আমার প্রিয় পোস্ট
- অসুখ নয়, ঘাড়ে আঘাত পেয়ে নজরুল বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। (কপি+পেস্ট)। - অ্যামাটার
- :::: বনের নাম রাজকান্দি :::: - সৌম্য
- দেশের সবচেয়ে বড় আম গাছ ( ছবিব্লগ ) - অবিশ্বাসী
- ৪০০ না ঢাকার বয়স ৮০০ বছর!!! - নুরুজ্জামান লাবু
- রাজা আরবাজ খান ও শিল্পী ইভা রহমান - কাক নং ৭৯৯
- আর আমি শালা শুওরের বাচ্চা কগজে কলমে মানবতা আঁকছি। - মিছিল
- [ফিরে দেখা] শহীদ বুদ্ধিজীবী কন্যা রীমা হত্যা মামলা (১৯৮৯-১৯৯৩) - রাইসুল জুহালা
- আল জাজিরার রিপোর্ট - ইন্টারনেটের মাধ্যমে আদিবাসীরা প্রকাশ করল সত্য - সুদিনের বার্তা
- যদি খুন করতে হয় - কৌশিক
- ক্ষমা কর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল!! সীমাহীন জাতীয় অধঃপতনের অনন্য উদাহরণ হয়ে গেলে তুমি!! - বেঙ্গল মাসুদ
- বেগম খালেদা জিয়া: সাধারণ থেকে অসামান্য একজন হয়ে উঠা- (ফটোব্লগ-১) - রায়হান রাহী
- হিলসাইড রির্সোট-বান্দরবন, পাহাড়ের কোলে ঘুমালাম দু'রাত (ছবি ব্লগ) - মোঃ আমিন
- আমরা আবার প্রমাণ করলাম আমরা আসলেই পারি - আসিফ আহমেদ মামুন
- ক্রিকেট স্লেজিং! মজার মজার সেইসব বিখ্যাত উক্তি - নিস্প্রান আমি
- 'মেহেরজান' : ভুল পরিপ্রেক্ষিত ও ভুল ভালোবাসার গল্প - একরামুল হক শামীম
- সোমালিয়ান জলদস্যুর গল্প এবং ২৬ টি নাবিক পরিবারের পক্ষ হতে প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি খোলা চিঠি - জাহাজী পোলা
- ফটোগ্রাফিতে মুক্তিযুদ্ধ এবং একজন কিশোর পারেখ - কাঊসার রুশো
- শত দুঃসংবাদের ভীড়ে একটি মন ভাল করা খবর: বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী - shapnobilash_cu
- ভারতীয় জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- বড় কোন পরিবর্তনই আপনাকে ভালো কিছু এনে দিতে পারে - অং সান সু চি - শেরিফ আল সায়ার
- নভেম্বর ৩ , ১৯৭৫ - নুরুজ্জামান মানিক
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- নৈতিকতার ভিত্তি এবং উৎস - পারভেজ আলম
- এই রমজানে ঢাকায় তৈরি হয়ে যাক আরো কিছু মন্দির - ফরিদ
- এবার থেকে বাংলায় লিখতে আর সমস্যা হবে না। এসে গেল শাব্দিক... - অমিত কুমার সরকার
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- গুলশান-বনানী, ফ্যাশন-মডেলিং কিংবা একজন কাঁচা কিশোরীকে ঘষে-মেজে 'পণ্য' বানানো - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- আলব্দি গণহত্যার দুই প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ - ক্যামেরাম্যান
- যারা উবুন্টু-লিনাক্সে মবিডাটা মডেম ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য। - আজম মাহমুদ
- চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ তিন পলাতক যুদ্ধাপরাধী নিয়ে চ্যানেল ফোরের সেই বিখ্যাত ডকুমেন্টারিটি! - জিন্দা লাশ
- ৩৩টি বাংলা ফন্ট একসাথে ডাউনলোড করুন!!! - মুকুট
- পোড়া গলিতে, পোড়া চোখে, পোড়ো মনে - অন্যমনস্ক শরৎ
- ওরে পতাকা, নারে পতাকা, কিরে পতাকা, ক্যান?? - অন্যমনস্ক শরৎ
- কাজী নজরুল ইসলাম - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রসঙ্গ বিজয় বনাম অভ্র :ডা. আব্দুন নূর তুষারের প্রতিক্রিয়া এবং প্রতু্যত্তর - 'লেনিন'
- অভ্রের বিরুদ্ধে শাব্দিক টিমের অভিযোগ এবং জব্বার কাগুর ইউনিবিজয়ের মিল প্রসঙ্গে - 'লেনিন'
- বাংলা কম্পিউটিং এর পুনর্জন্ম এবং এর খল নায়কেরা। কিছু বিষয়ে জবাব সংযুক্ত। - মু আ হাকিম নিউটন
- "রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট": আমার তৈরী করা বাংলা কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম
......সবার কাছে রিভিউয়ের অনুরোধ - সিউল রায়হান
- কেসলারের ল'অব কোয়েন্সিডেন্ট: বাংলাদেশের বর্তমান নারী এবং সামাজিক অবক্ষয়! - শেরিফ আল সায়ার
- বৈশ্বিক উষ্ণতার অবদান-মুছে গেছে দক্ষিণ তালপট্রি দ্বীপ (নিউমুর আইল্যান্ডস) - সুমিন শাওন
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- আমেরিকান আদিবাসী নেতা 'চিফ সিয়াটল' এর একটা চিঠি - জাতিষ্মর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- সাকরাইন!সাকরাইন!! ঐ ঘুড্ডি বাকাট্টা : এ ফটো স্টোরী - অন্যমনস্ক শরৎ
- নববর্ষের সম্ভাব্য উপাধি
- ক্যামেরাম্যান
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- সামহোয়ারইনব্লগের জন্মদিনে কিছু বর্ণিল মুহূর্তাচারণ - কৌশিক
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দালাল শিক্ষক - ক্যামেরাম্যান
- বুদ্ধিজীবীদের নিধন এবং বিচার প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- সামহয়ারের যে লেখাগুলো ড্রাফট্ থেকে এখনও পোষ্ট করা হয়নি। - অ্যামাটার
- আমার ভাইয়ের মৃত্যূ ও সৌদিদের ক্ষমার অযোগ্য বর্বর আইন ও হাহাকার - পারভেজ রবিন
- বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ কি ইসলাম বিরোধী চেতনা? - তাজা কলম
- গ্ল্যাডিয়েটর - মাহবুব লীলেন
- একান্ত ব্যক্তিগত শোকনামা "পিতা" তোমার জন্যে - কারো অতিপ্রচার বা অপপ্রচারের ধার না ধেরে - মেঘ
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আর্কাইভ : আমার কিছু খুচরো লেখালেখি - আইরিন সুলতানা
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মুক্তি পেয়েও আরিফের ফেরারী যাপন - অমি রহমান পিয়াল
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- ওরা সবাই বাই সাইকেল বালিকা......./ ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- ব্লগারদের সঙ্গে আমার স্মৃতি এবং আমার কথোপকথন - একরামুল হক শামীম
- চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়.... - আব্দুন নূর তুষার
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- চলুন,প্রাপ্তিকে আবারো ভালবাসা দিয়ে প্রমাণ করি মানবতা শেষ হয়ে যায়নি - মোসতফা মনির সৌরভ
- জীবনটাকে উপভোগ করে চলে গেল বন্ধু সঞ্জীব চৌধুরী - নিজেরআয়না
- রম্য ছড়াঃ নারী নিকের ব্লগার যারা - কালপুরুষ
- কেন যাব - কালপুরুষ
- disgusting attack on blog moderator - আরিল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধাপরাধী : জেনে নিন, চিনে নিন
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
যুদ্ধাপরাধ কি ?
চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনের ১৪৭ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যে, ”ইচ্ছাকৃত হত্যা, অত্যাচার অথবা অমানবিক আচরণ যেমন ইচ্ছাকৃত ভাবে শারীরিক আঘাত, আইনবিরোধী ভাবে কাউকে বন্দী করা অথবা জোরপূর্বক কোন ব্যক্তিকে নিষ্ঠুর কাজে নিয়োজিত করা অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে মানবাধিকার লংঘন করা, ... কোন রকম কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং অবৈধভাবে কারো সম্পদের বৃহৎ ক্ষতি সাধন অথবা অপব্যবহার করা ”
যুদ্ধাপরাধের মূল ধারণা এই যে, কাউকে দায়ী করা যাবে পুরো দেশে অথবা দেশের সৈন্যদের সাথে সংগঠিত কার্যকলাপের জন্য। গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সাধারণ মানুষ বা যোদ্ধাদের সাথে অমানবিক আচরণ - এসবই যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে। তন্মধ্যে গণহত্যা সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম অপরাধ ।
১৯৭১ -এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, পাকিস্থানি সৈন্য বাহিনী জেনারেল ইয়াহিয়া খানের ও সহকর্মীদের নেতৃত্বে এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ বিরোধী চক্রের (জামাত, মুসলিম লীগ এবং অন্যান্য কিছু ধর্মীয় রাজনৈতিক দল) সহায়তায় প্রায় ৩ মিলিয়ন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করা হয়, নির্যাতন এবং ধর্ষণ করা হয় প্রায় ৪,৫০,০০০ বাঙালি মহিলাদের এবং বাঙালির বিজয়ের প্রাক্কালে শত শত বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয় এই জাতিকে মেধাগত ভাবে পঙ্গু করে দেয়ার জন্য । এই অনাচার সীমা ছাড়িয়ে যায় হিটলার, মিলোসেভিক (Slobodan Milosevic ), নাজিস এবং ফ্যাসিস্টদের (the nazis and the fascists) অত্যাচারকেও ।
যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার
রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ যার অর্থ স্বেচ্ছাসেবক ।(উইকিপিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে দেখা যায়, রাজাকার একটি পারসিয়ান অর্থ্যাৎ ফার্সী শব্দ ) ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে রাজাকার হলো সেইসব স্বেচ্ছাসেবক যারা ইসলামিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজাকার অর্থ দেশদ্রোহী বা পাক-বাহিনীর সহযোগী (Collaborators) যারা ১৯৭১ -এ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক-বাহিনীকে সহায়তা করেছিল লাখ লাখ বাঙালিকে চিহ্নিতকরণ এবং হত্যাযজ্ঞে । রাজাকারেরা মূলত মুসলিম লীগ, জামাত-ই-ইসলামি এবং ধর্ম ভিত্তিক অন্যান্য কিছু দলের সদস্যবৃন্দরাই ছিল ।
”রাজাকারেরা...মূলত সাহায্য করবে গ্রামাঞ্চলে, যারা চিহ্নিত করতে পারবে মুক্তিযোদ্ধাদের”, একজন পাকিস্তানি আর্মি অফিসারের ভাষ্য; সরকার ইতিমধ্যে পরিকল্পনামাফিক ৩৫,০০০ এর মধ্যে ২২,০০০ রাজাকার নিয়োজিত করেছে । [নিউ ইয়র্ক টাইমস, জুলাই ৩০, ১৯৭১]
এক নজরে :৭১ –এ স্বাধীনতা বিরোধী চক্র
সাধারণ আর্মি - ৮০,০০০
র্যাঞ্জার এবং মিলিশিয়া - ২৪,০০০
সিভিলিয়ান ফোর্স - ২৪,০০০
রাজাকার, আল-বদর এবং আল-শামস – ৫০,০০০ (প্রায়)
স্থানীয় সহযোগী
শান্তি কমিটি
স্থাপিত : এপ্রিল ১৯৭১
আহ্বায়ক – খাজা খায়রুদ্দিন
ব্যবস্থাপক – প্রফেসর গোলাম আযম, এ.কিউ.এম. শফিকুল ইসলাম, মওলানা সৈয়দ মাসুম
রাজাকার
স্থাপিত : মে ১৯৭১ (খুলনা)
ঘোষিত : জুন ১৯৭১
আহ্বায়ক : মওলানা এ.কে.এম. ইউসূফ
পরিচালক : এ.এস.এম জহিরুল হক
আল-বদর, আল-শামস
ইসলামিক ছাত্র সংঘের সদস্যবৃন্দদের সমন্বয়ে, পাক বাহিনী সাথে জড়িত জামাত-ই-ইসলামী ছাত্র গোষ্ঠিদের খুনী দল- হিটলারের এস.এস. (SS of Hitler ) অনুরূপ ।
মিলিটারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তথ্যানুসারে, সেসময় ৫০০০ রাজাকার ছিল পূর্ব পাকিস্তানে, তার মধ্যে ৩০০ ছিল খুলনা জেলায়। তাদেরকে দিনে তিন টাকা করে দেয়া হতো (২৫ পয়সা করে অফিসিয়ালি ধার্য ছিল) এবং সাত দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো যা মূলত ছিল কিভাবে Lee-Enfield রাইফেল চালনা করতে হয় । তাদের কাজ ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করা- পশ্চিম পাক বাহিনী দলকে বিশেষত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ঘর-বাড়ি চিনিয়ে দেয়া । এই সব রাজাকারেরা মূলত স্থানীয় শান্তি কমিটির আজ্ঞাবাহী ছিল, যা অবশ্যই নির্ধারিত হতো পাকিস্থানের প্রতি বিশ্বস্ততার নিরিখে।
যুদ্ধচলাকালীন সময়ে রাজাকারেরা -
১. মুক্তিবাহিনী, তাদের সমর্থক এবং সহানূভূতিজ্ঞাপন কারিদের বিরুমেন্ত্রন্ত্রণা দিত
২. অপহরণ, বন্দী এবং পরিশেষে হত্যা করত পাকবাহিনী কিনবা দলীয় কর্মীদের সহায়তায় তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে বা হত্যা কেন্দ্রে ।
৩. ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দিত এবং অবাধ লুটতরাজ করত
৪. অপরহন করেছিল হাজার হাজার রাঙালি মহিলাদেও এবং তুলে দিয়েছিল পাকিস্থানী মিলিটারি বাহিনীর হাতে
৫. নির্যাতন এবং ধর্ষণ করেছিল ৪,৫০,০০০ বাঙালি মহিলাদের
শীর্ষ রাজাকার তালিকা
মওলানা ওয়াদুদ,
গোলাম আযম ,
আব্দুল মান্নান,
মতিউর রহমান নিজামী ,
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ,
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী,
মইনুদ্দিন চৌধুরী,
আনোয়ার জাহিদ,
ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী,
আব্বাস আলী খান,
মুহাম্মদ কামরুজ্জামান,
আব্দুল আলীম,
আব্দুল কাদের মোল্লা,
এ.এস.এম. সোলায়মান,
মওলানা আব্দুস সোবহান,
মওলানা এ.কে.এম. ইউসূফ,
মওলানা এস.এফ. ফাজলুল কারিম,
মোহাম্মদ আয়েন উদ্দিন,
এ.বি.এম. খালেক মজুমদার,
আশরাফুজ্জামান খান,
ড: সাঈদ সাজ্জাদ হোসেইন
প্রসংগ : সাধারণ ক্ষমা
স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে, আওয়ামী লীগ সরকার বেশীর ভাগ রাজাকারদের হাজতে নিতে সক্ষম হয়। হাজার হাজার যুদ্ধাপরাধী বঙ্গবন্ধু হত্যার এবং জিয়া’র ক্ষমতা দখলের পূর্বে কারাগারেই ছিল । অনেকেই ধারণা করে থাকে, বঙ্গবন্ধু সার্বজনীনভাবে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছিলেন, যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় । বরং আভ্যন্তরীর চাপে (মওলানা ভাসানী) এবং বৈদেশিক চাপের (আমেরিকা, সৌদি আরবের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের সবগুলো দেশ) মুখে শেখ মুজিব সাধারণ ক্ষমার আওতায় কিছু সাধারণ অপরাধের রাজাকারদের মুক্তি দেন ।
বঙ্গবন্ধু শীর্ষ রাজাকারদের কখনই ক্ষমা করেননি। সেসময় জামাত-ই-ইসলামির নেতা গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয় । গোলাম আযমকে পাকিস্তানে আশ্রয় নিতে হয়েছিল । অন্যান্য শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের মধ্যে মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মুজাহিদ হয় কারাগারে বিচারের আওতাধীন ছিল নয়তো পাকিস্তানের আশ্রয়ে ছিল।
শেখ মুজিবের হত্যার পর পুরো রাজনৈতিক পটভূমিতে পরিবর্তন আসে। শাসক জিয়া গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পূণর্বহাল করেন; এমনকি তিনি গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন। সেই সাথে মুক্তি দেন সকল রাজাকারদের এবং অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্ত অপরাধীদের । এমনকি সংবিধানের পরিমার্জনা করে তাদের জন্য রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করেন ।
অস্বীকার থেকে উপলব্ধী
পাক বাহিনী কর্তৃক গঠিত, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং বেতনভুক্ত রাজাকারদের ভুলে যাওয়া কখনই উচিৎ হবে না এবং এরা ভবিষ্যতে গণহত্যার বিচার কার্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।
১৯৭১ এবং বাংলাদেশের গণহত্যার ইতিহাস আজকে এইসব হত্যাকারী রাজাকারদের নির্লজ্জ অস্বীকারের কারণে হুমকির সম্মুখীন। এর ফলশ্রুতিতে দেশের যুব-সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে যদি না আমাদের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে আমরাই কোন পদক্ষেপ না গ্রহণ করি।
*** *** ***
তথ্যসূত্র :
১. জেনোসাইড বাংলাদেশ
২. মুক্তধারা
৩. ঘাতক দালাল
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): We Want Trial Of The War Criminals, Say NO to the Razakars ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মানুষ বলেছেন:
রাজাকারদের রাজাকার বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করি।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
সময় উপযোগী তথ্যবহুল পোষ্ট।
পোষ্টটি স্টিকি করার জন্য ব্লগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।
তথ্য বহুল পোষ্টের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আইরিন'পু।
ভালো থাকুন।
বিষাক্ত আলো বলেছেন:
ধন্যবাদ আইরিন আপু...
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আমার মনে হয় রাজাকার চীফদের তো আমরা চিনি, গোড়া ধরে রিমান্ডে নিলে আগায় কারা কারা ছিল বের হয়ে আসতে বাধ্য। আর বিচার না করা হলে আস্তে আস্তে মুক্তিযুদ্ধ শব্দটি বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে যাবে অথবা রাজাকারদের মিথ্যে-ভাষণে বদলে যাবে। হয়তো ভবিষ্যত প্রজন্ম জানবেও না কিভাবে এই জাতির জন্ম হয়েছিল!
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন:
পোস্টটি স্টিকি করা হোক
উন্মোচক বলেছেন:
আপনি বলেছেন, রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ। তথ্যটি ভুল। রাজাকার বলতে আরবিতে কোনো শব্দ নেই। সঠিক তথ্য পরিবেশন করুন।পোস্টে যে তথ্যগুলো আপনি দিয়েছেন, তার অনেকগুলোই সঠিক বলে মানতে পারছি না। এগুলো মূলত চক্রান্তকারী একটি দলের সাজানো ইতিহাস। সত্যের সাথে বহু অসত্য তথ্য জুড়ে দিয়ে বেশি বেশি প্রচার করে তারা একে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।
যুদ্ধাপরাধীদের শীর্ষ তালিকাটি সন্দেহগ্রস্ত। বিশেষ করে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম যখন সেখানে দেখি তখন আর বুঝতে বাকি থাকে না যে এর সবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক এটি আমরা সকলেই চাই। কিন্তু তা হতে হবে অথেনটিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। হিংসাপ্রসূত কোনো লেখনি এক্ষেত্রে দলিল হতে পারে না।
আরেকটা ব্যাপার আ'লীগে প্রচুর যুদ্ধাপরাধী রয়েছে। এদের কেউ কেউ নাকি আবার মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটও নিয়ে নিয়েছেন। শেখ হাসিনার বেয়াইসহ এবারের সংসদে আ'লীগের দুইজন যুদ্ধাপরাধী সাংসদ রয়েছে। তাদের ব্যাপারেও সোচ্চার হতে হবে।
লেখক বলেছেন: Razakar is a Persian word which means volunteer ....[http://en.wikipedia.org/wiki/Razakar]
The term Razakar is originally derived from an Arabic word meaning volunteer. [http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=16]
দেলু উরফে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সম্পর্কে জেনে নিন - Click This Link
আল্লাম দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সম্পর্কে একটা মজার তথ্য জানলাম -
There is no record that Saidi had ever attended any school whether Islamic or public. Like many fake Islamic 'divines'
Saidi was accorded a title 'Sayeedee' overnight and promoted as such by the then Pakistani civil affairs dept, an
organization run by the Paki military intelligence (ISI).
লেখক বলেছেন: ইয়র্কার বলেছেন: উন্মোচক, হাসিনার বেয়াই সম্পর্কে প্রমাণসহ বলুন। জাতি জানতে চায়।
ইয়র্কার বলেছেন:
অনেক দুর্বল দিক থাকলেও ওভারঅল ভালো পোস্ট। প্রত্যেকে সদিচ্ছা নিয়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচারে সচেষ্ট হোন।জামাত দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধী, সেই কথাটা উঠে আসে নি। সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি অস্পষ্ট, 'সাধারণ' অপরাধ কি কি আর সেগুলো কেন ক্ষমা করা হয়েছে বা আদৌ হয়েছে কিনা, তা বিবেচ্য।
এই বিষয় নিয়ে তথ্যভিত্তিক পোস্ট দিতে গেলে একটু বাড়তি যত্ন নিতে হয়। নাহলে ফাঁক গলে অপরাধীরা বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়।
লেখক বলেছেন: ইতিহাস তো অল্প-স্বল্প না ইয়র্কার , এক পোস্টে কতটুকুই বা লিখবেন । সময় সময় বিভিন্ন পোস্টে, বিভিন্ন জন লিখবেন, কিনবা আমিই চেষ্টা করব ।
ঊননের মুখ থেকে বলছি বলেছেন:
মোট কথা যুদ্ধ অপরাধীদের যে কোন মুল্যে রুখতে হবে তার জন্য প্রয়োজন সঠিক রুপরেখা আর বাস্তবায়নের মানসিকতা এ সরকার বলেছে তারা তা করবে দেখি কোথাকার জল কোথায় গড়ায়।আপনাকে ধন্যবাদ।
ইয়র্কার বলেছেন:
@উন্মোচক, আওয়ামী লীগে যারা যুদ্ধাপরাধী আছে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত প্রমাণ দিন। বিচার সবার জন্যই সমান।
স্কাই বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্ট.............
নতুন প্রজন্মের কাছে তথ্য জোগাবে যদিও উন্মোচকের মত মন্তব্য কাউকে বিভ্রান্ত করবে না............
অসংখ্য ধন্যবাদ আইরীন আপনাকে........
আচ্ছা, ৯২ এর দিকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বের করা ঘাতক-দালালদের লিস্টটা কি আছে কারো কাছে?
সেটা আরো অনেক ডিটেইলড ছিলো বলেই মনে পড়ছে।
লেটেস্ট লিস্টে (সেক্টর কমান্ডারদের) ৫০ জনের নাম এসেছে, কিন্তু আমার ধারনা সংখ্যাটা আরো বেশী হবে --- একটাকেও ছাড়া উচিত হবেনা!!
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
ইয়র্কার বলেছেন: @উন্মোচক, আওয়ামী লীগে যারা যুদ্ধাপরাধী আছে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত প্রমাণ দিন। বিচার সবার জন্যই সমান।
মামুনহ্যাপী বলেছেন:
দল, মত ও ধর্ম ভূলে সকল যুদ্ধাপরাধীরকে সমান ভাবে ঘৃনা এবং বিচার চাই।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আলবদর, আল শামসের বর্ননা একটু বিস্তারিত দিলে ভালো হয়।
লেখক বলেছেন: আমি পরে এ ব্যাপারে কিছু বিস্তারিত দেয়ার চেষ্টা করব । তবে নাঈম কিন্তু বিভিন্ন শীর্ষ রাজাকারদের নিয়ে লেখা শুরু করেছে ।
উন্মোচক বলেছেন:
আইরিন, একটা বিষয় বোধ হয় বুঝতে পারছেন যে, উইকিপিডিয়ার তথ্য আর জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্যের মাঝে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে (রাজাকার শব্দটির উৎসমূল নিয়ে)। আর আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি যে, এ ব্যাপারে অবশ্যই উইকিপিডিয়ার তথ্যটিই সঠিক।সুতরাং, জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্য বিশ্বাসযোগ্য হয় কী করে? রাজাকার শব্দের উৎসমূল সম্পর্কেই যেখানে বিভ্রান্তি। অন্য তথ্যগুলোতে না জানি কী অবস্থা!
উন্মোচক বলেছেন:
দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীর ব্যাপারে যে তথ্য দিলেন সেগুলোও নিশ্চয়ই ওসব বিভ্রান্তিমূলক সাইট থেকে পাওয়া?
লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে আল্লামা সাঈদীর জীবন বৃত্তান্ত আশা করছি .....
আমি ভাবছি , আল্লামা দেলু এতো ভাল হলো এতোগুলো রাজাকারের মাঝে নিজেকে এতো চমৎককারভাবে মানিয়ে নিলেন কিভাবে !!!
রাজাকার শব্দের উৎপত্তির তথ্য যেহেতু আপনি বলছেন সঠিক নয়, তবে সঠিক তথ্যটি দিন ...
মামুনহ্যাপী বলেছেন:
ছোট ও বড় সব রাজাকারই সমান।১টা খুন /ধর্ষন আর ১০০০ টা খুন /ধর্ষন । বিচার করতে হবে সবগুলোর।
ইয়র্কার বলেছেন:
উন্মোচক, হাসিনার বেয়াই সম্পর্কে প্রমাণসহ বলুন। জাতি জানতে চায়।
নাঈম বলেছেন:
দারুন পোষ্ট..........+++++
চাচামিঞা বলেছেন:
আচ্ছা, ঐ সময় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের উভয় পক্ষেরই অনেক অনেক গোলাবারুদ এবং আর্মস ব্যবহার করতে হয়েছিলো, সম্ভবত চায়না থেকেই এসব সরবরাহ হতো......(আমার ধারন ভুল হলে ক্ষমা করবেন) । যুদ্ধ প্রভাব ফেলতে সরবরাহকারী রাস্ট্র এবং ওগুলোর নির্মাতা প্রতিস্ঠানের মালিক গুলোকেও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় আনা উচিত।
'লেনিন' বলেছেন:
বলিবার ভাষা নাই। +
চাচামিঞা বলেছেন:
ও প্লাস দিতে ভুলে গেসিলাম।
'লেনিন' বলেছেন:
উন্মোচক বলেছেন: আইরিন, একটা বিষয় বোধ হয় বুঝতে পারছেন যে, উইকিপিডিয়ার তথ্য আর জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্যের মাঝে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে (রাজাকার শব্দটির উৎসমূল নিয়ে)। আর আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি যে, এ ব্যাপারে অবশ্যই উইকিপিডিয়ার তথ্যটিই সঠিক।সুতরাং, জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্য বিশ্বাসযোগ্য হয় কী করে? রাজাকার শব্দের উৎসমূল সম্পর্কেই যেখানে বিভ্রান্তি। অন্য তথ্যগুলোতে না জানি কী অবস্থা!
________________________________
আপনার উদ্দেশ্য কী? রাজাকার শব্দটি ভালো প্রমাণ করা? কুতর্ক করতে এসেছেন? 'মীরজাফর' আর 'রাজাকার' এই বাংলায় আর অন্য কোনো অর্থে ব্যবহৃত হবেনা কোনোদিন।
নাঈম বলেছেন:
আচ্ছা, গোলাম আযম কি এখনও পাকিস্তানেই আছে? তার বর্তমান পরিস্থিতি কি?
লেখক বলেছেন: ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ........
- সে এখন ঢাকাতেই আছে। খালেদা জিয়ার আমলে হাইকোর্টের নির্দেশে নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছে। থাকে মগবাজারের কাজী অফিস গলিতে।
'লেনিন' বলেছেন:
পোস্টটি স্টিকি করার যথেষ্ট দাবীদার। স্টিকি করা হোক।
প্রলাপ বলেছেন:
প্লাস
রিসাত বলেছেন:
আমিও জানতাম শেখ মুজিব যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা দিয়েছেন,,,,, আপনার এই পোস্টটা ফেভারিট করলাম
নাঈম বলেছেন: আচ্ছা, গোলাম আযম কি এখনও পাকিস্তানেই আছে? তার বর্তমান পরিস্থিতি কি?
- সে এখন ঢাকাতেই আছে। খালেদা জিয়ার আমলে হাইকোর্টের নির্দেশে নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছে। থাকে মগবাজারের কাজী অফিস গলিতে।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।সাধারন ক্ষমা ও সিমলা চুক্তি নিয়ে অযথা কেচাল করা কিছু পাবলিকের কাজ।তারা এর কোন্টার ব্যাপারেই জানে না।
সিমলা চুক্তির ব্যাপারটি যিক্ত করলে পোস্ট খানা মনে হয় আরো পুর্ণাঙ্গ হত।
সেই সময় পাকিস্তানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ বাঙ্গালী আটক ছিল।আর সিমলা চুক্তির শর্ত ছিল পাকিস্তানি ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী বন্দি কে পাক সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে,যাদের বিচার কার্য্য সেই দেশের সরকার করবে,আর বাঙ্গালীকে তার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হবে।বাঙ্গালীরা ছাড়া পেলেও পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধিদের আর বিচার তারা করেন নি।বঙ্গবন্ধু তার পাকিস্তান সফরে বারবার এই প্রসঙ্গ তুললেও লাভ হয় নি।
আর এই সিমলা চুক্তিটিও করার পিছনে মধ্যপ্রাচ্য সহ মার্কিন চীনা চাপ ছিল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...আরো বিস্তারিত বর্ণনা সহকারে একটি পোস্ট দিয়ে দিন । অনেকেই উপকৃত হবেন এবং প্রকৃত ইতিহাস জানতে পেরে উৎসাহিত বোধ করবেন ।
নাঈম বলেছেন:
ক্যামেরাম্যান ভাইকে ধন্যবাদ তথ্যের জন্য।
Razakar is a Persian word which means volunteer
রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ যার অর্থ স্বেচ্ছাসেবক ।
আইরিন এখানে একটা ছোট্ট ভূল হয়েছে Persian word এর মানে ফার্সী শব্দ, আরবি না।
ফজলুর কাদের চৌধুরী > ফজলুল কাদের চৌধুরী ওরফে ফকা চৌধূরী
লেখক বলেছেন: দুটো তথ্য আছে , এখানে তাই ভুল-শুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় আপাতত ...
১. The term Razakar is originally derived from an Arabic word meaning volunteer.
[ http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=16 ]
২. Razakar is a Persian word which means volunteer ....
[ http://en.wikipedia.org/wiki/Razakar ]
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
লেখাটা ভালো হয়েছে। আরো কিছু বিশ্লেষণ হতে পারতো। তবে এই বাস্তবতাও মানতে হবে এক পোস্টে সব ধরানো সম্ভব না। পরবর্তীতে আরো পোস্ট আশা করছি।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
যে দেশের তরুন সমাজ এতটা প্রচেষ্টা দেখাতে পারে সেদেশের কেনো উন্নয়ন হবেনা..কেনো হবেনা অপরাধীগুলোর বিচার?
মেহবুবা বলেছেন:
কি বলে তোমাকে ধন্যবাদ দেব ? শুভেচ্ছা রইল ।
চানাচুর বলেছেন:
খুব তথ্যবহুল পোস্ট। সময় নিয়ে পড়ে পড়বো। ধন্যবাদ আইরিন আপু
ইরতেজা বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট।
রাতুল" বলেছেন:
আইরিন রাজাকারদএর নিয়ে আপনার পোস্টগুলোতে অনেক কিছু জানার আছে। কত কিছু জানলাম।+
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
পড়া হইছে আগেই, শুধু প্রিয়তে নেয়া বাকী ছিল।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
প্রচুর ভুল তথ্যে ভরা আপনার এই পোস্ট। আপনার এই পোস্টে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই অবমাননা করেছেন। এই পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে যুদ্ধটা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকার দের মধ্যে। অথচ আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দুনিয়ার অন্যতম সেনাবাহিনী পাকিস্থান সেনা বাহিনীকে যে নাস্তানাবুদ করে ছিল সেটা বোধহয় আপনার অজানা। আপনি লিখেছেন, শেখ মুজিব প্রধান যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেন নি। তিনি ক্ষমা করেছেন, ছোট খাট অপরাধীদের। এই খানে ও ভুল তথ্য দিয়েছেন।
প্রথমত, ৭১ এর পরে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর ১৯৫ জন সৈন্যকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের কে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে মুক্ত করে দেন মুজিব।
দিতীয়ত, বাংলাদেশী যারা অর্থাত রাজাকার দের কখনো যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করেনি মুজিব সরকার। তাদের কে চিহ্নিত করা হয়েছিল সহযোগী বা দালাল হিসাবে। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে দালাল আইন তৈরী করা হয় এবং দালাল আইনে ৩৭ হাজার কেইস করা হয়।
আর তার মধ্যে ২৭ হাজার রাজাকার কে শেখ মুজিব সাধারন ক্ষমার মাধ্যমে ছেড়ে দেন। এই ২৭ হাজারের মধ্যেই ছিল প্রধান প্রধান রাজাকার রা। পুর্ব পাকিস্থান মন্ত্রীসভার সদস্য খাজা খয়ের, কাজি কাদের, আবদুস সবুর, মৌলানা ইউসুফ প্রমুখ রা। তো উনারা ছিলেন ৭১ গঠিত পুর্ব পাকিস্থান মন্ত্রী সভার সদস্য। উনাদের চেয়ে বড় রাজাকার আর কে হতে পারে। উনাদের কেই মুক্ত করে দেন মুজিব।
বাকি ১০ হাজার ছিল , ছোট খাট রাজাকার যাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ মামলাই সাক্ষ্য প্রমানের অভাবে প্রমান করা যাচ্ছিল না। সেজন্য ই জিয়া দালাল আইন বাতিল করে তাদের কে মুক্ত করে দেন।
সুতরাং যুদ্ধাপরাধী বিরোধী কিছু লিখতে হলে বা কাজ করতে হলে এই বিষয়ে আগে কিছু পড়ালেখা করা উচিত।
লেখক বলেছেন: থার্ড নয়ন, আপনার পুরো মন্তব্যটাই মন দিয়েই পড়ছিলাম...শেষের দিকে এসে যখন আপনি খুব সুন্দর করে বলেন -"সেজন্য ই জিয়া দালাল আইন বাতিল করে তাদের কে মুক্ত করে দেন। " , তখন আর বলার কিছু থাকে না...
আপনার এই মন্তব্য এক ধরনের সাফাই মেজর জিয়ার সেই সময়ের রাজনৈতিক কূটচালের...জিয়া সরকার সেই সময় গোলাম আযম কে বৈধতা দেয়, তিনি জামাতের রাজনীতিকেও স্বীকৃতি দেন ।
এ ব্যাপারেও আপনার সাফাই পেশ করুন ।
হাফিজুর রহমান মিতু বলেছেন:
ভাইজান মেজর জিয়ার সরকারের সাফাই ভালই গাইলেন ।ইতিহাসও ভালই জানেন মনে হয় । তবে বলেন তো জিয়ার সরকারের প্রধান মন্ত্রী কে ছিলেন ? আর শেখ মজিব যদি ভুল করে থাকে তাহলে সে কেন সঠিক কাজ করলেন না । সংবিধান পরিবতন করতে তো ভুল করেননি । চোরের মার বড় গলা । রাজাকারদের নিয়ে তো এখনও নাচানাচি করচ্ছেন । সঠিক পথে আসুন, কোন দলের ভুল না খুজে রাজাকাদের বিচার চান । আত্তসমালোচনা করুন । ধন্যবাদ
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন:
comment by: উন্মোচক বলেছেন: আপনি বলেছেন, রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ। তথ্যটি ভুল। রাজাকার বলতে আরবিতে কোনো শব্দ নেই। সঠিক তথ্য পরিবেশন করুন।পোস্টে যে তথ্যগুলো আপনি দিয়েছেন, তার অনেকগুলোই সঠিক বলে মানতে পারছি না। এগুলো মূলত চক্রান্তকারী একটি দলের সাজানো ইতিহাস। সত্যের সাথে বহু অসত্য তথ্য জুড়ে দিয়ে বেশি বেশি প্রচার করে তারা একে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।
যুদ্ধাপরাধীদের শীর্ষ তালিকাটি সন্দেহগ্রস্ত। বিশেষ করে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম যখন সেখানে দেখি তখন আর বুঝতে বাকি থাকে না যে এর সবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক এটি আমরা সকলেই চাই। কিন্তু তা হতে হবে অথেনটিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। হিংসাপ্রসূত কোনো লেখনি এক্ষেত্রে দলিল হতে পারে না।
আরেকটা ব্যাপার আ'লীগে প্রচুর যুদ্ধাপরাধী রয়েছে। এদের কেউ কেউ নাকি আবার মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটও নিয়ে নিয়েছেন। শেখ হাসিনার বেয়াইসহ এবারের সংসদে আ'লীগের দুইজন যুদ্ধাপরাধী সাংসদ রয়েছে। তাদের ব্যাপারেও সোচ্চার হতে হবে।
--- মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
৭১ এর পরে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর ১৯৫ জন সৈন্যকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের কে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে মুক্ত করে দেন মুজিব।
--- চিহ্নিত ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই; তারপর নব্য যুদ্ধাপরাধীর।
কেএসরথি বলেছেন:
কবে হবে সেই বিচার, এই জনমে কি দেখে যেতে পারবো?
অরণ্য আনাম বলেছেন:
পোষ্টটি ওয়েব সাইটে ও প্রিয়তে আছে।
লেখক বলেছেন: এই পোস্টের লিংক উল্লেখ করে লেখাটা যে কেউ রি-পোস্ট করতে পারে স্যার।
সবাক বলেছেন:
প্রথম পাতায় চলে যা।
রাসেল মেটামোরফোজ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীর বিচার মনে হয় আর এই সরকারের আমলে হবেনা। সরকারের হাব ভাব দেখে মনে হচ্ছে তারা এটাকে ইস্যু করে নির্বাচনে জেতার চেষ্টা করবে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


























