মুসলিম পার্সোনাল ল(মুসলিম পারিবারিক আইন) তে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে ভারতের মুসলিম পণ্ডিত ব্যক্তিরা। পরিবর্তনের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তিন তালাক প্রথা উঠিয়ে দেয়া। বহুগামিতা রোধে এটি চিরতরে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে মুসলিম পণ্ডিতরা।
৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার দিল্লিতে ভারতীয় মুসলিম মহিলা আন্দোলন ও ইনিস্টিটিউটের অব ইসলামিক স্টাডিজের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলা হয়।
সভায় বলা হয়, মুসলিম পার্সোনাল ল তে পরিবর্তন আনতে হবে। পরিবর্তনের একটি খসড়া ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। আইনের এসব সংশোধনী সংসদে বিল(প্রস্তাব) আকারে পাঠানো হবে। বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইন বাধ্যতা মূলক করা, বর ও কনের বয়স সুনির্দিষ্ট করা। বিবাহের ক্ষেত্রে ছেলের বয়স ২১ ও মেয়ের বয়স ১৮ ধরা হয়েছে। এক স্ত্রী বর্তমান থাকতে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করা নয়।
তালাক উঠিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে এটি মুসলমানদের মধ্যে বহুগামিতার চর্চা বাড়ায়। একাধিক স্ত্রী গ্রহণে উৎসাহিত করে। পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট পণ্ডিত ব্যক্তি কুতুব জাহান কিদওয়াই বলেন, এক স্ত্রী বর্তমান থাকতে তিন তালাক দেওয়ার প্রশ্নই উঠে না। এটি নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, ইসলামের আদর্শই হচ্ছে এক স্ত্রীর সাথে জীবনযাপন করা।
তিনি আরো বলেন, অহুদের যুদ্ধে বহু মুসলমান মারা গেছিলো। এতে বহু বিধবা মহিলার দায়িত্ব কে নেবে? এ সমস্যা সমাধানে কোরানে এক সংঙ্গে চার বউ রাখার বিধান(আয়াত) নাজিল হয়।
কেরলা হাইকোর্টের বিচারপতি শামসুদ্দিন বলেন, চার বউ রাখার অন্যতম শর্ত হচ্ছে সবার সাথে সমান আচারন ও ন্যায় করা। সেটি একজন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয় । সে কারণে একজন ব্যক্তিকে একটি বিয়ের মধ্যে আবদ্ধ থাকতে বলা হয়েছে। সূত্র ইন্টারনেট। খবরের সূত্র এই লিংকে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



