আমার প্রিয় পোস্ট

অনেকের মাঝেও একা থাকা যায়, নি:সঙ্গতায় কারো অনুভব ছুঁয়ে যায় ...

যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধাপরাধী : জেনে নিন, চিনে নিন

০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

শেয়ারঃ
0 6 0

যুদ্ধাপরাধ কি ?

চতুর্থ জেনেভা কনভেনশনের ১৪৭ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে যে, ”ইচ্ছাকৃত হত্যা, অত্যাচার অথবা অমানবিক আচরণ যেমন ইচ্ছাকৃত ভাবে শারীরিক আঘাত, আইনবিরোধী ভাবে কাউকে বন্দী করা অথবা জোরপূর্বক কোন ব্যক্তিকে নিষ্ঠুর কাজে নিয়োজিত করা অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে মানবাধিকার লংঘন করা, ... কোন রকম কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং অবৈধভাবে কারো সম্পদের বৃহৎ ক্ষতি সাধন অথবা অপব্যবহার করা ”

যুদ্ধাপরাধের মূল ধারণা এই যে, কাউকে দায়ী করা যাবে পুরো দেশে অথবা দেশের সৈন্যদের সাথে সংগঠিত কার্যকলাপের জন্য। গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সাধারণ মানুষ বা যোদ্ধাদের সাথে অমানবিক আচরণ - এসবই যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে। তন্মধ্যে গণহত্যা সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম অপরাধ ।

১৯৭১ -এর স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, পাকিস্থানি সৈন্য বাহিনী জেনারেল ইয়াহিয়া খানের ও সহকর্মীদের নেতৃত্বে এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ বিরোধী চক্রের (জামাত, মুসলিম লীগ এবং অন্যান্য কিছু ধর্মীয় রাজনৈতিক দল) সহায়তায় প্রায় ৩ মিলিয়ন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করা হয়, নির্যাতন এবং ধর্ষণ করা হয় প্রায় ৪,৫০,০০০ বাঙালি মহিলাদের এবং বাঙালির বিজয়ের প্রাক্কালে শত শত বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করা হয় এই জাতিকে মেধাগত ভাবে পঙ্গু করে দেয়ার জন্য । এই অনাচার সীমা ছাড়িয়ে যায় হিটলার, মিলোসেভিক (Slobodan Milosevic ), নাজিস এবং ফ্যাসিস্টদের (the nazis and the fascists) অত্যাচারকেও ।

যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার

রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ যার অর্থ স্বেচ্ছাসেবক ।(উইকিপিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে দেখা যায়, রাজাকার একটি পারসিয়ান অর্থ্যাৎ ফার্সী শব্দ ) ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে রাজাকার হলো সেইসব স্বেচ্ছাসেবক যারা ইসলামিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে রাজাকার অর্থ দেশদ্রোহী বা পাক-বাহিনীর সহযোগী (Collaborators) যারা ১৯৭১ -এ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাক-বাহিনীকে সহায়তা করেছিল লাখ লাখ বাঙালিকে চিহ্নিতকরণ এবং হত্যাযজ্ঞে । রাজাকারেরা মূলত মুসলিম লীগ, জামাত-ই-ইসলামি এবং ধর্ম ভিত্তিক অন্যান্য কিছু দলের সদস্যবৃন্দরাই ছিল ।

”রাজাকারেরা...মূলত সাহায্য করবে গ্রামাঞ্চলে, যারা চিহ্নিত করতে পারবে মুক্তিযোদ্ধাদের”, একজন পাকিস্তানি আর্মি অফিসারের ভাষ্য; সরকার ইতিমধ্যে পরিকল্পনামাফিক ৩৫,০০০ এর মধ্যে ২২,০০০ রাজাকার নিয়োজিত করেছে । [নিউ ইয়র্ক টাইমস, জুলাই ৩০, ১৯৭১]

এক নজরে :৭১ –এ স্বাধীনতা বিরোধী চক্র
সাধারণ আর্মি - ৮০,০০০
র‌্যাঞ্জার এবং মিলিশিয়া - ২৪,০০০
সিভিলিয়ান ফোর্স - ২৪,০০০
রাজাকার, আল-বদর এবং আল-শামস – ৫০,০০০ (প্রায়)

স্থানীয় সহযোগী

শান্তি কমিটি

স্থাপিত : এপ্রিল ১৯৭১
আহ্বায়ক – খাজা খায়রুদ্দিন
ব্যবস্থাপক – প্রফেসর গোলাম আযম, এ.কিউ.এম. শফিকুল ইসলাম, মওলানা সৈয়দ মাসুম

রাজাকার

স্থাপিত : মে ১৯৭১ (খুলনা)
ঘোষিত : জুন ১৯৭১
আহ্বায়ক : মওলানা এ.কে.এম. ইউসূফ
পরিচালক : এ.এস.এম জহিরুল হক

আল-বদর, আল-শামস

ইসলামিক ছাত্র সংঘের সদস্যবৃন্দদের সমন্বয়ে, পাক বাহিনী সাথে জড়িত জামাত-ই-ইসলামী ছাত্র গোষ্ঠিদের খুনী দল- হিটলারের এস.এস. (SS of Hitler ) অনুরূপ ।

মিলিটারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তথ্যানুসারে, সেসময় ৫০০০ রাজাকার ছিল পূর্ব পাকিস্তানে, তার মধ্যে ৩০০ ছিল খুলনা জেলায়। তাদেরকে দিনে তিন টাকা করে দেয়া হতো (২৫ পয়সা করে অফিসিয়ালি ধার্য ছিল) এবং সাত দিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো যা মূলত ছিল কিভাবে Lee-Enfield রাইফেল চালনা করতে হয় । তাদের কাজ ছিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করা- পশ্চিম পাক বাহিনী দলকে বিশেষত আওয়ামী লীগ সমর্থকদের ঘর-বাড়ি চিনিয়ে দেয়া । এই সব রাজাকারেরা মূলত স্থানীয় শান্তি কমিটির আজ্ঞাবাহী ছিল, যা অবশ্যই নির্ধারিত হতো পাকিস্থানের প্রতি বিশ্বস্ততার নিরিখে।

যুদ্ধচলাকালীন সময়ে রাজাকারেরা - ১. মুক্তিবাহিনী, তাদের সমর্থক এবং সহানূভূতিজ্ঞাপন কারিদের বিরুমেন্ত্রন্ত্রণা দিত ২. অপহরণ, বন্দী এবং পরিশেষে হত্যা করত পাকবাহিনী কিনবা দলীয় কর্মীদের সহায়তায় তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে বা হত্যা কেন্দ্রে । ৩. ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দিত এবং অবাধ লুটতরাজ করত ৪. অপরহন করেছিল হাজার হাজার রাঙালি মহিলাদেও এবং তুলে দিয়েছিল পাকিস্থানী মিলিটারি বাহিনীর হাতে ৫. নির্যাতন এবং ধর্ষণ করেছিল ৪,৫০,০০০ বাঙালি মহিলাদের

শীর্ষ রাজাকার তালিকা

মওলানা ওয়াদুদ,
গোলাম আযম ,
আব্দুল মান্নান,
মতিউর রহমান নিজামী ,
আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ,
দেলোয়ার হোসেন সাঈদী,
মইনুদ্দিন চৌধুরী,
আনোয়ার জাহিদ,
ফজলুল কাদের চৌধুরী এবং সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী,
আব্বাস আলী খান,
মুহাম্মদ কামরুজ্জামান,
আব্দুল আলীম,
আব্দুল কাদের মোল্লা,
এ.এস.এম. সোলায়মান,
মওলানা আব্দুস সোবহান,
মওলানা এ.কে.এম. ইউসূফ,
মওলানা এস.এফ. ফাজলুল কারিম,
মোহাম্মদ আয়েন উদ্দিন,
এ.বি.এম. খালেক মজুমদার,
আশরাফুজ্জামান খান,
ড: সাঈদ সাজ্জাদ হোসেইন

প্রসংগ : সাধারণ ক্ষমা

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে, আওয়ামী লীগ সরকার বেশীর ভাগ রাজাকারদের হাজতে নিতে সক্ষম হয়। হাজার হাজার যুদ্ধাপরাধী বঙ্গবন্ধু হত্যার এবং জিয়া’র ক্ষমতা দখলের পূর্বে কারাগারেই ছিল । অনেকেই ধারণা করে থাকে, বঙ্গবন্ধু সার্বজনীনভাবে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছিলেন, যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় । বরং আভ্যন্তরীর চাপে (মওলানা ভাসানী) এবং বৈদেশিক চাপের (আমেরিকা, সৌদি আরবের নেতৃত্বে মধ্যপ্রাচ্যের সবগুলো দেশ) মুখে শেখ মুজিব সাধারণ ক্ষমার আওতায় কিছু সাধারণ অপরাধের রাজাকারদের মুক্তি দেন ।

বঙ্গবন্ধু শীর্ষ রাজাকারদের কখনই ক্ষমা করেননি। সেসময় জামাত-ই-ইসলামির নেতা গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয় । গোলাম আযমকে পাকিস্তানে আশ্রয় নিতে হয়েছিল । অন্যান্য শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের মধ্যে মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মুজাহিদ হয় কারাগারে বিচারের আওতাধীন ছিল নয়তো পাকিস্তানের আশ্রয়ে ছিল।

শেখ মুজিবের হত্যার পর পুরো রাজনৈতিক পটভূমিতে পরিবর্তন আসে। শাসক জিয়া গোলাম আযমের নাগরিকত্ব পূণর্বহাল করেন; এমনকি তিনি গোলাম আযমকে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন। সেই সাথে মুক্তি দেন সকল রাজাকারদের এবং অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্ত অপরাধীদের । এমনকি সংবিধানের পরিমার্জনা করে তাদের জন্য রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করেন ।

অস্বীকার থেকে উপলব্ধী

পাক বাহিনী কর্তৃক গঠিত, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত এবং বেতনভুক্ত রাজাকারদের ভুলে যাওয়া কখনই উচিৎ হবে না এবং এরা ভবিষ্যতে গণহত্যার বিচার কার্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।

১৯৭১ এবং বাংলাদেশের গণহত্যার ইতিহাস আজকে এইসব হত্যাকারী রাজাকারদের নির্লজ্জ অস্বীকারের কারণে হুমকির সম্মুখীন। এর ফলশ্রুতিতে দেশের যুব-সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে যদি না আমাদের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে আমরাই কোন পদক্ষেপ না গ্রহণ করি।

*** *** ***
তথ্যসূত্র :
১. জেনোসাইড বাংলাদেশ
২. মুক্তধারা
৩. ঘাতক দালাল

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): We Want Trial Of The War CriminalsSay NO to the Razakars ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
মানুষ বলেছেন: রাজাকারদের রাজাকার বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করি।
২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
সময় উপযোগী তথ্যবহুল পোষ্ট।

পোষ্টটি স্টিকি করার জন্য ব্লগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।

তথ্য বহুল পোষ্টের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আইরিন'পু।

ভালো থাকুন।
৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
বিষাক্ত আলো বলেছেন: ধন্যবাদ আইরিন আপু...
৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: আমার মনে হয় রাজাকার চীফদের তো আমরা চিনি, গোড়া ধরে রিমান্ডে নিলে আগায় কারা কারা ছিল বের হয়ে আসতে বাধ্য। আর বিচার না করা হলে আস্তে আস্তে মুক্তিযুদ্ধ শব্দটি বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে যাবে অথবা রাজাকারদের মিথ্যে-ভাষণে বদলে যাবে। হয়তো ভবিষ্যত প্রজন্ম জানবেও না কিভাবে এই জাতির জন্ম হয়েছিল!
৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক
৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫
উন্মোচক বলেছেন: আপনি বলেছেন, রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ। তথ্যটি ভুল। রাজাকার বলতে আরবিতে কোনো শব্দ নেই। সঠিক তথ্য পরিবেশন করুন।

পোস্টে যে তথ্যগুলো আপনি দিয়েছেন, তার অনেকগুলোই সঠিক বলে মানতে পারছি না। এগুলো মূলত চক্রান্তকারী একটি দলের সাজানো ইতিহাস। সত্যের সাথে বহু অসত্য তথ্য জুড়ে দিয়ে বেশি বেশি প্রচার করে তারা একে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।

যুদ্ধাপরাধীদের শীর্ষ তালিকাটি সন্দেহগ্রস্ত। বিশেষ করে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম যখন সেখানে দেখি তখন আর বুঝতে বাকি থাকে না যে এর সবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক এটি আমরা সকলেই চাই। কিন্তু তা হতে হবে অথেনটিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। হিংসাপ্রসূত কোনো লেখনি এক্ষেত্রে দলিল হতে পারে না।

আরেকটা ব্যাপার আ'লীগে প্রচুর যুদ্ধাপরাধী রয়েছে। এদের কেউ কেউ নাকি আবার মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটও নিয়ে নিয়েছেন। শেখ হাসিনার বেয়াইসহ এবারের সংসদে আ'লীগের দুইজন যুদ্ধাপরাধী সাংসদ রয়েছে। তাদের ব্যাপারেও সোচ্চার হতে হবে।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: Razakar is a Persian word which means volunteer ....[http://en.wikipedia.org/wiki/Razakar]

The term Razakar is originally derived from an Arabic word meaning volunteer. [http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=16]

দেলু উরফে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সম্পর্কে জেনে নিন - Click This Link

আল্লাম দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সম্পর্কে একটা মজার তথ্য জানলাম -

There is no record that Saidi had ever attended any school whether Islamic or public. Like many fake Islamic 'divines'
Saidi was accorded a title 'Sayeedee' overnight and promoted as such by the then Pakistani civil affairs dept, an
organization run by the Paki military intelligence (ISI).




০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: ইয়র্কার বলেছেন: উন্মোচক, হাসিনার বেয়াই সম্পর্কে প্রমাণসহ বলুন। জাতি জানতে চায়।

৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
কন্টক বলেছেন:
কিচু বলার নাই

+
৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০
ইয়র্কার বলেছেন: অনেক দুর্বল দিক থাকলেও ওভারঅল ভালো পোস্ট। প্রত্যেকে সদিচ্ছা নিয়ে যুদ্ধাপরাধীর বিচারে সচেষ্ট হোন।

জামাত দল হিসেবে যুদ্ধাপরাধী, সেই কথাটা উঠে আসে নি। সাধারণ ক্ষমার বিষয়টি অস্পষ্ট, 'সাধারণ' অপরাধ কি কি আর সেগুলো কেন ক্ষমা করা হয়েছে বা আদৌ হয়েছে কিনা, তা বিবেচ্য।

এই বিষয় নিয়ে তথ্যভিত্তিক পোস্ট দিতে গেলে একটু বাড়তি যত্ন নিতে হয়। নাহলে ফাঁক গলে অপরাধীরা বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: ইতিহাস তো অল্প-স্বল্প না ইয়র্কার , এক পোস্টে কতটুকুই বা লিখবেন । সময় সময় বিভিন্ন পোস্টে, বিভিন্ন জন লিখবেন, কিনবা আমিই চেষ্টা করব ।

১০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
ঊননের মুখ থেকে বলছি বলেছেন: মোট কথা যুদ্ধ অপরাধীদের যে কোন মুল্যে রুখতে হবে তার জন্য প্রয়োজন সঠিক রুপরেখা আর বাস্তবায়নের মানসিকতা এ সরকার বলেছে তারা তা করবে দেখি কোথাকার জল কোথায় গড়ায়।
আপনাকে ধন্যবাদ।
১১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
ইয়র্কার বলেছেন: @উন্মোচক, আওয়ামী লীগে যারা যুদ্ধাপরাধী আছে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত প্রমাণ দিন। বিচার সবার জন্যই সমান।
১২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
স্কাই বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্ট.............
নতুন প্রজন্মের কাছে তথ্য জোগাবে যদিও উন্মোচকের মত মন্তব্য কাউকে বিভ্রান্ত করবে না............

অসংখ্য ধন্যবাদ আইরীন আপনাকে........
১৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
জেরী বলেছেন: +++

পোস্টটি স্টিকি করা হোক
১৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: +++++

আচ্ছা, ৯২ এর দিকে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বের করা ঘাতক-দালালদের লিস্টটা কি আছে কারো কাছে?
সেটা আরো অনেক ডিটেইলড ছিলো বলেই মনে পড়ছে।

লেটেস্ট লিস্টে (সেক্টর কমান্ডারদের) ৫০ জনের নাম এসেছে, কিন্তু আমার ধারনা সংখ্যাটা আরো বেশী হবে --- একটাকেও ছাড়া উচিত হবেনা!!
১৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন: ইয়র্কার বলেছেন: @উন্মোচক, আওয়ামী লীগে যারা যুদ্ধাপরাধী আছে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত প্রমাণ দিন। বিচার সবার জন্যই সমান।
১৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
মামুনহ্যাপী বলেছেন: দল, মত ও ধর্ম ভূলে সকল যুদ্ধাপরাধীরকে সমান ভাবে ঘৃনা এবং বিচার চাই।
১৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

দারুণ পোস্ট ।

উন্মোচক স্বয়ং উন্মোচিত ।
১৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: আলবদর, আল শামসের বর্ননা একটু বিস্তারিত দিলে ভালো হয়।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৫

লেখক বলেছেন: আমি পরে এ ব্যাপারে কিছু বিস্তারিত দেয়ার চেষ্টা করব । তবে নাঈম কিন্তু বিভিন্ন শীর্ষ রাজাকারদের নিয়ে লেখা শুরু করেছে ।

১৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
উন্মোচক বলেছেন: আইরিন, একটা বিষয় বোধ হয় বুঝতে পারছেন যে, উইকিপিডিয়ার তথ্য আর জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্যের মাঝে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে (রাজাকার শব্দটির উৎসমূল নিয়ে)। আর আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি যে, এ ব্যাপারে অবশ্যই উইকিপিডিয়ার তথ্যটিই সঠিক।

সুতরাং, জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্য বিশ্বাসযোগ্য হয় কী করে? রাজাকার শব্দের উৎসমূল সম্পর্কেই যেখানে বিভ্রান্তি। অন্য তথ্যগুলোতে না জানি কী অবস্থা!
২০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
উন্মোচক বলেছেন: দেলাওয়ার হোসাইন সাইদীর ব্যাপারে যে তথ্য দিলেন সেগুলোও নিশ্চয়ই ওসব বিভ্রান্তিমূলক সাইট থেকে পাওয়া?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার কাছ থেকে আল্লামা সাঈদীর জীবন বৃত্তান্ত আশা করছি .....

আমি ভাবছি , আল্লামা দেলু এতো ভাল হলো এতোগুলো রাজাকারের মাঝে নিজেকে এতো চমৎককারভাবে মানিয়ে নিলেন কিভাবে !!!

রাজাকার শব্দের উৎপত্তির তথ্য যেহেতু আপনি বলছেন সঠিক নয়, তবে সঠিক তথ্যটি দিন ...

২১. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
মামুনহ্যাপী বলেছেন: ছোট ও বড় সব রাজাকারই সমান।১টা খুন /ধর্ষন আর ১০০০ টা খুন /ধর্ষন । বিচার করতে হবে সবগুলোর।
২২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
উধাও ভাবুক বলেছেন: সাবেক রাষ্ট্রপতি !!!
আব্দুর রহমান বিশ্বাস এর নামটা থাকা উচিত না ?
২৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
ইয়র্কার বলেছেন: উন্মোচক, হাসিনার বেয়াই সম্পর্কে প্রমাণসহ বলুন। জাতি জানতে চায়।
২৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৭
নাঈম বলেছেন: দারুন পোষ্ট..........+++++
২৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
চাচামিঞা বলেছেন: আচ্ছা, ঐ সময় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের উভয় পক্ষেরই অনেক অনেক গোলাবারুদ এবং আর্মস ব্যবহার করতে হয়েছিলো, সম্ভবত চায়না থেকেই এসব সরবরাহ হতো......(আমার ধারন ভুল হলে ক্ষমা করবেন) । যুদ্ধ প্রভাব ফেলতে সরবরাহকারী রাস্ট্র এবং ওগুলোর নির্মাতা প্রতিস্ঠানের মালিক গুলোকেও যুদ্ধাপরাধীদের তালিকায় আনা উচিত।
২৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬
'লেনিন' বলেছেন: বলিবার ভাষা নাই। +
২৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
চাচামিঞা বলেছেন: ও প্লাস দিতে ভুলে গেসিলাম।
২৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২২
'লেনিন' বলেছেন: উন্মোচক বলেছেন: আইরিন, একটা বিষয় বোধ হয় বুঝতে পারছেন যে, উইকিপিডিয়ার তথ্য আর জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্যের মাঝে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে (রাজাকার শব্দটির উৎসমূল নিয়ে)। আর আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি যে, এ ব্যাপারে অবশ্যই উইকিপিডিয়ার তথ্যটিই সঠিক।

সুতরাং, জেনোসাইডবাংলাদেশের তথ্য বিশ্বাসযোগ্য হয় কী করে? রাজাকার শব্দের উৎসমূল সম্পর্কেই যেখানে বিভ্রান্তি। অন্য তথ্যগুলোতে না জানি কী অবস্থা!
________________________________
আপনার উদ্দেশ্য কী? রাজাকার শব্দটি ভালো প্রমাণ করা? কুতর্ক করতে এসেছেন? 'মীরজাফর' আর 'রাজাকার' এই বাংলায় আর অন্য কোনো অর্থে ব্যবহৃত হবেনা কোনোদিন।
২৯. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
নাঈম বলেছেন: আচ্ছা, গোলাম আযম কি এখনও পাকিস্তানেই আছে? তার বর্তমান পরিস্থিতি কি?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ........

- সে এখন ঢাকাতেই আছে। খালেদা জিয়ার আমলে হাইকোর্টের নির্দেশে নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছে। থাকে মগবাজারের কাজী অফিস গলিতে।

৩০. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫
'লেনিন' বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার যথেষ্ট দাবীদার। স্টিকি করা হোক।
৩২. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
রিসাত বলেছেন: আমিও জানতাম শেখ মুজিব যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ ক্ষমা দিয়েছেন,,,,, আপনার এই পোস্টটা ফেভারিট করলাম
৩৩. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ধন্যবাদ। এ জাতীয পোষ্টই বেশী দরকার।

নাঈম বলেছেন: আচ্ছা, গোলাম আযম কি এখনও পাকিস্তানেই আছে? তার বর্তমান পরিস্থিতি কি?

- সে এখন ঢাকাতেই আছে। খালেদা জিয়ার আমলে হাইকোর্টের নির্দেশে নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছে। থাকে মগবাজারের কাজী অফিস গলিতে।
৩৪. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
সাধারন ক্ষমা ও সিমলা চুক্তি নিয়ে অযথা কেচাল করা কিছু পাবলিকের কাজ।তারা এর কোন্টার ব্যাপারেই জানে না।

সিমলা চুক্তির ব্যাপারটি যিক্ত করলে পোস্ট খানা মনে হয় আরো পুর্ণাঙ্গ হত।
সেই সময় পাকিস্তানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ বাঙ্গালী আটক ছিল।আর সিমলা চুক্তির শর্ত ছিল পাকিস্তানি ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী বন্দি কে পাক সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে,যাদের বিচার কার্য্য সেই দেশের সরকার করবে,আর বাঙ্গালীকে তার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হবে।বাঙ্গালীরা ছাড়া পেলেও পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধিদের আর বিচার তারা করেন নি।বঙ্গবন্ধু তার পাকিস্তান সফরে বারবার এই প্রসঙ্গ তুললেও লাভ হয় নি।
আর এই সিমলা চুক্তিটিও করার পিছনে মধ্যপ্রাচ্য সহ মার্কিন চীনা চাপ ছিল।
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...আরো বিস্তারিত বর্ণনা সহকারে একটি পোস্ট দিয়ে দিন । অনেকেই উপকৃত হবেন এবং প্রকৃত ইতিহাস জানতে পেরে উৎসাহিত বোধ করবেন ।

৩৫. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫
নাঈম বলেছেন: ক্যামেরাম্যান ভাইকে ধন্যবাদ তথ্যের জন্য।
৩৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
ক্যামেরাম্যান বলেছেন:
Razakar is a Persian word which means volunteer
রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ যার অর্থ স্বেচ্ছাসেবক ।

আইরিন এখানে একটা ছোট্ট ভূল হয়েছে Persian word এর মানে ফার্সী শব্দ, আরবি না।

ফজলুর কাদের চৌধুরী > ফজলুল কাদের চৌধুরী ওরফে ফকা চৌধূরী
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: দুটো তথ্য আছে , এখানে তাই ভুল-শুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় আপাতত ...

১. The term Razakar is originally derived from an Arabic word meaning volunteer.

[ http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=16 ]



২. Razakar is a Persian word which means volunteer ....

[ http://en.wikipedia.org/wiki/Razakar ]

৩৭. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৪
নাজনীন খলিল বলেছেন: ++++++++++++

অনেক শুভেচ্ছা।
৩৮. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: লেখাটা ভালো হয়েছে। আরো কিছু বিশ্লেষণ হতে পারতো। তবে এই বাস্তবতাও মানতে হবে এক পোস্টে সব ধরানো সম্ভব না। পরবর্তীতে আরো পোস্ট আশা করছি।
৩৯. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
পথিক!!!!!!! বলেছেন: যে দেশের তরুন সমাজ এতটা প্রচেষ্টা দেখাতে পারে সেদেশের কেনো উন্নয়ন হবেনা..কেনো হবেনা অপরাধীগুলোর বিচার?
৪০. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৪
মেহবুবা বলেছেন: কি বলে তোমাকে ধন্যবাদ দেব ? শুভেচ্ছা রইল ।
৪১. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: খুব তথ্যবহুল পোষ্ট। প্রিয়তে রাখলাম। কেমন আছেন?

ভালো থাকুন।
৪২. ১০ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
চানাচুর বলেছেন: খুব তথ্যবহুল পোস্ট। সময় নিয়ে পড়ে পড়বো। ধন্যবাদ আইরিন আপু
৪৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
ইরতেজা বলেছেন: তথ্যবহুল পোষ্ট।
৪৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
রাতুল" বলেছেন: আইরিন রাজাকারদএর নিয়ে আপনার পোস্টগুলোতে অনেক কিছু জানার আছে। কত কিছু জানলাম।+
৪৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৫২
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো পোষ্ট............।

শুভেচ্ছা আইরিন........।
সাথে আছি।
৪৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২০
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: ++++
খু্ব ভালো পোস্ট আপু।
৪৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: পড়া হইছে আগেই, শুধু প্রিয়তে নেয়া বাকী ছিল।
৪৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
মিলটনরহমান বলেছেন: ভালো লাগা রেখে গেলাম
৫০. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
থার্ড নয়ন বলেছেন: প্রচুর ভুল তথ্যে ভরা আপনার এই পোস্ট। আপনার এই পোস্টে আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকেই অবমাননা করেছেন। এই পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে যুদ্ধটা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা আর রাজাকার দের মধ্যে। অথচ আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দুনিয়ার অন্যতম সেনাবাহিনী পাকিস্থান সেনা বাহিনীকে যে নাস্তানাবুদ করে ছিল সেটা বোধহয় আপনার অজানা।
আপনি লিখেছেন, শেখ মুজিব প্রধান যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেন নি। তিনি ক্ষমা করেছেন, ছোট খাট অপরাধীদের। এই খানে ও ভুল তথ্য দিয়েছেন।
প্রথমত, ৭১ এর পরে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর ১৯৫ জন সৈন্যকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের কে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে মুক্ত করে দেন মুজিব।
দিতীয়ত, বাংলাদেশী যারা অর্থাত রাজাকার দের কখনো যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করেনি মুজিব সরকার। তাদের কে চিহ্নিত করা হয়েছিল সহযোগী বা দালাল হিসাবে। সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে দালাল আইন তৈরী করা হয় এবং দালাল আইনে ৩৭ হাজার কেইস করা হয়।

আর তার মধ্যে ২৭ হাজার রাজাকার কে শেখ মুজিব সাধারন ক্ষমার মাধ্যমে ছেড়ে দেন। এই ২৭ হাজারের মধ্যেই ছিল প্রধান প্রধান রাজাকার রা। পুর্ব পাকিস্থান মন্ত্রীসভার সদস্য খাজা খয়ের, কাজি কাদের, আবদুস সবুর, মৌলানা ইউসুফ প্রমুখ রা। তো উনারা ছিলেন ৭১ গঠিত পুর্ব পাকিস্থান মন্ত্রী সভার সদস্য। উনাদের চেয়ে বড় রাজাকার আর কে হতে পারে। উনাদের কেই মুক্ত করে দেন মুজিব।

বাকি ১০ হাজার ছিল , ছোট খাট রাজাকার যাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ মামলাই সাক্ষ্য প্রমানের অভাবে প্রমান করা যাচ্ছিল না। সেজন্য ই জিয়া দালাল আইন বাতিল করে তাদের কে মুক্ত করে দেন।

সুতরাং যুদ্ধাপরাধী বিরোধী কিছু লিখতে হলে বা কাজ করতে হলে এই বিষয়ে আগে কিছু পড়ালেখা করা উচিত।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: থার্ড নয়ন, আপনার পুরো মন্তব্যটাই মন দিয়েই পড়ছিলাম...শেষের দিকে এসে যখন আপনি খুব সুন্দর করে বলেন -"সেজন্য ই জিয়া দালাল আইন বাতিল করে তাদের কে মুক্ত করে দেন। " , তখন আর বলার কিছু থাকে না...

আপনার এই মন্তব্য এক ধরনের সাফাই মেজর জিয়ার সেই সময়ের রাজনৈতিক কূটচালের...জিয়া সরকার সেই সময় গোলাম আযম কে বৈধতা দেয়, তিনি জামাতের রাজনীতিকেও স্বীকৃতি দেন ।

এ ব্যাপারেও আপনার সাফাই পেশ করুন ।

৫১. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩১
হাফিজুর রহমান মিতু বলেছেন: ভাইজান মেজর জিয়ার সরকারের সাফাই ভালই গাইলেন ।ইতিহাসও ভালই জানেন মনে হয় । তবে বলেন তো জিয়ার সরকারের প্রধান মন্ত্রী কে ছিলেন ? আর শেখ মজিব যদি ভুল করে থাকে তাহলে সে কেন সঠিক কাজ করলেন না । সংবিধান পরিবতন করতে তো ভুল করেননি । চোরের মার বড় গলা । রাজাকারদের নিয়ে তো এখনও নাচানাচি করচ্ছেন । সঠিক পথে আসুন, কোন দলের ভুল না খুজে রাজাকাদের বিচার চান । আত্তসমালোচনা করুন । ধন্যবাদ
৫২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০০
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: comment by: উন্মোচক বলেছেন: আপনি বলেছেন, রাজাকার শব্দটি মূলত একটি আরবী শব্দ। তথ্যটি ভুল। রাজাকার বলতে আরবিতে কোনো শব্দ নেই। সঠিক তথ্য পরিবেশন করুন।

পোস্টে যে তথ্যগুলো আপনি দিয়েছেন, তার অনেকগুলোই সঠিক বলে মানতে পারছি না। এগুলো মূলত চক্রান্তকারী একটি দলের সাজানো ইতিহাস। সত্যের সাথে বহু অসত্য তথ্য জুড়ে দিয়ে বেশি বেশি প্রচার করে তারা একে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।

যুদ্ধাপরাধীদের শীর্ষ তালিকাটি সন্দেহগ্রস্ত। বিশেষ করে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম যখন সেখানে দেখি তখন আর বুঝতে বাকি থাকে না যে এর সবই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক এটি আমরা সকলেই চাই। কিন্তু তা হতে হবে অথেনটিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে। হিংসাপ্রসূত কোনো লেখনি এক্ষেত্রে দলিল হতে পারে না।

আরেকটা ব্যাপার আ'লীগে প্রচুর যুদ্ধাপরাধী রয়েছে। এদের কেউ কেউ নাকি আবার মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেটও নিয়ে নিয়েছেন। শেখ হাসিনার বেয়াইসহ এবারের সংসদে আ'লীগের দুইজন যুদ্ধাপরাধী সাংসদ রয়েছে। তাদের ব্যাপারেও সোচ্চার হতে হবে।
--- মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।

৭১ এর পরে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীর ১৯৫ জন সৈন্যকে যুদ্ধাপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের কে ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে মুক্ত করে দেন মুজিব।
--- চিহ্নিত ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই; তারপর নব্য যুদ্ধাপরাধীর।
৫৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:০৫
কেএসরথি বলেছেন: কবে হবে সেই বিচার, এই জনমে কি দেখে যেতে পারবো?
৫৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
অরণ্য আনাম বলেছেন: পোষ্টটি ওয়েব সাইটে ও প্রিয়তে আছে।
৫৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৬
তাজা কলম বলেছেন:
লেখাটি লিংক দিয়ে পুন:পোষ্ট করার অনুরোধ করছি।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: এই পোস্টের লিংক উল্লেখ করে লেখাটা যে কেউ রি-পোস্ট করতে পারে স্যার।

৫৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: সরাসরি শোকেজে। এমন লেখাই তো চাই।
৫৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আরো কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জানা গেল এই পোস্টটি থেকে -

Click This Link
৫৮. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৪
শাহেরীন বলেছেন: প্লাসাইলাম।।
প্রিয়তে নিলাম।।
৫৯. ২৬ শে মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৫
সবাক বলেছেন: প্রথম পাতায় চলে যা।
৬০. ০১ লা এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৪
রাসেল মেটামোরফোজ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীর বিচার মনে হয় আর এই সরকারের আমলে হবেনা। সরকারের হাব ভাব দেখে মনে হচ্ছে তারা এটাকে ইস্যু করে নির্বাচনে জেতার চেষ্টা করবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৯৬৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন***...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ