somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"হিজড়া" এক আতঙ্কের নাম

২৩ শে নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




এযাবৎ কালে আমিই হয়তো একমাত্র জীব যে কিনা সরাসরি হিজড়াদের বিপক্ষে লিখতে বসলাম। বিভিন্ন জন এদেরকে বিভিন্নভাবে রূপায়িত করে, কেও সমাজ অবহেলিত, কেও নির্যাতি, কেও লাঞ্চিত। বিভিন্ন ভাবে এদের আখ্যা দিয়ে এদের প্রতি সহানুভূতি দিয়ে আসছেন যারা তাদেরও হৃদয়ে আঘাত লাগবে এই লেখাতে।


আমার একটি সাধারণ প্রশ্ন- কাজ করার জন্য কি যৌনাঙ্গ খুবই জরুরী???

উত্তর- অবশ্যই না।
একটা সময় ছিল যখন কর্মসংস্থানের অভাব ছিল তখনকার কথা আলাদা, কিন্তু এখন কর্মসংস্থানের কোন অভাব আছে কি? একজন হিজড়া যদি কারো বাসায় গৃহস্থলির কাজ করে তা হলে কেও কি তাকে তাড়িয়ে দেবে? অবশ্যই দেবে না বরং গৃহকর্তী আরো খুশি হবেন এই ভেবে যে জামাই তার কখনও কুনজর দেয়ার সুযোগ পাবে না।

বাংলাদেশে অনেক গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে হিজড়াদের প্রধান্য দেয়া হয়। সেখানে একটি মেয়ে যদি কাজ করতে পারে হিজড়া কাজ করতে কোন সমস্যা হবার কথা নয়। কাজের সময় কেও কাপড় উচিয়ে তার যৌনাঙ্গ কি তা দেখবে না।

একজন হিজড়া যদি দোকানে জব করে, যদি সেলস্ এ কাজ করে তা হলে তার কোন সমস্যা আছে কি? না তাদের কোন সমস্য নাই। তারা অনায়াসে করতে পারে। এই লিঙ্গ না থাকার কারনে তারা অনেক নিম্চিন্তে চলা ফেরা করতে পারে যা একজন মেয়ের পক্ষে যা সম্ভব নয়।

এভাবে যেখানেই তাকান না কেন কাজের ক্ষেত্রে এদের বর্তমানে কোন বাধা নাই। কিন্তু এই জাতীটি করবে না। এরা সর্বদাই লিঙ্গের অনুপস্থিতিকে পূজি করে চাঁদাবাজি করে চলে। আসলে বিনাপরিশ্রমে যদি চলে যায় কে চায় পরিশ্রম করতে।




হিজড়ারা যা করে আমাদের সমাজেঃ-

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজিঃ প্রতিটি হিজড়ারর দলের (এরা দলবন্ধ থাকে দাপট দেখানোর সুবিধার্থে) এলাকা ভাগ থাকে। সেই এলাকা অনুসারে সপ্তাহে ১দিন কোথাও মাসে ১দিন নিদ্দিষ্ট হারে এদেরকে চাঁদা দিতে হয়। অন্যথায় হামলে পরে দলবল নিয়ে। আর সেই হামলে পরার ভয়ে কেওই এদের ঘাটেন না।

বাসাবাড়ীতে চাঁদাবাজিঃ কারো বাসায় নতুন বাচ্চা জন্মগ্রহণ করলে এরা হামলে পরেন দলবল নিয়ে। শিশুটিকে নিয়ে নাচ গান করে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুটি ভয় পেয়ে অসুস্থ হওয়ার খবরও পাওয়া যায়। অশ্লীল ভাষায় এদের স্বরোচিত নাচগাণ দিয়ে পরিবেশ মাতিয়ে উচ্চহারের চাঁদা দাবি করেন যা দেয়া অধিকাংশের পক্ষেই অসম্ভব। তাতে বেধে যায় ঝগড়া দ্বন্ড। চাঁদার হার কম হলেই এরা প্রথম কাপড় খুলে ভয় দেখায়। তা না হলে প্রসাব পায়খানা করে পরিবেশ নষ্ট করার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে। এদের কাছে মাফ চেয়ে, হাতে পায়ে ধরে রাক্ষা পাতে হয় নবজাতকের পরিবারকে।

বিয়ে সহ নানা আনুষ্ঠানিকতার বাড়িতে চাঁদাবাজিঃ এলাকায় কোন অনুষ্ঠান হলে এরা স্বদলবলে হামলে পরে। স্বরোচিত অশ্লীল নাচগান গেয়ে খাবার দাবার খেয়ে নষ্ট করে চাঁদা নিয়ে তারপর ছাড়েন। যা কিনা অনেকরে পক্ষের দেয়া সম্ভব হয় না।

এতো গেল তাদের দিনের বেলার কার্যকলাপ। কিন্তু রাতের বেলার কার্যকলাপ এদের আরো খারাপ। এরা নিজেরাতো মাদক সেবন করেই সাথে এলাকার যুবসমাজের মাঝেও এরা মাদক সরবরাহ করে থাকে। করে থাকে পতিতা সরবরাহের কাজও। পথ পতিতা সহ বিভিন্ন পতিতাদের সঙ্গে সংখ্য থাকে এদের্। যার মাধ্যমে এরা এই কাজটি অনায়াসে করে চলছে।

এভাবে যদি কেও লক্ষ্য করে তা হলে দেখবেন এদের ভাল কাজের কোন নিদর্শন দেখাতে পারবেন না। তাই আসুন এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই সবাই।
২৭টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×