেন। ছবিগুলো তুলেছেন দীন মোহাম্মদ শিবলী।
শয়তান বলেছেন:
স্যালুট অগ্নিকন্যাকে।
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
স্যালুট অগ্নিকন্যা সুহাসিনী দাসকে।
মনজুরুল হক বলেছেন:
একে একে নিভিছে দেউটি
সদর দরজা তবু হাট করে খোলা
যাদের কথা ছিল আসবার
কথা ছিল আলো জ্বালবার
তারা কেউ আসেনি এখনো
তাই সদর দরজা হাট কলে খোলা....
বিপ্লবী স্যালুট।
কুেহেনদা বলেছেন:
অসংখ্য শ্রদ্ধাঞ্জলি মহিয়সী বীর মহিলাকে।
শ্রদ্ধা রইল।
আমরা জীবন্ত কিংবদন্তীদের তুলে আনতে পারি না কেন এইভাবে, কেন চলে যাবার পর জানতে হয় অজানা তথ্যগুলি।
ধন্যবাদ।
জ্যাবারঅয়াক বলেছেন:
অনেক অনেক শ্রদ্ধা তাঁর তরে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















