ভীষণ রকম ছেলেমানুষ হয়ে
তোমার হাত ধরে বলতে পারি
"কাল তোমাকে মনে করেছি খুউব" ;
জানি, তুমি সহসাই রাশভারী হবে,
তাতে দৃকপাত করবনা মোটে,
আমি দ্বিগুন আহ্লাদে,
তোমার চুলে কাটব বিলি,
তখন তোমার ভ্রু কুঞ্চিত
কিনতু আমি থোড়াই কেয়ার করি !
পর্বতের চুড়ায় তোমার নাম ধরে
চিতকার করতে পারি,
ধ্বনিত হবে তোমার নাম,
আর অপ্রস্তুত তুমি ;
দুম করে বলে বসব-
"আজ সূর্যাস্ত দেখব,
এলোমেলো হাঁটব" ;
ণ-ত্ব বিধান থেকে 'না'
খুঁজে পাওয়ার আগেই
সূর্যের মুখোমুখি পাবে তোমাকেই।
গোধূলি আলোয় ঢেউয়ের সাথে জলকেলি
তুমি শাসন করো পইপই -
"সাঁতার জানো না, করছো কি?"
ওটুকুই আমার কাছে অমৃত বাণী,
জল-কন্যা আমি, উঠে এসে ছুঁই
তোমার ললাট, চিবুক
আজ যে যাই ভাবুক,
সুরের ছন্দে ঘিরে ফেলি,
"কে তুমি আমার, কে তুমি বল ... ?
কে আমি তোমার, কে আমি বল ... ?"
"মানে কি এসবের ?"- তুমি উঠ তেতে,
তোমাকে পুরোদস্তর ভ্যাবাচেকা করে
নুয়ে পরি হাসতে হাসতে,
(ঋজু দেহে আলগোছে অশ্রু যায় মুছে)
"সময় যাচ্ছিলনা কিছুতে,
ভালবাসা কেমন তা খেলে নিলুম
মওকা বুঝে,
হাতের কাছেই ছিলে
চেনা-জানা একজনই,
তাই ভরকে দিলাম,
পরখে নিলাম তোমায় দিয়েই" ।
"পাগলী একটা"
কণ্ঠে তোমার অবজ্ঞা,
(স্মিত হাসি আমি)
"এতটাও নই,
বসবাস সীমাতেই;
এ গল্প, সূর্য্য আর সমুদ্রেরই,
উদয়নে চিরে ফেলে সাগর বুক
অস্তাচলে খোঁজে শীতল সুখ,
রাশি রাশি জল, সূর্যের আয়না
দেখা-দেখি হয়,
ছোঁয়া-ছুঁয়ি হয়,
শুধু কেউ কাউকে পায়না" ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



