তখনো বসন্ত আছে তবু অসহিষ্ণু বল্লে-'শিট'
উঁকি দিচ্ছে চাঁদ তবু পাতার আড়ালে যেন ব্রাত্য
হয়ে নেচে যাচ্ছে বোধ আর প্রতীকী বাতাস প্রাত্য-
হিক।নীল ঝরোকার নিচে প্রেম খুলে দিচ্ছে গিঁট
আশ্লেষের।চাঁদ উঠে যাচ্ছে ধীরে যেনবা বুরুজ
উঁকি দিচ্ছে ফরসা আকাশে।তবু ল্যাকপ্যাক ভীতু
ফেরাতে পারে না চিরস্থায়ী কোনো বসন্তের ঋতু।
খামোকা গড়িয়ে যায় দিন আর পুঁজিবাদী পুঁজ।
চাঁদের বিভ্রম থেকে কারা তোলে তিক্ত বৃদ্ধাঙ্গুলি
দি'শলাই কাঠি ঠুকে বয়ে আনে চাঁদের আগুন
প্রেম পোড়ে।ডলারের দেহ থেকে ঝরে লাল খুন
কে সরায় মরীচিকা--আরণ্যক প্রপঞ্চের ঠুলি?
পাথরপ্রতিম সব।সবকিছু গ্লেসিয়ার-ফ্রিজ!
ভেঙে পড়ে প্রতীকী প্রাসাদ আর জৈবনিক ব্রিজ।
(কালি ও কলমের সৌজন্যে)
বাঘিনীর নখ
যে স্বপ্ন তোমাকে ঘিরে তাই আজ ভেঙ্গে খান খান
যে তুমি একদা ছিলে ভ্রম হয় সে তুমি এ তুমি নয়
তোমার কামিজ থেকে ইদানীং পুরুষালী গন্ধ বের হয়
তুমি খুব বদলেছো,বদলেছে তোমার প্যাটার্ণ।
তোমার আঙ্গুল সে আঙ্গুল নয়,বাঘিনীর নখ।
হৃদয় মামুলি করে তোল নাকি শারীরিক শুঁড়
আশ্লেষে বিদীর্ণ করো,যেন তুমি আগ্রাসী গরুড়-
ঠোঁটে ঠুকরে নিচ্ছ প্রেম-স্বপ্নময় স্মরণীয় শখ।
এত দ্রুত কী করে যে ঝেড়ে নিলে তোমার পালক
উড়ালে শালীন সাজ আর ঝরালে বাতিল ফেঁসো
বিস্রস্ত বাতাসে।শালীনতাহীন শরমের লেশও
রাখলেনা বিবশ দেহে-তুঙ্গ হলো শরীর শায়ক।
তুমি লুব্ধ হলে,তুলে নিলে প্রেম,হার্দ্য বেশবাস
তুমি নব্য ক্লিওপেট্রা-পুরুষের স্বত সর্বনাশ।
(ইত্তেফাকের সৌজন্যে)
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


